তিনটি কবিতা ।। সমীর মন্ডল শীতল জলের বাঁধ তুমি তো কোন মানবী নও তুমি শীতল জলের বাঁধ সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে তৃষ্ণার্ত চিত্তে পান করি অবাধ। ভালোবেসে আবার মুক্তও করি অলিখিত এক ধারায় সিক্ত করো চরাচর তবু ফিরে এসে ডাকো না আর আমায়। তোমার আকাশে উড়ে বেড়ায় দুরন্ত পানকৌড়ি ডুবে ডুবে সে খুঁজেও নেয় নীরব ভাষার সুগন্ধি মৌরি। আরো কত অজানা নামে কাটায় দীর্ঘ দিন শীতের দিনের একটি বেলায় দেখা হলো, বেহিসাবী ঋণ। চমক ভাঙে নৌকা বিহারে দোদুল্ল্যমান বেশ যতবার মনে পড়ে তোমায় তুমি থাকো বিশেষ। অকাল বর্ষনে অকাল বর্ষনে বজ্র বিদ্যুৎ সঙ্গে নিয়ে কে তুমি ডাকো? একলা পথে ভিজে রোদ্দুরে লজ্জা শরমের বালাই না রেখে অসহায় আত্মসমর্পণ। কর্দমাক্ত পিচ্ছিল পথে গন্তব্যে স্থির উচ্ছ্বসিত আবেগ ফুলের গন্ধে বুদ হয়ে থেকেও আপন মনে কাজ করে চলে। ঝড়ে কাঁপা...
তিনটি কবিতা ।। তৃষিতা মিত্র শাওন অঝোর ঘনঘোর বর্ষা রুমঝুম রিমঝিম দিন কারা যেন ভরে তুলেছে জলের বিছেহার সন্ধে কলস নদী উত্তাল ইলিশ মাছের ঘ্রাণ নদী ছাপিয়ে তরঙ্গ লহর তুলে পৌঁছে যায় এ ঘরে সে ঘরে মাটিতে বনে বজরায় সাগরে বারিধারায় উল্লসিত বৃক্ষরাজি সবুজের শ্যামল সমারোহ আর দিকে দিকে নবপত্রের হরষগীতি দগ্ধ গ্রীষ্ম প্রখর গ্রীষ্ম রুক্ষ্ম গ্রীষ্ম তোমার তর্পণ হোক বরষা সলিলে খ্যাপা বাউলের উন্মত্ত তারের সুর স্রোত ঢেউ মিলেমিশে কী যে মোহ নিষিদ্ধ প্রলুব্ধকর ইশারা ছড়ায় ভেসে চলে জলে স্মৃতি খেয়াতরী ঠিক যেন বর্ণবিলাসী রামধনু। মুস্তাং এই কি সেই মুনল্যান্ড? বহু প্রতীক্ষিত চাঁদের পাহাড়? কে সাজাচ্ছে আমাদের সঙ্গে অবিরত এই জলের আলপনা? এই কি সেই কালীগণ্ডকী? আহা কী অপূর্ব সুদৃশ্য পাহাড়! আহা কী সুন্দর আগুনরঙা পাহাড়! মাটি মেশানো ঝুর...