ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্কে দুরত্ব বাড়ছে অলোক আচার্য আমাদের দেশে শিক্ষকের সাথে ছাত্রছাত্রীর সম্পর্ক অনেক আগেই নিম্নমুখী হয়েছে। সমাজ পরিবর্তন না হলে এর থেকে উত্তরণ সম্ভব না। এর পেছনে রয়েছে সামাজিক একাধিক কারণ এবং শিক্ষকদের নিজেদের দায়। আবার যদি বলি এদেশে শিক্ষকদের অপমান করাটা সম্ভবত সবচেয়ে সহজ। এদেশে শিক্ষকদের কেবল বইয়ের পাতায় মা বাবার পরের স্থানটি দেওয়া হয়েছে বাস্তবে ভিন্ন। শিক্ষকরা অভিভাবকের চড় থাপ্পড় খেয়েছেন, শিক্ষার্থীর হাতে মার খেয়েছেন, কমিটির সদস্যদের দ্বারা শারীরিকভাবেও লাঞ্চিত হয়েছেন। এরকম বহু ঘটনা রয়েছে যেখানে শিক্ষকরা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। মানসিক চাপের কথা আর নির্যাতনের ভিতন আনতে চাই না। একজন মানুষ হিসেবে কিছু ভুল শিক্ষকরাও করেছেন এবং করেন। আমি ধরেই নিচ্ছি যার যার সাথে এমনটা করা হয়েছে তারা সকলেই দোষী। তা হলেও কি এই ব্যবহার কোনো ছাত্র বা ছাত্রী তার শিক্ষকের সাথে করতে পারে? প্রশ্ন এই সমাজের কাছে। এই সভ্যতার কাছে। কোথাও আমরা সভ্যতাকে নগ্ন করলাম না তো? যারা পিছন থেকে এটাকে সহায়তা বা সমর্থন করেছেন তারাও কি নিজেদের দায় অস্বীকার করতে পারেন। সত্যি বলতে শিক্ষকদের মধ্যেও রয়েছে দুর্নীতিবাজ ...
দাদা ঠাকুর ও কাজী নজরুলের দ্বিমুখী সখ্যতা আবদুস সালাম কাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে দাদাঠাকুরের পরিচয় কীভাবে হয়, সেই প্রসঙ্গে আলোকপাত করেন আবদুল আযীয আল-আমান। তাঁর লেখা থেকে জানা যায়, নলিনীকান্ত সরকার মহাশয়ের মাধ্যমে দাদাঠাকুরের সঙ্গে নজরুলের প্রথম পরিচয় হয়। নজরুলের ‘বিদ্রোহী’ কবিতা তখনও প্রকাশিত হয়নি। মোসলেম ভারতে প্রকাশিত কবির কয়েকটি কবিতা নিয়ে বাংলার সাহিত্যিক, কবি, পাঠক, সমালোচক মহলে রীতিমতো উঠেছে আলোড়ন। সেই সময় দাদাঠাকুরের সঙ্গে নজরুলের প্রথম আলাপ। *"দাদাঠাকুর" ওরফে শরৎচন্দ্র পণ্ডিত – ১৯ শতকের শেষ আর ২০ শতকের প্রথম দিকের এক তুখোড় ব্যঙ্গকার, সাংবাদিক এবং নাট্যকার। উনার "জঙ্গম" পত্রিকা তখন কলকাতার সাহিত্য-রাজনীতির আখড়া ।সবাই মুখিয়ে থাকতো কখন আসছে “জঙ্গম”। সারাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আর শ্লেষাত্মক ছড়া। কাজী নজরুল ইসলাম তখন সদ্য সাহিত্য জগতে এসেছেন। এসেই সাহিত্যের আঙিনায় তুলেছেন ঝড়। অসহ্য।কোথাকার এক গেঁয়ো- ভূত এসে তছনছ করে দিচ্ছে সব হিসেব । কিছুতেই কেউ যেন মেলাতে পারছে না অঙ্ক ।বিভিন্ন আলাপ আলোচনা ও সমসাময়িক বহু কলমচীর কথায় উঠে আসে দাদা ঠাকুর ও নজরুল প্রসঙ...