সম্পাদকীয় ================== প্রকাশিত হল ব্লক-নবপ্রভাতের ২৯তম সংখ্যা। কোরোনাকালের এই ঘোরসংকটে আমরা সাহিত্যচর্চায় ব্রতী আছি। দরজার বাইরে উঁচিয়ে আছে ভয়। এখন সাহিত্য সৃষ্টিই আমাদের একান্ত নির্ভরতার স্থল। আমাদের বাঁচার, ভয়কে জয় করার নিরাপদ আশ্রয়। সকলে ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন -- এই একান্ত কামনা। ব্লগ-নবপ্রভাতের পাঠক লেখক শুভানুধ্যায়ীদের কাছে আমাদের আবেদন, আপনারা প্রকাশিত লেখাগুলো পড়ুন এবং লেখার নিচে কমেন্ট বক্সে আপনাদের মন্তব্য জানান। লেখকরা উৎসাহিত হবেন। আমরাও প্রীত হব। লেখক বন্ধুদের কাছে বিশেষ অনুরোধ, আপনারা নিজের লেখা ছাড়াও অন্যের লেখাও পড়ুন। মতামত জানান। তাহলে আপনার লেখা সম্বন্ধে অন্যের মন্তব্য আশা করতে পারেন। আর একটা গুরুত্বপূর্ণ কথা, লেখকলেখিকারা নিজের নিজের লেখার লিংক শেয়ার করুন -- ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ বা অন্যান্য সামাজিক মাধ্যমে। কিন্তু কোন কোনভাবেই স্ক্রিনশট শেয়ার করবেন না। যদি নিজের লেখার লিংক না পেয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই আমাদের জানান আমরা আপনার লেখার লিংক পাঠিয়ে দেব। আমরা চাই পাঠক-পাঠিকারা লিংকের মাধ্যমে ব্লগে আসুন এবং আপনার লেখার পাশ...
দাদা ঠাকুর ও কাজী নজরুলের দ্বিমুখী সখ্যতা আবদুস সালাম কাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে দাদাঠাকুরের পরিচয় কীভাবে হয়, সেই প্রসঙ্গে আলোকপাত করেন আবদুল আযীয আল-আমান। তাঁর লেখা থেকে জানা যায়, নলিনীকান্ত সরকার মহাশয়ের মাধ্যমে দাদাঠাকুরের সঙ্গে নজরুলের প্রথম পরিচয় হয়। নজরুলের ‘বিদ্রোহী’ কবিতা তখনও প্রকাশিত হয়নি। মোসলেম ভারতে প্রকাশিত কবির কয়েকটি কবিতা নিয়ে বাংলার সাহিত্যিক, কবি, পাঠক, সমালোচক মহলে রীতিমতো উঠেছে আলোড়ন। সেই সময় দাদাঠাকুরের সঙ্গে নজরুলের প্রথম আলাপ। *"দাদাঠাকুর" ওরফে শরৎচন্দ্র পণ্ডিত – ১৯ শতকের শেষ আর ২০ শতকের প্রথম দিকের এক তুখোড় ব্যঙ্গকার, সাংবাদিক এবং নাট্যকার। উনার "জঙ্গম" পত্রিকা তখন কলকাতার সাহিত্য-রাজনীতির আখড়া ।সবাই মুখিয়ে থাকতো কখন আসছে “জঙ্গম”। সারাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আর শ্লেষাত্মক ছড়া। কাজী নজরুল ইসলাম তখন সদ্য সাহিত্য জগতে এসেছেন। এসেই সাহিত্যের আঙিনায় তুলেছেন ঝড়। অসহ্য।কোথাকার এক গেঁয়ো- ভূত এসে তছনছ করে দিচ্ছে সব হিসেব । কিছুতেই কেউ যেন মেলাতে পারছে না অঙ্ক ।বিভিন্ন আলাপ আলোচনা ও সমসাময়িক বহু কলমচীর কথায় উঠে আসে দাদা ঠাকুর ও নজরুল প্রসঙ...