হেমন্ত মুখোপাধ্যায় ঃ জন্মদিনে শ্রদ্ধাঞ্জলি উজান ব্যানার্জি আজ ১৬ই জুন। গায়ক হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের জন্মদিন। 'কোন এক গাঁয়ের বধূর কথা তোমায় শোনাই শোনো'-- গান শুনে আমাদের শৈশব শুরু। কৈশোর শুরু হয় 'ঝড় উঠেছে বাউল বাতাস, আজকে হল সাথী,' শুনে। বুঝতে শিখি 'নীড় ছোট ক্ষতি নেই, আকাশ তো বড় '। যৌবনে পা ফেলি-- 'এ পথ যদি না শেষ হয়, তবে কেমন হত তুমি বলোতো?'সেই মন মাতানো মিষ্টি সুরে। তারপর? তারপর 'দুজনার দুটি পথ ওগো দুটি দিকে গেছে বেঁকে '। জীবন এগিয়ে চলে নতুন পথে -- 'রানার ছুটেছে তাই ঝুমঝুম ঘন্টা বাজছে রাতে.... রাত শেষ হয়ে সূর্য উঠবে কবে?'। সেই ছোটা শুরু--'আমি যাযাবর কুড়োই পথের নুড়ি, হাজার জনতা যেখানে, সেখানে আমি পথে পথে ঘুরি '--সে ঘোরা উজান বেয়ে আজ গোধূলির ঘাটে এসেও সেই কণ্ঠ আজও জড়িয়ে থাকে এক অদ্ভুত মাদকতায়। আনন্দে-বিষাদে, হতাশায়-উল্লাসে, নিঃসঙ্গতায়-উৎসবে তার কণ্ঠ এক আশ্রয়। আগামী পৃথিবী নিশ্চয়ই কান পেতে তার গান শুনবে। কবিতা।। চিরবসন্ত ---হেমন্ত ॥ আষাঢ় এর প্রথম দিনে জন্ম নিল মেঘ কণ্ঠ, সুরের আকাশে শুকতারা, ভরিয়ে দিল আদিগন্ত। ঝড় তুলল নগর বাউল ভাঙ...
জাতিস্মর আশীষ কুমার বিশ্বাস গল্পের শুরুটা প্রায় ষাট বছর আগের কথা । যার নাম গৌতম, ডাক নাম ছিল বাবু । তার বছর তখন ছয়-সাত হবে । আমরা বা আমি তখন একটু বড় । এক সাথেই চলতো খেলা । গোল্লা ছুট, দাঁড়িয়া বান্দা, চোর-পুলিশ । যে মাঝে মাঝে খেলা থেকে বিরত থাকতো ; সে-ই জাতিস্মর । মাঠের পাশেই ছিল একটা খেঁজুর গাছ । তাতে হাত রেখে দূরের এক গ্রামের দিকে এক মনে তাঁকিয়ে থাকতো "বাবু" । গ্রামটির নাম "বিনয় পল্লী " । মাঝে বড়ো মাঠ । হাঁটা শুরু করলে তিরিশ - চল্লিশ মিনিট লাগবে । মাঝে জলে ভরপুর দেখে কখনো যাওয়া হয়নি । বাবু কে যখন বলতাম, ওপারে কি দেখছিস? ও বলতো, ওখানে আমার ছোট মা থাকে, দিদি থাকে, আমার ভুলু কুকুর থাকে । এ কথা আমাদের বিশ্বাস হতো না । আবার খেলায় ফিরে যেতাম, খেলতাম । কিন্তু ও বসে বসে , ওপারের গাছ পালা , বাড়ি ঘর দেখতো । কাছে গেলে বলতো , ওই যে সবুজ ,কচি কলাপাতা রঙের দালান বাড়ি, ওটাই আমাদের বাড়ি ! এই ভাবে মাস ছয়, বছর গড়াতে লাগলো । মনে প্রশ্ন জাগতে লাগলো, এ টা কি মন গড়া , বা বানিয়ে বানিয়ে বলছে? সত্যি প্রকাশ হোল এক দিন । সে বাড়িতে কিছু ...