. ভ্রমবন্দী. হৈমবতী নিশীথের বাতায়ন,জীবন নাট্যে কেন কৃষ্ণ পঞ্চম। ষরোষী নও;নও যে শ্রী রোষী হয়েছো মহা রোষী, যাকে হিংসে চন্দ্র আজ কলঙ্কিনী। তুমি অন্তপিঞ্জরে সেই ভ্রম যাহা হৃদকায়েদ করে আজীবন। তুমি সেই পল্লবের অধিকারিণী যে পল্লবের দৃষ্টিতে স্বর্গদগ্ধে হয় মধু সুন্দরিণী। তুমি সেই নিবিড় যে লুপ্ত করে আমায় দিকবিদিক। তুমি সেই কনবতী যার ইন্দ্রজালে আমি আকুল প্রণয়ী। তুমি সেই অভ্রকনা যার শালবনে আমি পলকহীন জোছনা। আমি সঙ্গহারা বন্ধুহীন কে জানিত অদৃষ্টের লিপিতে বেধে আছি চিরদিন। আমি পাষাণের ক্লেশ বিস্মৃত কথামালা,তুমি বাবলা গাছের গুড়ি রঙিন আশ্বিন হাওয়া । তুমি সেই অনুখন যা আম্রকাননে আনিছে শিহরণ। তুমি সেই শরৎ প্রভা যার রৌদ্র রঙে ফুটিত হয় পুষ্প-কনা। তোমার ধীরগম্ভীর স্বর নিশীথ আহুতিতে মোর পঞ্জর,কুসুম ঝড়ে আজও সে অগোচর। তুমি আশীর্বাদ আমি অভিশাপ দ্বয়ী মিলনে একোন বজ্রাঘাত। স্মৃতি পুরে শ্মশানে আম...
সদা অন্যমনস্ক গোলকবাবু দীপক পাল গোলক বাবু প্রতিদিন সকাল ছটার সময় ঘুম থেকে ওঠেন একেবারে ঘড়ি ধরে ছটায় নয়, কোন কোন দিন সোয়া ছটা ও বেজে যায়। তারপর চোখ মুখ ধুয়ে নিজের জন্য চায়ের জল বসান। গিন্নী জয়া ওঠে দেরি করে। রাতে শুতেও যায় সে দেরি করে। কারণ কোনএকটা কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকে সে। তাই শুতেও তার দেরী উঠতেও দেরী। রান্নার লোক ও ঘর দোর পরিষ্কার করার লোক আছে। তারা ওরকিছু ফাই ফরমাসও খেটে দেয়। গোলক বাবু ওসব কিছুর ধার ধারেন না। তিনি কারো কাছে কিছু চান না। চা টা তিনি বেশ ভালইকরেন। বিকেলেও তিনি প্রায়সই করে থাকেন। গিন্নী তার করা চা ভালই খান। চায়ের কাপ আর বিস্কুটের কৌটো নিয়ে তিনি দক্ষিনের বারান্দায় এসে দাঁড়িয়ে ধোঁয়া ওঠা চায়ের কাপে একটা স্নেহের চুমুক দিলেন। ইজি চেয়ারটা পাতাই ছিল। তিনি অতি সাবধানে চায়ের কাপটা মাটিতে রেখে কৌটো খুলে দুটো বিস্কুট বার করে কৌটো নামিয়ে চায়ের কাপটা তুলে নিলেন হাতে। গায়ে অবশ্য শাল জড়াতে তিনি ভোলেননি। যদিও নভেম্বর মাসের এখনও কটা দিন বাকি আছে। তাই একমাত্র রাত নটার পর এবং সকালের দিকটা বেশ ঠান্ডাঠান্ডা লাগে। গোলক বাবু এক গভর্নমেন্ট আন্ডারটেকিং অফিসে ...