লেখা-আহ্বান বিষয়ক মাখনলাল প্রধান আজকাল পত্রপত্রিকায়, ফেসবুকে, হোয়াটস অ্যাপে লেখা চাওয়া হয়। খুব কমই দেখি গল্প - কবিতা বা প্রবন্ধের আহ্বান। অর্থাৎ সাহিত্য পত্রিকা 'লেখা ' কথাটা বললে কেমন বেমানান শোনায়। সরাসরি বললে ভাল শোনায় যে গল্প, কবিতা পাঠান। তখন পাঠাবার মালিক ভাবতে বাধ্য হবেন যে গল্প চাওয়া হয়েছে, গল্প - টল্প নয়, কবিতা টবিতা নয়। লেখা ব্যাপারটা সচরাচর সাধারণভাবে হালকা বিষয়কেই ইঙ্গিত করে। আমি বুঝি, লেখা বলতে হাতের লেখা, মক্স করা, রচনা লেখা, ছোটোদের প্রশ্নোত্তর লেখা। হিসেবের খাতা লেখাও এর মধ্যে পড়ে। না বলে উপায় নেই যে এখন বেশ হিসেব করেই প্রচার করা হয় - শব্দসংখ্যা। আমার মনে হিসেবি হওয়া ভালো, মিষ্টির দোকানে বা মুদিখানায় ওই পরিসংখ্যান ছাড়া চলবেই না। জীবনের সবক্ষেত্রেই এটা প্রযোজ্য, এমনকী সাহিত্যের বেলায়ও বটে। তবে সর্বত্র অ্যাকাউন্টেন্ট হলে তার ফল সব সময় ভালো হয় না শুনেছি। যাকে বলে বায়না দেওয়া বা অর্ডার করা কিংবা বাধ্য করা মাল নিখুঁত কমই হয়। আবার এটাও শুনেছি বড় লেখকদের ওই পত্রিকা শব্দসংখ্যা উল্লেখ করে বলে না, হয়তো বলে ছোট্ট মতন ...
ফ্রুক্টোজ এবং ক্যানসার বিস্তার: আধুনিক ক্যানসার গবেষণার একটি নতুন দিগন্ত অনিন্দ্য পাল ক্যানসার চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাসে একটি দীর্ঘস্থায়ী এবং জটিল চ্যালেঞ্জ হলো টিউমারের পুনরাবৃত্তি এবং মেটাস্ট্যাসিস (metastasis)—অর্থাৎ শরীরের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে ক্যানসার কোষের ছড়িয়ে পড়া। সম্প্রতি দ্য উইস্টার ইনস্টিটিউটের গবেষকদের নেতৃত্বে পরিচালিত একটি যুগান্তকারী গবেষণা ক্যানসার বিজ্ঞানে এক নতুন মোড় এনে দিয়েছে। ২০২৩-২০২৬ সময়কালের গবেষণার ধারাবাহিকতায় Nature Aging জার্নালে প্রকাশিত এই গবেষণায় ক্যানসারের পুনরাবৃত্তির পেছনে একটি সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত অপরাধীকে চিহ্নিত করা হয়েছে—আর সেটা হলো ফ্রুক্টোজ (এক ধরণের শর্করা বা ফলের চিনি)। প্রথাগতভাবে জিন বা প্রোটিনকে ক্যানসার প্রসারের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে মনে করা হলেও, এই আবিষ্কার ক্যানসার চিকিৎসায় মেটাবোলাইট বা বিপাকীয় পদার্থের গুরুত্বকে নতুনভাবে সামনে নিয়ে এসেছে। কেমোথেরাপি এবং 'সেনেসেন্স' কোষের ভূমিকা সাধারণত ক্যানসার চিকিৎসায় কেমোথেরাপি ব্যবহার করা হয় দ্রুত বিভাজিত হওয়া ক্যানসার কোষগ...