সম্পাদকীয় ================== প্রকাশিত হল ব্লক-নবপ্রভাতের ২৯তম সংখ্যা। কোরোনাকালের এই ঘোরসংকটে আমরা সাহিত্যচর্চায় ব্রতী আছি। দরজার বাইরে উঁচিয়ে আছে ভয়। এখন সাহিত্য সৃষ্টিই আমাদের একান্ত নির্ভরতার স্থল। আমাদের বাঁচার, ভয়কে জয় করার নিরাপদ আশ্রয়। সকলে ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন -- এই একান্ত কামনা। ব্লগ-নবপ্রভাতের পাঠক লেখক শুভানুধ্যায়ীদের কাছে আমাদের আবেদন, আপনারা প্রকাশিত লেখাগুলো পড়ুন এবং লেখার নিচে কমেন্ট বক্সে আপনাদের মন্তব্য জানান। লেখকরা উৎসাহিত হবেন। আমরাও প্রীত হব। লেখক বন্ধুদের কাছে বিশেষ অনুরোধ, আপনারা নিজের লেখা ছাড়াও অন্যের লেখাও পড়ুন। মতামত জানান। তাহলে আপনার লেখা সম্বন্ধে অন্যের মন্তব্য আশা করতে পারেন। আর একটা গুরুত্বপূর্ণ কথা, লেখকলেখিকারা নিজের নিজের লেখার লিংক শেয়ার করুন -- ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ বা অন্যান্য সামাজিক মাধ্যমে। কিন্তু কোন কোনভাবেই স্ক্রিনশট শেয়ার করবেন না। যদি নিজের লেখার লিংক না পেয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই আমাদের জানান আমরা আপনার লেখার লিংক পাঠিয়ে দেব। আমরা চাই পাঠক-পাঠিকারা লিংকের মাধ্যমে ব্লগে আসুন এবং আপনার লেখার পাশ...
জাতিস্মর আশীষ কুমার বিশ্বাস গল্পের শুরুটা প্রায় ষাট বছর আগের কথা । যার নাম গৌতম, ডাক নাম ছিল বাবু । তার বছর তখন ছয়-সাত হবে । আমরা বা আমি তখন একটু বড় । এক সাথেই চলতো খেলা । গোল্লা ছুট, দাঁড়িয়া বান্দা, চোর-পুলিশ । যে মাঝে মাঝে খেলা থেকে বিরত থাকতো ; সে-ই জাতিস্মর । মাঠের পাশেই ছিল একটা খেঁজুর গাছ । তাতে হাত রেখে দূরের এক গ্রামের দিকে এক মনে তাঁকিয়ে থাকতো "বাবু" । গ্রামটির নাম "বিনয় পল্লী " । মাঝে বড়ো মাঠ । হাঁটা শুরু করলে তিরিশ - চল্লিশ মিনিট লাগবে । মাঝে জলে ভরপুর দেখে কখনো যাওয়া হয়নি । বাবু কে যখন বলতাম, ওপারে কি দেখছিস? ও বলতো, ওখানে আমার ছোট মা থাকে, দিদি থাকে, আমার ভুলু কুকুর থাকে । এ কথা আমাদের বিশ্বাস হতো না । আবার খেলায় ফিরে যেতাম, খেলতাম । কিন্তু ও বসে বসে , ওপারের গাছ পালা , বাড়ি ঘর দেখতো । কাছে গেলে বলতো , ওই যে সবুজ ,কচি কলাপাতা রঙের দালান বাড়ি, ওটাই আমাদের বাড়ি ! এই ভাবে মাস ছয়, বছর গড়াতে লাগলো । মনে প্রশ্ন জাগতে লাগলো, এ টা কি মন গড়া , বা বানিয়ে বানিয়ে বলছে? সত্যি প্রকাশ হোল এক দিন । সে বাড়িতে কিছু ...