সম্পাদকীয় সবাইকে উৎসবমুখর প্রীতি, শুভেচ্ছা ও শ্রদ্ধা। মুদ্রিত নবপ্রভাতের গৌরবময় পঁচিশ বছর উদযাপন অনুষ্ঠান, স্মারক যৌথ কাব্যগ্রন্থ প্রকাশ এবং দুর্গোৎসব এর কারণে এই সংখ্যাটি প্রকাশে কয়েকদিন বিলম্ব হল। আগামী মাস থেকে যথারীতি বাংলা ১লা তারিখে প্রকাশ পাবে এই ব্লগ। আপনারা নবপ্রভাতের সঙ্গে থাকুন। আমরা আছি। আবারও সবাইকে শুভকামনা জানিয়ে শেষ করছি। উৎসবের আলোয় সবাই বর্ণময় থাকুন, খুশীতে থাকুন, ভালো থাকুন। নিরাশাহরণ নস্কর ৫ই কার্তিক ১৪২৫ সূচিপত্র প্রবন্ধ/মুক্তগদ্যঃ রণেশ রায় প্রণব কুমার চক্রবর্তী সবর্না চট্টোপাধ্যায় আশিস চৌধুরী অমৃতা বিশ্বাস সরকার রানা চ্যাটার্জি দেব শঙ্কর দাস গল্পগুচ্ছঃ পারিজাত ব্যানার্জী শ্রীপর্ণা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বরূপা রায় ...
নীলিমার আত্মজাগরণ পরেশ চন্দ্র মাহাত নীলিমা মাহাত, বয়স পঁচিশ প্লাস —তার বাবা মায়ের পঞ্চম তথা শেষ সন্তান। দুই দাদা —বড়দাদা শঙ্কর ও ছোটদাদা বিজয়। বড় দাদা শঙ্কর আর দুই দিদি তাদের কিন্তু বিয়ে হয়ে গেছে। একমাত্র নীলিমা আপাতত স্বামীর কোমল হাতের স্পর্শ ও সহানুভূতি থেকে বঞ্চিত এবং আদৌ কবে অথবা সেই সৌভাগ্য আসবে সেটা ঈশ্বরের নিকটই একমাত্র জ্ঞাত। সেই সঙ্গে দুবছরের সিনিয়র ছোটদাদা বিজয়েরও নীলিমার মতো অবস্থা। তারও জীবনসঙ্গিনী জুটেনি। মোট সাতজন সদস্য নিয়ে গঠিত সংসার নীলিমাদের পরিবার। মধ্যবিত্ত পরিবার —মধ্যবিত্ত পরিবার না বলে যদি নিম্নবিত্ত বলা হয় তবুও কোনো অত্যুক্তি করা হয় না। বাবার প্রত্যেকদিনের আয়ের উপর ভিত্তি করেই চলে সংসার। এই কঠোর এবং কঠিন পরিস্থিতিতেও নীলিমার মা শ্রীমতী মেনকা‚ সংসার সামলে তার ছেলেমেয়েদের পড়াশুনার প্রতি যথেষ্ট তৎপর ও সহানুভূতিশীল। তাদের পড়াশুনায় কোনো খামতি রাখেননি। যথা সময়ে তাদেরকে বিদ্যালয়ের মুখ দেখিয়েছে – টিউশনের বন্দোবস্ত করেছে। তাদের জীবন যাতে সুখকর হয় সেটাই প্রতিদিন ভগবানের কাছে প্রার্থনা করেছে। পাঁচ-পাঁচটি ছেলেমেয়ের মধ্যে সবাইকে উচ্চশিক্ষিত করে তোলা একপ...