সূ চি প ত্র নিবন্ধ ।। চিঠিপত্রের ইতিহাস ।। বাণীব্রত গোস্বামী নিবন্ধ ।। বিস্মৃত এক কবি অশোক বিজয় রাহা ।। শংকর ব্... নিবন্ধ ।। কামতাপুর কথা ।। আবদুস সালাম ভ্রমণকাহিনি ।। গাঢ়য়াল সফর ।। মিতালী ঘোষ ভ্রমণকাহিনি ।। বেড়ীর বাঁওড়ে একদিন ।। স্তুতি সরকার কবিতা ।। ভালো আছো প্রিয় জল ? || জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায় কবিতা ।। সন্ধে হয়ে এলে ।। ফটিক চৌধুরী দুটি কবিতা ।। সৈকত গোস্বামী কবিতা ।। কুয়াশা মানুষ ।। অনিরুদ্ধ সুব্রত দুটি কবিতা ।। সোমা মজুমদার গল্প ।। মৈমি ।। অনিন্দ্য পাল কবিতা ।। অবসর, অবসাদ এবং ।। প্রতীক মিত্র কবিতা ।। শূন্যতা ।। অভিজিৎ মান্না কবিতা ।। তিস্তাবাজারের গল্প ।। সম্পা পাল বাংলা মায়ের কবিতা ।। অবশেষ দাস কবিতা ।। সকালের কথারা ।। মঞ্জু বন্দ্যোপাধ্যায় রায় কবিতা ।। ছায়া ।। অঞ্জনা দেব রায় দুটি কবিতা ।। রথীন পার্থ মণ্ডল ছড়া ।। খোকার চিঠি ।। সুব্রত দাস ছড়া ।। আজগুবি ছড়া ।। ভাগ্যধর হাজারী কবিতা ।। প্রবণতা ।। সুধাংশুরঞ্জন সাহা অণুগল্প ।। ভালো বাসা ।। চন্দন মিত্র কবিতা ।। ইতিহাস লেখা অন্ধকার ।। তীর্থঙ্কর সুমিত কবিতা ।। আজব সখ্য ।। ঋষভ সরকার ছড়া ।। বই ও বইমেলা ।। রি...
অনুর অপেক্ষা নাজিরুল ইসলাম গ্রামের নাম জলামাদুল। গ্রাম বললে অবশ্য ভুলই বলা হবে, আসলে সেটি এক অজপাড়া গাঁ। গ্রামের বেশিরভাগ মানুষ চাষবাস করেই জীবন ধারণ করে। শহরের আধুনিক হাওয়া এখানে এখনো এসে পৌঁছায়নি। কাঁচা-পাকা রাস্তা, তাই বর্ষাকালে জল জমে কাদা প্যাচপ্যাচে হয়ে থাকে। গ্রামে গাছপালা, জলাজমি, পুকুর, ধান রাখার মরাই আর খড়ের গাদা—সবই আছে। এই প্রাকৃতিক সুন্দর পরিবেশে মানুষের সংখ্যা খুব কম। সব মিলিয়ে কুড়ি-বাইশটি ঘর হবে, সবাই সবাইকে চেনে। সন্ধ্যার পর গ্রামের বয়স্ক মানুষেরা একজোট হয়ে আড্ডা জমায়, তারপর হুঁকোয় টান দিতে দিতে যে যার বাড়ি চলে যায়। গ্রামের ঠিক মাঝখানে একটা একলা দোকান—চায়ের দোকান। দোকান বলতে বাঁশের খুঁটি, টালির ছাউনি আর সামনে পাতা দুটো কাঠের বেঞ্চ। দোকানটা চালায় অনু। অনুর বয়স ১৯ কিংবা ২০ হবে। শ্যামবর্ণের রোগাটে চেহারা, গোলগাল মুখ। তবে তার সবচেয়ে আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য হলো জোড়া ভুরুর নিচে একজোড়া নীল চোখের মণি, যা তাকে আর পাঁচটা মানুষের থেকে আলাদা করে। অনু অনাথ। কীভাবে সে মানুষ হয়েছে, সে নিজেও তা ভালো করে জানে না। আপনজন বলতে এক দাদি ছ...