Skip to main content

Posts

কবিতা ।। এই মন ভালো নেই দিনে ।। সুপ্রভাত মেট্যা

এই মন ভাল নেই দিনে সুপ্রভাত মেট্যা  এই মন ভাল নেই দিনে  কোথাও কোনও রৌদ্র ফুটলে ভয় হয়!  মনে হয়, ওই বুঝি মেঘ এসে ঢেকে দিল চৈতন্য আমাদের!  আমাদের হারিয়ে যাওয়া বোধ থেকে  এই বুঝি জন্ম নিল রাক্ষুসে অন্ধকার।  সচেতন পাতা,  গাছের শাখায় শাখায় হাওয়ায় নত হয়ে, ঝুঁকে পড়লে,  দোষ তুমি কাকে দেবে বলো? এই প্রভাত, জ্ঞানের শিকড়ে বড় মাটির অভাব জানি।  জানি কিছু উর্বর মস্তিষ্কে এখনও গোবরের প্রলেপ দেওয়া আদিসারের অন্ধ কিছু বই লেখা আছে।  তোমাকে বলি শোন, অ্যাই ছেলে,  যদি আলো হতে চাও, তবে অন্ধকারে ঘুরে ঘুরে  ঝুপড়ির ত্রিপল খাটানো রাতের নীচে যে সংসার পাতা আছে সেইখানে যাও।  ভাল একটা মন লুকিয়ে দেখবে সেইখানে কোনও কবির  ঘাম ও অশ্রুর ছায়ায় চুপ হয়ে আছে। ============ কবির নাম :- সুপ্রভাত মেট্যা  গ্রাম :- বলরামপুর  পোষ্ট :- জয় বলরামপুর  থানা :- তমলুক  জেলা :-পূর্ব মেদিনীপুর  পিন:- ৭২১১৩৭

কবিতা ।। জোছনা আলোর স্বপ্ন ।। তুষার ভট্টাচাৰ্য

জোছনা আলোর স্বপ্ন  তুষার ভট্টাচাৰ্য  যারা বেঁচে আছে হলুদ কাঁসার থালার মতন জোছনা আলার স্বপ্ন বুনে চোখে, তারা কোনওদিন খড়কুটোর মতন ভেসে যাবে না নদীর বান বন্যায় জলস্রোতে পলিমাটির ঘ্রাণ নিয়ে তারা নতুন ঘর বাঁধবেই  ; তাদের নিকোনো মাটির উঠোনজুড়ে রুপোলি রোদ্দুরে ভিজে খেলা করবে ভোরের দোয়েল, শালিক l ========== তুষার ভট্টাচাৰ্য ডাকঘর : কাশিমবাজার l বহরমপুর l জেলা : মুর্শিদাবাদ l

কবিতা ।। নিঃস্ব হবো ।। লালন চাঁদ

নিঃস্ব হবো  লালন চাঁদ তোমার জন্যে আজও স্বপ্ন কুড়োই  রোদ্দুর কুড়োই  বুকের ভেতর সাজিয়ে রাখি থৈ থৈ শীত  তুমি এলে পৌষমেলায় যাবো  নলেন গুঁড়ের মিষ্টি কিনবো  গোটা মেলাটাই কিনে নেবো তোমার জন্যে  তুমি এলে না  মেলা ভেঙে গেলো  নলেন গুঁড়ের মিষ্টি খাওয়া হলো না  মেলাটাও কেনা হলো না  ভাবতে ভাবতে আমি নিঃস্ব থেকে নিঃস্বতর হয়ে যাই  আর মেলায় যাবো না  একাকী থাকবো  তোমার জন্যে পুড়ে পুড়ে ছাই হবো সারা জীবন  ---------------------------------------- লালন চাঁদ গ্রাম + পোস্ট = কুমারগঞ্জ।  জেলা = দক্ষিণ দিনাজপুর। -------------------------------------

কবিতা ।। ভালোলাগা  ।। আজিজ উন নেসা 

ভালোলাগা  আজিজ উন নেসা  অচকিতে আঙ্গুল ছুঁয়ে যায়  পাশে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটির হাতে.... মনে চাপা ভয় মিশ্রিত উচ্ছ্বাস চল্কে ওঠে, চোখে মুখে তরঙ্গ খেলে যায়!  জলধারা মাটির তলদেশ আর বয়ে যেতে না পেরে  শত উচ্ছ্বাসে আছড়ে পড়ে পাহাড়িয়া ঝর্না!  চোখে চোখে কিছুক্ষণের চাওয়া চায়ি... ক্ষণিকের ঘটনা আজ ও স্মৃতির পাতায়   স্নিগ্ধ কোমল স্পর্শ দিয়ে যায়, জ্বলে ওঠে এক সুগন্ধ মোমবাতি! ============== আজিজ উন নেসা ৯ সার্কাস রেঞ্জ, বেকবাগান, কোলকাতা-১৯ 

ছড়া ।। সেই ছড়াটা ।। বদ্রীনাথ পাল

সেই ছড়াটা বদ্রীনাথ পাল  একটা ছড়া মিষ্টি বড়ো যেন মধু মাখা  যায় না যে ভাই কোনোমতেই লুকিয়ে তাকে রাখা, রাখি যেথায় তাকে - মৌমাছিরা ঠিক খুঁজে নেয় বারেবারেই ডাকে। সেই ছড়াটা দুষ্টু বড়ো করে ভাঙা গড়া হাসে হাসায় কাঁদিয়ে ছাড়ে যেন রসের ঘড়া, দুঃখ ও শোক ভুলে - যাবেই যাবে নাও যদি ভাই তাকেই কোলে তুলে ! সেই ছড়াটা তরল যেন ঠিক ঝর্ণা ধারা গড়িয়ে পড়ে জ্যোৎস্না রাতে চাঁদের কিরণ পারা ! পরশটি তার পেলে- সব পেয়েছির দেশটি যেন হাতের কাছেই মেলে। ==================   বদ্রীনাথ পাল  বাবিরডি, পোস্ট-গৌরাংডি, জেলা-পুরুলিয়া,

কবিতা ।। অভিরুচি ।। তীর্থঙ্কর সুমিত

অভিরুচি তীর্থঙ্কর সুমিত  জমানো কত কথা ক্রমশঃ শেষ হয়ে আসছে নীল রং কালো হতে হতে মিলিয়ে যাচ্ছে কোনো অজানা দেশে ব্যর্থতার শৈশব পরিপাক্ক যৌবন ফেলে এখন একাকী অন্ধকারে নিজেকে বদলাতে চায় তোমার সব চাওয়া ---- উদাসীনতার বিকেল আজ যাত্রা পথে শুধু রঙ বদলে যায় বদলে যায় নিজেকে চেনার অভিরুচি। ============== তীর্থঙ্কর সুমিত মানকুণ্ডু, হুগলী  

সুশান্ত সেনের ৩টি কবিতা

১  বিশ্বাস তোমাকে বিশ্বাস করে সব কিছু ছেড়ে এসে দেখি তুমি দূর পাহাড়ের কুয়াশা দিয়ে নিজেকে ঢেকে রেখেছো। তখন বিশ্বাস এর মর্যাদা রেখে দূর পাহাড়ের কাছে চলে এসে দেখি এখানেও পুরোদমে দল বদল চলছে। একজন বলে উঠলেন -  রাজনীতি ছাড়া মানুষ হয় না। তাই চাণক্যের  - কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্র খুলে বসলাম এদিকে পড়তে গিয়ে দেখি বইটি সংস্কৃত ভাষায় লেখা। তাই নর নরৌ নরাঃ শিখতে বসলাম। ২  এখন সুপারি গাছের ফাঁকে ঝুমকো ঝুমকো আলো  নীল আকাশে এক পশলা বৃষ্টি একটু বাতাস একটু ধুলো ওড়া নিয়ে হাইওয়ের ধারে দাঁড়াবার পর, সামনে দেখি ধুলো উড়িয়ে  চারটে মোটর সাইকেল আসছে  সামনে একটা এইচ ইউ ভি। অবতরণ করলেন দশাসই কর্মকর্তা  ল্যাংচা খাবার জন্য ল্যাংচা কুটিরের সামনে পাশে বন্দুকধারী দেহরক্ষী। মনে একটু কিন্তু কিন্তু নিয়ে  ল্যাংচা খাবার পর সিঙ্গারা খাবো কী না ভাবছি, এমন সময় পুটে কাধে হাত রেখে বলল- কি রকম দেখছেন সমাজ ব্যবস্থা ! ঝুমকো আলো, এক পশলা বৃষ্টি ধুলোর ভেতর সেঁধিয়ে গেল।  ৩  সূচিপত্র সকাল হয় দিন শুরু সূচিপত্র পড়ি,  নাম নেই নিরাশায় কেটে যায় বেলা। আবার লিখি আবা...

সুনন্দ মন্ডলের দুটি ছড়া

 সুনন্দ মন্ডলের দুটি ছড়া সবুরে রোদ ফুরোল সন্ধ্যে হল নামল আঁধার রাত। গপ্প গাথায় জমবে আসর কাটবে ভূতের সাথ। বেরিয়ে কেউ আসবে কি এই গল্পের খাঁজে? থাক না মোড়া শীতের কাঁথায় হরেকরকম সাজে। তোমার খুশি রাত জড়ানো মধুর আলাপ গুড়ে। একটুখানি বিরতি থাক মেওয়া ফলুক সবুরে।          ২  লক্ষ্মী প্যাঁচা চাষীর জমা ফসল এল  ঘরের কোণে মেলা। শীতের দুপুর নেই চড়ুই লক্ষ্মী প্যাঁচার খেলা। রাত ফুরোলে ভিজবে মাটি শিশিরে ডুববে পা। তোমার সাথেই বাঁধবে জুটি মাটির ভাঁড়ে চা! আলতো ছোঁয়া হিমেল হাওয়া  তোমার পায়ে আলতা! রঙিন হোক নতুন সকাল সঙ্গে আচার চালতা। লক্ষ্মী প্যাঁচার পায়ে পায়ে আসুক বাড়ি ধন। ফসল বেচে সোনা পাওয়া স্বপ্ন উলট পুরান। ============ কাঠিয়া, পাইকর, বীরভূম

গল্প ।। ব্যাঘ্ররূপী মনুষ্যভূত ।। সমীর কুমার দত্ত

  ব্যাঘ্ররূপী মনুষ্যভূত সমীর কুমার দত্ত                 জমিদার রায়বাহাদুর কন্দর্পনারায়ণের মৃত্যুর পর তাঁর উত্তরাধিকারীদের মধ্যে শরিকি সংঘর্ষের ফলে তাঁর সম্পত্তি ভগ্নদশাগ্রস্ত ভূতুড়ে সম্পত্তিতে পরিণত হয়ে মামলার রায়ের দিন গুনছিলো। সুদীর্ঘ সময় অতিবাহিত হ‌ওয়ার পর মামলাটির নিস্পত্তি হলে পাঁচ শরিকের মধ্যে নিজ নিজ অংশে রিমডেলিং,মেরামতি ইত্যাদির কাজ শুরু হলো। এমনিতেই বহুদিন  পড়ে থাকা জমিদারের নিস্তব্ধ নিঝুম বৃহৎ অট্টালিকা প্রাসাদকুক্কুটের নিরন্তর বকবকম যেন প্রাসাদটিকে রহস্যাবৃত করে তুলেছে। মেরামতির সময় ভৌতিক উপদ্রব শুরু হলো। তারা যতবার স্ব স্ব অংশের প্লাস্টার করে, পরের দিন এসে দেখে, সেই প্লাস্টার খসে পড়ে গেছে ব্যাঘ্রের থাবার চাপে। ভৌতিক উপদ্রব বলছি এইজন্য যে প্রত্যেক শরিকের দেওয়ালেই ওই এক‌ই নিদর্শন দেখা গেছে যেখানে ভিন্ন ভিন্ন রাজমিস্ত্রি কাজ করছে। আর দেওয়ালে সিংহের পদচিহ্ন পড়া তো সম্ভব নয়। সম্ভব শুধু মেঝেতে। তদুপরি দু -তিন দিন এ ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটলো। কাজ বন্ধ হবার উপক্রম হলো। বাঘের অগুনতি পায়ের দাগ, যার ফলে প্লাস্টার খসে খসে পড...

অণুগল্প ।। শ্বেত পদ্ম ।। অঞ্জনা গোড়িয়া সাউ

  শ্বেত পদ্ম  অঞ্জনা  গোড়িয়া সাউ     টিং টং রিংটা বেজে উঠল । পুষ্পিতা  এই কলটার অপেক্ষায় উৎসুক হয়ে ছিল।  "অপেক্ষা করো । আমি আসছি ।" নির্দ্বিতায় বলে, ফোনটা কেটে দিল। পুষ্পিতা আয়নার সামনে আর একবার  ভালো করে তাকাল। লাল শাড়ি ম্যাচিং ব্লাউজ আর ঠোঁটে গাঢ় লাল লিপস্টিক। ঠিক ঠাক লাগছে তো ?মনে মনে বলল।আয়নার অপ্রান্ত থেকে কেউ বলে উঠল , কলঙ্কিনী বধূ হতে চাও ? নাকি রাধিকা ? পুষ্পিতা একদম ভয় পেল না । তীব্র কন্ঠে বলল ,"আমি ওর বউ " হতে চলেছি। কোন অন্যায় করছি না । ছবিটা অদৃশ্য হয়ে গেল । পুষ্পিতার মাথার সিঁদুরটা আলতো করে ঢেকে দিল চুলে । হাতে  একটা স্ট্রাইলিস্ট নোয়া , এঁয়োস্ত্রীর  চিহ্ন। সকল বন্ধন মায়া মমতা মুক্ত  করে আজ সে যাবেই অয়নের কাছে । দীর্ঘ ১৫ বছর বন্দী সংসারের খাঁচায় । ওড়বার খুব ইচ্ছে সামনের  আকাশটাতে ,শিকল বাঁধা পাখি  । নিজের ইচ্ছা গুলিকে দমিয়ে রেখে ছিল এত দিন । একদিন বাজার করতে গিয়েই  আলাপ হয় অয়নের সঙ্গে । দুব্যাগ বাজার নিয়ে হুমড়ি খেয়ে পড়ে যাচ্ছিল ওর গায়ে। অয়নই হাতটা ধরে   তুলে ছিল । রান্নাকরা ,বাজার করা শ্বশুর...

কবিতা ।। বর্ষবরণ ।। দীনেশ সরকার

  বর্ষবরণ দীনেশ সরকার   পুরানো দিনের কালিমা কলুষ থাক সব পিছে পড়ে মনের কোণেতে বেদনার ডালি রাখবো না আর ভ'রে।   দুঃখ-আঘাত যত জমা আছে আছে যত শোক-তাপ বর্ষ শেষের বিদায় লগ্নে ধুয়ে-মুছে হোক সাফ।   ধর্মের নামে হানাহানি যত রক্তের হোলি খেলা শেষ হয়ে যাক বর্ষশেষের   শেষ প্রহরের বেলায়।   এসো-এসো-এসো, নতুন বছর তোমারে বরণ করি নতুন ঊষার নবীন কিরণে জীবনের গান ধরি।   বন্ধুর পথ হোক মসৃণ বিচ্ছেদ যাক দূরে নতুন বছরে এসো সবে আজ গাই গান একসুরে।   নতুন বছর সবার হৃদয়ে দাও ভরে ভালোবাসা নবীন আলোকে নবউচ্ছ্বাসে জাগাও নতুন আশা।   ************************** দীনেশ সরকার ১৪০ ডি, হিজলি কো-অপারেটিভ সোসাইটি, প্রেমবাজার, খড়্গপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর---- ৭২১৩০৬  

কবিতা ।। প্রকাশিত কবিতা ।। আশীষ কুমার বিশ্বাস

প্রকাশিত  কবিতা আশীষ  কুমার  বিশ্বাস একটা কবিতা তাঁর ভালো লাগা, মন্দ লাগা। তারপর প্রিন্টিং প্রেস অচেনা প্রচ্ছদ তাঁর জন্ম, লিটিল ম্যাগজিন। একটা যুদ্ধ জয়  প্রকাশিত কবিতা বার বার তাঁর ওপর চোখ বোলানো। মনে কবি হওয়ার শখ জাগে  রবীন্দ্রনাথ, জীবনানন্দ, নজরুল, সুকান্ত মনের গভীরে সুপ্ত বাসনা। আবার কলম-কাগজ, নির্জনে চিন্তা ভাবনার গোড়ায় শিকড় গজানো। অক্ষরে অক্ষরে, শব্দে শব্দে নতুন লাইন। আরো একটা কবিতার জন্ম । ঠিক এই ভাবেই -- আরো একটা কিংবা অন্য ভাবে আরো একটা।

ছড়া ।। নতুন বছর ।। রঞ্জন কুমার মণ্ডল

নতুন বছর  রঞ্জন কুমার মণ্ডল নতুন বছর নতুন বছর  এসো নতুন সুরে  দুঃখ কষ্ট মনের গ্লানি  দাও সরিয়ে দূরে। নতুন বছর নতুন বছর  শান্তি আসুক ফিরে  মন খুশিতে ভরা থাকুক  কষ্টেরা যাক সরে। নতুন বছর নতুন বছর  দাও নতুন আলো ঘুচবে দ্বন্দ্ব সব ভেদাভেদ  মন্দ চিন্তা গুলো। নতুন বছর নতুন বছর  দাও শুভ সন্দেশ হিংসা বিভেদ সরে যাবে থাকবে সুখ রেশ। নতুন বছর নতুন বছর  তোমার আগমনে  বিবেকবোধ ভালোবাসায় থাকবো সবার সনে। নতুন বছর নতুন বছর  সময় চলুক হেসে  সারা বছর মন ভালো থাক সবারে ভালোবেসে। ================== রঞ্জন কুমার মণ্ডল  সারাঙ্গাবাদ, ভায়া -বজবজ  দক্ষিণ ২৪পরগণা। পিন-৭০০১৩৭.

অণুগল্প ।। কমোড ।। অরিজিৎ মল্লিক

  কমোড অরিজিৎ মল্লিক সেদিন একটা বিখ্যাত শপিং মলে গেছি পুজোর বাজার করতে। এমনিতে মাসের গ্রসারি ওখান থেকেই করি যবে উদ্বোধন হয়েছে তাই স্টাফরা বেশির ভাগই চেনা। ব্র্যান্ডেড জিন্স দেখতে গিয়েই পেট টা কামড়ে উঠলো,আজ খুব ভোগাচ্ছে। টয়লেট গিয়ে দেখি তিনটেই বুকড, নক করাও অশোভন কিন্তু বেগ যখন আবেগকে ছাড়ালো তখন করলাম নক নক!! পরপর দুটো দরজাই খুলে বেরিয়ে আসলো দুজন পরিচিত সেলসবয়, মাথা নিচু করে চলে গেলো হন্তদন্ত হয়ে। ভেতরে যেতেই বুঝলাম, জলের বিন্দুমাত্র প্রমান নেই , দুর্গন্ধহীন! তবে কি ওরা শুধুই বসতে আসে কমোডে! একটু জিরোতে! তাই তো! একটাও টুল দেখিনি উঁচুদরের মলটায়। ----------------- অরিজিৎ মল্লিক  বর্ধমান,পশ্চিমবঙ্গ, ভারত

কবিতা ।। হিংসুক ।। সেখ মোসলেম আলি

  হিংসুক  সেখ মোসলেম আলি  খামখেয়ালী, বেহিসাবি এটাই আমার স্বভাব। ঠোকে শিখেছি জীবনে মোর চৈতন্যের অভাব।। অবচেতনে, খুব যতনে ঠকাচ্ছে আমায় লোকে। মূর্ছিত সব, ছেড়ে ছুড়ে রব কাঁদছে আমার শোকে।। আমি তো বেশ দিব্যি আছি নেই কোনো ঝঞ্ঝাট। ওদের বুকে ঝিঁন ধরেছে তাই করে উটকাট।। হিসাব করে লাভ কি হবে? তুমিও চেষ্টা করো। পরিশ্রম আর বুদ্ধিবলে সঠিক পথটি ধরো।। ============== Adress: Sk Moslem Ali  Vill.- Jagadishpur,  P.O.- Naul,  P.S.- Shyampur, Dist.- Howrah  Pin code - 711312

ছড়া ।। কবিতা বিভ্রাট।। শান্তনু আচার্য

কবিতা বিভ্রাট   শান্তনু   আচার্য   লিখতে হবে কবিতা আমায় হঠাৎ হলো শখ ; লিখতে বসে শুধুই দেখি কমছে হাতের নখ । ভেবেছিলাম আসবে মাথায় শব্দ যত মিলিয়ে ; দেখছি এখন লেখার আগেই যাচ্ছে সব গুলিয়ে । উল্টে পাল্টে পড়লাম আমি কত কবিতার বই ; অনেক করেও নিরেট মাথায় ছন্দ আসছে কই ? খাতার পাতা ভরে লিখি হিজিবিজি সব শব্দ ; নিজের ভাষাই করেছে আজ বেজায় আমায় জব্দ । ভাবলাম কানে গুঁজে পেন, কখনো পেনসিল চিবিয়ে ; কখনো বা ঘোর সন্ধ্যেতে ঘরের আলো নিভিয়ে । এদিক ওদিক সেদিক থেকে খুঁজছি খালি ছন্দ ; অনেক পরে হতাশ হয়ে করলাম খাতা বন্ধ । এ জীবনে হলোনা আর আমার কবি হওয়া ; কবিতা লেখা কঠিন বেজায় , নয়রে   হাতের মোয়া । ....................................................... ঠিকানা : Dr. Santanu Acharya Flat no. 1C, AA 11/13, Deshbandhu nagar, Baguiati,  Kolkata 700059. .........................................................

নিবন্ধ ।। বন্ধুত্ব ।। তীর্থ মণ্ডল

বন্ধুত্ব তীর্থ মণ্ডল বন্ধুত্ব বা Friendship  এই শব্দটা এক সুন্দর ভাব প্রকাশ করে। বন্ধুত্ব সব সময় যে একই বয়স বা বয়সী কারো সাথেই হতে হবে তার কোন বাধ্যবাধকতা নেই।আট থেকে আশি যেকোন বয়সের সাথেই হতে পারে। বন্ধুত্বের জন‍্য কোন বয়সের সীমা নেই। আশি বছরের বৃদ্ধ বা বৃদ্ধার সাথে কুড়ি বছরের বেশি বা তার থেকে কম বয়সী কোন  যুবক বা যুবতীর বা ছেলে মেয়ের মধ্যেও হতে পারে। বন্ধুত্ব স্বামী-স্ত্রীর, বাবা-মা, কাকা-  কাকী,মামা-মামী, বন্ধু-বান্ধবী, বা কোন পরিচিত,পরিচিতার মধ্যে বা হয়তো কর্মস্থলের কোন সহকর্মীর  সাথেও হতে পারে। কিন্তু ভালো বন্ধুত্ব হল জীবনের সর্বোত্তম সম্পদ, যেখানে সম্পর্কের কোন বাধা নেই, কোন চাহিদা নেই, যেখানে দুই ব্যক্তির মধ্যে মনের মিল, চিন্তা ভাবনার মিল হলেই গড়ে ওঠে বন্ধুত্ব।পরস্পর সুখ দুঃখের কথা আদান প‍্রদান বা জীবনের বিভিন্ন সমস‍্যা সমাধানের মত বিনিময় বা এ  নিয়ে আলোচনা করে মনের কষ্ট বা গ্লানি লাঘব করা, দূর করা। বন্ধুত্ব হল বিপদে আপদে বন্ধুর পাশে থেকে তার হাত শক্ত করে তার মনে সাহস দেওয়া,ভরসা দেওয়া,তাকে সবরকম ভাবে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া। এই বন্ধুত্ব বি...

কবিতা ।। দাসত্ব ।। বিবেকানন্দ নস্কর

দাসত্ব বিবেকানন্দ নস্কর কাঁচের টেবিলে ভেসে ওঠে মুখ মদ্যপ রাত্রি মাতালের সন্ধানে ডিনারে তোমার সান্নিধ্য। জীবনের খোলসে লেখা ছিল দাসত্ব  মৃত্যুর শিকলে বাঁধা  দাসপ্রথা এখনো লুকানো আছে। কাঁচের মতো জীবন ,ভেঙে কুচি কুচি কে কে ধরা দিল, কারা বা হারালো তিমির রাত্রি জানে সব। অন্ধকারেই খুঁজেছি রমনীর ঘ্রাণ পরকীয়া পাপে জীর্ণ রাত্রি দাসত্ব দিয়েছে তবু অনেক অনেক ভালোবাসা।

কবিতা ।। খেলা রঙ্গ ।। সমর কৃষ্ণ মন্ডল

  খেলা রঙ্গ সমর কৃষ্ণ মন্ডল রঙ্গ রসের বঙ্গে যত, কথাকলির মেলা--- কথায় কথায় বলছে সবাই জমবে এবার খেলা। হরেক খেলা হচ্ছে হেথায় জমে সবই ক্ষীর-- ফেরেপবাজির কলকাটিতে হচ্ছে শত বীর। বীরের ঠেলায় যায় যে পরাণ, দিনে রাতে ভাই আমরা সবাই প্রাণ বাঁচাতে কেবল খাবি খাই। দামের চোটে বাঁচার রসদ হচ্ছে কুলিন সব বিদ্রোহীরা তোলে আওয়াজ বাকিরা নীরব। গরিবের তো সরকার আছে, ধনীর আছে পেশা মাঝের মানুষ মুখ বুজিয়ে কেবল করে গোঁসা। গোলেমালে তাল মিলিয়ে হচ্ছে অনেক মানী রাজনীতির এই খেলা দেখে মনে প্রমাদ গুনি। মন্দ মানুষ পায় না সাজা, ভালো মানুষ জেলে মিথ্যে মামলায় জেল খাটে কেউ, অর্থবানরা বেলে। শিক্ষিত সব স্বপ্ন দেখে , চাকরি হবে ভালো--- পরীক্ষাতে লিখল বটে, রেজাল্ট ভানিস হলো। কারা-ই বা সব চাকরি পেল, কারা দেখলো খাতা-- সাদা খাতায় কেল্লাফতে, বুঝি না তার মাথা। হরেক খেলা হচ্ছে বটে, খেলার মজা কই -- খেলা-রঙ্গের ধন্দে পড়ে, সবই তা-থৈ-থৈ। ==============  

কবিতা।। মায়াজন্ম ।। নজর উল ইসলাম

  মায়াজন্ম নজর উল ইসলাম পেয়েছি জীবন পাহারায় আছি বুকের মনঘরে  স্বপ্নডানায় ওড়া এক পবিত্রতায় ঝুঁকে সংসার আমার  আঁচল বিছিয়ে পৃথিবীর খোলা নাটকের মঞ্চে দাঁড়িয়েছি কত সুর কত ঘেরাটোপ একা একা সামলে হরিণ সভ্যতায় ছায়ার মত বুক পেতে নতজানু শুধু পাওয়া না পাওয়ার কাছে ছোটবেলাকার রঙ এখন অকেজো নির্ভার কী বুঝি না মায়া সন্ধ্যের কামিনী গন্ধ ভরা তেবাসি অশ্রু দাগে বিষন্ন মগ্ন ছায়ার অনিবার্য সুতোয় যেন ঝুলছে বাঁশির সূর্যাস্তে নিভন্ত মহাজ্যোতি হারিয়ে বেয়াদব গম্ভীর মেঘমুখ আলো দিশার অন্ধকারে হারিয়ে ঠুনকো পেঁচার অনুক্ত বিদায়গ্রস্ত জাল বিবর্তনে ফলিত জয়োল্লাসের দিন শেষ, অছন্দে ছন্দ কাঁদছে কাঁপা বিরহ পোড়ামাটির স্বাক্ষরে পরাজিত মন অ-সংষ্কৃতির কদর্য বেমালুম পালিত স্পর্ধায় প্রতি মনভূমি রেখাচিত্রে অন্তহীন বিনির্মাণে স্থিত আমরা তো আরোগ্যে সান্ধ্যভাষার মুখচ্ছবি জোছনায় প্রতীক ছুঁই, পরিসর বাঁধি বিস্তর অবিনশ্বর কারও সঙ্গে যে জড়িয়ে ক্ষতচিহ্নে ইচ্ছেডানা সাজিয়ে বাস্তবতায় সেতুবন্ধন স্বপ্ন-আঁকা কত আলো নির্ভার... ============ নজর উল ইসলাম  পশ্চিম বিবিপুর, বেগমপুর, বসিরহাট, উত্তর ২৪ পরগণ...

কবিতা ।। রক্তের স্বাদ ।। বিপ্লব নসিপুরী

  রক্তের স্বাদ বিপ্লব নসিপুরী কিছু কথা, যা সর্বদা নোংরা মনের ঘরে  ভনভন করত কুৎসিত মাছির মতো।  অগভীর মনের গভীরে পুঞ্জীভূত কথাগুচ্ছ ব্যক্ত করেছিলাম বহুদিনের আধুনিক বাহুল্যবর্জিত  অকাজের জিনিসের ভীড়ে ঠাসা কুয়োর মুখে, কালো শ্যাওলার আস্তরণে মোড়া অগভীর  কুয়োর জমাট অন্ধকারে, ধিকধিক করে  জ্বলছিল প্রাণের আলো মৃদু,অতি ক্ষীণ।  একেবারে নিশ্চুপ, নির্বাক, পরাজিত সেনার  মতো শুনেছিল বহিরজগতচ্যূত একটা কুনোব্যাঙ, দীর্ঘদেহী কোমল মতি সর্প আর একদল মশা, যারা ছিল রক্ত স্বাদ হতে একেবারে বঞ্চিত।  কুয়োটা আজ শূন্য, নির্বাপিত আলোকবিন্দু, জীবহীন জড়ের আধার আঁধারে পরিপূর্ণ।  কোমলতার খোলস ছেড়ে সর্পের আগ্রাসী  আস্ফালন, বাতাসের উদর ক্রমশ ভারী আরও  ভারী হয়ে উঠছে, পান করে বিষের বাষ্প।  সাবধান খুব সাবধান,বুভুক্ষু সর্পটা পেয়েছে  রক্তের স্বাদ,রক্তিম শোণিত ধারার স্বাদ। মিটবে না অসীম ক্ষুধা হবে রক্তশূণ্য ধরা। ============= কলমে বিপ্লব নসিপুরী  গ্রাম+পোস্ট শীতলগ্রাম জেলা বীরভূম  পিন-৭৩১২৩৭ 

কবিতা ।। জলদেবতা ।। রহিত ঘোষাল

  জলদেবতা  রহিত ঘোষাল আমাদের সম্পর্ক ঠুনকো রাতের মতো নয় দূরে যে লাল সংকেত আলোর কোলের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে মোহনায়  তাকে কী বলবে ঠিক করেছ কিছু  সেখানে অসীমে যাওয়ার পথ ডুবন্ত নৌকার চন্দ্রিমা                          বহমান ছায়া কাঁটাগাছ যদি জানতে চায় কী বলবে ঠিক করেছ কিছু   সাতরং সূর্যকাচ পাপবোধ লুঠ করে তারা আমাদের মতো হাঁটুজলের সাক্ষ্য দেবে না তারা দুর্গম ভালবাসতে জানেই না তাদের কী বলবে ঠিক করেছ কিছু  =============

ছড়া।। দুলের মেয়ে সৌদামিনী ।। প্রবোধ কুমার মৃধা

  দুলের মেয়ে সৌদামিনী        প্রবোধ কুমার মৃধা             মাঝ নদী বরাবর জেলে ডিঙি বেয়ে।             হাল ধরে দাঁড়িয়ে সে দুলেদের মেয়ে।             নাম তার সৌদামিনী নিটোল গঠন।             চকিত নয়নে চায় কাজল বরণ।             কোমরে জড়ায়ে নিয়ে ডোরাকাটা শাড়ি।             রোদে-জলে বারোমাস স্রোতে দেয় পাড়ি।             দুটি ভাই নেপা-গোপা দিদির দোসর।             জলে জাল তোলা ফেলা করে দিনভর।             ঘরেতে পঙ্গু বাপ শুয়ে বিছানায়।             মরণের দিন গো‌নে কাঁদে যাতনায়।             সারাবেলা কাজ নিয়ে তাদের জননী।             মুখ বুজে টেনে চলে সংসারের ঘানি।             সকল...

অণুগল্প ।। বাহন ।। মানস কুমার সেনগুপ্ত

বাহন মানস কুমার সেনগুপ্ত বহুদিন আগে তৎকালীন বর্ধমান ‌জেলার মেমারি ষ্টেশনে নেমে অনেক দূরবর্তী গুলটে নামে এক গ্রামে পৌঁছেছিলাম । বাসযাত্রা, ছৈ লাগানো তিন চাকার ভ্যান রিক্সা অবশেষে গরুর গাড়িতে দীর্ঘ যাত্রাশেষে পৌঁছন   গেল সেই গ্রামে। উপলক্ষ্য বন্ধুর ভাইয়ের বিয়ে। গ্রামে গিয়ে আমার মত খাস শহুরে লোকের বিয়ে দেখার অনাবিল আনন্দের অনুষঙ্গে মিশে ছিল অনেক ঘটনা। বরযাত্রী গেলাম  গ্রামের অন্ধকার মেঠো পথে গরুর গাড়িতে। বউভাতের দিন গ্রামের প্রান্তসীমায় বন্ধুর বাড়িতে আরও কয়েকজন মিলে মাদুর পেতে সংলগ্ন পুকুর ঘাটে চলছিল চা সহযোগে বৈকালিক আডডা। হঠাৎ    দেখা গেল অনেক দূরে গ্রামের মেঠোপথ ধরে ধূলো উড়িয়ে কিছু একটা ছুটে আসছে। কাছে আসতে বোঝা গেল ঘোড়সওয়ার হয়ে কেউ একজন আসছেন এদিকেই। বাড়ির কাছে আসতে আমার বন্ধুটি এগিয়ে গেল ঘোড়সওয়ারী ভদ্রলোককে অভ্যর্থনা করে বাড়ির ভিতরে নিয়ে যেতে। কাছ থেকে দেখলাম সযত্নে লালিত চকচকে ঘোড়াটিকে। গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা ঘোড়াটিকে দেখতে তখন গ্রামের মানুষের ভীড়। আমার কাছে সে এক বিস্ময়। বন্ধু আবার বাইরে এসে আডডায় যোগ দিয়ে জানাল ভদ্রলোক কনের মামা ।...

কবিতা ।। মা, বড্ড ভয় করছে ।। অশোক দাশ

মা, বড্ড ভয় করছে অশোক দাশ মা বড্ড ভয় করছে  একা একা পথ চলতে  রাস্তায় ওত পেতে থাকে যত                            হায়নার দল। মা, বড্ড ভয় করছে  সূর্যটা ডুবে গেলে আঁধার ঘনায় নিস্তব্ধ নিঝুম রাতে  ঘুম আসে না  ঘরের চারপাশে কারা যেন দাপিয়ে বেড়ায়।  ওরা হিংস্র জানোয়ার  দিদিটাকে ওরা খুবলে -খুবলে  পাশবিক অত্যাচার করে মেরে ফেললো, মা, দিদিটা এখনও বিচার পেল না  কোনদিন কি ও বিচার পাবে না ! সত্য কি উদঘাটন হবে না !! অপরাধী কি সাজা পাবেনা!!! মা জানে, মায়ের বুক কাঁপে  তবুও সস্নেহে মেয়ের পিঠে হাত রেখে প্রত্যয়ের সুরে কন্ প্রতিটি ক্রিয়ার যেমন বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে  তেমনি প্রতিবাদ প্রতিরোধও আছে  গন আন্দোলন গন জাগরণই পারে অধিকার ছিনিয়ে নিতে  বিচার আদায় করতে।  রাজপথ আলপথে ঘটবে জনবিস্ফোরণ  বাজবে যুদ্ধের দামামা। তমসার আঁধার চিরে ভোরের সূর্যোদয়  এক ফালি রোদ্দুরে ভাসবে জগত সংসার।  অশোক দাশ ভোজান, রসপুর, হাওড়া, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।  মোবাইল নম্ব...

কবিতা।। যৌবনের ডাক - গোপাল চন্দ্র মন্ডল

  যৌবনের ডাক গোপাল চন্দ্র মন্ডল               বসন্তে কোকিল কুহু কুহু ডাকে  সুষমা বিছানায় শুয়ে প্রেমের ছবিআঁকে । এ কোকিল ডেকে দেয় যৌবনের ডাক  মনো বীনা বেজে ওঠে বাজায় ঢাক।  অষ্টাদশী নারীর কি যে যৌবন যন্ত্রনা  যার জ্বালা সেই বোঝে পায়না সে শান্তনা।  সুষমা একমাত্র বোঝে তার কি যে জ্বালা   পরিণীতা হয় তার চেয়ে বেশী ঝালাপালা। সুষমা পরিণীতা দুজনে বেশ বন্ধু  কথা দিয়ে কথা নেয় সে যে দীনবন্ধু। সুষমা পরিণীতা দীনবন্ধু যায় স্কুলে প্রেমের গল্প করে পড়া যায় ভুলে। দুই ফুল এক মালি লাগে তাদের দ্বন্দ্ব       কে কাকে বেশি ভালোবাসে বাড়ায় ছন্দ। এযে প্রেমের মহিমা বোঝা বড়ো দায়  কে যে কাকে ল্যাং মারবে শুধু ভয় পায়। ভালোবাসা ছাড়া আর জীবনে কি আছে  প্রেম যদি ব্যর্থ হয় জীবন একেবারে মিছে। ----------------------------------------------------------    গ্রাম =   উত্তর বালুপাড়া।     পোস্ট =গোপালগঞ্জ।     জেলা =দক্ষিণ দিনাজপুর।      পিন   =৭৩৩১৪১  ...

বিধিবদ্ধ স্বীকার্য :

লেখার বক্তব্যের দায়িত্ব লেখকের, পত্রিকার নয়। আমরা বহু মতের প্রকাশক মাত্র।

সাম্প্রতিক বাছাই

দাদা ঠাকুর ও কাজী নজরুলের দ্বিমুখী সখ্যতা ।। আবদুস সালাম

দাদা ঠাকুর ও কাজী নজরুলের দ্বিমুখী সখ্যতা আবদুস সালাম কাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে দাদাঠাকুরের পরিচয় কীভাবে হয়, সেই প্রসঙ্গে আলোকপাত করেন আবদুল আযীয আল-আমান। তাঁর লেখা থেকে জানা যায়, নলিনীকান্ত সরকার মহাশয়ের মাধ্যমে দাদাঠাকুরের সঙ্গে নজরুলের প্রথম পরিচয় হয়। নজরুলের ‘বিদ্রোহী’ কবিতা তখনও প্রকাশিত হয়নি। মোসলেম ভারতে প্রকাশিত কবির কয়েকটি কবিতা নিয়ে বাংলার সাহিত্যিক, কবি, পাঠক, সমালোচক মহলে রীতিমতো উঠেছে আলোড়ন। সেই সময় দাদাঠাকুরের সঙ্গে নজরুলের প্রথম আলাপ। *"দাদাঠাকুর" ওরফে শরৎচন্দ্র পণ্ডিত – ১৯ শতকের শেষ আর ২০ শতকের প্রথম দিকের এক তুখোড় ব্যঙ্গকার, সাংবাদিক এবং নাট্যকার। উনার "জঙ্গম" পত্রিকা তখন কলকাতার সাহিত্য-রাজনীতির আখড়া ।সবাই মুখিয়ে থাকতো কখন আসছে “জঙ্গম”। সারাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আর শ্লেষাত্মক ছড়া। কাজী নজরুল ইসলাম তখন সদ্য সাহিত্য জগতে এসেছেন। এসেই সাহিত্যের আঙিনায় তুলেছেন ঝড়। অসহ্য।কোথাকার এক গেঁয়ো- ভূত এসে তছনছ করে দিচ্ছে সব হিসেব । কিছুতেই কেউ যেন মেলাতে পারছে না অঙ্ক ।বিভিন্ন আলাপ আলোচনা ও সমসাময়িক বহু কলমচীর কথায় উঠে আসে দাদা ঠাকুর ও নজরুল প্রসঙ...

গল্প ।। অনুর অপেক্ষা ।। নাজিরুল ইসলাম

অনুর অপেক্ষা  নাজিরুল ইসলাম গ্রামের নাম জলামাদুল। গ্রাম বললে অবশ্য ভুলই বলা হবে, আসলে সেটি এক অজপাড়া গাঁ। গ্রামের বেশিরভাগ মানুষ চাষবাস করেই জীবন ধারণ করে। শহরের আধুনিক হাওয়া এখানে এখনো এসে পৌঁছায়নি। কাঁচা-পাকা রাস্তা, তাই বর্ষাকালে জল জমে কাদা প্যাচপ্যাচে হয়ে থাকে। গ্রামে গাছপালা, জলাজমি, পুকুর, ধান রাখার মরাই আর খড়ের গাদা—সবই আছে। এই প্রাকৃতিক সুন্দর পরিবেশে মানুষের সংখ্যা খুব কম। সব মিলিয়ে কুড়ি-বাইশটি ঘর হবে, সবাই সবাইকে চেনে। সন্ধ্যার পর গ্রামের বয়স্ক মানুষেরা একজোট হয়ে আড্ডা জমায়, তারপর হুঁকোয় টান দিতে দিতে যে যার বাড়ি চলে যায়। গ্রামের ঠিক মাঝখানে একটা একলা দোকান—চায়ের দোকান। দোকান বলতে বাঁশের খুঁটি, টালির ছাউনি আর সামনে পাতা দুটো কাঠের বেঞ্চ। দোকানটা চালায় অনু। অনুর বয়স ১৯ কিংবা ২০ হবে। শ্যামবর্ণের রোগাটে চেহারা, গোলগাল মুখ। তবে তার সবচেয়ে আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য হলো জোড়া ভুরুর নিচে একজোড়া নীল চোখের মণি, যা তাকে আর পাঁচটা মানুষের থেকে আলাদা করে। অনু অনাথ। কীভাবে সে মানুষ হয়েছে, সে নিজেও তা ভালো করে জানে না। আপনজন বলতে এক দাদি ছ...

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। ১০১তম সংখ্যা ।। শ্রাবণ ১৪৩৩ জুলাই ২০২৬

: ঘোষণা : এই সংখ্যার নির্বাচিত কিছু লেখা অপ্রকাশিত রয়ে গেল। সেগুলি ১০২তম সংখ্যায় প্রকাশিত হবে।  সংখ্যাটি প্রকাশিত হবে আগামী ১৯ আগস্ট ২০২৬ বুধবার রাতে। দেখবেন এই সাইটে:  https://www.nabapravat.com/ আগ্রহীরা প্রবন্ধ-নিবন্ধ, প্রতিবেদন-ফিচার, মুক্তগদ্য, স্মৃতিকথা, ভ্রমণকাহিনি পাঠাতে পারেন। (গল্প, কবিতা, ছড়া এই সংখ্যার জন্য পাঠাবেন না।)   একসঙ্গে মেলবডিতে লিখে বা পেস্ট করে পাঠাবেন।  একই লেখা দুটি মেল আইডিতেই ( nabapravat.online@blogger.com এবং nabapravatblog@gmail.com)  পাঠাতে হবে কথাটা স্মরণে রাখবেন।      সাবজেক্ট লাইনে লেখার শিরোনাম ও আপনার নাম লিখবেন।  প্রয়োজনে কথা বলতে পারেন এই নম্বরে : ৯৪৩৩৩৯৩৫৫৬ (নিরাশাহরণ নস্কর, সম্পাদক, নবপ্রভাত) ............................. সূচিপত্র ----------------- প্রেমের অনন্ত অনুরণন : ক্রিস্টোফার মার্লো ও কাজী নজরুল ইসলাম ।। আহমেদ বেলাল ২৯ জুলাই : বিদ্যাসাগর—একটি যুগের বিবেক, একটি আলোর নাম ।। উৎপল সরকার যাত্রা এবং ফাত্রা লোক ।। অরবিন্দ পুরকাইত দাদা ঠাকুর ও কাজী নজরুলের দ্বিমুখী সখ্যতা ।। আবদুস সালাম দক্ষিণ-পূর্ব এশি...

ছোটগল্প ।। নীলিমার আত্মজাগরণ ।। পরেশ চন্দ্র মাহাত

নীলিমার আত্মজাগরণ পরেশ চন্দ্র মাহাত নীলিমা মাহাত, বয়স পঁচিশ প্লাস —তার বাবা মায়ের পঞ্চম তথা শেষ সন্তান। দুই দাদা —বড়দাদা শঙ্কর ও ছোটদাদা বিজয়। বড় দাদা শঙ্কর আর দুই দিদি তাদের কিন্তু বিয়ে হয়ে গেছে। একমাত্র নীলিমা আপাতত স্বামীর কোমল হাতের স্পর্শ ও সহানুভূতি থেকে বঞ্চিত এবং আদৌ কবে অথবা সেই সৌভাগ্য আসবে সেটা ঈশ্বরের নিকটই একমাত্র জ্ঞাত। সেই সঙ্গে দুবছরের সিনিয়র ছোটদাদা বিজয়েরও নীলিমার মতো অবস্থা। তারও জীবনসঙ্গিনী জুটেনি। মোট সাতজন সদস্য নিয়ে গঠিত সংসার নীলিমাদের পরিবার। মধ্যবিত্ত পরিবার —মধ্যবিত্ত পরিবার না বলে যদি নিম্নবিত্ত বলা হয় তবুও কোনো অত্যুক্তি করা হয় না। বাবার প্রত্যেকদিনের আয়ের উপর ভিত্তি করেই চলে সংসার। এই কঠোর এবং কঠিন পরিস্থিতিতেও নীলিমার মা শ্রীমতী মেনকা‚ সংসার সামলে তার ছেলেমেয়েদের পড়াশুনার প্রতি যথেষ্ট তৎপর ও সহানুভূতিশীল। তাদের পড়াশুনায় কোনো খামতি রাখেননি। যথা সময়ে তাদেরকে বিদ্যালয়ের মুখ দেখিয়েছে – টিউশনের বন্দোবস্ত করেছে। তাদের জীবন যাতে সুখকর হয় সেটাই প্রতিদিন ভগবানের কাছে প্রার্থনা করেছে। পাঁচ-পাঁচটি ছেলেমেয়ের মধ্যে সবাইকে উচ্চশিক্ষিত করে তোলা একপ...

প্রবন্ধ রচনা ।। একটি রাজপথের আত্মকথা

একটি রাজপথের আত্মকথা “ওগো পায়ে চলার পথ, অনেক কালের অনেক কথাকে তোমার ধূলিবন্ধনে বেঁধে নীরব করে রেখো না। আমি তোমার ধুলোয় কান পেতে আছি, আমাকে কানে কানে বলো।” —রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ভূমিকা: আমি রাজপথ, পথিক মানুষের চিরসখা। আমার জন্মের কথা আজও আমার ক্ষীণ মনে পড়ে, তবে এ কথা সত্যি আমার শেষ ঠিকানা কোথায় তা আমিও জানি না। বহু যুগ আগে ঘন জঙ্গলের বুক চিরে মানুষ আমাকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিল। গাছগাছালির ফাঁকে ফাঁকে এই ক্রমাগত চলাতেই তো আমার আনন্দ। এভাবে সামনে এগিয়ে যাওয়াই তো জীবন। ধুলো-মাটি দিয়ে তৈরি আমার শরীরে কত কাল ধরে কত কিছুর প্রলেপ পড়ল। ক্রমে শক্ত-জমাট হয়ে উঠলাম আমি। মেঠোপথ থেকে আজ আমি রাজপথ। মেঠো ধূলিবন্ধনে নয়, মোরামের মর্মরে নয়, আজ আমার হৃদয়ের সব কথা প্রযুক্তির পীচের নীচে গুমরে গুমরে কাঁদে। হে পথিক, তুমি শুনতে চাও, তাই হৃদয়-উজাড়ি বলব তোমাকে আজ আমার আত্মকথা। আত্মকথা: আমি ই.এম. বাইপাস। উত্তর কলকাতার উল্টোডাঙ্গা থেকে শুরু করে বারুইপুর পুরাতন বাজার পর্যন্ত ৩২ কিলোমিটার আমার বিস্তৃতি। আমি পশ্চিমবঙ্গের একটি অন্যতম প্রধান রাজ্যসড়ক। আমার দু-পাশে কত গাছপালা, কৃষিক্ষেত, কলকারখানা, দোকান, বাড়ি! দিনরাত শত-সহস্র...

রমেশ দাসের কবিতা

   বাঙালি মোরা বাঙালি                                                                         বাংলাকে   ভালবাসি বাংলায় কথা বলি বাংলা কবিতা মোদের জীবন। বাংলার নদী নালা বাংলার গাছ পালা বাংলার মাটিতে মোদের মরণ।। বাংলার ঘর মাঠ বাংলার খেত ঘাট বাংলা বাতাস আর সুস্থ জীবন। বাংলার নেওয়া শিক্ষা বাংলার দেওয়া দীক্ষা বাংলাকে ভালোবেসে মোদের রচন।। ভালো লাগে বাংলার পাঠ্য বই পড়তে। ভালো লাগে বাংলার সুরে গান গাইতে।। বাংলা ছাড়া মোরা যে পারিনা কিছু বুঝতে। বাংলার ঋণ এখনও পারিনি শেষ করতে।। মাতা তবুও সম্মতি দেন বিদেশের জ্ঞান নিতে। না মা যাবো মোরা তোমার বাণী দিয়ে ।। বাংলাদেশে জন্ম মোদের বাংলা নিয়ে পড়বো। বাংলার শিক্ষায় মোরা বাংলা পথ চলবো।। বাংলার মধুরতা আদৌ পারিনি শেষ করতে। বাংলার মিলনমেলায় ভালো লাগে লিখতে।। ========================= (   রমেশ দাস,...

বিজয়ন্ত সরকারের গল্প

// রাস্তার ছেলে মন্টু // গতরাতে যখন অঝোর ধারা... স্বস্তির গন্ধ দালানের মালিকদের উরুভাঁজে-কার্নিশে তখন ভেজা শরীরে বছর নয়ের মন্টু আশ্রয় নিয়েছিল একটা জীর্ণ একচালায়। যার নীচে দাঁড়িয়ে শরীরটা অন্তত একটু কম ভেজে ।  বৃষ্টিস্নাত রাতে এই একটাই সমস্যা মন্টুর । সকালে মবিন মিঞাঁকে দেখেই- - আরে চাচা, গতরাতে যা বৃষ্টি, তোমার এই একচালার নীচেই তো ছিলাম । - কী কইতাসস্ ! এই চালায় যত ফুটা, দিনে বারিষ আইসলে মুই বুঝবার পারিনা জুতা সিলাইয়ের জিনিস রাকপো কই আর মুইবা খাড়াবো কই ! - যাই বল চাচা, ভগবান আমার জন্যই তোমাকে পাঠিয়েছে । তা না হলে খদ্দের তো তেমন আসেনা, তবু ওই কটা পুরানা জুতা-কালি-সুতা নিয়ে বসে থাকো।  - হা হা হা (প্রাণখোলা হাসি) সহী বাত্ বেটা...সহী বাত্ । 'যাই ওদিকে হয়তো চা ফুটছে, পরে এসে নিউজ শোনাব তোমাকে' মন্টু বলতে বলতে ঝটপট্ বেরিয়ে যায়।  দাস টিফিন সেন্টারে কাজ করে মন্টু । সারদিন খেটে নাম মাত্র টাকা পায় আর কখনও কখনও পায় এক বেলার টিফিন । অথচ কথায়, চাল-চলনে, ফুরফুরে-উড়ে বেড়ায় বেশ । (ব্যাগ হাতে এপাড়ার গন্যিমান্যি গগন বাবুর আগমন) - আরে ও মবিন...

একটা মেয়ে-মানুষের শরীর ।। উত্তম ভট্টাচার্য

একটা মেয়ে-মানুষের শরীর উত্তম ভট্টাচার্য 'দাদা আমি একটু মারব?' ভিড় ঠেলে অল্প বয়সী এক কলেজ ছাত্রীর আর্তি! এবং অনুমতি আদায়ের আগেই একেবারে সপাটে চড়! ঠিক জানোয়ারটার দক্ষিণ গালে। তারপর পরপর ওগালে, এগালে,  দু'গালেই! জানোয়ারটা দেখতে ঠিক মানুষের মত! পকেটে তিনতিনটে দামি কম্পানির পেন, বিদেশি দামি কম্পানির ফুলহাতা শার্ট, প্যান্ট,দামি জুতা পরে জানোয়ারটাকে ঠিক মানুষের মতোই দেখতে লাগছিল। সিস্টেমের ছকে একজন অঙ্কের প্রফেসর! জানোয়ারটার কামনা শক্তি নাকি ভীষন প্রবল। জানোয়ারটা নারীর শরীর পেতে চায়। প্রায় প্রতিদিনই নতুন নতুন মেয়েমানুষকে নিয়ে মত্ত থাকতে চায় জানোয়ারটা। নিজের পদাধিকার বলে ক্লাসে ফেল করানোর ভয় দেখিয়ে, কলেজ থেকে বের করে দেবার হুমকি দিয়ে, অশ্লিল ছবি পাঠিয়ে-জানোয়ারটা কামনা শক্তি মেটায়! মেয়েটা তারই কলেজের নির্যাতিতা এক ছাত্রী! হতদরিদ্র ঘর থেকে উঠে আসা অত্যন্ত মেধাবী অসহায় ছাত্রীটা প্রায় প্রতিদিনই জানোয়ারটার শিকার! ...

তিনটি কবিতা ।। আবুল কালাম তালুকদার

তিনটি কবিতা ।। আবুল কালাম তালুকদার   f‡i _vKyK AvKvk N„Yvq bq fv‡jvevmvq R‡g DVzK wgZvwj AvnZ mg‡q b‡ivg el©‡Y AvmyK cÖkvwšÍ emšÍ w`‡bi g‡Zv KvUzK ev‡iv gvm G‡K Ac‡ii mnvbyf~wZ‡Z f‡i _vKzK †`k mevi Kcv‡j †j‡M _vKzK Avb‡›`i wUc my‡Li cÖ`xc R¦‡j DVzK mevi `ytL N‡i mKv‡ji ‡mvbv †iv‡` f‡i _vK mvivw`‡bi mgq ‡KvZ~nj bq Avb›` D”Qv‡m f‡i _vKzK mevi Ni Sjmv‡bv Av‡jvq f‡i _vKyK mevi AvKvk|   Zzwg mgy‡`ªi g‡Zv A‰_ ü`‡q Avgvi AvKvOÿvi N‡i G‡b‡Qv fv‡jvevmvi e„wó my‡Li bvgZvq Rxe‡bi avivcvZ f‡i‡Qv fv‡jvjvMvi evZv‡m f‡i‡Qv wb:k‡ãi Kÿ iv‡Zi wb¯ÍäZvq G‡b‡Qv †RvbvwKi evmi|   Avn¬v`x Av`‡i nv‡Z nvZ †i‡L wb`viæY my‡L f‡i‡Qv gb k~Y¨Zvi †PŠnÏx‡Z Zz‡j‡Qv my‡Li †`qvj Avuav‡i R¡vwj‡q‡Qv Av‡jvi †ivkbvB em‡šÍi e„wó‡Z gb wfwR‡q nvRv‡iv dz‡ji M‡Ü K‡i‡Qv gvZvj|     Zzwg Kv‡Q Avmvq   Zzwg Kv‡Q G‡j fv‡jvevmvq Av‡m c~Y©Zv emšÍ evZv‡m D‡o gy³ cvwL`j g‡bi K...

মুক্তভাবনা: আবদুস সালাম

 ট্র‍্যাজিক   নায়ক : সুভাষচন্দ্র বসু       দ্বিখণ্ডিত হয়ে স্বাধীন হলো ভারত । ফিরে এলেন না আমাদের যৌবনের প্রতীক নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু।বিমান দুর্ঘটনায়  মৃত্যু কাহিনী দেশময় চাউর হলেও আজও তা আমাদের কাছে অবিশ্বাস্য।বিমান দুর্ঘটনার কাহিনী তে এতো বেশী ছিদ্র যে অলীক কথকথার জল সহজেই‌ সেখানে ঢুকে  পড়ছে।      এত বড়ো মাপের একজন  নেতার মৃত্যু কাহিনীর তথ্য প্রমাণ  এতো বেশি অকিঞ্চিৎকর যে পরস্পর বিরোধী স্বাক্ষ‍্য এবং গোপনীয়তার চেষ্টা নানা রকম সন্দেহের উদ্রেক করে । জাপানের রনকেজী মন্দিরে অবস্থিত ছাই কাহিনী ও আমাদের মনে বিশ্বাসের তত্ত্ব উপস্থিত করতে পারে না।    বিশ্ববরেণ্য সর্বভারতীয় নেতার প্রতি আমাদের আবেগ, আমাদের আবেগের  উচ্ছলতা স্বাভাবিক ভাবেই উথলে ওঠে।তিনি ছিলেন  একাধারে কবি গুরুর স্নেহ ধন‍্য,চিত্তরঞ্জন দাশের পুত্র তুল‍্য এবং স্বামী বিবেকানন্দের উত্তরসূরী।উচ্ছল তারুণ্যের মূর্ত প্রতীক সুভাষচন্দ্র  বাঙালি জাতিকে সাহস ও তারুণ্যের দীক্ষা দিয়েছেন।ভীরু বাক‍্যবাগীশ বাঙালি জাতি একজন উচ্চ শিক্ষিত, প্র...

বছরের বাছাই

ভৌতিক গল্প ।। পাঁচ ভূতের প্রতিশোধ ।। মিঠুন মুখার্জী

পাঁচ ভূতের প্রতিশোধ মিঠুন মুখার্জী  বহু বছর আগের এক ঘটনা। বর্ধমানের শক্তিগড়ের কাছেই সেই গ্ৰামটি। তখন জনসংখ্যা খুবই কম ছিল ।দুটি বাড়ির মধ্যে একশো গজ দূরত্ব। একজনের ঘরের খবর অন্যজন জানতে পারতেন না। গ্ৰামে কারেন্ট ছিল না। সন্ধ্যার পর সারা গ্ৰামের ঘরে ঘরে টেমি ও হ্যারিকেন জ্বলত। কারো বাড়িতে কোনো অনুষ্ঠান হলে হ্যাচাকলাইট জ্বালানো হতো। একটু সচ্ছল পরিবারে জেনারেটর ভাড়া নিতেন। কেউ মরে গেলে নদীর পাড়ে পুড়াতে যেত। সঙ্গে যাওয়ার জন্য খুব বেশি লোক পাওয়া যেত না। ঐ গ্ৰাম থেকে বাজারের দূরত্ব তিন কিলোমিটার হবে। বাজারে সন্ধ্যার পর জেনারেটরের লাইন ভাড়া নিয়ে সকলে লাইট জ্বালাত ও ফ্যান চালাত। বাজারে যাওয়ার সময় একটা বিরাট মাঠ পার হতে হত। যে মাঠের পুরোটা একজায়গায় দাঁড়িয়ে দেখা যেত না। গ্ৰামের মানুষেরা নিজেদের মধ্যে বলাবলি করত, সন্ধ্যার পর এই মাঠে ভূতেদের আখরা বসে। তারা অনেকেই রাত্রি বেলা ওই মাঠে ভূতেদের দাঁড়িয়ে কখনো বসে জটলা পাকাতে দেখেছে। এই মাঠের উত্তর দিকে একটি বিশাল তেঁতুল গাছ ছিল। এই গাছ থেকেই ভূতেরা মাঠে নেমে আসত নিজেদের মধ্যে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করার জন্য। তাদের আলোচনার বিষয়...

লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি : মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬

  লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি মুদ্রিত  নবপ্রভাত  বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার জন্য  প্রবন্ধ-নিবন্ধ, মুক্তগদ্য, রম্যরচনা, ছোটগল্প, অণুগল্প, কবিতা ও ছড়া পাঠান।  যে-কোন বিষয়েই লেখা যাবে।  শব্দ বা লাইন সংখ্যার কড়াকড়ি বাঁধন  নেই। তবে ছোট লেখা পাঠালে  অনেককেই সুযোগ দেওয়া যায়।  যেমন, কবিতা/ছড়া ১২-১৬ লাইনের মধ্যে, অণুগল্প/মুক্তগদ্য কমবেশি ৩০০/৩৫০শব্দে, গল্প/রম্যরচনা ৮০০-৯০০ শব্দে, প্রবন্ধ/নিবন্ধ ১৫০০-১৬০০ শব্দে হলে ভালো। তবে এ বাঁধন 'অবশ্যমান্য' নয়।  সম্পূর্ণ অপ্রকাশিত লেখা পাঠাতে হবে। মনোনয়নের সুবিধার্থে একাধিক লেখা পাঠানো ভালো। তবে একই মেলেই দেবেন। একজন ব্যক্তি একান্ত প্রয়োজন ছাড়া একাধিক মেল করবেন না।  লেখা  মেলবডিতে টাইপ বা পেস্ট করে পাঠাবেন। word ফাইলে পাঠানো যেতে পারে। লেখার সঙ্গে দেবেন  নিজের নাম, ঠিকানা এবং ফোন ও whatsapp নম্বর। (ছবি দেওয়ার দরকার নেই।) ১) মেলের সাবজেক্ট লাইনে লিখবেন 'মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা সংখ্যা ২০২৬-এর জন্য'।  ২) বানানের দিকে বিশেষ নজর দেবেন। ৩) যতিচিহ্নের আগে স্পেস না দিয়ে পরে দেবেন। ৪) বিশেষ কোন চিহ্ন (যেমন @ # ...

মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র

  মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র প্রকাশিত হল।     যত লেখা রাখা গেল, তার দ্বিগুণ রাখা গেল না। বাদ যাওয়া সব লেখার 'মান' খারাপ এমন নয়। কয়েকটি প্রবন্ধ এবং বেশ কিছু (১৫-১৭টা) ভালোলাগা গল্প শেষ পর্যন্ত রাখা যায়নি। আমাদের সামর্থ্যহীনতার কারণে।     তবুও শেষ পর্যন্ত দশ ফর্মার পত্রিকা হয়েছে। গত দুবছরের মতো A4 সাইজের পত্রিকা।    যাঁদের লেখা রাখা গেল না, তাঁরা লেখাগুলি অন্য জায়গায় পাঠাতে পারেন। অথবা, সম্মতি দিলে আমরা লেখাগুলি আমাদের অনলাইন নবপ্রভাতের জানুয়ারি ২০২৬ সংখ্যায় প্রকাশ করতে পারি।    পত্রিকাটি আগামী ৯-১৩ জানুয়ারি ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি আয়োজিত কলকাতা লিটল ম্যাগাজিন মেলায় (রবীন্দ্র সদন - নন্দন চত্বরে) পাওয়া যাবে।     সকলকে ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা।

কবিতাঃ চন্দন ঘোষ

এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল  তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র!   কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও  বোধহয় যে...

ছোটগল্প ।। নীলিমার আত্মজাগরণ ।। পরেশ চন্দ্র মাহাত

নীলিমার আত্মজাগরণ পরেশ চন্দ্র মাহাত নীলিমা মাহাত, বয়স পঁচিশ প্লাস —তার বাবা মায়ের পঞ্চম তথা শেষ সন্তান। দুই দাদা —বড়দাদা শঙ্কর ও ছোটদাদা বিজয়। বড় দাদা শঙ্কর আর দুই দিদি তাদের কিন্তু বিয়ে হয়ে গেছে। একমাত্র নীলিমা আপাতত স্বামীর কোমল হাতের স্পর্শ ও সহানুভূতি থেকে বঞ্চিত এবং আদৌ কবে অথবা সেই সৌভাগ্য আসবে সেটা ঈশ্বরের নিকটই একমাত্র জ্ঞাত। সেই সঙ্গে দুবছরের সিনিয়র ছোটদাদা বিজয়েরও নীলিমার মতো অবস্থা। তারও জীবনসঙ্গিনী জুটেনি। মোট সাতজন সদস্য নিয়ে গঠিত সংসার নীলিমাদের পরিবার। মধ্যবিত্ত পরিবার —মধ্যবিত্ত পরিবার না বলে যদি নিম্নবিত্ত বলা হয় তবুও কোনো অত্যুক্তি করা হয় না। বাবার প্রত্যেকদিনের আয়ের উপর ভিত্তি করেই চলে সংসার। এই কঠোর এবং কঠিন পরিস্থিতিতেও নীলিমার মা শ্রীমতী মেনকা‚ সংসার সামলে তার ছেলেমেয়েদের পড়াশুনার প্রতি যথেষ্ট তৎপর ও সহানুভূতিশীল। তাদের পড়াশুনায় কোনো খামতি রাখেননি। যথা সময়ে তাদেরকে বিদ্যালয়ের মুখ দেখিয়েছে – টিউশনের বন্দোবস্ত করেছে। তাদের জীবন যাতে সুখকর হয় সেটাই প্রতিদিন ভগবানের কাছে প্রার্থনা করেছে। পাঁচ-পাঁচটি ছেলেমেয়ের মধ্যে সবাইকে উচ্চশিক্ষিত করে তোলা একপ...

গল্প ।। জাতিস্মর ।। আশীষ কুমার বিশ্বাস

    জাতিস্মর   আশীষ  কুমার   বিশ্বাস    গল্পের শুরুটা প্রায় ষাট বছর আগের কথা । যার নাম গৌতম, ডাক নাম ছিল বাবু ।  তার বছর তখন ছয়-সাত হবে । আমরা বা আমি তখন একটু বড় । এক সাথেই চলতো খেলা । গোল্লা ছুট, দাঁড়িয়া বান্দা, চোর-পুলিশ । যে মাঝে মাঝে খেলা থেকে বিরত থাকতো ; সে-ই জাতিস্মর । মাঠের পাশেই ছিল একটা খেঁজুর গাছ । তাতে হাত রেখে দূরের এক গ্রামের দিকে এক মনে তাঁকিয়ে থাকতো "বাবু" । গ্রামটির নাম "বিনয় পল্লী " । মাঝে বড়ো মাঠ । হাঁটা শুরু করলে তিরিশ - চল্লিশ মিনিট লাগবে । মাঝে জলে ভরপুর দেখে কখনো যাওয়া হয়নি । বাবু কে যখন বলতাম, ওপারে কি দেখছিস? ও বলতো, ওখানে আমার ছোট মা থাকে, দিদি থাকে, আমার ভুলু কুকুর থাকে । এ কথা আমাদের বিশ্বাস হতো না । আবার খেলায় ফিরে যেতাম, খেলতাম ।  কিন্তু ও বসে বসে , ওপারের গাছ পালা , বাড়ি ঘর দেখতো । কাছে গেলে বলতো , ওই যে সবুজ ,কচি কলাপাতা রঙের দালান বাড়ি, ওটাই আমাদের বাড়ি !  এই ভাবে মাস ছয়, বছর গড়াতে লাগলো । মনে প্রশ্ন জাগতে লাগলো, এ টা কি মন গড়া , বা বানিয়ে বানিয়ে বলছে? সত্যি প্রকাশ হোল এক দিন ।  সে বাড়িতে কিছু ...

লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি : মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৫

   মুদ্রিত  নবপ্রভাত  বইমেলা ২০২৫ সংখ্যার জন্য  লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি মুদ্রিত  নবপ্রভাত  বইমেলা ২০২৫ সংখ্যার জন্য  প্রবন্ধ-নিবন্ধ, মুক্তগদ্য, রম্যরচনা, ছোটগল্প, অণুগল্প, কবিতা ও ছড়া পাঠান।  যে-কোন বিষয়েই লেখা যাবে।  শব্দ বা লাইন সংখ্যার কড়াকড়ি বাঁধন  নেই। তবে ছোট লেখা পাঠানো ভালো,  তাতে অনেককেই সুযোগ দেওয়া যায়।  যেমন, কবিতা/ছড়া ১২-১৬ লাইনের মধ্যে, অণুগল্প/মুক্তগদ্য কমবেশি ৩০০/৩৫০শব্দে, গল্প/রম্যরচনা ৮০০-৯০০ শব্দে, প্রবন্ধ/নিবন্ধ ১৫০০-১৬০০ শব্দে। তবে এ বাঁধন 'অবশ্যমান্য' নয়।  সম্পূর্ণ অপ্রকাশিত লেখা পাঠাতে হবে। মনোনয়নের সুবিধার্থে একাধিক লেখা পাঠানো ভালো। তবে একই মেলেই দেবেন। একজন ব্যক্তি একান্ত প্রয়োজন ছাড়া একাধিক মেল করবেন না।  লেখা  মেলবডিতে টাইপ বা পেস্ট করে পাঠাবেন। word ফাইলে পাঠানো যেতে পারে। লেখার সঙ্গে দেবেন  নিজের নাম, ঠিকানা এবং ফোন ও whatsapp নম্বর। (ছবি দেওয়ার দরকার নেই।) ১) মেলের সাবজেক্ট লাইনে লিখবেন 'মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা সংখ্যা ২০২৬-এর জন্য'।  ২) বানানের দিকে বিশেষ নজর দেবেন। ৩) য...

উন্মুক্ত পাগলামি ।। আশরাফুল মণ্ডল

উন্মুক্ত পাগলামি আশরাফুল মণ্ডল আহা, অপরূপ নিজস্বতার দাহ! কুঁকড়ে যায় আবহমান, সজনে পাতার বোঁটায়! ভাপওঠা ভাতের কাছে মাছি সত্তায় কী নিপুণ! তবুও ঘোর লাগা বসন্তের ডাক, হাঁকে! খেদিয়ে দেয় পা দোলানো প্রস্তাব, ওই ধুনুরি চোখ! রাংতায় মোড়া ডাকের সাজ, দে দোল দোল! হুইসেল বাজিয়ে কে রুখে দ্যায় সেই নাকছাবির রুদালি কাঁপন! খালবিল ছেঁচে পাঁচসিকের  মানত কুড়িয়ে আনে, বাংলা বাজার। ঠ্যাং নাচানো সুরে চোখ মারছে, দ্যাখো ভ্যানতারা! মুখ খোলা মানেই পাঁজরের স্রোত ভাবা যেন উগরানো টালমাটাল! ঢিল মারা প্রশ্নের রোয়াকে বক্রচোখে যেন মেধাবী কবিতা! মুছে দিও তবে লাজুক গুপ্ত রোগ, দিনরাত্রি! ভালো থেকো তোমরা বাছাধন, রং মাস সে আর কতদিন... ================    ASRAFUL MANDAL Chandidas Avenue, B-zone, Durgapur, Paschim Bardhaman, Pin - 713205,  

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। ১০০তম সংখ্যা ।। আষাঢ় ১৪৩৩ জুন ২০২৬

নবপ্রভাত ১০০তম সংখ্যা ।। আষাঢ় ১৪৩৩ জুন ২০২৬ এই সংখ্যায় প্রকাশিত লেখাগুলোর মধ্যে প্রতি বিভাগের একজন করে নির্বাচিত লেখককে নবপ্রভাতের পক্ষ থেকে সম্মান জানানোর কথা আছে। সেই নামগুলো আগামী সংখ্যার সূচিপত্রের সঙ্গে প্রকাশিত হবে। (পাঠক হিসাবে আপনিও জানাতে পারেন আপনার ভালোলাগার কথা।) ---নিরাশাহরণ নস্কর, সম্পাদক, নবপ্রভাত। সূচিপত্র  প্রবন্ধ-নিবন্ধ-ফিচার  প্রবন্ধ  ।। ভয় ।। শ্রীশুভ্র প্রবন্ধ ।। প্রবীণ জনগণ ।। শ্যামল হুদাতী একাকীত্বের ছাদ থেকে পতন : অনিক দত্ত ও মানুষের নিঃশ... প্রবন্ধ ।। ধাঙড় ।। মোঃ চাঁন মিয়া ফকির প্রবন্ধ ।। অন্ধকারের উৎস হতে উৎসারিত আলো ।। কুহেলী... প্রবন্ধ ।। নারীর সম্মান ও অধিকার — অলীক কল্পনা, না... আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন ভাষা বিজ্ঞানী অধ্যাপক প... প্রবন্ধ ।। কবি কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার ।। সুমন বিপ্লব     ফিচার ।। চা দিবস ।। অশোক বন্দ্যোপাধ্যায়   ফিচার ।। বর্তমান প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক জীববৈচিত্...   রম্যনাটিকা ।। পাত্র দেখা ।। সুশীল বন্দ্যোপাধ্যায়   ভ্রমণকাহিনি মাজান্দারান: কাস্পিয়ান সাগরের তীর... ঝরণার গান শুনতে ।। ...

কবিতা ।। মনোজকুমার রায়

জল সিঁড়ি চেক বইয়ের পাতা ফুরিয়ে যেতে থাকে -- ঝরে পড়ে বৃদ্ধ গাছটির পত্রমুকুল কাঁচা গন্ধ বেয়ে চলে সময়ের স্রোতে  সারা ভোর জেগে থাকি ঘুমের টলে তাড়া দেয় একগ্রাস অবিশ্বাসী বায়ু দিন ফুরনো লাল সূর্যের টানে নেমে আসে পাড় ছোঁয়া জল সিঁড়ি ================= মনোজকুমার রায় দঃ ঝাড় আলতা ডাউকিমারী, ধূপগুড়ি জলপাইগুড়ি -৭৩৫২১০ মো ৭৭৯৭৯৩৭৫৬৬

মাসের বাছাই

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। ১০১তম সংখ্যা ।। শ্রাবণ ১৪৩৩ জুলাই ২০২৬

: ঘোষণা : এই সংখ্যার নির্বাচিত কিছু লেখা অপ্রকাশিত রয়ে গেল। সেগুলি ১০২তম সংখ্যায় প্রকাশিত হবে।  সংখ্যাটি প্রকাশিত হবে আগামী ১৯ আগস্ট ২০২৬ বুধবার রাতে। দেখবেন এই সাইটে:  https://www.nabapravat.com/ আগ্রহীরা প্রবন্ধ-নিবন্ধ, প্রতিবেদন-ফিচার, মুক্তগদ্য, স্মৃতিকথা, ভ্রমণকাহিনি পাঠাতে পারেন। (গল্প, কবিতা, ছড়া এই সংখ্যার জন্য পাঠাবেন না।)   একসঙ্গে মেলবডিতে লিখে বা পেস্ট করে পাঠাবেন।  একই লেখা দুটি মেল আইডিতেই ( nabapravat.online@blogger.com এবং nabapravatblog@gmail.com)  পাঠাতে হবে কথাটা স্মরণে রাখবেন।      সাবজেক্ট লাইনে লেখার শিরোনাম ও আপনার নাম লিখবেন।  প্রয়োজনে কথা বলতে পারেন এই নম্বরে : ৯৪৩৩৩৯৩৫৫৬ (নিরাশাহরণ নস্কর, সম্পাদক, নবপ্রভাত) ............................. সূচিপত্র ----------------- প্রেমের অনন্ত অনুরণন : ক্রিস্টোফার মার্লো ও কাজী নজরুল ইসলাম ।। আহমেদ বেলাল ২৯ জুলাই : বিদ্যাসাগর—একটি যুগের বিবেক, একটি আলোর নাম ।। উৎপল সরকার যাত্রা এবং ফাত্রা লোক ।। অরবিন্দ পুরকাইত দাদা ঠাকুর ও কাজী নজরুলের দ্বিমুখী সখ্যতা ।। আবদুস সালাম দক্ষিণ-পূর্ব এশি...

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। ১০০তম সংখ্যা ।। আষাঢ় ১৪৩৩ জুন ২০২৬

নবপ্রভাত ১০০তম সংখ্যা ।। আষাঢ় ১৪৩৩ জুন ২০২৬ এই সংখ্যায় প্রকাশিত লেখাগুলোর মধ্যে প্রতি বিভাগের একজন করে নির্বাচিত লেখককে নবপ্রভাতের পক্ষ থেকে সম্মান জানানোর কথা আছে। সেই নামগুলো আগামী সংখ্যার সূচিপত্রের সঙ্গে প্রকাশিত হবে। (পাঠক হিসাবে আপনিও জানাতে পারেন আপনার ভালোলাগার কথা।) ---নিরাশাহরণ নস্কর, সম্পাদক, নবপ্রভাত। সূচিপত্র  প্রবন্ধ-নিবন্ধ-ফিচার  প্রবন্ধ  ।। ভয় ।। শ্রীশুভ্র প্রবন্ধ ।। প্রবীণ জনগণ ।। শ্যামল হুদাতী একাকীত্বের ছাদ থেকে পতন : অনিক দত্ত ও মানুষের নিঃশ... প্রবন্ধ ।। ধাঙড় ।। মোঃ চাঁন মিয়া ফকির প্রবন্ধ ।। অন্ধকারের উৎস হতে উৎসারিত আলো ।। কুহেলী... প্রবন্ধ ।। নারীর সম্মান ও অধিকার — অলীক কল্পনা, না... আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন ভাষা বিজ্ঞানী অধ্যাপক প... প্রবন্ধ ।। কবি কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার ।। সুমন বিপ্লব     ফিচার ।। চা দিবস ।। অশোক বন্দ্যোপাধ্যায়   ফিচার ।। বর্তমান প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক জীববৈচিত্...   রম্যনাটিকা ।। পাত্র দেখা ।। সুশীল বন্দ্যোপাধ্যায়   ভ্রমণকাহিনি মাজান্দারান: কাস্পিয়ান সাগরের তীর... ঝরণার গান শুনতে ।। ...

ছোটগল্প ।। নীলিমার আত্মজাগরণ ।। পরেশ চন্দ্র মাহাত

নীলিমার আত্মজাগরণ পরেশ চন্দ্র মাহাত নীলিমা মাহাত, বয়স পঁচিশ প্লাস —তার বাবা মায়ের পঞ্চম তথা শেষ সন্তান। দুই দাদা —বড়দাদা শঙ্কর ও ছোটদাদা বিজয়। বড় দাদা শঙ্কর আর দুই দিদি তাদের কিন্তু বিয়ে হয়ে গেছে। একমাত্র নীলিমা আপাতত স্বামীর কোমল হাতের স্পর্শ ও সহানুভূতি থেকে বঞ্চিত এবং আদৌ কবে অথবা সেই সৌভাগ্য আসবে সেটা ঈশ্বরের নিকটই একমাত্র জ্ঞাত। সেই সঙ্গে দুবছরের সিনিয়র ছোটদাদা বিজয়েরও নীলিমার মতো অবস্থা। তারও জীবনসঙ্গিনী জুটেনি। মোট সাতজন সদস্য নিয়ে গঠিত সংসার নীলিমাদের পরিবার। মধ্যবিত্ত পরিবার —মধ্যবিত্ত পরিবার না বলে যদি নিম্নবিত্ত বলা হয় তবুও কোনো অত্যুক্তি করা হয় না। বাবার প্রত্যেকদিনের আয়ের উপর ভিত্তি করেই চলে সংসার। এই কঠোর এবং কঠিন পরিস্থিতিতেও নীলিমার মা শ্রীমতী মেনকা‚ সংসার সামলে তার ছেলেমেয়েদের পড়াশুনার প্রতি যথেষ্ট তৎপর ও সহানুভূতিশীল। তাদের পড়াশুনায় কোনো খামতি রাখেননি। যথা সময়ে তাদেরকে বিদ্যালয়ের মুখ দেখিয়েছে – টিউশনের বন্দোবস্ত করেছে। তাদের জীবন যাতে সুখকর হয় সেটাই প্রতিদিন ভগবানের কাছে প্রার্থনা করেছে। পাঁচ-পাঁচটি ছেলেমেয়ের মধ্যে সবাইকে উচ্চশিক্ষিত করে তোলা একপ...

বিজয়ন্ত সরকার

    নির্ভয়া খুঁড়ে আসা শরীরে লাগায় স্রোত তীব্রতা কোনোদিন লগ্নজাত ছিলনা, জরা হয় লুঠ । বিক্রি হয়ে যাওয়া খবরটা পুরোনো থেকে তোলপাড়... যেভাবে সময় উপত্যকা আজ । ওরা টেনে নিয়ে গিয়ে ছুঁড়ে দিলেই ক্ষেপনাস্ত্র যৌবন পায় । এরপর একবগগা... অজ্ঞাত চুমুর বদলে চিরে-ছিঁড়ে দিতে হয় । ধর্ম পেট না ভরাতে পারলে জল হয়ে যাক । সাহস বেঁধে-বেঁধে সাঁকো, বিনিময়ে প্রজাপতির ভিড় বাড়ুক । ...এবং মাথা নুইয়ে নেওয়াদের ইন্তেকাল । পাতায়-শাখায় দেখা মনোত্তমা ঝরা-ঘাম শিউলি... দিনশেষে পাতে রোদ সাজায় রোধহীন । কাল্পনিক চরিত্ররা এখনও চোখে চোখ ঠুকেই বেঁচে থাকে স্বরচিত ।                     ........................ বিজয়ন্ত সরকার মিলন পাড়া, রায়গঞ্জ উত্তর দিনাজপুর

পুরস্কারের জন্য মনোনীত ১০০তম সংখ্যার বাছাই ৩টি লেখা

  ১০০তম সংখ্যার বাছাই ৩টি লেখা (লেখা ও লেখকের নামে ক্লিক করলে লেখাগুলি পড়া যাবে) প্রবন্ধ একাকীত্বের ছাদ থেকে পতন : অনিক দত্ত ও মানুষের নিঃশব্দ ভাঙনের গল্প ।। উৎপল সরকার গল্প  দহনবৃত্ত ।। দিব্যেন্দু ঘোষ কবিতা আমন, সন্ধি, কৃষক উবাচ ।। বিকাশ দাশ (তিনজন লেখককে অভিনন্দন।  পূর্ব ঘোষণামতো নবপ্রভাতের পক্ষ থেকে তাঁদের পুরস্কৃত করা হবে।  –  সম্পাদক, নবপ্রভাত। ) ....................... ১০০তম সংখ্যার পূর্ণাঙ্গ সূচিপত্র :  https://www.nabapravat.com/2026/06/cover-n-contents.html ১০১তম সংখ্যার  পূর্ণাঙ্গ  সূচিপত্র :  https://www.nabapravat.com/2026/08/cover-n-contents.html

কবিতাঃ চন্দন ঘোষ

এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল  তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র!   কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও  বোধহয় যে...

লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি : মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৫

   মুদ্রিত  নবপ্রভাত  বইমেলা ২০২৫ সংখ্যার জন্য  লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি মুদ্রিত  নবপ্রভাত  বইমেলা ২০২৫ সংখ্যার জন্য  প্রবন্ধ-নিবন্ধ, মুক্তগদ্য, রম্যরচনা, ছোটগল্প, অণুগল্প, কবিতা ও ছড়া পাঠান।  যে-কোন বিষয়েই লেখা যাবে।  শব্দ বা লাইন সংখ্যার কড়াকড়ি বাঁধন  নেই। তবে ছোট লেখা পাঠানো ভালো,  তাতে অনেককেই সুযোগ দেওয়া যায়।  যেমন, কবিতা/ছড়া ১২-১৬ লাইনের মধ্যে, অণুগল্প/মুক্তগদ্য কমবেশি ৩০০/৩৫০শব্দে, গল্প/রম্যরচনা ৮০০-৯০০ শব্দে, প্রবন্ধ/নিবন্ধ ১৫০০-১৬০০ শব্দে। তবে এ বাঁধন 'অবশ্যমান্য' নয়।  সম্পূর্ণ অপ্রকাশিত লেখা পাঠাতে হবে। মনোনয়নের সুবিধার্থে একাধিক লেখা পাঠানো ভালো। তবে একই মেলেই দেবেন। একজন ব্যক্তি একান্ত প্রয়োজন ছাড়া একাধিক মেল করবেন না।  লেখা  মেলবডিতে টাইপ বা পেস্ট করে পাঠাবেন। word ফাইলে পাঠানো যেতে পারে। লেখার সঙ্গে দেবেন  নিজের নাম, ঠিকানা এবং ফোন ও whatsapp নম্বর। (ছবি দেওয়ার দরকার নেই।) ১) মেলের সাবজেক্ট লাইনে লিখবেন 'মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা সংখ্যা ২০২৬-এর জন্য'।  ২) বানানের দিকে বিশেষ নজর দেবেন। ৩) য...

কবিতাগুচ্ছ ।। “বাংলাবিদ”: অনামা আলোর বিচ্ছেদে… ।। আবদুল্লাহ আল আদীব

কবিতাগুচ্ছ: “বাংলাবিদ”: অনামা আলোর বিচ্ছেদে…  আবদুল্লাহ আল আদীব তোমাকে ভালবাসি বলেই… বন্ধুবরেষু “বাংলাবিদ”, আমার কোমল প্রাণ মৌমাছি, অতি নরম-স্নিগ্ধ রোদে হেসে ওঠা মুক্তোদানা শিশির- দুঃখ করো না। তোমাকে ভালবাসি বলেই আজ এই দূরত্ব— যেন আমার কোন কিছু তোমার ক্ষতি না করতে পারে! তোমাকে ভুলিনি— তুমি আমার অন্তরের ইচ্ছের অন্তঃপুরে পাহাড়ের মতো ভারী হয়ে বসে আছো, এ যেন সভ্যতার এক ধ্বংসাবশেষ। প্রতিটি নিঃশ্বাসে তোমার নাম প্রকম্পিত হয়, যেন ধারালো ছুরি বুক চিরে রক্ত ঝরায়। ভুলতে চেয়েছি— কিন্তু স্মৃতিগুলো আমার রক্তে জমাট বেঁধে আছে, যেন পাথরখচিত প্রাচীন লিপি। তুমি হয়ে গেছো আমার নীরব কান্না, প্রতিটি লিখতে না পারা কবিতা আমার ভাঙা আত্মার লুকানো আর্তনাদ। তোমার স্পর্শ নেই, নেই আমাদের সম্পর্কের কোন নাম— তবু তুমি আছো অদৃশ্য, অমোঘ, যেন প্রতিটি ক্ষতচিহ্নে চিরন্তন বসবাস করা এক নিঃশব্দ মৃত্যু। ক্ষত-নিবদ্ধ বাঁশি… প্রিয় “বাংলাবিদ” আমার, কি এক আশ্চর্য সমর্পণ তন্ময়তা, মোহময় আকর্ষণ, বকুলের বিহ্বল ঘ্রাণ তোমার সত্তায়! তোমার বিস্তীর্ণ গালিচা থেকে বিদীর্ণ হয়ে আজ আমি বিচ্ছেদের নিঃ...

যেখানে শিকড় রয়ে গেছে ।। কাবেরী মিত্র

যেখানে  শিকড় রয়ে গেছে কাবেরী মিত্র কিছু দরজা শুধু কাঠের হয় না, স্মৃতির ও হয় একবার খুললেই বহু বছরের চাপা পড়ে থাকা জীবন আবার ভীড় করে সামনে এসে দাঁড়ায়  "যেখানে শিকড় রয়ে গেছে"   প্রায় পঁচিশ বছর পর নীলা ফিরে এলো তার ছেড়ে যাওয়া শিকড়ের কাছে। বাইরের ভারী দরজাটা দু'হাত দিয়ে ঠেলে খুলতেই ক্যাঁচ করে এক বিকট শব্দ তুলে খুলে গেল। নীলা ধীরে ধীরে ভিতরে প্রবেশ করল। কত বছর পর! অথচ মনে হলো, সময় যেন এই বাড়ির উঠোনে এসে থমকে দাঁড়িয়ে আছে। আজও একইভাবে দাঁড়িয়ে আছে উঠোনের একধারে নিজে থেকে বেড়ে ওঠা সেই শিউলি গাছটা। শরৎ এলেই যার ফুলের গন্ধে চারদিক ভরে উঠত। সেই গন্ধই যেন জানিয়ে দিত—মা দুর্গা আসছেন। ভোরবেলা ফুল তোলা নিয়ে নীলা আর ওর বোনের মধ্যে রোজ ঝগড়া বাঁধত। কেউই এত সকালে ঘুম থেকে উঠে ফুল তুলতে রাজি হতো না। অথচ ঠাম্মির হুকুম—দুই বোনকেই ফুল তুলতে হবে। দেখতে দেখতে মহালয়ার দিন এসে যেত। ভোরবেলায় বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠে চণ্ডীপাঠ শুরু হতেই সারা বাড়ি যেন এক মঙ্গলময় আবহে ভরে উঠত। সেই দিন থেকেই শুরু হয়ে যেত মা, কাকিমা আর জেঠিমাদের ব্যস্ততা। পুজোয় আসা অতিথিদের জন্য নানারকম মিষ্টি তৈরির ধুম পড়ে ...

দাদা ঠাকুর ও কাজী নজরুলের দ্বিমুখী সখ্যতা ।। আবদুস সালাম

দাদা ঠাকুর ও কাজী নজরুলের দ্বিমুখী সখ্যতা আবদুস সালাম কাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে দাদাঠাকুরের পরিচয় কীভাবে হয়, সেই প্রসঙ্গে আলোকপাত করেন আবদুল আযীয আল-আমান। তাঁর লেখা থেকে জানা যায়, নলিনীকান্ত সরকার মহাশয়ের মাধ্যমে দাদাঠাকুরের সঙ্গে নজরুলের প্রথম পরিচয় হয়। নজরুলের ‘বিদ্রোহী’ কবিতা তখনও প্রকাশিত হয়নি। মোসলেম ভারতে প্রকাশিত কবির কয়েকটি কবিতা নিয়ে বাংলার সাহিত্যিক, কবি, পাঠক, সমালোচক মহলে রীতিমতো উঠেছে আলোড়ন। সেই সময় দাদাঠাকুরের সঙ্গে নজরুলের প্রথম আলাপ। *"দাদাঠাকুর" ওরফে শরৎচন্দ্র পণ্ডিত – ১৯ শতকের শেষ আর ২০ শতকের প্রথম দিকের এক তুখোড় ব্যঙ্গকার, সাংবাদিক এবং নাট্যকার। উনার "জঙ্গম" পত্রিকা তখন কলকাতার সাহিত্য-রাজনীতির আখড়া ।সবাই মুখিয়ে থাকতো কখন আসছে “জঙ্গম”। সারাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আর শ্লেষাত্মক ছড়া। কাজী নজরুল ইসলাম তখন সদ্য সাহিত্য জগতে এসেছেন। এসেই সাহিত্যের আঙিনায় তুলেছেন ঝড়। অসহ্য।কোথাকার এক গেঁয়ো- ভূত এসে তছনছ করে দিচ্ছে সব হিসেব । কিছুতেই কেউ যেন মেলাতে পারছে না অঙ্ক ।বিভিন্ন আলাপ আলোচনা ও সমসাময়িক বহু কলমচীর কথায় উঠে আসে দাদা ঠাকুর ও নজরুল প্রসঙ...