২০২৬ নোবেলজয়ী অ্যান কারসনের সাহিত্য : পুরাণ, আকাঙ্ক্ষা, ভাষা ও অর্থের অন্তর্গত যাত্রা ✍️শিবাশিস মুখার্জী, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যান কারসনকে শুধু কবি বললে তাঁর সাহিত্যিক পরিচয়ের একটি অংশই ধরা পড়ে। তিনি একই সঙ্গে কবি, অনুবাদক, প্রাচীন গ্রিক সাহিত্যের গবেষক, প্রাবন্ধিক এবং পরীক্ষামূলক লেখক। তাঁর সাহিত্য এমন এক সীমানাহীন পরিসর তৈরি করে যেখানে কবিতা, গদ্য, পুরাণ, দর্শন, অনুবাদ, ব্যক্তিগত স্মৃতি এবং একাডেমিক গবেষণা পরস্পরের মধ্যে প্রবেশ করে। ফলে কারসনের রচনাকে বুঝতে হলে কেবল “তিনি কী বলতে চেয়েছেন” এই প্রশ্ন যথেষ্ট নয়; বরং দেখতে হয় তিনি কীভাবে অর্থ তৈরি করেন, কীভাবে অর্থকে ভেঙে দেন এবং কীভাবে পাঠককে অর্থের নির্মাণপ্রক্রিয়ার মধ্যে নিয়ে যান। ৮ অক্টোবর ২০২৬-এ সুইডিশ অ্যাকাডেমি তাঁকে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত করার ঘোষণা করে। পুরস্কারের সরকারি ব্যাখ্যায় তাঁর “সাহসী ও অভিনব সাহিত্যকর্মের” কথা বলা হয়েছে—যে সৃষ্টিকর্ম ধ্রুপদি ঐতিহ্যের সঙ্গে এক সৃজনশীল ও খেলাচ্ছলে সংলাপের মধ্য দিয়ে সমকালীন সাহিত্যের নতুন রূপ নির্মাণ করেছে। কারসনের সাহিত্যজগতের কেন্দ্রে রয়...
১৬ অক্টোবর : সম্প্রীতি ও ঐক্যের রাখিবন্ধন উৎসব রাখিবন্ধনের সঙ্গে বাংলা ও বাঙালির ইতিহাস বিজড়িত নানান আঙ্গিকে। সেখানে ধর্মের পাশাপাশি ইতিহাসের ছোঁয়া, আবেগ ঐক্য পারস্পরিক সহাবস্থান। ব্রিটিশের বঙ্গভঙ্গের পরিকল্পনার প্রতিবাদে সোচ্চার হয়ে ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর ভ্রাতৃত্ব সংহতি ও ঐক্যৈর ভাবধারা বাংলার জনমনে ছড়িয়ে দিতে বাংলায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পালন করেন সম্প্রীতির রাখিবন্ধন উৎসব। তারপর অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরদের সঙ্গে নিয়ে চিৎপুরের বড় মসজিদে প্রবেশ করে সকল ইমামদের হাতে পরিয়ে দিলেন রাখী। এই দিনকে মিলন দিবস হিসেবে পালন করা হয়। বাংলায় হিন্দু ও মুসলিমদের মধ্যে সম্প্রীতি ও সৌভ্রাতৃত্বের ধারা বজায় রাখতে এই উদ্যোগ নেন রবীন্দ্রনাথ।এই রাখিবন্ধন উৎসবে সম্প্রীতি যে ভাবে জায়গা করে নিয়েছিল, তা আজকের দিনেও চরমভাবে প্রাসঙ্গিক ও বার্তাবাহক। ১৯০৫ সালের ১৬ই অক্টোবর, ৩০শে আশ্বিন বাঙালির ঐক্যবন্ধনের দিন ঘোষিত হয়েছিল। সকলের হাতে রাখি পরিয়ে সংযম গ্রহণের ডাক দিয়েছিলেন। প্রচারপত্রে বলা হয়েছিল,"ঐ দিন সমস্ত বাংলাদেশের কোথাও কোন গৃহে রন্ধন হইবে না। আমরা বাঙালিরা সেদিন উষ্ণ দ্রব্য ভোজন করিব না। বন-ভোজ...