সম্পাদকীয় অতিমারী, মূল্যবৃদ্ধি, দুর্নীতি, ধর্ষণ আর কিছু লাশ পেরিয়ে আরো একটা নতুন বৈশাখ এলো। কী চাইব আমরা এই নতুন বছরের কাছে? দুর্বৃত্তশাসিত রাজনীতি থেকে মুক্তি? ধর্মের নামে অধার্মিক-লাঞ্ছিত ভাতৃঘাত থেকে মুক্তি? অসহিষ্ণুতা থেকে মুক্তি? আসলে আমরা পাতিপাবলিক শুধু সুখেশান্তিতে জীবন কাটানোর স্বপ্ন দেখি। কিন্তু যে ব্যবস্থার মধ্যে আমাদের বাস, সেই ব্যবস্তাটাই যদি দূষিত হয়ে ওঠে তাহলে নিরাপদ যাপন ব্যাহত হবে বৈকি! তাই নতুন বছর বিশল্যকরণীর সন্ধান দিক -- এই আশায় সকলকে শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা জানিয়ে শেষ করছি। ~ নিরাশাহরণ নস্কর। সম্পাদক: নবপ্রভাত। পুনঃ -- এই সংখ্যায় শুধুমাত্র নববর্ষ বিষয়ক লেখাগুলি রাখা হয়েছে। অন্য ভাবনার মনোনীত লেখাগুলি আগামী সংখ্যায় প্রকাশিত হবে। সূচিপত্র প্রবন্ধ ।। আবেগের নববর্ষ -- ঐতিহ্যের পয়লা বৈশাখ ।। মৃণাল কান্তি দেব স্মৃতিকথা ।। পয়লা বৈশাখ আর কালবৈশাখী ।। সোমা চক্রবর্তী মুক্তগদ্য ।। "নব আনন্দে জাগো আজি…" ।। শ্রীজিৎ জানা নিবন্ধ ।। পয়লা বোশেখ ।। শিবপ্রসাদ পুরকায়স্থ নিবন্ধ ।। নববর্ষের আবির্ভাব ।। রমলা মুখার্জী মুক্তগদ্য ।। নববর্ষের কুচুটে ভাবনা ।। মুক্তিপ্রকাশ...
জাতিস্মর আশীষ কুমার বিশ্বাস গল্পের শুরুটা প্রায় ষাট বছর আগের কথা । যার নাম গৌতম, ডাক নাম ছিল বাবু । তার বছর তখন ছয়-সাত হবে । আমরা বা আমি তখন একটু বড় । এক সাথেই চলতো খেলা । গোল্লা ছুট, দাঁড়িয়া বান্দা, চোর-পুলিশ । যে মাঝে মাঝে খেলা থেকে বিরত থাকতো ; সে-ই জাতিস্মর । মাঠের পাশেই ছিল একটা খেঁজুর গাছ । তাতে হাত রেখে দূরের এক গ্রামের দিকে এক মনে তাঁকিয়ে থাকতো "বাবু" । গ্রামটির নাম "বিনয় পল্লী " । মাঝে বড়ো মাঠ । হাঁটা শুরু করলে তিরিশ - চল্লিশ মিনিট লাগবে । মাঝে জলে ভরপুর দেখে কখনো যাওয়া হয়নি । বাবু কে যখন বলতাম, ওপারে কি দেখছিস? ও বলতো, ওখানে আমার ছোট মা থাকে, দিদি থাকে, আমার ভুলু কুকুর থাকে । এ কথা আমাদের বিশ্বাস হতো না । আবার খেলায় ফিরে যেতাম, খেলতাম । কিন্তু ও বসে বসে , ওপারের গাছ পালা , বাড়ি ঘর দেখতো । কাছে গেলে বলতো , ওই যে সবুজ ,কচি কলাপাতা রঙের দালান বাড়ি, ওটাই আমাদের বাড়ি ! এই ভাবে মাস ছয়, বছর গড়াতে লাগলো । মনে প্রশ্ন জাগতে লাগলো, এ টা কি মন গড়া , বা বানিয়ে বানিয়ে বলছে? সত্যি প্রকাশ হোল এক দিন । সে বাড়িতে কিছু ...