"আমার চোখে চণ্ডী প্রাথমিক" কার্ত্তিক মণ্ডল ধনেশ্বরপুর চণ্ডী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গৌরবময় উজ্জ্বল ইতিহাস নক্ষত্রের ন্যায় জ্বলজ্বল করে জ্বলছে আমাদের চোখের সামনে আজও। ফেলে আসা দিনগুলোর ইতিহাস লিখতে গিয়ে আমি অভিভূত,আমি গর্বিত।স্বাধীনতার ঠিক পর মূহুর্তে ১৯৪৮ সালে তদানিন্তন সরকার বাহাদুরের বদান্যতায় ভূপতি সীট মহাশয়ের ভূমি দানে ও বাসুদেবপুর গ্রামবাসীর শুভ প্রয়াসে চণ্ডী মাতাঠাকুরানীর নামাঙ্কিত ধনেশ্বরপুর চণ্ডী প্রাথমিক বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা লাভ করে যা শিক্ষার আঙিনায় এক উজ্জ্বল নক্ষত্র।বহু ঘাত প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে মাননীয় শিক্ষক রামশংকর ভট্টাচার্য মহাশয় হাত ধরে এই বিদ্যালয়টি নিজস্ব মহিমায় মহিমান্বিত। এলাকাবাসীর চেষ্টায় ও তদানিন্তন শিক্ষক ও শিক্ষিকাদের সহযোগিতায় এই বিদ্যালয়টি এখনও স্বমহিমায় মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে ।কালের স্রোত প্রবাহে বিদ্যালয়ের কলেবরের পরিবর্তন ঘটেছে ,খড়ের চালা থেকে মাটির আবার মাটির দেয়াল টপকে পাকার কাঠামো । আমাদের এলাকার গর্ব পিংলা থানার অন্তর্গত এই প্রাথমিক বিদ্যালয়টি যা কিনা বহু কৃতি ছাত্র ছাত্রিদের পাঠদান কেন্দ্র রূপে পরিচিতি লাভ করেছে ও এখনো উ...
মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র প্রকাশিত হল। যত লেখা রাখা গেল, তার দ্বিগুণ রাখা গেল না। বাদ যাওয়া সব লেখার 'মান' খারাপ এমন নয়। কয়েকটি প্রবন্ধ এবং বেশ কিছু (১৫-১৭টা) ভালোলাগা গল্প শেষ পর্যন্ত রাখা যায়নি। আমাদের সামর্থ্যের কারণে। তবুও শেষ পর্যন্ত দশ ফর্মার পত্রিকা হয়েছে। গত দুবছরের মতো A4 সাইজের পত্রিকা। যাঁদের লেখা রাখা গেল না, তাঁরা লেখাগুলি অন্য জায়গায় পাঠাতে পারেন। অথবা, সম্মতি দিলে আমরা লেখাগুলি আমাদের অনলাইন নবপ্রভাতের জানুয়ারি ২০২৬ সংখ্যায় প্রকাশ করতে পারি। পত্রিকাটি আগামী ৯-১৩ জানুয়ারি ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি আয়োজিত কলকাতা লিটল ম্যাগাজিন মেলায় (রবীন্দ্র সদন - নন্দন চত্বরে) পাওয়া যাবে। সকলকে ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা।