ভুতুড়ে গল্প হাফেস পুকুর জেড এইচ ফাহাদ ১. আজ হাসান তাদের নানার বাড়ী যায়। তাদের নানার বাড়ী ফেনী জেলার ফুলকাজী উপজেলার মধ্যে অবস্থিত। হাসানপর নানাদের গ্রামের নাম কুতুবপুর। তাদের নানাদের বাড়ী কুতুবপুর গ্রামের শেষ মাথায় অবস্থিত। তাদের নানাদের বাড়ীর আশপাশের জায়গাগুলোতে জ্বীনদের বসবাস বলে লোকমুখে শুনা যায়। হাসানের নানার বাড়ীর জায়গাগুলো দিনে-দুপুরেও ভয়ংকর। তার মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর হলো হাফেজ পুকুর। যা তাদের নানাদের গ্রামের পাশের গ্রামে অবস্থিত। এটার ভয়াবহ আতংক সবার মনে বিরাজ করে। এই পুকুরের চারপাশে কবরস্থান আছে এবং কবরস্থানের পাশ দিয়ে রাস্তার আছে। দিনে-দুপুরেও রাস্তাটা নির্জন থাকে। হাসান ছোটবেলা থেকে নানার বাড়ী আসা পছন্দ করতো না এসব কারণে। তাকে যখন-তখন একা ঘুরতে যেতে দেওয়া হতো না। বিশেষ করে হাফেজ পুকুরের আশপাশে। হাফেজ পুকুরে অনেক ভয়ংকর সব ঘটনা ঘটে। একবার তো একজন ব্যাক্তি ওজু করার জন্য হাফেজ পুকুরে একা নামে যখনই সে পানিতে স্পর্শ করে হঠাৎ তখনই একটা হাতটা তাকে পানির ভিতর টেনে নিয়ে যায়। যোহরের সালাত শেষে তার সাথিরা তাকে অনেক খোঁজ করেও তাকে পায় না। ...
মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র প্রকাশিত হল। যত লেখা রাখা গেল, তার দ্বিগুণ রাখা গেল না। বাদ যাওয়া সব লেখার 'মান' খারাপ এমন নয়। কয়েকটি প্রবন্ধ এবং বেশ কিছু (১৫-১৭টা) ভালোলাগা গল্প শেষ পর্যন্ত রাখা যায়নি। আমাদের সামর্থ্যের কারণে। তবুও শেষ পর্যন্ত দশ ফর্মার পত্রিকা হয়েছে। গত দুবছরের মতো A4 সাইজের পত্রিকা। যাঁদের লেখা রাখা গেল না, তাঁরা লেখাগুলি অন্য জায়গায় পাঠাতে পারেন। অথবা, সম্মতি দিলে আমরা লেখাগুলি আমাদের অনলাইন নবপ্রভাতের জানুয়ারি ২০২৬ সংখ্যায় প্রকাশ করতে পারি। পত্রিকাটি আগামী ৯-১৩ জানুয়ারি ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি আয়োজিত কলকাতা লিটল ম্যাগাজিন মেলায় (রবীন্দ্র সদন - নন্দন চত্বরে) পাওয়া যাবে। সকলকে ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা।