Skip to main content

Posts

Showing posts from June, 2025

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। ৮৮তম সংখ্যা ।। আষাঢ় ১৪৩২ জুন ২০২৫

  সূচিপত্র =====০০০===== ।। প্রবন্ধ ।।  বাংলার বিভিন্ন মুখোশ এবং তাৎপর্য ।। হিমাদ্রি শেখর দাস রথ ও রথের মাহাত্ম্য ।। মুক্তি দাশ পুরীর রথযাত্রা : প্রায় ৮০০ বছর প্রাচীন ।। অনিন্দ্য পাল দুর্নীতি : জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে ।। শ্যামল হুদাতী   ।।  গল্প ।। ছায়া লেখক ।। অভীক মুখোপাধ্যায় আলোর স্বর ।। এস. আজাদ খোকা ফিরে আয় ।। পার্থ প্রতিম দাস বুমেরাং ।। সমীর কুমার দত্ত রহস্যের সন্ধানে ।। মিঠুন মুখার্জী আত্মরক্ষার অধিকার ।। রণেশ রায় কলুর স্বপ্ন-সাফাই ।। অনন্যা সেনগুপ্ত অন্তরা।। অগ্নিমিত্র আলোয় ঢাকা অন্ধকার ।। ইয়াছিন ইবনে ফিরোজ ।। ধারাবাহিক গল্প ।।  চেনা প্রতিবেশী (দ্বিতীয় পর্ব) ।। দীপক পাল ।। রম্য রচনা ।।  পাত্র দেখা ।। সুশীল বন্দ্যোপাধ্যায় আপনার ভাগ্য খুব ভালো ।। এস এম মঈনুল হক ।। প্রতিবেদন ।। প্রতিটা দিনই হয়ে উঠুক বিশ্ব পরিবেশ দিবস ।। পাভেল আমান প্রথম সিনেমা দেখা ।। মানস কুমার সেনগুপ্ত   ।। কবিতাগুচ্ছ-১ ।। ঢেউয়ের শিবির ।। অজিত দেবনাথ চতুর্থ বিশ্বের কবিতা ।। রূপক চট্টোপাধ্যায় দংশনচিহ্ন ।। কৌশিক চক্রবর্ত্তী গ্যালাক্সি ।। শোভন মণ্ডল উদ্ভিদসতেজতা ।।...

প্রবন্ধ ।। বাংলার বিভিন্ন মুখোশ এবং তাৎপর্য ।। হিমাদ্রি শেখর দাস

  বাংলার বিভিন্ন মুখোশ  এবং তাৎপর্য   হিমাদ্রি শেখর দাস   মুখোশ তৈরি এবং মুখোশধারী নৃত্য সম্ভবত মানব সভ্যতার মতোই প্রাচীন। মুখোশ সুরক্ষা , ছদ্মবেশ , স্বাস্থ্যবিধি এবং নাট্য প্রভাবের জন্য ব্যবহৃত হয়ে আসছে। অনাদিকাল থেকে , মুখোশধারী নৃত্য ধর্মীয় কার্যকলাপের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল। প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতা এবং ধ্রুপদী হেলেনিক ও রোমান সভ্যতায় মুখোশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। এখনও , চীন , জাপান , ভারত এবং আফ্রিকান দেশগুলিতে মুখোশ ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বসবাসকারী উপজাতিরা এখনও মুখোশকে টোটেম হিসেবে এবং মুখোশধারী নৃত্যকে আচার-অনুষ্ঠান হিসেবে ব্যবহার করে।                                     গোমিরা নৃত্যের মুখোশগুলি একক কাঠের ব্লক দিয়ে তৈরি করা হয় । একাধিক কাঠের টুকরো একত্রিত করে মুখোশগুলি কখনও তৈরি করা হয় না। কাঠের একটি বড় , পুরু ব্লক হাতুড়ি , ছেনি এবং খোদাই করা ছু...

কবিতা ।। ঢেউয়ের শিবির ।। অজিত দেবনাথ

ঢেউয়ের শিবির অজিত দেবনাথ  তোমার বৃষ্টি-ভেজা মুখ যেমন তরঙ্গ তুলে নদীর তীক্ষ্ণ ঢেউয়ের শিবিরে মেঘের মতো উড়ে যায় শান্ত আকাশে বাতাসবিহীন অনুপলে  বহুকাল ধরে জেগে আছে অন্ধকারমুখী সিঁড়ির পরাগে  যেন নিদ্রিত স্বপ্নের ভিতর ভোরের উৎসাহিত আলোর চকিত মুখ  ছায়ার মতো ঝুঁকে আছে প্রতিবেশীর দূর বারান্দায়  আর ঘুমন্ত চোখের উপর ঝরে পড়া মসৃণ আলোর ওই সব অচেনা মুদ্রা ভেঙে ভেঙে পড়ে সোনালি ধানের শিষে আধভাঙা জানালায় লেপটে থাকা  ধুলোর পাশে একরাশ স্তব্ধতা ডানা মুড়ে ঘুমিয়ে থাকে অনেক দূরে, অন্তহীন পৃথিবীর অপূর্ব প্রাচীরের ওপারে। ================ অজিত দেবনাথ সহকারী অধ্যাপক ইতিহাস বিভাগ রামানন্দ কলেজ বিষ্ণুপুর, বাঁকুড়া। চিত্র: সংগৃহীত।

চতুর্থ বিশ্বের কবিতা ।। রূপক চট্টোপাধ্যায়

চতুর্থ বিশ্বের  কবিতা  রূপক চট্টোপাধ্যায়  ১)  শরীরের সিঁড়ি বেয়ে উঠছে সময়। ফুরানো আলোয় দেখা মুখ ভাঙাচোরা ক্ষত, অসম্পূর্ণ জন্মফুল আর একটি ঝাপসা কলতলা!  কার জন্য নৌকায় সাজলে নদী কার জল সংলাপে মগ্ন হলে সান্ধ্য সোহাগের তেরাছা অস্তরাগ! আকাশ পূর্ণ পক্ষী আবেশ! সবেই নিয়ে গেল যে জন তার জন্য প্রতিটি প্রহর জন্মান্তর মনে হয়! ২)   ত্রিতাইপে রেখো। দহনে রেখো, তবু নিমগাছের ছায়ায় শরীর জুড়োতে দিও। খাটে পা ছড়িয়ে বসা অনার্য আমি, তবু বিশ্বরূপ দেখিও চোখের গভীর জানলায় আটকে থাকুক ভুবন ভোলানো অবসর!  ভয়ে ভয়ে প্রেমে পড়ছি তোমার, তোমার  নব নব অসুখের তোমার কাঙাল হওয়া দিগন্তের  তোমার নাভির গোলাপী নাব্যতার প্রেমে পড়ছি আমি! দহনে রেখো, আমি যতক্ষণ না তোমার জন্য  উন্মাদ প্রেমিক হই! ৩)   লাস্ট ট্রেন ছেড়ে দিয়েছে।  গন্তব্য নেই।  যাওয়াটাই মনে রেখো। পায়ের ছাপে  একটি একটি প্রহর এঁকে পূর্ণ করো অর্ধচন্দ্র মাস! ঘাসে ঘাসে ক্ষুধা ছড়িয়ে আছে। হরিণ জন্মে দেখা হবে। এখন ব্যস্ত সৌর টান।  তোয়ালে জড়িত নদীর শরীর  স্নানের জন্য পর্যন্ত নয়। শ্যাওলায় জড়িয়ে আসা জল...

প্রবন্ধ ।। রথ ও রথের মাহাত্ম্য ।। মুক্তি দাশ

রথ ও রথের মাহাত্ম্য  মুক্তি দাশ চিরন্তন গতির প্রতীক রথ। আবহমানকাল ধরে যে অবিরাম গতিশক্তির দ্বারা সমগ্র বিশ্বব্রহ্মান্ড আবর্তিত, যে গতির তাড়নায় নদী ছুটে চলেছে সাগরের পানে, অনুপল ছুটে চলেছে পলের দিকে, পল সেকেন্ডের দিকে, সেকেন্ড ঘন্টার দিকে, ঘন্টা দিনের অভিমুখে, আবার দিন মাসের দিকে, মাস বছরের দিকে… -এ হলো সেই গতি। এই গতিপথ ধরেই ঘটেছে মানব-সমাজের ক্রমবিবর্তন, সভ্যতা ও সংস্কৃতির ক্রমবিকাশ। ভারতীয় সংস্কৃতির মূল মন্ত্রই হলো - চরৈবেতি। অর্থাৎ এগিয়ে চল। দুর্নিবার গতিতে এগিয়ে চল। গতি জীবনের লক্ষণ। গতিই জীবন। জীবনই গতি। আর এই গতিরূপ চালিকাশক্তির প্রথম প্রতীকী অবয়ব হলো, রথ। কিংবা সহজভাবে বলা যেতে পারে, রথই মানবসমাজের অগ্রগতির প্রথম সোপান। রথোৎসবের পেছনে যেমন একটি গূঢ় ধর্মীয় বিশ্বাস ও ভাবনার অন্তর্নিহিত শক্তি কার্যকরী, তেমনি এর সুগভীর দার্শনিক তত্ত্ব এবং তাৎপর্যটিও পরিলক্ষণীয়। কঠোপনিষদের প্রথম অধ্যায়ে তৃতীয় বল্লরীর তৃতীয় মন্ত্রে বলা হয়েছে – আত্মানং রথিনং বিদ্ধি শরীরং রথমেব তু। বুদ্ধিং তু সারথিং বিদ্ধি মনঃ প্রগ্রহমেব চ।। ইন্দ্রিয়ানি হয়ানাহুর্বিষয়াংস্তেষু গোচরান্। অর্থাৎ, আমাদের এই শরীররূপ রথের র...

বিধিবদ্ধ স্বীকার্য :

লেখার বক্তব্যের দায়িত্ব লেখকের, পত্রিকার নয়। আমরা বহু মতের প্রকাশক মাত্র।

সাম্প্রতিক বাছাই

বছরের বাছাই

মাসের বাছাই