আঞ্চলিক ভাষায় দোলের গান সবিতা বিশ্বাস ফাগুন দিনে দোল এইসেছ্যে রং মাখাব্য তুক্যে আয় না কাছ্যে ও রাধিক্যে রং মাখাব্য মুখ্যে তুক্যে রং মাখাব্য মুখ্যে খোঁপায় জড়ায় কৃষ্ণচূড়হা গলহায় পলাশ মালহা হামি তুর কৃষ্ণ হব্য ডাকব্যি মুক্যে কানহা রাধে ডাকব্যি মুক্যে কানহা ধিকচা গিদাং বাইজব্যে মাদল ঘিগজা গিজাং ঘিনা কুঞ্জ সাজাই পিয়াল বনহে ধাতিং নাতিং তিনা ওহ ধাতিং নাতিং তিনা প্রাণ সজনী তুই হামার লাচব্যি হামাক ঘিরে আড়চোখে দেইখব্যে শিমুল দেইখব্যে ফিরে ফিরে তুকে দেইখব্যে ফিরে ফিরে রাঙায় দিব্য তুর বসন লালচা ফুলের ফাগে কানহে কানহে বুলব্য কথা প্রাণহের অনুরাগে ভালোবাসার অনুরাগে আইজক্যে তুকে ছাইড়ব্য না রে রাঙায় দিব্য ফাগে হামি রাঙায় দিব্য ফাগে | ----------------------------- Sabita Ray Biswas Flat - 3k Block - 4, ...
অনুর অপেক্ষা নাজিরুল ইসলাম গ্রামের নাম জলামাদুল। গ্রাম বললে অবশ্য ভুলই বলা হবে, আসলে সেটি এক অজপাড়া গাঁ। গ্রামের বেশিরভাগ মানুষ চাষবাস করেই জীবন ধারণ করে। শহরের আধুনিক হাওয়া এখানে এখনো এসে পৌঁছায়নি। কাঁচা-পাকা রাস্তা, তাই বর্ষাকালে জল জমে কাদা প্যাচপ্যাচে হয়ে থাকে। গ্রামে গাছপালা, জলাজমি, পুকুর, ধান রাখার মরাই আর খড়ের গাদা—সবই আছে। এই প্রাকৃতিক সুন্দর পরিবেশে মানুষের সংখ্যা খুব কম। সব মিলিয়ে কুড়ি-বাইশটি ঘর হবে, সবাই সবাইকে চেনে। সন্ধ্যার পর গ্রামের বয়স্ক মানুষেরা একজোট হয়ে আড্ডা জমায়, তারপর হুঁকোয় টান দিতে দিতে যে যার বাড়ি চলে যায়। গ্রামের ঠিক মাঝখানে একটা একলা দোকান—চায়ের দোকান। দোকান বলতে বাঁশের খুঁটি, টালির ছাউনি আর সামনে পাতা দুটো কাঠের বেঞ্চ। দোকানটা চালায় অনু। অনুর বয়স ১৯ কিংবা ২০ হবে। শ্যামবর্ণের রোগাটে চেহারা, গোলগাল মুখ। তবে তার সবচেয়ে আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য হলো জোড়া ভুরুর নিচে একজোড়া নীল চোখের মণি, যা তাকে আর পাঁচটা মানুষের থেকে আলাদা করে। অনু অনাথ। কীভাবে সে মানুষ হয়েছে, সে নিজেও তা ভালো করে জানে না। আপনজন বলতে এক দাদি ছ...