মামার অয়েল বুদ্ধি ফেল মেশকাতুন নাহার মাথা মামার গরম হলে উল্টোপাল্টা বুঝে, চুলগুলো সব টেনে টেনে কদুর তেল সে খুঁজে। চুলকানিটা বাড়লে মামার বাড়ায় তেলের কদর, হাতে মাখে,পায়ে মাখে, আরও মাখে গতর। মাঝে মাঝে তেলের যোগান দেয় সে বসের বাড়ি, এই যোগ্যতা আছে বলেই পদটা হয় তাঁর ভারী। তলে তলে ঘোলাজলে নীল নকশা সে আঁকে, বসের বউটা হাতে এনে টাকা কামায় ফাঁকে। তৈল মর্দন আর চরণ চুম্বন যখন হয় রে পেশা, বেসামাল কারসাজিটা তাঁর একমাত্রই নেশা। তেলভাজ মামার তেল থেরাপি সমাজ করছে নষ্ট, শিক্ষার এমন বেহাল দেখে দেশ মায়ের খুব কষ্ট।।
জাতিস্মর আশীষ কুমার বিশ্বাস গল্পের শুরুটা প্রায় ষাট বছর আগের কথা । যার নাম গৌতম, ডাক নাম ছিল বাবু । তার বছর তখন ছয়-সাত হবে । আমরা বা আমি তখন একটু বড় । এক সাথেই চলতো খেলা । গোল্লা ছুট, দাঁড়িয়া বান্দা, চোর-পুলিশ । যে মাঝে মাঝে খেলা থেকে বিরত থাকতো ; সে-ই জাতিস্মর । মাঠের পাশেই ছিল একটা খেঁজুর গাছ । তাতে হাত রেখে দূরের এক গ্রামের দিকে এক মনে তাঁকিয়ে থাকতো "বাবু" । গ্রামটির নাম "বিনয় পল্লী " । মাঝে বড়ো মাঠ । হাঁটা শুরু করলে তিরিশ - চল্লিশ মিনিট লাগবে । মাঝে জলে ভরপুর দেখে কখনো যাওয়া হয়নি । বাবু কে যখন বলতাম, ওপারে কি দেখছিস? ও বলতো, ওখানে আমার ছোট মা থাকে, দিদি থাকে, আমার ভুলু কুকুর থাকে । এ কথা আমাদের বিশ্বাস হতো না । আবার খেলায় ফিরে যেতাম, খেলতাম । কিন্তু ও বসে বসে , ওপারের গাছ পালা , বাড়ি ঘর দেখতো । কাছে গেলে বলতো , ওই যে সবুজ ,কচি কলাপাতা রঙের দালান বাড়ি, ওটাই আমাদের বাড়ি ! এই ভাবে মাস ছয়, বছর গড়াতে লাগলো । মনে প্রশ্ন জাগতে লাগলো, এ টা কি মন গড়া , বা বানিয়ে বানিয়ে বলছে? সত্যি প্রকাশ হোল এক দিন । সে বাড়িতে কিছু ...