মেল্লক গ্রামের মদনগোপাল জীউর মন্দির সায়ন মণ্ডল মদনগোপাল জীউ মন্দির হলো হাওড়ার সামতার কাছে মেল্লক গ্রামে অবস্থিত । এই মন্দিরটি গোপালের মন্দির হিসেবে স্থানীয়ভাবে পরিচিত । দক্ষিণ পূর্ব রেল পথ অনুযায়ী এটি দেউলটি স্টেশন থেকে প্রায় চার কিঃমিঃ মেল্লক গ্রামে অবস্থিত । শরৎচন্দ্রের বসতবাড়ি সামতাবেড় যাওয়ার রাস্তা ধরে যেতে হয় । এই গ্রামের জে এল নং - ২০ । এছাড়া আরোও একটি সহজ পথ রয়েছে যা সাম্যতা শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রোড থেকে দেড় কিলোমিটারের পথ । এই মদনগোপাল জিউর মন্দিরটি হাওড়া জেলার সবচেয়ে প্রাচীন ও পশ্চিমবঙ্গের বৃহত্তম আটচালা মন্দিরগুলির মধ্যে অন্যতম । এই মন্দিরটি আটচালা স্থাপত্যের ওপর পোড়ামাটি দ্বারা অলঙ্কৃত । এটি মন্ডলঘাট পরগনার ১৭শ তম শতাব্দীতে ( ১৬৫১ সালে ) জমিদার মুকুন্দপ্রসাদ রায়চৌধুরী র দ্বারা নির্মিত । মন্দিরে মদনগোপাল জিউর বিগ্রহটি দক্ষিণমুখী । তবে ইতিহাস ঘাটলে জানা যায় মন্দিরের প্রবেশপথে ...
দাদা ঠাকুর ও কাজী নজরুলের দ্বিমুখী সখ্যতা আবদুস সালাম কাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে দাদাঠাকুরের পরিচয় কীভাবে হয়, সেই প্রসঙ্গে আলোকপাত করেন আবদুল আযীয আল-আমান। তাঁর লেখা থেকে জানা যায়, নলিনীকান্ত সরকার মহাশয়ের মাধ্যমে দাদাঠাকুরের সঙ্গে নজরুলের প্রথম পরিচয় হয়। নজরুলের ‘বিদ্রোহী’ কবিতা তখনও প্রকাশিত হয়নি। মোসলেম ভারতে প্রকাশিত কবির কয়েকটি কবিতা নিয়ে বাংলার সাহিত্যিক, কবি, পাঠক, সমালোচক মহলে রীতিমতো উঠেছে আলোড়ন। সেই সময় দাদাঠাকুরের সঙ্গে নজরুলের প্রথম আলাপ। *"দাদাঠাকুর" ওরফে শরৎচন্দ্র পণ্ডিত – ১৯ শতকের শেষ আর ২০ শতকের প্রথম দিকের এক তুখোড় ব্যঙ্গকার, সাংবাদিক এবং নাট্যকার। উনার "জঙ্গম" পত্রিকা তখন কলকাতার সাহিত্য-রাজনীতির আখড়া ।সবাই মুখিয়ে থাকতো কখন আসছে “জঙ্গম”। সারাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আর শ্লেষাত্মক ছড়া। কাজী নজরুল ইসলাম তখন সদ্য সাহিত্য জগতে এসেছেন। এসেই সাহিত্যের আঙিনায় তুলেছেন ঝড়। অসহ্য।কোথাকার এক গেঁয়ো- ভূত এসে তছনছ করে দিচ্ছে সব হিসেব । কিছুতেই কেউ যেন মেলাতে পারছে না অঙ্ক ।বিভিন্ন আলাপ আলোচনা ও সমসাময়িক বহু কলমচীর কথায় উঠে আসে দাদা ঠাকুর ও নজরুল প্রসঙ...