বাংলার নদী নালা ও ধীবর সম্প্রদায় বারিদ বরন গুপ্ত বাংলার ধীবর সম্প্রদায় সেই প্রাচীন কাল থেকেই নদীকে বুকে করে বেঁচে রয়েছে, নদী এদের কাছে মায়ের মত! মা যেমন তার সন্তানদের লালন পালন করে নদী ও ঠিক সেভাবেই এদেরকে লালন পালন করে আগলে রেখেছে! বংশ কৌলিন্যের দিক থেকে পিছিয়ে পড়া এই অবহেলিত শ্রেণী দীর্ঘকাল ধরে বাংলার মানুষকে মাছে ভাতে করে রেখেছে, পুষ্টির যোগান দিয়েছে, কিন্তু তার বিনিময়ে পেয়েছে কতখানি? তা অবশ্যই আজ ভাববার বিষয়! জলের উপর নির্ভর করে এদের জীবন ও জীবিকা, সাধারণত জল থেকে জাল দিয়ে এরা মৎস্য সংগ্রহ করে, সেই হিসেবে মনে করা যেতে পারে যে এই জাল থেকে জেলে কথাটি এসেছে। এক সময় এরা খাল বিল নদী নালা ইত্যাদি থেকে মৎস্য সংগ্রহ করত, মূলত খাবারের জন্য। পরবর্তীকালে তারা এই মৎস্য আহরনকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করে! এই জেলে সম্প্রদায় কৈবর্ত, ধীবর ব...
জাতিস্মর আশীষ কুমার বিশ্বাস গল্পের শুরুটা প্রায় ষাট বছর আগের কথা । যার নাম গৌতম, ডাক নাম ছিল বাবু । তার বছর তখন ছয়-সাত হবে । আমরা বা আমি তখন একটু বড় । এক সাথেই চলতো খেলা । গোল্লা ছুট, দাঁড়িয়া বান্দা, চোর-পুলিশ । যে মাঝে মাঝে খেলা থেকে বিরত থাকতো ; সে-ই জাতিস্মর । মাঠের পাশেই ছিল একটা খেঁজুর গাছ । তাতে হাত রেখে দূরের এক গ্রামের দিকে এক মনে তাঁকিয়ে থাকতো "বাবু" । গ্রামটির নাম "বিনয় পল্লী " । মাঝে বড়ো মাঠ । হাঁটা শুরু করলে তিরিশ - চল্লিশ মিনিট লাগবে । মাঝে জলে ভরপুর দেখে কখনো যাওয়া হয়নি । বাবু কে যখন বলতাম, ওপারে কি দেখছিস? ও বলতো, ওখানে আমার ছোট মা থাকে, দিদি থাকে, আমার ভুলু কুকুর থাকে । এ কথা আমাদের বিশ্বাস হতো না । আবার খেলায় ফিরে যেতাম, খেলতাম । কিন্তু ও বসে বসে , ওপারের গাছ পালা , বাড়ি ঘর দেখতো । কাছে গেলে বলতো , ওই যে সবুজ ,কচি কলাপাতা রঙের দালান বাড়ি, ওটাই আমাদের বাড়ি ! এই ভাবে মাস ছয়, বছর গড়াতে লাগলো । মনে প্রশ্ন জাগতে লাগলো, এ টা কি মন গড়া , বা বানিয়ে বানিয়ে বলছে? সত্যি প্রকাশ হোল এক দিন । সে বাড়িতে কিছু ...