স্বপ্না ইন্দু অন্তরা... (একটি প্যারডি। সুবিখ্যাত নজরুলগীতি 'গঙ্গা সিন্ধু নর্মদা...'র। সাধুস্থলে চলতি কেবল) অরবিন্দ পুরকাইত স্বপ্না ইন্দু অন্তরা পূরবী বরুণা সই রয়েছে বুঝি বা আগের মতন ছন্দাতে সে ছন্দ কই।। গৌণ, জব্দ এ মহাশয়— সাধনা ছাড়া কি এ বউ হয়, থাকি তার সাথে তাও হাসিমুখে চলিও তার মর্জি মতোই।। আছে নয়ন সে দৃষ্টি নেই অধরোষ্ঠে মিষ্টত্ব নেই, মৃণাল বাহু সে মুগুর-প্রায় কণ্ঠস্বননে মৌন রই।। ভালবাসে ভীষণই আমায় সে ভার বওয়া বিষম দায়, সঙ্গী সদা সন্দেহ তার তুমি বিব্রত হও যতই।। তোমরা জান না যাতনা কোন প্রেমে পড়ে কবে দিয়েছি মন সয়ে আছি, কত যাব যে সয়ে— নেই তো মাত্র একটি বই।। * * *
জাতিস্মর আশীষ কুমার বিশ্বাস গল্পের শুরুটা প্রায় ষাট বছর আগের কথা । যার নাম গৌতম, ডাক নাম ছিল বাবু । তার বছর তখন ছয়-সাত হবে । আমরা বা আমি তখন একটু বড় । এক সাথেই চলতো খেলা । গোল্লা ছুট, দাঁড়িয়া বান্দা, চোর-পুলিশ । যে মাঝে মাঝে খেলা থেকে বিরত থাকতো ; সে-ই জাতিস্মর । মাঠের পাশেই ছিল একটা খেঁজুর গাছ । তাতে হাত রেখে দূরের এক গ্রামের দিকে এক মনে তাঁকিয়ে থাকতো "বাবু" । গ্রামটির নাম "বিনয় পল্লী " । মাঝে বড়ো মাঠ । হাঁটা শুরু করলে তিরিশ - চল্লিশ মিনিট লাগবে । মাঝে জলে ভরপুর দেখে কখনো যাওয়া হয়নি । বাবু কে যখন বলতাম, ওপারে কি দেখছিস? ও বলতো, ওখানে আমার ছোট মা থাকে, দিদি থাকে, আমার ভুলু কুকুর থাকে । এ কথা আমাদের বিশ্বাস হতো না । আবার খেলায় ফিরে যেতাম, খেলতাম । কিন্তু ও বসে বসে , ওপারের গাছ পালা , বাড়ি ঘর দেখতো । কাছে গেলে বলতো , ওই যে সবুজ ,কচি কলাপাতা রঙের দালান বাড়ি, ওটাই আমাদের বাড়ি ! এই ভাবে মাস ছয়, বছর গড়াতে লাগলো । মনে প্রশ্ন জাগতে লাগলো, এ টা কি মন গড়া , বা বানিয়ে বানিয়ে বলছে? সত্যি প্রকাশ হোল এক দিন । সে বাড়িতে কিছু ...