নবপ্রভাত মাসিক ব্লগ-ম্যাগ আশ্বিন ১৪২৫ ।। সেপ্টেম্বর ২০১৮ বিষয় ঃ "শিক্ষা ও শিক্ষক" সূচিপত্র প্রবন্ধ-নিবন্ধ-স্মৃতিকথা তন্ময় পাল স্বরূপা রায় রীনা তালুকদার মোনালিসা পাহাড়ী তপন মুখার্জি সম্পা পাল্ দুলাল সুর অমৃতা বিশ্বাস সরকার ফিরোজ আখতার অদিতি চৌধুরী কোয়েলী ঘোষ স্বাতী নাথ সামসুন্নাহার ফারুক আবদুস সালাম অমিত পাল লিপি ঘোষ হালদার মৈনাক চক্রবর্ত্তী বিশ্বজিত দাস প্রণব কুমার চক্রবর্তী কালীপদ চক্রবর্ত্তী - অ-নিরুদ্ধ সুব্রত রাখী সরদার শুভাশিস দাশ তনিমা হাজরা সুনন্দ মন্ডল শেফালি সর দেব শংকর দাস রণেশ রায় বিজয়ন্ত সরকার। গল্প দীপক কুমার মাইতি জয়ন্ত দত্ত পারিজাত রিয়া ভ...
অনুর অপেক্ষা নাজিরুল ইসলাম গ্রামের নাম জলামাদুল। গ্রাম বললে অবশ্য ভুলই বলা হবে, আসলে সেটি এক অজপাড়া গাঁ। গ্রামের বেশিরভাগ মানুষ চাষবাস করেই জীবন ধারণ করে। শহরের আধুনিক হাওয়া এখানে এখনো এসে পৌঁছায়নি। কাঁচা-পাকা রাস্তা, তাই বর্ষাকালে জল জমে কাদা প্যাচপ্যাচে হয়ে থাকে। গ্রামে গাছপালা, জলাজমি, পুকুর, ধান রাখার মরাই আর খড়ের গাদা—সবই আছে। এই প্রাকৃতিক সুন্দর পরিবেশে মানুষের সংখ্যা খুব কম। সব মিলিয়ে কুড়ি-বাইশটি ঘর হবে, সবাই সবাইকে চেনে। সন্ধ্যার পর গ্রামের বয়স্ক মানুষেরা একজোট হয়ে আড্ডা জমায়, তারপর হুঁকোয় টান দিতে দিতে যে যার বাড়ি চলে যায়। গ্রামের ঠিক মাঝখানে একটা একলা দোকান—চায়ের দোকান। দোকান বলতে বাঁশের খুঁটি, টালির ছাউনি আর সামনে পাতা দুটো কাঠের বেঞ্চ। দোকানটা চালায় অনু। অনুর বয়স ১৯ কিংবা ২০ হবে। শ্যামবর্ণের রোগাটে চেহারা, গোলগাল মুখ। তবে তার সবচেয়ে আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য হলো জোড়া ভুরুর নিচে একজোড়া নীল চোখের মণি, যা তাকে আর পাঁচটা মানুষের থেকে আলাদা করে। অনু অনাথ। কীভাবে সে মানুষ হয়েছে, সে নিজেও তা ভালো করে জানে না। আপনজন বলতে এক দাদি ছ...