সূ চি প ত্র প্রবন্ধ ।। বর্ষা কাব্য এবং রবীন্দ্রনাথ ওঅন্যান্য ।। সৌম্য ঘোষ নিবন্ধ ।। শব্দ-দানবের মোকাবিলা ।। পার্থ পাল দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার মগরাহাট ও তদসংলগ্ন এলাকার কিছু কথ্যশব্দ , উচ্চারণ , বাগ্ধারা ইত্যাদি (পর্ব — চার) ।। অরবিন্দ পুরকাইত প্রবন্ধ।। "আসলে রাগ বলে কিছু নেই " ।। পুষ্পেন্দু রাউৎ অণুগল্প । । উন্নয়ন ।। চন্দন মিত্র কবিতা ।। বিষবাস্প ।। শোভনলাল ব্যানার্জী কবিতা ।। কুহুধ্বনি ।। অমল কুমার ব্যানার্জী ছড়া।। রঞ্জন কুমার মণ্ডল কবিতা ।। স্মৃতির ভেলায় রথের মেলা ।।জয়শ্রী সরকার কবিতা ।। আমার এ দেশ ।। দীনেশ সরকার ছড়া ।। ভার ।। তূয়া নূর ছড়া ।। ধরায় আন সুখ ।। সুনন্দ মন্ডল ছড়া ।। ভোট এলে ।। আনন্দ বক্সী কবিতা ।। নতুন সকাল ।। তীর্থঙ্কর সুমিত গ্রন্থ-আলোচনা ।। কবি সাথি রায়-এর কাব্য ' ইচ্ছেরা ছুঁয়ে যায় ' ।। আলোচক: বিপ্লব গঙ্গোপাধ্যায় সোনার ছেলে ।। বাসুদেব সরকার কবিতা ।। কথা ।। তীর্থঙ্কর সুমিত স্মৃতিকথা ।। আমার বন্ধু কবি শ্যামলকান্তিদাশ ।। শংকর ব্রহ্ম কবিতা ।। মেঘ বিলাসে ।। বন্দনা পাত্র ঝরা পাতা ।। নি...
অনুর অপেক্ষা নাজিরুল ইসলাম গ্রামের নাম জলামাদুল। গ্রাম বললে অবশ্য ভুলই বলা হবে, আসলে সেটি এক অজপাড়া গাঁ। গ্রামের বেশিরভাগ মানুষ চাষবাস করেই জীবন ধারণ করে। শহরের আধুনিক হাওয়া এখানে এখনো এসে পৌঁছায়নি। কাঁচা-পাকা রাস্তা, তাই বর্ষাকালে জল জমে কাদা প্যাচপ্যাচে হয়ে থাকে। গ্রামে গাছপালা, জলাজমি, পুকুর, ধান রাখার মরাই আর খড়ের গাদা—সবই আছে। এই প্রাকৃতিক সুন্দর পরিবেশে মানুষের সংখ্যা খুব কম। সব মিলিয়ে কুড়ি-বাইশটি ঘর হবে, সবাই সবাইকে চেনে। সন্ধ্যার পর গ্রামের বয়স্ক মানুষেরা একজোট হয়ে আড্ডা জমায়, তারপর হুঁকোয় টান দিতে দিতে যে যার বাড়ি চলে যায়। গ্রামের ঠিক মাঝখানে একটা একলা দোকান—চায়ের দোকান। দোকান বলতে বাঁশের খুঁটি, টালির ছাউনি আর সামনে পাতা দুটো কাঠের বেঞ্চ। দোকানটা চালায় অনু। অনুর বয়স ১৯ কিংবা ২০ হবে। শ্যামবর্ণের রোগাটে চেহারা, গোলগাল মুখ। তবে তার সবচেয়ে আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য হলো জোড়া ভুরুর নিচে একজোড়া নীল চোখের মণি, যা তাকে আর পাঁচটা মানুষের থেকে আলাদা করে। অনু অনাথ। কীভাবে সে মানুষ হয়েছে, সে নিজেও তা ভালো করে জানে না। আপনজন বলতে এক দাদি ছ...