অমর একুশের গান সাদেকুল ইসলাম বছর ঘুরে ভাষার মাস ফেব্রুয়ারী এসেই গেছে ভাই একুশ তারিখ প্রভাত ফেরিতে শহীদ মিনারে যাই। শহীদ মিনারে গিয়েই দেখি দিচ্ছে সবাই ফুল খালি পায়ে হাটছে সবাই হচ্ছে না কারোর ভুল। রফিক, শফিক, জব্বার, বরকত আরো নাম নাজানা অনেকে বাংলা ভাষার জন্য তারা বিলিয়ে দিয়েছেন নিজেকে। ভাষা শহীদদের স্মৃতি স্মরণে পালন করছি নিরবতা বিশ্বের ইতিহাসে কোথাও নেই ভাষার জন্য করতে এমনটা। আমরা আজি বাঙালি হয়েও দিচ্ছি না ভাষার মান ২১শে ফেব্রুয়ারী চারিদিকে ভাসে মাতৃভাষার গান। বাংলা আমার মায়ের ভাষা আমি বাংলার সন্তান নিজের জীবন দিয়ে হলেও রাখবো ভাষার মান। ============= সাদেকুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ, নীলফামারী,বাংলাদেশ।
দাদা ঠাকুর ও কাজী নজরুলের দ্বিমুখী সখ্যতা আবদুস সালাম কাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে দাদাঠাকুরের পরিচয় কীভাবে হয়, সেই প্রসঙ্গে আলোকপাত করেন আবদুল আযীয আল-আমান। তাঁর লেখা থেকে জানা যায়, নলিনীকান্ত সরকার মহাশয়ের মাধ্যমে দাদাঠাকুরের সঙ্গে নজরুলের প্রথম পরিচয় হয়। নজরুলের ‘বিদ্রোহী’ কবিতা তখনও প্রকাশিত হয়নি। মোসলেম ভারতে প্রকাশিত কবির কয়েকটি কবিতা নিয়ে বাংলার সাহিত্যিক, কবি, পাঠক, সমালোচক মহলে রীতিমতো উঠেছে আলোড়ন। সেই সময় দাদাঠাকুরের সঙ্গে নজরুলের প্রথম আলাপ। *"দাদাঠাকুর" ওরফে শরৎচন্দ্র পণ্ডিত – ১৯ শতকের শেষ আর ২০ শতকের প্রথম দিকের এক তুখোড় ব্যঙ্গকার, সাংবাদিক এবং নাট্যকার। উনার "জঙ্গম" পত্রিকা তখন কলকাতার সাহিত্য-রাজনীতির আখড়া ।সবাই মুখিয়ে থাকতো কখন আসছে “জঙ্গম”। সারাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আর শ্লেষাত্মক ছড়া। কাজী নজরুল ইসলাম তখন সদ্য সাহিত্য জগতে এসেছেন। এসেই সাহিত্যের আঙিনায় তুলেছেন ঝড়। অসহ্য।কোথাকার এক গেঁয়ো- ভূত এসে তছনছ করে দিচ্ছে সব হিসেব । কিছুতেই কেউ যেন মেলাতে পারছে না অঙ্ক ।বিভিন্ন আলাপ আলোচনা ও সমসাময়িক বহু কলমচীর কথায় উঠে আসে দাদা ঠাকুর ও নজরুল প্রসঙ...