Skip to main content

Posts

বেনারসিটা শুধুই তোর জন্য ।। সৈকত প্রসাদ রায়

বেনারসিটা শুধুই তোর জন্য  সৈকত প্রসাদ রায়  জানালা দিয়ে ভোরের আলো এসে পড়েছে শৌনকের মুখে। কিন্তু তার চোখে ঘুম নেই,স্বপ্নটা এখনও যেন বুকের ভেতর কাঁপছে। সে উঠে দাঁড়িয়ে জানালার পাশে এসে দাঁড়াল। বাইরে শীতের সকাল, কুয়াশার চাদরে ঢাকা শহর। কিন্তু শৌনকের চোখে ভাসছে শুধু সেই লাল বেনারসি, সেই জলভরা চোখ। শৌনক চোখ বন্ধ করল। মনে পড়ল সেই দিনটা। তিন বছর আগে, ১৪ই ফেব্রুয়ারি, সকালবেলা ফোন করেছিল সোনিয়া,গলায় উচ্ছ্বাস। "শৌনক! আজ কী দিন জানিস?" "ভ্যালেন্টাইন্স ডে। আর আমাদের বিয়ের শপিং এর দিন!" শৌনক হেসেছিল। "ঠিক! দশটায় রেডি থাকবি। আমরা নিউ মার্কেট যাব। আমার বেনারসি শাড়ি দেখতে হবে, তোর শেরওয়ানি, আর..." "আর তোর অসংখ্য শপিংয়ের লিস্ট!" শৌনক হাসতে হাসতে বলেছিল। "হ্যাঁ! আর মা বলেছে লাল বেনারসি নিতে। ট্র্যাডিশনাল। তুই কী বলিস?" "তুই যেটা পরবি, সেটাই সবচেয়ে সুন্দর হবে সোনিয়া।" ফোনের ওপাশ থেকে সোনিয়ার খিলখিল হাসি ভেসে এসেছিল - " আচ্ছা, দশটায় আমার বাড়ির সামনে, দেরি করবি না কিন্তু!" শৌনক ঠিক সাড়ে নয়টায় পৌঁছে গিয়েছিল সোনিয়ার ...
Recent posts

তিনটি কবিতা ।। স্নেহা ঘণ্টেশ্বরী

১৪ই ফেব্রুয়ারি: আত্মার সেই শাশ্বত বিরহ-মিলনের স্মরণে     স্নেহা ঘণ্টেশ্বরী চৌদ্দই ফেব্রুয়ারি আজ লৌকিক উৎসবে মত্ত, পণ্য-প্রেমের উল্লাসে, অথচ মহাকাল থমকে আছে বৃন্দাবনের সেই নিভৃত দীর্ঘশ্বাসে। যেখানে কৃষ্ণ নিছক কোনো নাম নয়, এক অসীম শূন্যতার হাহাকার, আর রাধা—সেই শূন্যতাকে পূর্ণ করা এক অবিনশ্বর অঙ্গীকার। রাধা তো দেহাতীত এক চেতনার নাম, ত্যাগের চরম শিখরে যার স্থিতি, যিনি জানতেন, মিলন মানেই সমাপ্তি, আর বিরহেই অমর হয় গীতি। আজকের যুগে 'পাওয়া' মানেই যখন প্রেমের একমাত্র সংজ্ঞা ও মান, রাধা তখন অপ্রাপ্তির দহনে শোধিত করেন তাঁর হৃদয়ের অমল প্রাণ। অধরা কালাচাঁদ অগম্য সুদূর—সে যে মহাবিশ্বের সেই বাঁশির সুর, রাধিকা সেই তৃষিত চেতনা, যার নিত্য অভিসার দহন-মধুর। বাস্তবতা এখানে বড় রুক্ষ, যেখানে শরীরী মোহকেই ভাবি ভালোবাসা, অথচ নিরাকার সেই প্রেমের কাছে তুচ্ছ সকল পার্থিব যাওয়া-আসা। কেন তবে এই না-পাওয়ার হাহাকার? কেন এই বিচ্ছেদের কালজয়ী গান? কারণ, অপ্রাপ্তিই তো আত্মার তৃষ্ণা বাড়ায়, ত্যাগে আসে দিব্য জ্ঞান। রাধা আর কৃষ্ণ—দুটি তনু, এক প্রাণ; মাঝে ব্যবধান শুধু এক জন্মের, এই বিচ্ছেদই তো প্রমাণ দেয়, প্রেম কোনো দা...

কথা শুরুর সূচনা দিবস ।। সনৎ ঘোষ

প্রেমের গল্প  কথা শুরুর সূচনা দিবস  সনৎ ঘোষ  এখনো একটা গার্লফ্রেন্ড জোটাতে পারলি না ! দেবরূপের এই ব্যাঙ্গাত্মক কথাগুলো সুপ্রিয়র কানে যেন কাঁটার মতো বিঁধছে । ছেলের মেয়ে বন্ধু থাকবে না , মেয়ে দেখে  উদাসীন এমনটা আবার ছেলেদের ক্ষেত্রে এমনটা হয় নাকি! মজার ছলে হলেও প্রতিটা কথা অন্তরে যেন এক একটা ঘা । সিতাংশু তো রীতিমত গার্লফ্রেন্ডের লিস্ট বলে দিলো ,কোনদিন কোন পার্ক রেস্তোরাঁয় কাকে নিয়ে যাবে তার খতিয়ান দিয়ে বললো , বাইকের পিছনে বসিয়ে তীব্র গতিতে ছুটে যাওয়া, যেন পুরো পৃথিবীটাই তখন তার বাইকের পিছনে মনে হয় । গেয়ে ওঠে আমার এক দিকে শুধু তুমি, আর পৃথিবী অন্য দিকে । নির্জন নদী চর , রাস্তার কোন গাছের ছায়ায় রোমান্স। প্রেমের ষোল কলা পূর্ণ করে নিতে হয় বুঝলি , তবেই তো প্রেম ! সুপ্রিয় আনমনা হয়ে ওঠে , ভাবতে থাকে তার কেন প্রেম হয় না ! বরাবরই মুখচোরা সে , মেয়েদের সঙ্গে আগবাড়িয়ে কথা বলা দুরের কথা, তাদের কাছাকাছি থাকলেও কখন সেখান থেকে আড়াল নেবে তারা রাস্তা খোঁজে। কোন অনুষ্ঠানে সুন্দর সাজগোজে এক ঝাঁক রূপসী যখন হাসির হিল্লোলে হেঁটে যায় , সে দৃশ্য দেখে একটা অপার ভালো লাগা ...

প্রেমের স্মৃতি ।। সুব্রত চৌধুরী

প্রেমের স্মৃতি  সুব্রত চৌধুরী তোমার স্মৃতি উঁকি মারে  মনের গহীন কোণে, তুমিহীনা প্রেমের বীণা রাতের প্রহর গোনে।  হঠাৎ দেখি দুয়ার খুলে শিশির ধোয়া সাজে, তোমার চুড়ির রিনিঝিনি মধুর সুরে বাজে। তোমার পায়ের সাড়া পেয়ে প্রাণ জেগেছে ফুলে, তোমায় ছুঁতে পাখি হলাম হঠাৎ মনের ভুলে। উড়ে উড়ে বেড়াই ঘুরে পাই না তোমার দেখা, তোমার আমার প্রেমের স্মৃতি  ছন্দে হবে লেখা। —————————— সুব্রত চৌধুরী,  আটলান্টিক সিটি, নিউ জার্সি, যুক্তরাষ্ট্র 

অন্তিম স্বীকারোক্তি ।। বিতস্তা বোস

অন্তিম স্বীকারোক্তি বিতস্তা বোস "আসবো ম্যাম?"— কনস্টেবল নন্দীর গলা পেয়ে ফাইল গুলোর থেকে মাথা তুলে তাকালো বহ্নিশিখা। "ইয়েস প্লিজ"— গম্ভীর গলায় বললো সে। কনস্টেবল নন্দী বহ্নিশিখার রুমে ঢুকে এসে ওর সামনে টেবিলের উপর একটা বড় সাদা কাগজ রাখলো। বহ্নিশিখা কাগজটা হাতে নিতে নিতে বললো—"অবশেষে তাহলে বিশ্বাসঘাতকতাটা কে করল শুনি!" কনস্টেবল নন্দীও বিন্দু মাত্র সময় নষ্ট না করে বলে উঠলো—"ওই যে ম্যাম, শেষ যে দুটো ছেলেকে নেপাল বর্ডার থেকে ধরা হলো তাদের মধ্যেই একজন। সে বলেছে সে মাত্র একবারই দেখেছে লোকটিকে, তাও নাকি দরজার আড়াল থেকে। ওর দেওয়া বর্ণনা শুনেই কোনরকমে আমাদের আর্টিস্টকে দিয়ে আঁকিয়েছি এই ছবিটা।" বহ্নিশিখা কাগজে আঁকা ছবিটার দিকে তাকিয়ে শান্ত স্বরে বললো— "লোকটা ছদ্মবেশে ছিল। এই ছদ্মবেশের আড়ালে লুকিয়ে থাকা আসল লোকটাকে খুঁজে বের করা কিন্তু অতটাও সহজ কাজ হবেনা আমাদের জন্য।" তারপর একটু থেমে বললো— "আচ্ছা আপনি এখন আসুন। আমি দেখি এই ছবিটা দিয়ে আসল লোকটার কোনো ট্রেস পাওয়া যায় কিনা!" বহ্নিশিখা, এস.পি. বহ্নিশিখা লাহিড়ী, বিশেষ তদন্তকারী...

তুমি কবিতা হয়ে গেলে ।। ডাঃ শুভদীপ বিশ্বাস

তুমি কবিতা হয়ে গেলে  ডাঃ শুভদীপ বিশ্বাস একটা ছোট্ট স্টেশন পেরিয়ে এল ট্রেন, আজিমগঞ্জ , ছিমছাম, সিঁড়িতে রংবাহার, ঠিক সন্ধ্যেবেলায় তোমার মত। হলুদ রং টা দু জায়গাতেই  বেশ মানায়। তার পর ,আবার অন্ধকার, নিঝুম, ঝিমঝিম আঁধারে ট্রেনের একলা চলা,  আমার একলা জাগা,  অনেকটা  তোমার ভিড়ের মাঝে একলা হওয়ার মতো। কেউ জানে ন ,  তিন বছর আগে, এই বাসন্তী মাসে,আমি পর পর যে কটা কবিতা  লিখেছিলাম, সবগুলিই  তোমায় ভেবে।  যখন,আমরা কেউ কাউকে ছুঁয়েও দেখিনি, সত্যি না অলীক, তারপর  সব লেখাই তুমি হয়ে গেল । ================== ✒️ ডাঃ শুভদীপ বিশ্বাস জলপাইগুড়ি

কবিতা ।। খামবন্দী ।। প্রসেনজিৎ দাস

খামবন্দী প্রসেনজিৎ দাস কত স্বপ্ন বন্দি আছে, আকাঙ্ক্ষার খামে  না বলা মনের কথা, লেখা তোমারি নামে। নিঃশব্দে ফেরালে মুখ, প্রতিশ্রুতি ফেলে  নতুন মুখোশ দেখি তোমার, পুরোনোটা খুলে। কিছু খাম অ্যালবামে, কিছু বইয়ের মাঝে রাখা  সাপের খোলস ছিল তোমার, মনের পাইনি দেখা। ভাবনায় কখনো শিউরে উঠি, গ্রাস করে যে ভয়, "মনুষত্ব নিপাট গেলে, মানুষের এমনি হয়?" নেই অভিমান আর, কোন অনুযোগ ও নেই  কুটিলতার স্তবক লেখা, প্রেমের কবিতাতেই। আবেগগুলো ছেড়েও জানি, ভালো থাকা যায়  সম্পর্কের ভার নেওয়া, একার নয়তো দায়। অল্প করে রোজ, আমি কিছু স্মৃতি করেছি ছাই কালো মেঘে বিষের বৃষ্টি, আমি অবাক হয়ে যাই। পুষ্পসম স্বপ্ন ছিল, সাজানো তোমার নামে  বিকিয়ে দিলে স্বপ্নের ঘর, খুবই অল্প দামে।   ------------------------ PRASENJIT DAS C/O - "NIKUNJA CHHAYA" 28/1 NETAJI PALLY MAIN ROAD P.O. RABINDRA SARANI  CITY & P.S. : SILIGURI PINCODE - 734006 DIST - DARJEELING WEST BENGAL ᐧ

গল্প ।। কম্পিটিটর ।। চন্দ্রমা মুখার্জী

কম্পিটিটর  চন্দ্রমা মুখার্জী রুমঝুম স্কুল থেকে লাফাতে লাফাতে বাড়ি ফিরল, 'ঠাম্মা আমি ক্লাসে ফার্স্‌ট হয়েছি। এবার বলো আমাকে কি প্রাইজ দেবে?' ঠাম্মা ওর হাত থেকে ব্যাগটা নিতে নিতে বললেন, 'ওরে দাঁড়া দাঁড়া। আগে রেজাল্টটা দেখা তো।' রুমঝুম ঠাম্মার হাতে রেজাল্ট কার্ডটা দিতে দিতে বলল, 'এই নাও। আমি সবেতে ফার্স্‌ট হয়েছি, শুধু ম্যাথস আর বেঙ্গলিতে শতদল হায়েস্‌ট পেয়েছে। তাই টোটালে আমি ফার্স্‌ট আর ও সেকেন্ড। জানো, ঠাম্মা শতদল মুখটা কিরকম পাঁচের মতো করে ছিল। আমাকে বলল, ওকে নাকি একটা সাইকেল কিনে দিতো ওর বাবা ও ফার্স্‌ট হলে। এখন আর ওটা হবে না, তাই ওর মন খারাপ।' ঠাম্মা বললেন, 'আচ্ছা, বেশ। তুমি স্নান করে এস, খেতে দিচ্ছি। আর ও কি কথা? শতদলের মন খারাপ দেখে তুমি লাফাচ্ছো দিদিভাই? ব্যাড ম্যানারস্‌।' টিকলি মাসির বাড়ি বেড়াতে এসেছে। ও সব শুনে মাসিমণি মানে রুমঝুমের ঠাম্মাকে বলল, 'ও অত পাঁচের মতো মুখ জানলো কি করে?' ঠাম্মা বললেন, 'ওই তোর মেসো বলে তাই শুনে শুনে শিখেছে। যাকগে, তুইও খেয়ে নে। তারপর বিকেলে তোদের নিয়ে একটু বেরবো। ওর জন্য একটা খেলনা কিনে আনতে হবে, ফার্স্‌ট হয়ে...

ধারাবাহিক গল্প ।। চেনা প্রতিবেশী ।। অন্তিম (দশম) পর্ব ।। দীপক পাল

চেনা প্রতিবেশী অন্তিম (দশম) পর্ব দীপক পাল মামা লিফটের দরজা বন্ধ করতে আহিরের মনটা খারাপ হয়ে বেশ কাঁদো কাঁদো হয়ে গেল। দরজা বন্ধ করে আহিরকে কোলে তুলে তড়িৎ গতিতে ত্রিহান বারান্দায়আগে থেকে দাঁড়ান ইমনের পাশে গিয়ে দাঁড়াল। নিচে তাকিয়ে দেখে নির্ঝর গাড়ীর দরজা খুলে ওপরে তাকিয়ে হাত নাড়ছে। ত্রিহান বললো, 'আহির তুমি মামাকেটাটা করে দাও।' সবাই হাত নাড়াতে আহিরও হাত নাড়াতে থাকলো। নির্ঝর গাড়ি স্টার্ট করে গিয়ারে হাত দিয়ে শেষবারের মতো হাত নাড়িয়ে গাড়ি নিয়ে ফটকপেরিয়ে রাস্তায় গিয়ে পড়লো। বারান্দা থেকে ঘরে ঢুকতে ঢুকতে ত্রিহান ইমনকে বললো, ' এখানে এসে প্রথম শনিবার রবিবারটা বেশ ভালই কাটলো কি বল ইমন।' ইমন বলে ওঠে, 'সে আর বলতে। তা যাক তুমি একটা কাজ করো ত্রিহান বরোটাতো বাজল তুমি আহিরকে স্নান করিয়ে ফ্রেশ করিয়ে দিয়ে তুমি নিজেও যদি স্নান করে নাও তাহলেভাল হয়। আমি ইতিমধ্যে রান্নাঘরের কাজগুলো শেষ করে বেরিয়ে আসি।' ত্রিহান বলে, 'ঠিক আছে ম্যাডাম তাই হবে। এসো আহির তোমাকে এবার স্নান করিয়ে দি তারপর আমি মা স্নান করে একসা...

তোমাকে ।। আরজু মুন জারিন

  তোমাকে  আরজু মুন জারিন দেখতাম তোমাকে কলেজ যাওয়ার সময়। কখনও আদিযুগের পুরনো সাইকেলে চড়ে, কখনও বা হেঁটে হেঁটে যেতে।পুরনো ধরনের সাধারণ পোষাকে, আরেকবার স্টাইল করে চুল আঁচড়িয়ে, জিন্স আর টিশার্ট পরা, কোনো দিকে যেন তোমার ছিল না কোনো নজর। যেনতেন একটা পাঞ্জাবী পরতে। চুলগুলো দেখে মনে হত- যেন বাবুই পাখির বাসা। এই যে তোমার সাদাসিধে আটপৌরে ভাব সেটাই আমার মনকে জয় করে নিয়েছিল সবচেয়ে বেশি। তোমার অধিকাংশ বন্ধুরা বাবার গাড়ী দিয়ে বিলাসতা করে যেত ভার্সিটিতে। এসব বিলাসিতা কিংবা লোক দেখানো, কোনো কিছুতেই যেন কোনো মনোযোগ ছিল না তোমার। কারও গাড়ীতেও চড়তে চাইতে না। ক্যাব-ট্যাক্সিও পছন্দ করতে না। প্রতিদিন সকালে আমার জানালার পাশ দিয়ে সাইকেল চালিয়ে যেতে ভার্সিটিতে। আমি জানালা দিয়ে লুকিয়ে দেখতাম। খুব ইচ্ছা হত, পিছন ফিরে একবার তাকাতে যদি তখন। আমি মায়ের সেই ফুলতোলা শাড়িটি পরে জানালার আড়ালে লুকিয়ে থেকে তোমাকে দেখে যেতাম। ভীষন ইচ্ছে হত- সাইকেল ক্যারিয়ারে যেখানে ব্যাগটা রাখা, সেখানে বসে হাতটা তোমার কাঁধে রাখি। এ ছিল আমার প্রথম কোনো পুরুষকে উপলব্ধি। ঠিক বলতে পারছি না- এটা কি কোন প্রেম ছিল? নাকি ছিল আমার নারী...

বিধিবদ্ধ স্বীকার্য :

লেখার বক্তব্যের দায়িত্ব লেখকের, পত্রিকার নয়। আমরা বহু মতের প্রকাশক মাত্র।

মতামত/লেখা এখানে জমা দিন

Name

Email *

Message *

সাম্প্রতিক বাছাই

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। ৯৫তম সংখ্যা ।। মাঘ ১৪৩২ জানুয়ারি ২০২৬

সূচিপত্র   রঙ-চোর ও ধূসর পৃথিবী ।। জয় মণ্ডল বেলা তার (Béla Tarr) ও তাঁর চলচ্চিত্রের দর্শন ।। উৎপল সরকার রবীন্দ্রনাথের গান—একটি ব্যক্তিগত অনুভব ও বিশ্লেষণ ।। ভুবনেশ্বর মণ্ডল জন্মশতবর্ষে ভুপেন হাজারিকা ।। হিমাদ্রী শেখর দাস ক্লান্তশ্বাস ।। দীপালি ভট্টাচার্য প্রতীক্ষা ।। মেখলা ঘোষদস্তিদার দুটি কবিতা ।। জয়িতা চট্টোপাধ্যায়  অক্ষরের আগুন ।। শম্পা সামন্ত বনসাই জীবনের অদৃশ্য শোকগাথা ।। মেশকাতুন নাহার এক কৃপণ কৃষকের কিসসা ।। ভাষান্তর : চন্দন মিত্র কাজ এখনও বাকি ।। সৈকত প্রসাদ রায় পালা বদল ।। অদিতি চ্যাটার্জি দুটি কবিতা ।। শামীম নওরোজ ঝুমুরের ঝঙ্কার ।। কল্যাণ কুমার শাণ্ডিল্য রঙিন বৃষ্টির ফেরিওয়ালা ।। সঙ্গীতা মহাপাত্র জেগে ওঠে ।। সুমিত মোদক ভালো থাক ।। জয়শ্রী ব্যানার্জি আধ ডজন ছড়া ।। স্বপনকুমার পাহাড়ী ঘাসের ডগায় হীরক কণা ।। বদরুল বোরহান পণ্ডশ্রম ।। লালন চাঁদ সে আমার ছোট বোন ।। সঙ্ঘমিত্রা দাস ভঙ্গুর ।। তূয়া নূর নৈকট্য ।। রহিত ঘোষাল অতিপ্রাকৃত ।। শাহ মতিন টিপু বাঙালি মানসে পৌষ সংক্রান্তি ।। পাভেল আমান ভাগের বাবা ।। দীনেশ সরকার বিরতিবিহীন অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে পরিযায়ী জীবন ।। শেখ আব্...

কবিতা ।। অন্ধমনে ।। সায়নী আচার্য্য

 অন্ধমনে  সায়নী আচার্য্য পথচলার প্রতিক্ষণে ধাওয়া করেছে বিপদ। জেতার জন্যে উন্মাদ হয়ে ভাঙতে চাইছে গরাদ। অন্ধমনে বদ্ধ ঘরে একলা বসে ভাবে। ভাগ্য কেন দুঃখ দেয়? বাঁচিয়ে রাখে ভবে। প্রবল তার মনের জোর, মানে না কোনো বারণ। মানে না কোনো বঞ্চনা, লড়বে আমরণ। ভাগ্য শুধু সুযোগ আনে, মনকে করে শক্ত। পায়ের বেড়ী ভেঙে দিয়ে বেরিয়ে আসে ভক্ত। অন্ধ কেবল সাহায্য চায় , পারে না কোনো কাজ। এমনভাবে ছোটো করা বন্ধ করো আজ। ===================       সায়নী আচার্য্য     ইলিয়াস রোড, আগর পাড়া                 কোলকাতা-৭০০০৫৮

কবিতা ।। জীবনের গন্ধ ।। চন্দন দাশগুপ্ত

জীবনের গন্ধ চন্দন দাশগুপ্ত  শব্দের শরীরে পাই জীবনের গন্ধ, খোলা জানালার বাইরে ঘুমোয় তারা ভরা রাত, আসল আর নকলের পার্থক্য ঘুচে যায়, দরবাড়ি কানাড়ায় ক্লান্ত সেতার বেজে যায়, তবু.......তবু শেষ হয় না কখনো, কিছু কিছু নেতাদের ক্ষমতার লোভ, আহা, ভুলে গিয়েছিলাম, ওরা তো বেতন পায়না, পায়না বোনাস, পিএফ, টুকরো-টাকরা গ্র্যাচুইটি, তাই ওদের টুকটাক চুরিকে চলুন ক্ষমাঘেন্না করে দিই, ওরা চিৎকার করে যাক মিটিং-এ, মিছিলে, আমরা বরং উপভোগ করি, মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল-আইপিএল, ফাঁকা পকেটে প্রেমিকার সাথে বাদাম চিবোই, মাঝেমধ্যে তার সাথে হোক চপ-ঘুগনি-বিড়ি, দেওয়ালে লিখি-আঁকি নেতাদের নাম-ছবি, ওরা ভোটে জিতলেই তো আমাদের লক্ষ্মীলাভ, আমাদের সংসার-সংস্কৃতি কিছু নেই, আমরা শুধু, বছরের পর বছর, নিদ্রাহীন রাতে, শব্দের শরীরে জীবনের গন্ধে ডুবে যাই........... ------------------------ চন্দন দাশগুপ্ত  সি/৩০/১, রামকৃষ্ণ উপনিবেশ, রিজেন্ট এস্টেট,  কলকাতা---৭০০ ০৯২

কবিতাঃ চন্দন ঘোষ

এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল  তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র!   কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও  বোধহয় যে...

গল্প ।। জাতিস্মর ।। আশীষ কুমার বিশ্বাস

    জাতিস্মর   আশীষ  কুমার   বিশ্বাস    গল্পের শুরুটা প্রায় ষাট বছর আগের কথা । যার নাম গৌতম, ডাক নাম ছিল বাবু ।  তার বছর তখন ছয়-সাত হবে । আমরা বা আমি তখন একটু বড় । এক সাথেই চলতো খেলা । গোল্লা ছুট, দাঁড়িয়া বান্দা, চোর-পুলিশ । যে মাঝে মাঝে খেলা থেকে বিরত থাকতো ; সে-ই জাতিস্মর । মাঠের পাশেই ছিল একটা খেঁজুর গাছ । তাতে হাত রেখে দূরের এক গ্রামের দিকে এক মনে তাঁকিয়ে থাকতো "বাবু" । গ্রামটির নাম "বিনয় পল্লী " । মাঝে বড়ো মাঠ । হাঁটা শুরু করলে তিরিশ - চল্লিশ মিনিট লাগবে । মাঝে জলে ভরপুর দেখে কখনো যাওয়া হয়নি । বাবু কে যখন বলতাম, ওপারে কি দেখছিস? ও বলতো, ওখানে আমার ছোট মা থাকে, দিদি থাকে, আমার ভুলু কুকুর থাকে । এ কথা আমাদের বিশ্বাস হতো না । আবার খেলায় ফিরে যেতাম, খেলতাম ।  কিন্তু ও বসে বসে , ওপারের গাছ পালা , বাড়ি ঘর দেখতো । কাছে গেলে বলতো , ওই যে সবুজ ,কচি কলাপাতা রঙের দালান বাড়ি, ওটাই আমাদের বাড়ি !  এই ভাবে মাস ছয়, বছর গড়াতে লাগলো । মনে প্রশ্ন জাগতে লাগলো, এ টা কি মন গড়া , বা বানিয়ে বানিয়ে বলছে? সত্যি প্রকাশ হোল এক দিন ।  সে বাড়িতে কিছু ...

কবিতা ।। অনিশ্চয়তা ।। মোঃ আব্দুল রহমান

অনিশ্চয়তা  মোঃ আব্দুল রহমান  নিশ্চিত শব্দেরা অনিশ্চয়তার  কবিতা আঁকে  বারে বারে ডাকে  হৃদে জপে  ফের ব্যর্থ হতে হতে বিলীন শূন্যে চিতায় অবয়ব যেভাবে  ছাই হয়ে নিস্তব্ধতায়  মিশে যায় হঠাৎ  আমিও বিলীন হচ্ছি অন্ধকারে  নির্জনে কবিতার দুয়ারে  অজানার সুরে  একাকী শব্দ কবিতা আমি  অদ্ভুত মিল! আঁধারে পুড়ে চলেছে আমার কবিতার চিতা  কেউ খোঁজ পাইনি তবুও কবিতা আমায় বড় ভালবাসে  আমিও তাকেই ভালবাসি এখন দুজনেই পুড়ি অনিশ্চয়তা আর উন্মত্ততার আগুনে! ============ মোঃ আব্দুল রহমান বহরমপুর, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিমবঙ্গ  ভারত, পিনকোড- ৭৪২১৬৫

চিরকুটের কবিতা

নতুন পৃথিবী আজ সকালে রোদ্দুর নামুক ভেজা বর্ষার মতো গা ধুয়ে কিছুটা পবিত্র হবো যত জীর্ণ মলিন দ্বেষ বিলীন হোক সব সময়ের তটে গা ভাসিয়ে কিছুটা বিলাসী হবো যা ছিল অতীত যা ছিল কষ্ট সবকিছু ভুলে নবীনে ব্রতী হবো আসুক ধেয়ে সতেজ হাওয়া দূর হোক যত কুণ্ঠা ব্যথা পুরানো যত বিবাদ ভুলে ভালোবাসার আবার বেড়া দেবো কিছুটা আশাবাদী কিছুটা কর্মঠ কিছুটা জেদি কিছুটা শপথ আসুক ছুঁয়ে বাঁচার আলো হাতে হাত রেখেই বিশ্বাসের ঘরে আবার নতুন দীপ জ্বালাবো

কবিতা ।। ভাঙা কবিতায় , ভাঙা গানে ।। অর্ণব সামন্ত

ভাঙা কবিতায় , ভাঙা গানে অর্ণব সামন্ত  উর্জা ভ্যাবাচ্যাকা পোস্টমডার্ন অসুখ দিকে দিকে  আঁধারেই বেশ বেঁচে গ্যাছে আলোর যত বংশধর  ভাঙা আমি ভাঙা তুমি দৌড়চ্ছে , উড়ছে , সাঁতরাচ্ছে অথইয়ে  পূর্ণ হবার সাধ ঝরে গেছে চোরাবালি চোরাস্রোত বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলে  ইল্যুশন হ্যালুসিনেশন চমকাচ্ছে স্বচ্ছ স্থির দৃষ্টি অন্তর্হিত  নির্মাণ ভেবে ধ্বংসকে আহ্বান , ভাঙনের সুর চতুর্দিকে এইভাবে ইচ্ছাপূর্তির অণু পরমাণু কোনোদিন কি অবয়ব পাবে ? বিবর্তনে ডেকে আনবে শেষমেষ সফল ঝংকার পোস্টমডার্ন অসুখে ভুগে ভুগে পেয়ে যাবে নতুনতর পথ   পথেরও দাবী থাকে পথিকের কাছে যে পাথেয় সুব্রতাসম্ভব  নক্ষত্র হতে হতে মৃত্যুর পরে হেঁটে গেছে সুপারনোভায় নীহারিকা অন্তরীণ দৃষ্টিতে দোদুল্যমানতাই জীবনের স্থির অধ্যায়  সমস্ত জঞ্জাল সরিয়ে কি খুঁজছে ভাঙা চাঁদ ভাঙা সূর্য ভাঙা কবিতায় ভাঙা গানে ছড়াচ্ছে জীবনের ভাঙা ভাঙা মানে !                                                 ...

চৈনিক লোককথা ।। এক কৃপণ কৃষকের কিসসা ।। ভাষান্তর : চন্দন মিত্র

চৈনিক লোককথা এক কৃপণ কৃষকের কিসসা ইংরেজি থেকে বাংলা রূপান্তর : চন্দন মিত্র এক কৃষকের ছিল নাশপাতির বাগান। তাঁর বাগানের নাশপাতি ছিল স্বাদে-গন্ধে অতুলনীয়। তিনি ঠেলাগাড়িতে ডালপাতাসহ নাশপাতি চাপিয়ে বাজারে গিয়ে বিক্রি করতেন। টাটকাতাজা নাশপাতি কেনার জন্য তার গাড়ির সামনে ভিড় জমে যেত। একদিন এক বৌদ্ধ ভিক্ষু কৃষকের গাড়ির কাছে দাঁড়িয়ে একটি নাশপাতি চাইলেন। ভিক্ষুর মাথায় ছেঁড়া টুপি ও পরনে জীর্ণ চীবর দেখে কৃষক বুঝলেন নাশপাতি কিনে খাওয়ার ক্ষমতা তাঁর নেই। কৃষক তাঁকে সরে যেতে বললেন, কিন্তু তিনি দাঁড়িয়ে রইলেন, এক পাও নড়লেন না। কৃষক এবার ভিক্ষুকে গালিগালাজ শুরু করলেন। ভিক্ষু অকম্পিত কণ্ঠে ধীরভাবে বললেন, আপনার গাড়িতে কয়েকশ নাশপাতি আছে, সেখান থেকে একটা ছোটো মতো আমাকে দিলে আপনার খুব বেশি ক্ষতি হত না বোধহয়। ঠিক আছে বুঝলাম আপনি কৃপণ মানুষ। কিন্তু আমাকে গালিগালাজ করছেন কেন? উপস্থিত লোকজন কৃষককে বললেন, ভাই একটা ছোটো দেখে দিলেই তো ল্যাঠা চুকে যায়। কৃষক অনড়, কারও কথায় তিনি কর্ণপাত করলেন না। ভিড়ের ভিতর থেকে একজন কারিগর এসে একটি নাশপাতি কিনে ভিক্ষুর হাতে তুলে দিলেন। ভিক্ষু তাঁকে ধন্যবাদ জানিয়ে উপস্থিত ল...

গল্প ।। রঙিন বৃষ্টির ফেরিওয়ালা ।। সঙ্গীতা মহাপাত্র

রঙিন বৃষ্টির ফেরিওয়ালা সঙ্গীতা মহাপাত্র ​ অরুণাভ যখন এই ধুলোবালির ধূসর শহরে পা রাখল, তখন মানুষের জীবন ছিল একদম একঘেয়ে। এই শহরের আকাশ থেকে কেবল কালো জল ঝরত, আর মানুষের মন ছিল পাথরের মতো শক্ত। কেউ কারোর দিকে তাকিয়ে হাসত না, এমনকি শিশুদের চোখের মণিগুলোও ছিল বর্ণহীন। অরুণাভের কাঁধে থাকতো একটা পুরনো চামড়ার ঝোলা, যার ভেতর সে বয়ে বেড়াত অদ্ভুত কিছু কাঁচের গুলি। ​একদিন ভর দুপুরে শহরের চৌমাথায় দাঁড়িয়ে অরুণাভ তার ঝোলা থেকে একটা উজ্জ্বল লাল রঙের গুলি বের করে আকাশের দিকে ছুঁড়ে দিল। মুহূর্তের মধ্যে মেঘের বুক চিরে টুপটুপ করে ঝরে পড়তে লাগল লাল রঙের বৃষ্টি। শহরবাসী অবাক হয়ে দেখল, সেই বৃষ্টি যেখানেই পড়ছে, সেখানেই প্রাণের ছোঁয়া লাগছে। শুকনো কংক্রিটের ফাটল দিয়ে বেরিয়ে আসছে রক্তজবা, আর মানুষের ধূসর জামাকাপড়গুলো হয়ে উঠছে টকটকে লাল। ​শহরের শাসকরা ভয় পেয়ে গেল। তারা শান্তিভঙ্গের দায়ে অরুণাভকে বন্দী করল। তাদের দাবি, "আমাদের এই নিয়মমাফিক ধূসর জীবনে রঙের কোনো জায়গা নেই। রং মানুষকে আবেগপ্রবণ করে তোলে, আর আবেগ মানুষকে নিয়ন্ত্রণহীন করে।" অরুণাভ হাসল। সে বলল, "আবেগহীন মানুষ তো যন্ত্রের সমান। যন্ত্র দিয়...

বছরের বাছাই

লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি : মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬

  লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি মুদ্রিত  নবপ্রভাত  বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার জন্য  প্রবন্ধ-নিবন্ধ, মুক্তগদ্য, রম্যরচনা, ছোটগল্প, অণুগল্প, কবিতা ও ছড়া পাঠান।  যে-কোন বিষয়েই লেখা যাবে।  শব্দ বা লাইন সংখ্যার কড়াকড়ি বাঁধন  নেই। তবে ছোট লেখা পাঠালে  অনেককেই সুযোগ দেওয়া যায়।  যেমন, কবিতা/ছড়া ১২-১৬ লাইনের মধ্যে, অণুগল্প/মুক্তগদ্য কমবেশি ৩০০/৩৫০শব্দে, গল্প/রম্যরচনা ৮০০-৯০০ শব্দে, প্রবন্ধ/নিবন্ধ ১৫০০-১৬০০ শব্দে হলে ভালো। তবে এ বাঁধন 'অবশ্যমান্য' নয়।  সম্পূর্ণ অপ্রকাশিত লেখা পাঠাতে হবে। মনোনয়নের সুবিধার্থে একাধিক লেখা পাঠানো ভালো। তবে একই মেলেই দেবেন। একজন ব্যক্তি একান্ত প্রয়োজন ছাড়া একাধিক মেল করবেন না।  লেখা  মেলবডিতে টাইপ বা পেস্ট করে পাঠাবেন। word ফাইলে পাঠানো যেতে পারে। লেখার সঙ্গে দেবেন  নিজের নাম, ঠিকানা এবং ফোন ও whatsapp নম্বর। (ছবি দেওয়ার দরকার নেই।) ১) মেলের সাবজেক্ট লাইনে লিখবেন 'মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা সংখ্যা ২০২৬-এর জন্য'।  ২) বানানের দিকে বিশেষ নজর দেবেন। ৩) যতিচিহ্নের আগে স্পেস না দিয়ে পরে দেবেন। ৪) বিশেষ কোন চিহ্ন (যেমন @ # ...

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। ৮৭তম সংখ্যা ।। জ্যৈষ্ঠ ১৪৩২ মে ২০২৫

  প্রচ্ছদ চিত্র: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সূচিপত্র রবীন্দ্রনাথ এবং কয়েকজন নারী ।। অনিন্দ্য পাল পরাবাস্তববাদ ও বাংলায় জীবনানন্দের কাব্যচর্চা ।। রণেশ রায় প্রতীক্ষা ।। চন্দন দাশগুপ্ত আশ্রয় ।। সায়নী সাহা বয়স্ক শিক্ষাকেন্দ্র ।। দেবাংশু সরকার প্রণামের প্রভু ।। সুপ্রভাত মেট্যা দুর্ভাগ্যের সম্মুখ সমরে ।। সমীর কুমার দত্ত আচমকা শরৎ ।। অর্ণব সামন্ত প্রতিধ্বনি ✍️ সুবীর কুমার ঘোষ জীবন যেখানে যেমন ।। আরজু মুন জারিন বছর সীমান্তে হিসেব নিকেশ ।। রানা জামান চারটি কবিতা ।। বিবেকানন্দ নস্কর আমরা আছি ।। লালন চাঁদ চাওয়া ।। মাথুর দাস কাগজ ফুলে ।। সফিউল মল্লিক সময়ের স্রোত ।। দুর্গাদাস মিদ্যা তুমি মানুষ ।। বদরুল বোরহান দিঘার সমুদ্র ।। মাখনলাল প্রধান পুস্তক-আলোচনা ।। অরবিন্দ পুরকাইত সংযম ।। মানস কুমার সেনগুপ্ত  চেনা প্রতিবেশী (প্রথম পর্ব) ।। দীপক পাল খেলার মাঠ ।। তূয়া নূর বন্ধু শ্যামলকান্তি ।। শংকর ব্রহ্ম তুমি তোমার মতো থাকলে ।। সত্যেন্দ্রনাথ বেরা গ্রীষ্মে খুবই হিংস্র রবি ।। জগবন্ধু হালদার স্বপ্ন দর্শন ✍️ পার্থ প্রতিম দাস মৌন মুখরতা ।। মুসা মন্ডল রুদ্র বৈশাখ ।। দীনেশ সরকার চিহ্নিত পদযুগ পদাঘাত ।। দেবাশীষ...

সূচিপত্র ।। ৮৯তম সংখ্যা ।। শ্রাবণ ১৪৩২ জুলাই ২০২৫

সূচিপত্র   প্রবন্ধ ।। বাংলা যাত্রা ও নাট‍্যশিল্পে অবক্ষয় ।। মাখনলাল প্রধান প্রবন্ধ ।। শ্রমিকের অধিকার ।। চন্দন দাশগুপ্ত প্রবন্ধ ।। ভিনগ্রহীদের সন্ধানে ।। শ্যামল হুদাতী প্রবন্ধ ।। নারীমর্যাদা ও অধিকার ।। হিমাদ্রি শেখর দাস কবিতা ।। মশালের রং তুলি ।। তূণীর আচার্য কবিতা ।। জললিপি ।। রূপক চট্টোপাধ্যায় গুচ্ছকবিতা || শিশির আজম নিবন্ধ ।। পূনর্জন্ম ।। শংকর ব্রহ্ম মুক্তভাবনা ।। কোলাহল তো বারণ হলো ।। মানস কুমার সেনগুপ্ত গল্প ।। গানের হাড় ।। শুভজিৎ দত্তগুপ্ত গল্প ।। শিকড়ের খোঁজে ।। সমীর কুমার দত্ত সুপ্রভাত মেট্যার পাঁচটি কবিতা গ্রন্থ-আলোচনা ।। আবদুস সালামের কাব্যগ্রন্থ 'অলীক রঙের বিশ্বাস'।। তৈমুর খান অণুগল্প ।। হরিবোল বুড়ো ।। সুমিত মোদক রম্যরচনা ।। গোয়েন্দা গোলাপচন্দ আর প্রেমের ভুল ঠিকানা ।। রাজদীপ মজুমদার দুটি গল্প ।। মুহাম্মদ ফজলুল হক দুটি কবিতা ।। তীর্থঙ্কর সুমিত কবিতা ।। মেঘমুক্তি ।। বন্দনা পাত্র কবিতা ।। ব্যবচ্ছিন্ন শরীর ।। কৌশিক চক্রবর্ত্তী কবিতা ।। শমনচিহ্ন ।। দীপঙ্কর সরকার কবিতা ।। ভালোবাসার দাগ ।। জয়শ্রী ব্যানার্জী কবিতা ।। ফণীমনসা ।। বিবেকানন্দ নস্কর ছড়া ।। আজও যদি ।। বদ্রীন...

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র ।। ৮৬তম সংখ্যা ।। বৈশাখ ১৪৩২ এপ্রিল ২০২৫

সম্পাদকীয় এই সংখ্যাটি বাংলা নববর্ষ বিষয়ক সংখ্যা। নৱৰ্ষকেন্দ্রিক বহু তথ্যপূর্ণ লেখা এই সংখ্যাটিকে সমৃদ্ধ করেছে। বাংলা নববর্ষ উদযাপনের ইতিহাস, রীতিনীতি, উৎসব, পার্বন, লোকাচার, রূপান্তর বহুবিধ বিষয় প্রকাশিত হয়েছে এই সংখ্যার লেখাগুলিতে। এই সংখ্যার বাছাই কিছু লেখার সঙ্গে আগামীতে আরও কিছু লেখা সংযুক্ত করে বাংলা নববর্ষ বিষয়ক একটি মুদ্রিত সংখ্যা প্রকাশ করার ইচ্ছে রইল।  সকলকে নববর্ষের আন্তরিক শুভকামনা জানাই। উৎসবে আনন্দে থাকুন, হানাহানিতে নয়। ধর্ম-ব্যবসায়ীদের চক্রান্ত ব্যর্থ করে সহনাগরিকের পাশে থাকুন। মনে রাখুন, ধর্মকে মানুষই সৃষ্টি করেছে। ঈশ্বর আল্লা গড ইত্যাদির জন্মদাতা মানুষই। মানুষকে ভালোবাসুন। মানুষের পাশে থাকুন।  নিরাশাহরণ নস্কর  সম্পাদক, নবপ্রভাত।  সূচিপত্র প্রবন্ধ-নিবন্ধ-স্মৃতিকথা পয়লা বৈশাখ ।। সিদ্ধার্থ সিংহ নববর্ষকেন্দ্রিক মেলা, পার্বন, উত্সব, লোকাচার ।। সবিতা রায় বিশ্বাস নববর্ষ আবাহন ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে এবং বিভিন্ন দেশে ।। তুষার ভট্টাচার্য নববর্ষের সেকাল ও একাল ।। হিমাদ্রি শেখর দাস নববর্ষের হাল-হকিকৎ ।। শংকর ব্রহ্ম বোশেখি বাঙালি নাকি পোশাকি বাঙালি? ।। দিব্যেন্দু...

মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র

  মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র প্রকাশিত হল।     যত লেখা রাখা গেল, তার দ্বিগুণ রাখা গেল না। বাদ যাওয়া সব লেখার 'মান' খারাপ এমন নয়। কয়েকটি প্রবন্ধ এবং বেশ কিছু (১৫-১৭টা) ভালোলাগা গল্প শেষ পর্যন্ত রাখা যায়নি। আমাদের সামর্থ্যহীনতার কারণে।     তবুও শেষ পর্যন্ত দশ ফর্মার পত্রিকা হয়েছে। গত দুবছরের মতো A4 সাইজের পত্রিকা।    যাঁদের লেখা রাখা গেল না, তাঁরা লেখাগুলি অন্য জায়গায় পাঠাতে পারেন। অথবা, সম্মতি দিলে আমরা লেখাগুলি আমাদের অনলাইন নবপ্রভাতের জানুয়ারি ২০২৬ সংখ্যায় প্রকাশ করতে পারি।    পত্রিকাটি আগামী ৯-১৩ জানুয়ারি ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি আয়োজিত কলকাতা লিটল ম্যাগাজিন মেলায় (রবীন্দ্র সদন - নন্দন চত্বরে) পাওয়া যাবে।     সকলকে ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা।

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। নবপ্রভাত ৮৫ ।। চৈত্র ১৪৩১ মার্চ ২০২৫

  সূচিপত্র নিবন্ধ ।। মরিয়ম মির্জাখানি: এক অনন্য গণিতসূর্য ।। ... নিবন্ধ ।। নারী দিবসে যা ভাবা উচিত ।। বিশ্বনাথ পাল প্রবন্ধ ।। প্রাচীনকাল থেকে নারীরা অবহেলিত, বঞ্চিত,... নিবন্ধ ।। আমার চোখে আদর্শ নারী ।। জয়শ্রী বন্দ্... ফিচার।। এই মুহূর্তে বাংলা সাহিত্যে নারীদের লেখালেখ... আফ্রিকার লোককথা ।। করোটিকে বিয়ে করা অবাধ্য মেয়েটি ... ছোটগল্প ।। মানবী ।। ভুবনেশ্বর মন্ডল নিবন্ধ ।। ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে অন্যতম নারী মু... নিবন্ধ ।। প্রিয় মহিলা সাহিত্যিক আশাপূর্ণা দেবী ।। ... গল্প ।। উই ওয়ান্ট জাস্টিস ।। রবীন বসু প্রবন্ধ ।। নিপীড়িতা ।। শ্যামল হুদাতী ফিচার ।। রমণী রতন ।। মানস কুমার সেনগুপ্ত প্রবন্ধ ।। নারী সমাজ : তখন-এখন ।। তপন মাইতি নিবন্ধ ।। বহমান কালের ধারায় নারী ।। দীপক পাল গল্প ।। আমার দুর্গা ।। অঞ্জনা গোড়িয়া (সাউ) গল্প ।। যোগ্য জবাব ।। সমীর কুমার দত্ত ছোটগল্প ।। আমি দুর্গাকে দেখেছি।। চন্দন দাশগুপ্ত গল্প ।। সম্পর্ক ।। গৌতম সমাজদার কবিতা।। নারী মানে ।। গোবিন্দ মোদক কবিতা।। নারী ।। সমর আচার্য্য ছড়া ।। নারী অসামান্যা ।। সৌমিত্র মজুমদার কবিতা ।। নারী দিবসে ।। বিবেকানন্দ নস্কর কবিতা ।। না...

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। ৯৫তম সংখ্যা ।। মাঘ ১৪৩২ জানুয়ারি ২০২৬

সূচিপত্র   রঙ-চোর ও ধূসর পৃথিবী ।। জয় মণ্ডল বেলা তার (Béla Tarr) ও তাঁর চলচ্চিত্রের দর্শন ।। উৎপল সরকার রবীন্দ্রনাথের গান—একটি ব্যক্তিগত অনুভব ও বিশ্লেষণ ।। ভুবনেশ্বর মণ্ডল জন্মশতবর্ষে ভুপেন হাজারিকা ।। হিমাদ্রী শেখর দাস ক্লান্তশ্বাস ।। দীপালি ভট্টাচার্য প্রতীক্ষা ।। মেখলা ঘোষদস্তিদার দুটি কবিতা ।। জয়িতা চট্টোপাধ্যায়  অক্ষরের আগুন ।। শম্পা সামন্ত বনসাই জীবনের অদৃশ্য শোকগাথা ।। মেশকাতুন নাহার এক কৃপণ কৃষকের কিসসা ।। ভাষান্তর : চন্দন মিত্র কাজ এখনও বাকি ।। সৈকত প্রসাদ রায় পালা বদল ।। অদিতি চ্যাটার্জি দুটি কবিতা ।। শামীম নওরোজ ঝুমুরের ঝঙ্কার ।। কল্যাণ কুমার শাণ্ডিল্য রঙিন বৃষ্টির ফেরিওয়ালা ।। সঙ্গীতা মহাপাত্র জেগে ওঠে ।। সুমিত মোদক ভালো থাক ।। জয়শ্রী ব্যানার্জি আধ ডজন ছড়া ।। স্বপনকুমার পাহাড়ী ঘাসের ডগায় হীরক কণা ।। বদরুল বোরহান পণ্ডশ্রম ।। লালন চাঁদ সে আমার ছোট বোন ।। সঙ্ঘমিত্রা দাস ভঙ্গুর ।। তূয়া নূর নৈকট্য ।। রহিত ঘোষাল অতিপ্রাকৃত ।। শাহ মতিন টিপু বাঙালি মানসে পৌষ সংক্রান্তি ।। পাভেল আমান ভাগের বাবা ।। দীনেশ সরকার বিরতিবিহীন অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে পরিযায়ী জীবন ।। শেখ আব্...

প্রবন্ধ ।। বাংলা যাত্রা ও নাট‍্যশিল্পে অবক্ষয় ।। মাখনলাল প্রধান

বাংলা যাত্রা ও নাট‍্যশিল্পে অবক্ষয় মাখনলাল প্রধান বাংলার শিল্প-সংস্কৃতির জগতে যাত্রা শিল্প তথা নাট‍্যশিল্পে মড়ক নেমে এসেছে । যাত্রা শিল্পের মড়কে শুধু কোভিড নয় তার বহুপূর্ব থেকেই অর্থনৈতিক বিপর্যয় , শিক্ষাক্ষেত্রে বন্ধ‍্যাত্ব এবং গ্ৰাম বাংলার পটপরিবর্তন শেষ পেরেক ঠুকে দিয়েছে। যাত্রা-শিল্পের লীলাভূমি ছিল গ্ৰাম বাংলা। গ্ৰামে প্রচুর যাত্রাপালা হত নানা উৎসবকে কেন্দ্র করে । জমিদারি ব‍্যবস্থা লুপ্ত হওয়ার পর গ্ৰামীণ মানুষের উদ‍্যোগে শীতলা পূজা,  কালীপূজা, দুর্গাপূজা, কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা, চড়ক ইত‍্যাদিকে উপলক্ষ‍্য করে যাত্রাপালার আয়োজন না হলে কেমন যেন ম‍্যাড়ম‍্যাড়ে লাগতো। সেই সঙ্গে কলকাতার বড়বড় কোম্পানির যাত্রাপালা ঘটা করে, টিকিট সেল করে হত মাঠে। খুব বড় মাপের খেলার মাঠ যেখানে ছিল না সেখানে ধানের মাঠ নেওয়া হত ‌। ত্রিশ-চল্লিশ হাজার মানুষ দেখতে আসত। স্পেশাল বাস পাঠাত  আয়োজক কর্তৃপক্ষ। বিনা ভাড়ায় বাসে যাতায়াত করত যাত্রার দর্শকেরা। কিন্তু বিকল্প ধানচাষ শুরু হলে জমিগুলো সময় মতো ফাঁকা পাওয়া গেল না । প্রথম দিকে ব‍্যাপকহারে ধান শুরু না হওয়ায় খুব একটা অসুবিধা হত না। বহুক্ষেত্রে  ধান কা...

প্রবন্ধ ।। নারীমর্যাদা ও অধিকার ।। হিমাদ্রি শেখর দাস

নারীমর্যাদা ও অধিকার হিমাদ্রি শেখর দাস  নারীর মর্যাদা বলতে বোঝায় নারীর সম্মান, অধিকার, এবং তার ব্যক্তিগত স্বাধীনতা। এটি সমাজে নারীর অবস্থান এবং তার প্রতি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গিকে নির্দেশ করে। নারীর প্রতি সম্মানজনক আচরণ করা হয় এবং তাদের অধিকার গুলি সুরক্ষিত থাকে। পুরুষতান্ত্রিক সমাজে এই শ্রেণি সংগ্রাম শুরু হয়েছিল অনেক আগে।  একদিকে শ্রেণী বৈষম্য অপরদিকে নারী পুরুষের বৈষম্য এই দুটি ছিল শ্রেণীবিভক্ত সমাজের অন্যতম দুটি মূল ভিত। নারীর অধিকারহীনতা বা দাসত্ব শুরু হয় পরিবার ও সম্পত্তির উদ্ভাবনের ফলে। বহু যুগ ধরে নারী সমাজকে পারিবারিক ও সামাজিক দাসত্বের বোঝা বহন করতে হয়েছে বিনা প্রতিবাদে। সভ্যতার ক্রম বিকাশের সাথে সাথে নিপীড়ন ও নির্যাতনের মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে - দাস সমাজব্যবস্থা এবং সামন্ততান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় নারীরা পুরুষ ও পরিবারের অধীনতা স্বীকার করে নিতে বাধ্য হয়েছে। সামাজিক উৎপাদনের কাজে নারীদের বঞ্চিত রেখেই তাদের পরাধীন জীবন যাপনের মধ্যে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। নারীর অধিকারহীনতার বিরুদ্ধে সংগ্রামের সূচনা হয় ইংল্যান্ডের শিল্প বিপ্লবের পরবর্তী সময়ে। নতুন করে নারীদের সামাজিক উৎপাদনের কাজে ...

প্রবন্ধ ।। ভিনগ্রহীদের সন্ধানে ।। শ্যামল হুদাতী

ভিনগ্রহীদের সন্ধানে  শ্যামল হুদাতী  ইতিহাসের শুরু থেকে বারবার মানুষকে একটা প্রশ্ন কুঁড়ে কুঁড়ে খায় – এই মহাবিশ্বে আমরা কি একা? পৃথিবীর মতো আরও গ্রহ রয়েছে, যেখানে মানুষের মতো বুদ্ধিমান প্রাণীরা বাস করে – এই সম্ভাবনা বরাবর মানুষকে মুগ্ধ করেছে। আমাদের প্রত্যেকের জীবনের কখনও না কখনও এই ভাবনা এসেছে। দীর্ঘ কয়েক দশকের গবেষণার পরও, এই বিষয়ে কোনও নিশ্চয়তা দিতে পারেননি বিজ্ঞানীরা। জেমস ওয়েব মহাকাশ টেলিস্কোপ, বহু দূরের এমন কিছু গ্রহের সন্ধান দিয়েছে, যেগুলিতে প্রাণ থাকতেই পারে। তবে, নিশ্চিত কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে, আমেরিকার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সাম্প্রতিক গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, ভিনগ্রহীদের খুঁজতে বহু দূরে যাওয়ার কোনও দরকার নেই। তারা এই পৃথিবীতেই মানুষের ছদ্মবেশে মানুষের মধ্যেই বসবাস করতে পারে। আমরা ভিনগ্রহীদের যেমন কল্পনা করি, এরা তার থেকে আলাদা। এরা অনেকটাই, দেবদূতদের মতো। মানব জগতের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক প্রযুক্তিগত নয়, বরং জাদুকরি। মহাকাশে সৌরজগতের গ্রহ পৃথিবী ছাড়া অন্য কোথায় প্রাণ রয়েছে কি না তা নিয়ে চলছে বিস্তর গবেষণা। একই সঙ্গে পৃথিবী ছাড়া অন্য কোনো গ্রহে মানুষ বসবাস ক...

মাসের বাছাই

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। ৯৫তম সংখ্যা ।। মাঘ ১৪৩২ জানুয়ারি ২০২৬

সূচিপত্র   রঙ-চোর ও ধূসর পৃথিবী ।। জয় মণ্ডল বেলা তার (Béla Tarr) ও তাঁর চলচ্চিত্রের দর্শন ।। উৎপল সরকার রবীন্দ্রনাথের গান—একটি ব্যক্তিগত অনুভব ও বিশ্লেষণ ।। ভুবনেশ্বর মণ্ডল জন্মশতবর্ষে ভুপেন হাজারিকা ।। হিমাদ্রী শেখর দাস ক্লান্তশ্বাস ।। দীপালি ভট্টাচার্য প্রতীক্ষা ।। মেখলা ঘোষদস্তিদার দুটি কবিতা ।। জয়িতা চট্টোপাধ্যায়  অক্ষরের আগুন ।। শম্পা সামন্ত বনসাই জীবনের অদৃশ্য শোকগাথা ।। মেশকাতুন নাহার এক কৃপণ কৃষকের কিসসা ।। ভাষান্তর : চন্দন মিত্র কাজ এখনও বাকি ।। সৈকত প্রসাদ রায় পালা বদল ।। অদিতি চ্যাটার্জি দুটি কবিতা ।। শামীম নওরোজ ঝুমুরের ঝঙ্কার ।। কল্যাণ কুমার শাণ্ডিল্য রঙিন বৃষ্টির ফেরিওয়ালা ।। সঙ্গীতা মহাপাত্র জেগে ওঠে ।। সুমিত মোদক ভালো থাক ।। জয়শ্রী ব্যানার্জি আধ ডজন ছড়া ।। স্বপনকুমার পাহাড়ী ঘাসের ডগায় হীরক কণা ।। বদরুল বোরহান পণ্ডশ্রম ।। লালন চাঁদ সে আমার ছোট বোন ।। সঙ্ঘমিত্রা দাস ভঙ্গুর ।। তূয়া নূর নৈকট্য ।। রহিত ঘোষাল অতিপ্রাকৃত ।। শাহ মতিন টিপু বাঙালি মানসে পৌষ সংক্রান্তি ।। পাভেল আমান ভাগের বাবা ।। দীনেশ সরকার বিরতিবিহীন অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে পরিযায়ী জীবন ।। শেখ আব্...

গল্প ।। জাতিস্মর ।। আশীষ কুমার বিশ্বাস

    জাতিস্মর   আশীষ  কুমার   বিশ্বাস    গল্পের শুরুটা প্রায় ষাট বছর আগের কথা । যার নাম গৌতম, ডাক নাম ছিল বাবু ।  তার বছর তখন ছয়-সাত হবে । আমরা বা আমি তখন একটু বড় । এক সাথেই চলতো খেলা । গোল্লা ছুট, দাঁড়িয়া বান্দা, চোর-পুলিশ । যে মাঝে মাঝে খেলা থেকে বিরত থাকতো ; সে-ই জাতিস্মর । মাঠের পাশেই ছিল একটা খেঁজুর গাছ । তাতে হাত রেখে দূরের এক গ্রামের দিকে এক মনে তাঁকিয়ে থাকতো "বাবু" । গ্রামটির নাম "বিনয় পল্লী " । মাঝে বড়ো মাঠ । হাঁটা শুরু করলে তিরিশ - চল্লিশ মিনিট লাগবে । মাঝে জলে ভরপুর দেখে কখনো যাওয়া হয়নি । বাবু কে যখন বলতাম, ওপারে কি দেখছিস? ও বলতো, ওখানে আমার ছোট মা থাকে, দিদি থাকে, আমার ভুলু কুকুর থাকে । এ কথা আমাদের বিশ্বাস হতো না । আবার খেলায় ফিরে যেতাম, খেলতাম ।  কিন্তু ও বসে বসে , ওপারের গাছ পালা , বাড়ি ঘর দেখতো । কাছে গেলে বলতো , ওই যে সবুজ ,কচি কলাপাতা রঙের দালান বাড়ি, ওটাই আমাদের বাড়ি !  এই ভাবে মাস ছয়, বছর গড়াতে লাগলো । মনে প্রশ্ন জাগতে লাগলো, এ টা কি মন গড়া , বা বানিয়ে বানিয়ে বলছে? সত্যি প্রকাশ হোল এক দিন ।  সে বাড়িতে কিছু ...

কবিতাঃ চন্দন ঘোষ

এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল  তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র!   কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও  বোধহয় যে...

মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র

  মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র প্রকাশিত হল।     যত লেখা রাখা গেল, তার দ্বিগুণ রাখা গেল না। বাদ যাওয়া সব লেখার 'মান' খারাপ এমন নয়। কয়েকটি প্রবন্ধ এবং বেশ কিছু (১৫-১৭টা) ভালোলাগা গল্প শেষ পর্যন্ত রাখা যায়নি। আমাদের সামর্থ্যহীনতার কারণে।     তবুও শেষ পর্যন্ত দশ ফর্মার পত্রিকা হয়েছে। গত দুবছরের মতো A4 সাইজের পত্রিকা।    যাঁদের লেখা রাখা গেল না, তাঁরা লেখাগুলি অন্য জায়গায় পাঠাতে পারেন। অথবা, সম্মতি দিলে আমরা লেখাগুলি আমাদের অনলাইন নবপ্রভাতের জানুয়ারি ২০২৬ সংখ্যায় প্রকাশ করতে পারি।    পত্রিকাটি আগামী ৯-১৩ জানুয়ারি ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি আয়োজিত কলকাতা লিটল ম্যাগাজিন মেলায় (রবীন্দ্র সদন - নন্দন চত্বরে) পাওয়া যাবে।     সকলকে ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা।

প্রবন্ধ ।। বেলা তার (Béla Tarr) ও তাঁর চলচ্চিত্রের দর্শন ।। উৎপল সরকার

নীরবতার মহাকাব্যকার:  বেলা তার ও চলচ্চিত্রের দর্শন উৎপল সরকার বিশ শতকের শেষ ভাগ ও একবিংশ শতকের শুরুর দিকের বিশ্ব চলচ্চিত্রের মানচিত্রে এমন কিছু নির্মাতার নাম উজ্জ্বল হয়ে আছে, যাঁরা মূলধারার বিনোদনমুখী সিনেমার বিপরীতে দাঁড়িয়ে সময়, নীরবতা ও অস্তিত্বের গভীর প্রশ্নকে চলচ্চিত্রের ভাষায় রূপ দিতে চেয়েছেন। হাঙ্গেরীয় চলচ্চিত্রকার বেলা তার ছিলেন সেই বিরল শিল্পীদের একজন, যাঁর সিনেমা দেখার অভিজ্ঞতা কেবল গল্পগ্রহণ দর্শননার আস্বাদন নয়—বরং ধৈর্য, মনোসংযোগ ও আত্মঅনুসন্ধানের এক দীর্ঘ যাত্রা।এই সেদিন ২০২৬ সালের ৬ জানুয়ারি বুদাপেস্টে তাঁর প্রয়াণের মধ্য দিয়ে বিশ্ব চলচ্চিত্র হারাল ধীরগতির চলচ্চিত্র ধারার এক অগ্রপথিককে। ১৯৫৫ সালের ২১ জুলাই হাঙ্গেরির পেচ শহরে জন্ম নেওয়া বেলা তার কৈশোর থেকেই সমাজ ও মানুষের প্রতি গভীর আগ্রহ অনুভব করেছিলেন। তাঁর পারিবারিক ও সামাজিক পরিবেশ তাঁকে বাস্তবতার খুব কাছ থেকে জীবন দেখার সুযোগ দেয়। সেই অভিজ্ঞতাই পরবর্তীকালে তাঁর চলচ্চিত্রে রূপ নেয় নিরাবরণ, নিষ্ঠুর অথচ মানবিক এক ভাষায়। তিনি ছিলেন কেবল একজন পরিচালক নন—একজন চিন্তাবিদ, যিনি ক্যামেরাকে ব্যবহার করেছেন দর্শনের অনুসন্ধানী ...

লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি : মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬

  লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি মুদ্রিত  নবপ্রভাত  বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার জন্য  প্রবন্ধ-নিবন্ধ, মুক্তগদ্য, রম্যরচনা, ছোটগল্প, অণুগল্প, কবিতা ও ছড়া পাঠান।  যে-কোন বিষয়েই লেখা যাবে।  শব্দ বা লাইন সংখ্যার কড়াকড়ি বাঁধন  নেই। তবে ছোট লেখা পাঠালে  অনেককেই সুযোগ দেওয়া যায়।  যেমন, কবিতা/ছড়া ১২-১৬ লাইনের মধ্যে, অণুগল্প/মুক্তগদ্য কমবেশি ৩০০/৩৫০শব্দে, গল্প/রম্যরচনা ৮০০-৯০০ শব্দে, প্রবন্ধ/নিবন্ধ ১৫০০-১৬০০ শব্দে হলে ভালো। তবে এ বাঁধন 'অবশ্যমান্য' নয়।  সম্পূর্ণ অপ্রকাশিত লেখা পাঠাতে হবে। মনোনয়নের সুবিধার্থে একাধিক লেখা পাঠানো ভালো। তবে একই মেলেই দেবেন। একজন ব্যক্তি একান্ত প্রয়োজন ছাড়া একাধিক মেল করবেন না।  লেখা  মেলবডিতে টাইপ বা পেস্ট করে পাঠাবেন। word ফাইলে পাঠানো যেতে পারে। লেখার সঙ্গে দেবেন  নিজের নাম, ঠিকানা এবং ফোন ও whatsapp নম্বর। (ছবি দেওয়ার দরকার নেই।) ১) মেলের সাবজেক্ট লাইনে লিখবেন 'মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা সংখ্যা ২০২৬-এর জন্য'।  ২) বানানের দিকে বিশেষ নজর দেবেন। ৩) যতিচিহ্নের আগে স্পেস না দিয়ে পরে দেবেন। ৪) বিশেষ কোন চিহ্ন (যেমন @ # ...

বাঘাযতীন আলাপ-এর 'পদ্মা নদীর মাঝি' একটি বলিষ্ঠ নাটক ।। কাকলী দেব

বাঘাযতীন আলাপ-এর ' পদ্মা নদীর মাঝি '  একটি বলিষ্ঠ  নাটক কাকলী দেব  S I R এর সময়ে দাঁড়িয়ে আবার নতুন করে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের " পদ্মা নদীর মাঝি "   কে নাট্যরূপ দেওয়া ,   একটা সাহসী পদক্ষেপ ।  নাট্যকার একটি কঠিন কাজ অত্যন্ত দক্ষতায় সম্পন্ন করেছেন।  বংশ পরম্পরায় মানুষগুলোর যে মাটিতে বসবাস, তাদের শেকড় যেখানে, সেখানে তাদেরকেই আবার তার প্রমাণ দিতে বাধ্য করছে তখনকার জমিদার আর এখনকার সরকার। সময় টা শুধু বদলেছে, কালচক্রের রথে এগিয়েছে পৃথিবী । কিন্ত শোষণের ধারাটা একই রয়ে গেছে এখনও। নাট্যকার অত্যন্ত মুন্শী‌য়ানার পরিচয় দেন, এরকম একটি উপন্যাসকে মঞ্চস্থ করতে।  মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে এইসব প্রান্তিক মানুষদের সাথে থেকে, তাদের জীবনের সুখ দুঃখ, প্রতিকূলতা, অসহনীয় দারিদ্রকে কী নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন তার লেখনীর মাধ্যমে। আজ তা ভেবে আমাদের অবাক লাগে।  পৃথিবীর যেসব অসাধারণ সাহিত্য কর্ম রয়েছে, তার মধ্যে এটি অনায়াসে নিজের জায়গা করে নিয়েছে। প্রত্যেকটি কুশীলব যে নিজের নিজের চরিত্র এইভাবে ফুটিয়ে তুলতে পেরেছেন, সেটার কৃতিত্বের দাবীদার ও পরিচালক। প...

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। ৯৪তম সংখ্যা ।। পৌষ ১৪৩২ ডিসেম্বর ২০২৫

  সূচিপত্র প্রবন্ধ-নিবন্ধ শিকড়ের সন্ধানে: আধুনিকতার স্রোতে হারিয়ে যাচ্ছে ললোকজ শিল্প ।। ভাস্কর সিনহা রাশিয়ার তুষারে একাকিত্ব ।। শিবাশিস মুখার্জী  নোবেলের সাতকাহন ।। পুলকরঞ্জন চক্রবর্তী মানবজীবনের সৃজনশীলতা ।। অনন্তকুমার করণ শিক্ষক ও ছাত্র সম্পর্কের সেকাল-একাল ।। দীপক পাল মাটি বিনা সবই মাটি ।। রমলা মুখার্জী রম্যরচনা-ভ্রমণকথা-মুক্তগদ্য রম্যগল্প ।। কাদের কিংবা কেদার ।। সন্তোষ ঢালী ভ্রমণ–ডায়েরি : মহাদেবের পথে ।। দীনেশ চ্যাটার্জী হেমন্তের ভ্রমণমুখর জুমু'আ ।। জুয়াইরিয়া সারাহ মুক্তগদ্য ।। শীতের অদৃশ্য উষ্ণতার ।। আবু সাঈদ কবিতাগুচ্ছ দুটি কবিতা ।। শোভন মণ্ডল  বোধি ।। পুণ্যব্রত মুখোপাধ্যায়  আলোর অন্তরালে ।। অরিন্দম চট্টোপাধ্যায়  ডিসেম্বর ।। কমল মজুমদার গুচ্ছকবিতা || শিশির আজম দুটি কবিতা ।। শম্পা সামন্ত এই সেই মুহূর্ত ।। অর্ণব সামন্ত  সময়ের নৌকা ।। আবদুস সালাম দুটি কবিতা ।। সুশান্ত সেন নীড়হারা পাখি ।। ইকবাল খান আবার দেখা হবে ।। প্রণব কুমার চক্রবর্তী নুন ভাতের স্বপ্ন ।। কল্যাণ সুন্দর হালদার  স্বরাজ আসেনি আজও ।। অঞ্জন বল  কার্ফু ।। তপন দাস অন্ধকারের মহাক...

চিরকুটের কবিতা

নতুন পৃথিবী আজ সকালে রোদ্দুর নামুক ভেজা বর্ষার মতো গা ধুয়ে কিছুটা পবিত্র হবো যত জীর্ণ মলিন দ্বেষ বিলীন হোক সব সময়ের তটে গা ভাসিয়ে কিছুটা বিলাসী হবো যা ছিল অতীত যা ছিল কষ্ট সবকিছু ভুলে নবীনে ব্রতী হবো আসুক ধেয়ে সতেজ হাওয়া দূর হোক যত কুণ্ঠা ব্যথা পুরানো যত বিবাদ ভুলে ভালোবাসার আবার বেড়া দেবো কিছুটা আশাবাদী কিছুটা কর্মঠ কিছুটা জেদি কিছুটা শপথ আসুক ছুঁয়ে বাঁচার আলো হাতে হাত রেখেই বিশ্বাসের ঘরে আবার নতুন দীপ জ্বালাবো

উন্মুক্ত পাগলামি ।। আশরাফুল মণ্ডল

উন্মুক্ত পাগলামি আশরাফুল মণ্ডল আহা, অপরূপ নিজস্বতার দাহ! কুঁকড়ে যায় আবহমান, সজনে পাতার বোঁটায়! ভাপওঠা ভাতের কাছে মাছি সত্তায় কী নিপুণ! তবুও ঘোর লাগা বসন্তের ডাক, হাঁকে! খেদিয়ে দেয় পা দোলানো প্রস্তাব, ওই ধুনুরি চোখ! রাংতায় মোড়া ডাকের সাজ, দে দোল দোল! হুইসেল বাজিয়ে কে রুখে দ্যায় সেই নাকছাবির রুদালি কাঁপন! খালবিল ছেঁচে পাঁচসিকের  মানত কুড়িয়ে আনে, বাংলা বাজার। ঠ্যাং নাচানো সুরে চোখ মারছে, দ্যাখো ভ্যানতারা! মুখ খোলা মানেই পাঁজরের স্রোত ভাবা যেন উগরানো টালমাটাল! ঢিল মারা প্রশ্নের রোয়াকে বক্রচোখে যেন মেধাবী কবিতা! মুছে দিও তবে লাজুক গুপ্ত রোগ, দিনরাত্রি! ভালো থেকো তোমরা বাছাধন, রং মাস সে আর কতদিন... ================    ASRAFUL MANDAL Chandidas Avenue, B-zone, Durgapur, Paschim Bardhaman, Pin - 713205,