Skip to main content

Posts

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। ৯৯তম সংখ্যা ।। জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ মে ২০২৬

লেখা-আহবান-বিজ্ঞপ্তি   আগামী মাসে প্রকাশিত হবে নবপ্রভাত ওয়েব ম্যাগাজিনের ১০০তম সংখ্যা ।   কোনো বিশেষ বিষয় থাকছে না। শব্দ বা লাইন সংখ্যার কোনও বাঁধন নেই।     বিভাগ-১: প্রবন্ধ-নিবন্ধ-ফিচার, বিভাগ-২: সব ধরনের গল্প, বিভাগ-৩: ভ্রমণকাহিনি-মুক্তগদ্য-রম্যরচনা, বিভাগ-৪: কবিতাগুচ্ছ (ন্যূনতম ৩টি)-ছড়াগুচ্ছ (ন্যূনতম ৩টি) পাঠাতে পারেন।   নির্বাচিত লেখাগুলি (সর্বোচ্চ ৯৯টা) প্রকাশিত হবে এবং প্রতি বিভাগ থেকে একটি করে সেরা লেখার লেখককে মানপত্র ও নবপ্রভাত প্রকাশনীর বই উপহার দিয়ে সম্মান জানানো হবে। সম্ভব হলে সংখ্যাটির মুদ্রিত সংস্করণও হতে পারে। সুতরাং মানসম্মত ভালো লেখা পাঠান।   e-mail: nabapravatblog@gmail.com   পাঠানোর শেষদিন : 12/06/2026 পত্রিকা প্রকাশ : ১লা আষাঢ় ১৪৩৩ ( 15/06/2026) সূচিপত্র দেবাশিস সাহার গুচ্ছকবিতা ভবরোগবৈদ্যম ।। শ‍্যামাপ্রসাদ সরকার ছড়াকারের পরিচয়-সঙ্কট ।। জাহাঙ্গীর আলম জাহান Gen Z-এর প্রভাব : সমাজতাত্ত্বিক ও মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ।। শিবশিস  মুখার্জী আধুনিক সমাজ ও সক্রেটিস: প্রশ্নের ভেতর দিয়ে মানুষের যাত...
Recent posts

দেবাশিস সাহার গুচ্ছকবিতা

 দেবাশিস সাহার গুচ্ছকবিতা ১. আমার হিয়ার মাঝে... শরীর জুড়ে যাত্রাপালা, নাচ-গান, নাটক  দর্শক আমি শ্রমের বিনিময়ে  মঞ্চ বলতে ঘর-বারান্দা শ্রোতা বলতে আমি ও রবীন্দ্রনাথ  হঠাৎ চারপাশে অজস্র রবীন্দ্রনাথ  ভর করে শিল্পীর মাথায়  শিল্পী বেজে ওঠে প্রকৃতির খেয়ালে  আমার হিয়ার মাঝে... ............................ ২. আমায় যে সব দিতে হবে  নিজের অন্তরে প্রত্যেকে ভিক্ষুক  ভিক্ষার হাহাকার নিয়ে বেঁচে থাকে মানুষ  প্রত্যাশার ঝুলি নিয়ে  ভোর কাঁধে করে   বের হয় এক - একটি রাস্তা  আত্মদানে কেউ মুখর নয় এক বাউল সকাল  মিথ্যে রঙের একতারা বাজিয়ে  গেয়ে ওঠে    আমায় যে সব দিতে হবে...  ............................ ৩.যদি জানতেম আমার কিসের ব্যথা আকাশের চেয়ে উঁচু দু:খকে পার হতে পাখিকে শিখতে হলো উড়ান গাছেরাও শিখে নিলো বিবাহ সঙ্গীত  নামগান করতে করতে উড়ে গেলো প্রজাপতি  নদীর কাছে নতজানু হলো মানুষ  জেগে উঠলো নদী বেজে উঠলো নদী যদি জানতেম আমার কিসের ব্যথা  ............................ ৪.  প্রাণ ভরিয়ে তৃষা হরিয়ে রাস্...

ভবরোগবৈদ্যম ।। শ‍্যামাপ্রসাদ সরকার

ভবরোগবৈদ্যম  শ‍্যামাপ্রসাদ সরকার অষ্টাদশ শতাব্দীর ধর্ম ও মাতৃরসে জারিত এক উল্লেখযোগ্য কাব্যধারা হল পদাবলী! কিন্তু এটি কোনও কাব্য সৃষ্টির স্বয়ম্ভু সাধনার হঠাৎ কোপ  ফল নয়। এসব প্রেরণার একটা উৎপত্তিস্থল সমাজের চারপাশে থাকেই এমনকি তখনও ছিল।  সেই উৎসস্থল কেবল সমকালীন বা পূর্বাপর কবিদের প্রেরণারস্থল নয় যা কবিকে প্রভাবিত করেছিল। বলতে গেলে যথার্থ হবে যে  চর্যাপদ থেকে মঙ্গলকাব‍্যের উজান ধারাই বেয়ে এসে বৈষ্ণব পদাবলীই শাক্ত পদাবলীর উৎসকে নিয়ন্ত্রিত ও প্রভাবিত করেছে। যদিও   কোন সৃষ্টি কখনও তার দেশ, কাল, সমাজব্যবস্থার ঊর্ধ্বে নয়। তাই  অষ্টাদশ শতাব্দীতে একদিকে বর্গীর হাঙ্গামা, শাসকদের অত্যাচারে বাঙালীর ধর্ম, প্রাণ সব কিছুতেই একটা নিরাপত্তার অভাব দেখা যায়। ঠিক এরকমই এক জরাতুর কালে সাধক কবি রামপ্রসাদ এসেছিলেন তাঁর সাধনার অনুভূতিলব্ধ সুর ও ধ্বনি নিয়ে। তাঁর বাণীতে ক্লান্ত, অবসন্ন বাঙালী-জীবন মায়ের রক্তচরণ কমলে বিপদ মুক্তির শরণাগতি খুঁজেছে।সন্তানের আতুর ব্যাকুলতা মায়ের প্রতি দুহাত বাড়ানো স্নেহ প্রার্থনা রামপ্রসাদের ভবঘুরে জীবনের মহত্তর সাফল্য।  নিয়ত শ্রমে ও সেবায়, ব...

ছড়াকারের পরিচয়-সঙ্কট ।। জাহাঙ্গীর আলম জাহান

ছড়াকারের পরিচয়-সঙ্কট জাহাঙ্গীর আলম জাহান ছড়া, গল্প, প্রবন্ধ এগুলো বিশেষ্যবাচক শব্দ। এ সকল শব্দের সাথে 'কার' প্রত্যয় যুক্ত হলে শব্দগুলো আরও তাৎপর্যময় হয়ে ওঠে। যেমন ছড়াকার, গল্পকার, প্রবন্ধকার, গীতিকার, সুরকার, পালাকার, স্বর্ণকার, মণিকার ইত্যাদি। বাংলা একাডেমির ব্যবহারিক বাংলা অভিধানে 'কার' শব্দের নানাবিধ অর্থ দেখানো হয়েছে। 'শিল্পী' 'রচয়িতা' 'নির্মাতা' অর্থেও 'কার' শব্দের ব্যবহার সঠিক। সাহিত্য-নির্ভর সৃজনশীল লেখক মাত্রেই শিল্পী, নির্মাতা বা রচয়িতা। লেখালেখির ক্ষেত্রে শিল্পিত রুচিবোধ যেমন থাকতে হয়, তেমনি শব্দ ও বাক্যের সুবিন্যস্ত প্রয়োগে সাহিত্য নির্মাণের কৌশলও জানা থাকা আবশ্যক। অর্থাৎ সৃজনশীল লেখক শুধু রচয়িতাই নন, তিনি একজন নির্মাতাও। নির্মাণের প্রকৌশল যিনি যত ভালো রপ্ত করতে পারেন সাহিত্যক্ষেত্রে তিনি তত ভালো নির্মাতা, রচয়িতা বা শিল্পী। লিখতে লিখতে নির্মাতার স্তরে উন্নীত হলেই পাঠকেরা সেই লেখকের পরিচয়সত্তার সাথে 'কার' শব্দটি প্রযুক্ত করে দেন। অর্থাৎ একজন ভালো ছড়া রচয়িতাকে 'ছড়াকার' ভালো গল্প লেখককে 'গল্পকার' এবং ভালো প...

Gen Z-এর প্রভাব : সমাজতাত্ত্বিক ও মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ ।। শিবাশিস মুখার্জী

Gen Z-এর প্রভাব : সমাজতাত্ত্বিক ও মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ শিবাশিস মুখার্জী Gen Z বা Generation Z বলতে সাধারণভাবে বোঝায় ১৯৯৭ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে জন্মগ্রহণকারী প্রজন্মকে। এই প্রজন্ম এমন এক সময়ে বেড়ে উঠেছে, যখন পৃথিবী প্রযুক্তিগত বিপ্লব, সামাজিক পরিবর্তন, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং বিশ্বব্যাপী সংকটের মধ্যে প্রবেশ করেছে। ফলে Gen Z শুধু একটি নতুন প্রজন্ম নয়—তারা আধুনিক সমাজের রূপান্তরের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। Gen Z-এর প্রভাব সমাজ ও মানবমন—দুই ক্ষেত্রেই গভীর এবং বহুমাত্রিক। ১. সমাজতাত্ত্বিক প্রভাব (Sociological Impact) ক) ডিজিটাল সামাজিকীকরণ ও নতুন সমাজবোধ আগের প্রজন্ম যেখানে পরিবার, স্কুল বা প্রতিবেশের মাধ্যমে সামাজিক সম্পর্ক গড়ে তুলত, সেখানে Gen Z বেড়ে উঠেছে মূলত ইন্টারনেট ও সোশ্যাল মিডিয়ার ভেতর দিয়ে। তাদের বন্ধুত্ব, পরিচয় ও যোগাযোগ অনেকটাই ভার্চুয়াল। "কমিউনিটি" এখন আর শুধু স্থানভিত্তিক নয়, বরং গ্লোবাল অনলাইন নেটওয়ার্ক। ফলে সমাজের সংজ্ঞাই বদলে যাচ্ছে। খ) সংস্কৃতি ও মূল্যবোধের পরিবর্তন Gen Z সামাজিক সমতা, অন্তর্ভুক্তি, বৈচিত্র্য এবং ব্যক্তিস্বাধীনতার ব্যাপারে অনেক ব...

আধুনিক সমাজ ও সক্রেটিস: প্রশ্নের ভেতর দিয়ে মানুষের যাত্রা ✍️ শিবাশিস মুখার্জী

আধুনিক সমাজ ও সক্রেটিস: প্রশ্নের ভেতর দিয়ে মানুষের যাত্রা ✍️ শিবাশিস মুখার্জী একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের করিডোর। রাত প্রায় সাড়ে দশটা। আলো জ্বলছে শুধু দর্শন বিভাগের এক কোণে। একজন ছাত্র বসে আছে টেবিলের সামনে, বই খুলে। তার সামনে প্লেটোর Apology। সক্রেটিসের বিচার চলছে। ছাত্রটি হঠাৎ থেমে যায়। তার মনে প্রশ্ন জাগে— দুই হাজার পাঁচশো বছর আগে একজন মানুষ প্রশ্ন করেছিল বলে মৃত্যুদণ্ড পেলেন। আজ? আজ কি প্রশ্ন করা নিরাপদ? আজ কি সক্রেটিস বেঁচে থাকতে পারতেন? এই প্রশ্ন থেকেই আমাদের আলোচনার সূচনা। সক্রেটিস কোনো বই লিখে যাননি। তিনি রেখে গেছেন এক পদ্ধতি—প্রশ্নের পদ্ধতি। তাঁর মূল শক্তি ছিল তাঁর অজ্ঞতার ঘোষণা: "আমি জানি যে আমি জানি না।" এই স্বীকারোক্তি ছিল জ্ঞানের সূচনা। তিনি মানুষের বিশ্বাস, নৈতিকতা, রাজনৈতিক ধারণা—সবকিছুকে যুক্তির আলোয় পরীক্ষা করতেন। আধুনিক সমাজে আমরা প্রায়ই তথ্যকে জ্ঞান বলে ভুল করি। গুগল আমাদের তথ্য দেয়, কিন্তু প্রজ্ঞা দেয় না। সক্রেটিস আমাদের শেখান—তথ্য নয়, পরীক্ষা জরুরি। প্রশ্ন ছাড়া জ্ঞান অন্ধ। আজকের যুগে এই পদ্ধতি আগের চেয়ে প্রাসঙ্গিক। কারণ আজ আমরা তথ্যের চাপে আক্রান্ত, ...

ডানাহীন পাখির অবশিষ্ট আকাশ ।। অলোক আচার্য

 ডানাহীন পাখির অবশিষ্ট আকাশ  অলোক আচার্য ডানা ঝাপটে উড়তে চাওয়া পাখিগুলোর জীবন নিয়ে যে উপন্যাস লেখা হলো অথবা কোনো নাটকের গল্প তৈরি হলো- সেই গল্প বা উপন্যাস পাখিটার কোনোদিন পড়া হলো না! খাঁচার বাইরের আকাশ বা নদীর আলো আর গল্পের শব্দগুলো কেমন হয় সেটাও জানতে পারে না কোনোদিন! এভাবেই উপেক্ষিত থাকে নদী ও মাটি; মাটির সাথে মিশে থাকে মানুষ,অরক্ষিত দুর্গের নৃত্যরত মূর্তিসব সাপ-খোপের ভয় এড়িয়ে ইতিহাস লেখার সময় কেথায়! নক্ষত্ররাও জানে আলোহীন সময়ের পর আর কিছু অবশিষ্ট থাকে না। =========== অলোক আচার্য কবি ও প্রাবন্ধিক পাবনা।          

সকালস্নানে মন্ত্রমুগ্ধ সময় ।। সিয়ামুল হায়াত সৈকত

সিয়ামুল হায়াত সৈকত সকালস্নানে মন্ত্রমুগ্ধ সময় আয়ুরেখা ধরে প্রলয় উঠে হাতের আঙুলে, নখের নখরে কাঁচা বাঁশ লম্বা প্রণয়ের মতো দাঁড়িয়ে থাকে লাল জামা গায়ে পাহারা দেয় আমার ভূত-ভবিষ্যৎ বাতাসে উঠে না পাওয়ার কী দারুণ ব্যথা। কালো দাগ দিয়ে আমার ঘর ভর্তি অন্ধকারের মতো চোখ এঁটে পালিয়ে বেড়াই আর লাইটের ছায়া হয়ে পাটির মসৃণ পিঠে রান্নাবাটি সাজাতে বসি। তুমি বলো খেলাঘর- আমি বলি সংসার হয়ে ডানাজাপটে উড়তে চাই মোহ, মায়া যেন মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখে সকালের সমন্ধ্যে।  ================= সিয়ামুল হায়াত সৈকত কবি ও লিটলম্যাগকর্মী প্রকাশিত পকেটবুকঃ প্রেম ও একিলিসের ঘোড়া (২০১৭), বার্তা প্রকাশন, কলকাতা। সম্পাদনাঃ শূন্য – কবিতায় ভাস্বর (৩টি সংখ্যা প্রকাশিত) ঠিকানাঃ মৌলভীবাজার সদর, সিলেট, বাংলাদেশ।

দুটি কবিতা ।। জয়িতা চট্টোপাধ্যায়

দুটি কবিতা ।। জয়িতা চট্টোপাধ্যায় আধুলি ও কড়িতে কেনা নেই আমাকে আমার চেনা হয়নি জানা হয়নি ঘায়ের আকার ঠিক কতটা হলে সেলাই পড়ে নিজেকে দামি ভেবে গেছি রোজ... বার বার ভুলের পর,আজ যা পড়ে আছে তা কেবল আত্মশ্লাঘা এক জনমের সওদায় যাকে বিক্রি করা যাবে না তাই তো বুকে আগলে বসেছি আমার বিস্ফোরণ আর সেই ধ্বংসস্তূপে নুন ছিটিয়ে যাচ্ছে গোটা শহর। নিরালায় আছি মানচিত্রে আমাদের স্থান এক ও অনন্য অন্ধের দৃষ্টি খোঁজার মতো আমরাও আমাদের মৃত ভালোবাসাকে উস্কে দিই ব্রক্ষ্মাণ্ডে,তখন চাঁদটাও নগন্য লাগে যেন একটুকরো কালো পাথর আবার সময়ে সময়ে বেড়ালের ল্যাজ নাড়াটাও হয়ে ওঠে পৃথিবীর অন্যতম মনোরম দৃশ্য ওর ল্যাজে লেগে থাকা পিঁপড়েটা তখন আমি, ক্ষুদ্র ও তুচ্ছ যেন প্রকৃতির বুকের এক টুকরো বিরহ। ....................... জয়িতা চট্টোপাধ্যায় শ্যামনগর উত্তর চব্বিশ পরগনা ভারত

কথার ঝুলি ।। বিপ্লব চন্দ্র দত্ত

কথার ঝুলি বিপ্লব চন্দ্র দত্ত   প্রবচন হল কবি , সাহিত্যিক বা প্রজ্ঞাবান ব্যক্তির সৃষ্টি। প্রবাদের কোন লিখিত ভিত্তি নেই। প্রবাদকে বলা হয় লোকসমাজের অভিজ্ঞতার নির্যাস। একক কোন ব্যক্তি এর রচয়িতা হিসেবে দাবি করতে পারে না। অন্যদিকে প্রবচন ব্যক্তিগত প্রতিভার দ্বারা সৃষ্ট বাক্য বা বাক্যাংশ। প্রতিনিয়ত কথাশিল্পীদের কথার মারপ্যাঁচে কত কথাই না শুনতে হয় আমাদেরকে। বাংলাভাষায় রয়েছে হাজারো রকমের প্রবাদ , প্রবচন , শ্লোক , ধাঁধাঁ ইত্যাদি। লোকমুখে প্রচলিত কিছু কথাকে নিয়ে কিছু কথা বলতে চাই ! বাগধারা কখন থেকে কিভাবে প্রচলণ হয়েছিল তাও জানা যায় না। লোকসাহিত্যের শক্তিশালী মাধ্যম হল প্রবাদ। ছড়ার সাথে প্রবাদের ঘনিষ্ট সম্পর্ক আছে। প্রবাদের মধ্যে দিয়ে একটি জাতির সামগ্রিক জীবন চর্যার পরিচয় পাওয়া যায়। যুগ যুগ ধরে মানুষের মুখোমুখি চমৎকার এই বাক্য বা বক্তব্যগুলো , অর্থাৎ প্রবাদ - প্র...

বিধিবদ্ধ স্বীকার্য :

লেখার বক্তব্যের দায়িত্ব লেখকের, পত্রিকার নয়। আমরা বহু মতের প্রকাশক মাত্র।

সাম্প্রতিক বাছাই

বছরের বাছাই

মাসের বাছাই