ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্কে দুরত্ব বাড়ছে অলোক আচার্য আমাদের দেশে শিক্ষকের সাথে ছাত্রছাত্রীর সম্পর্ক অনেক আগেই নিম্নমুখী হয়েছে। সমাজ পরিবর্তন না হলে এর থেকে উত্তরণ সম্ভব না। এর পেছনে রয়েছে সামাজিক একাধিক কারণ এবং শিক্ষকদের নিজেদের দায়। আবার যদি বলি এদেশে শিক্ষকদের অপমান করাটা সম্ভবত সবচেয়ে সহজ। এদেশে শিক্ষকদের কেবল বইয়ের পাতায় মা বাবার পরের স্থানটি দেওয়া হয়েছে বাস্তবে ভিন্ন। শিক্ষকরা অভিভাবকের চড় থাপ্পড় খেয়েছেন, শিক্ষার্থীর হাতে মার খেয়েছেন, কমিটির সদস্যদের দ্বারা শারীরিকভাবেও লাঞ্চিত হয়েছেন। এরকম বহু ঘটনা রয়েছে যেখানে শিক্ষকরা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। মানসিক চাপের কথা আর নির্যাতনের ভিতন আনতে চাই না। একজন মানুষ হিসেবে কিছু ভুল শিক্ষকরাও করেছেন এবং করেন। আমি ধরেই নিচ্ছি যার যার সাথে এমনটা করা হয়েছে তারা সকলেই দোষী। তা হলেও কি এই ব্যবহার কোনো ছাত্র বা ছাত্রী তার শিক্ষকের সাথে করতে পারে? প্রশ্ন এই সমাজের কাছে। এই সভ্যতার কাছে। কোথাও আমরা সভ্যতাকে নগ্ন করলাম না তো? যারা পিছন থেকে এটাকে সহায়তা বা সমর্থন করেছেন তারাও কি নিজেদের দায় অস্বীকার করতে পারেন। সত্যি বলতে শিক্ষকদের মধ্যেও রয়েছে দুর্নীতিবাজ ...
মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র প্রকাশিত হল। যত লেখা রাখা গেল, তার দ্বিগুণ রাখা গেল না। বাদ যাওয়া সব লেখার 'মান' খারাপ এমন নয়। কয়েকটি প্রবন্ধ এবং বেশ কিছু (১৫-১৭টা) ভালোলাগা গল্প শেষ পর্যন্ত রাখা যায়নি। আমাদের সামর্থ্যের কারণে। তবুও শেষ পর্যন্ত দশ ফর্মার পত্রিকা হয়েছে। গত দুবছরের মতো A4 সাইজের পত্রিকা। যাঁদের লেখা রাখা গেল না, তাঁরা লেখাগুলি অন্য জায়গায় পাঠাতে পারেন। অথবা, সম্মতি দিলে আমরা লেখাগুলি আমাদের অনলাইন নবপ্রভাতের জানুয়ারি ২০২৬ সংখ্যায় প্রকাশ করতে পারি। পত্রিকাটি আগামী ৯-১৩ জানুয়ারি ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি আয়োজিত কলকাতা লিটল ম্যাগাজিন মেলায় (রবীন্দ্র সদন - নন্দন চত্বরে) পাওয়া যাবে। সকলকে ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা।