এক অভিন্ন ছায়া ✍️ সুমিতা চৌধুরী আজও কোথাও আনমনে উঁকি দিয়ে যায় সে অপলক দৃষ্টির ঘোর, ঠোঁটের চিলতে হাসিতে ধরা হৃদয়ের কথা চির অমর... কিছু শব্দবন্ধ আজও ফেরায় বারবার অতীতের চৌকাঠে, যেখানে এক চির আকাঙ্খিত গোধূলি স্বপ্ন বুনেছিল দুটি মনের মিলন হাটে। যেখানে ক্যানভাস জুড়ে ফুটে উঠেছিল কতোই না রঙিন ছবি, তবু নামকরণটা অজানা কারণে রয়ে গেছে আজও মুলতুবি! তবুও বেনামা সে গাছটা শিকড় ছড়িয়ে রয়ে গেছে এক্কেবারে মনের গভীরে, কখন যেন শুধু চুরি হয়ে গেছে সময়, হয়তো কিছু অবুঝ অভিমানের ভিড়ে!! =========== Sumita Choudhury Liluah, Howrah
যা বলা হয়নি, যা থেকে গেছে ✍️ শিবাশিস মুখার্জী ১ আমার স্ত্রীর শহর ছিল লখনউ। লখনউই ওর বেড়ে ওঠার মাটি, ওর ভাবনার ভাষা, ওর নিঃশ্বাসের শহর। আমি যখন প্রথম ওর গল্প শুনি, তখন বুঝিনি যে একটা শহর কীভাবে একজন মানুষকে এত গভীরভাবে গড়ে তুলতে পারে। আমার স্ত্রীর চোখে আমি প্রায়ই চারটে শহর দেখি। চারটে নদী, চারটে ঋতু, চারটে ভাষা। দারভাঙ্গা, ঝাঁসি, লখনউ, আর শেষে কলকাতা। বাইরের মানুষ হয়তো কেবল মানচিত্রে রেখা টেনে এই নামগুলোকে আলাদা করে রাখে, কিন্তু ওর ভেতরে কোনও শহরের দেয়াল নেই — সবকিছু একসঙ্গে বয়ে চলে, যেন কোনও প্রাচীন নদীর ডেল্টা। দারভাঙ্গা তার শৈশব। ওর প্রথম হাঁটার শব্দ, প্রথম বৃষ্টিভেজা দুপুর। ওর কণ্ঠে যখন আমি সেই সময়ের গল্প শুনি, মনে হয় শহরটা যেন সবসময় কুয়াশার ভেতর ডুবে আছে। সব মিলিয়ে দারভাঙ্গা যেন এক অস্পষ্ট প্রস্তাবনা। ও বলত, "সেই শহরে কোনও তাড়াহুড়ো ছিল না। মানুষ যেন সময়ের সঙ্গে বসবাস করত, সময়কে পেছনে ফেলে নয়।" কিন্তু খুব ছোটবেলাতেই ওর পরিবার চলে আসে ঝাঁসি। শহরটা ছিল কঠিন।পাথরের দেয়াল, লাল মাটির দুর্গ, আর ইতিহাসের ভার যেন সবসময় কাঁধে চেপে বসে আছে।ঝাঁসি মানেই রানির লড...