লেখক-সূচি ========== প্রবন্ধ/নিবন্ধ/মুক্তগদ্য : অরুণ কুমার সরকার সুদর্শন মণ্ডল আবদুস সালাম বটু কৃষ্ণ হালদার অরুণ চট্টোপাধ্যায় শেফালি সর সর্বাণী বসু গৌর গোপাল সরকার অনুভব অধিকারী মৌমিতা ঘোষাল *** অণুগল্প : সংঘমিত্রা সরকার কবিরাজ অভ্র ঘোষ অরবিন্দ পুরকাইত কাজী মুহাম্মাদ রাকিবুল হাসান *** দুটি কবিতা : সোমের কৌমুদী রবীন বসু তপন কুমার মাজি প্রণবকুমার চক্রবর্তী *** কবিতা / ছড়া : উৎপলকুমার ধারা সুমিত মোদক সবিতা বিশ্বাস সুব্রত দাস তাপসী লাহা শম্ভু সরকার সুবীর মণ্ডল শুভাশিস দাশ মাথুর দাস মিনতি গোস্বামী উত্তমকুমার পুরকাইত হরেকৃষ্ণ দে সোমা মজুমদার মৃত্যুঞ্জয় হালদার রমলা মুখার্জী জয়তোষ ঘোষ সজল কুমার টিকাদার সুমন নস্কর মৃত্যুঞ্জয় দেবনাথ অমরেশ বিশ্বাস চন্দন সুরভি নন্দ অমিয়কুমার সেনগুপ্ত রণবীর বন্দ্যোপাধ্যায় দীনমহাম্মদ সেখ অনির্বাণ মন্ডল পার্থপ্রতিম দত্ত বিকাশ দাস বারিদ বরণ ভট্টাচ...
অনুর অপেক্ষা নাজিরুল ইসলাম গ্রামের নাম জলামাদুল। গ্রাম বললে অবশ্য ভুলই বলা হবে, আসলে সেটি এক অজপাড়া গাঁ। গ্রামের বেশিরভাগ মানুষ চাষবাস করেই জীবন ধারণ করে। শহরের আধুনিক হাওয়া এখানে এখনো এসে পৌঁছায়নি। কাঁচা-পাকা রাস্তা, তাই বর্ষাকালে জল জমে কাদা প্যাচপ্যাচে হয়ে থাকে। গ্রামে গাছপালা, জলাজমি, পুকুর, ধান রাখার মরাই আর খড়ের গাদা—সবই আছে। এই প্রাকৃতিক সুন্দর পরিবেশে মানুষের সংখ্যা খুব কম। সব মিলিয়ে কুড়ি-বাইশটি ঘর হবে, সবাই সবাইকে চেনে। সন্ধ্যার পর গ্রামের বয়স্ক মানুষেরা একজোট হয়ে আড্ডা জমায়, তারপর হুঁকোয় টান দিতে দিতে যে যার বাড়ি চলে যায়। গ্রামের ঠিক মাঝখানে একটা একলা দোকান—চায়ের দোকান। দোকান বলতে বাঁশের খুঁটি, টালির ছাউনি আর সামনে পাতা দুটো কাঠের বেঞ্চ। দোকানটা চালায় অনু। অনুর বয়স ১৯ কিংবা ২০ হবে। শ্যামবর্ণের রোগাটে চেহারা, গোলগাল মুখ। তবে তার সবচেয়ে আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য হলো জোড়া ভুরুর নিচে একজোড়া নীল চোখের মণি, যা তাকে আর পাঁচটা মানুষের থেকে আলাদা করে। অনু অনাথ। কীভাবে সে মানুষ হয়েছে, সে নিজেও তা ভালো করে জানে না। আপনজন বলতে এক দাদি ছ...