ব্লগ নবপ্রভাত ১৬শ সংখ্যা আষাঢ় ১৪২৬ , জুন ২০১৯ -: সূচিপত্র :- প্রবন্ধ-নিবন্ধ : সঞ্জয় কুমার মল্লিক রমলা মুখার্জী অনিরুদ্ধ সুব্রত রাণা চ্যাটার্জী তন্ময় সিংহ রায় মুক্তগদ্য : শিবনাথ দত্ত নিসর্গ নির্যাস মাহাতো সুমিত্রা পাল আবদুস সালাম পিয়ালী মজুমদার সুমিত মোদক নন্দিনী লাহা সোম রবীন বসু সৌরভ দত্ত বরুণ দুবে শেফালী সর সম্পা পাল গল্প/অণুগল্প : আকাশ নীল মাইতি তুলি মণ্ডল শ্যামাপদ মালাকার ফরহাদ হোসেন রণেশ রায় অরুণ চট্টোপাধ্যায় সান্ত্বনা চ্যাটার্জী রম্যরচনা : তপন তরফদার কবিতাগুচ্ছ : বনশ্রী রায় দাস সুপ্রীতি বর্মন রঞ্জন ভট্টাচার্য দেবব্রত দাস তাপসকিরণ রায় দুটি কবিতা: সৌগত রাণা কবিয়াল আবির্ভাব ভট্টাচার্য সবর্না চট্টোপাধ্যায় কবিতা/ছড়া ...
অনুর অপেক্ষা নাজিরুল ইসলাম গ্রামের নাম জলামাদুল। গ্রাম বললে অবশ্য ভুলই বলা হবে, আসলে সেটি এক অজপাড়া গাঁ। গ্রামের বেশিরভাগ মানুষ চাষবাস করেই জীবন ধারণ করে। শহরের আধুনিক হাওয়া এখানে এখনো এসে পৌঁছায়নি। কাঁচা-পাকা রাস্তা, তাই বর্ষাকালে জল জমে কাদা প্যাচপ্যাচে হয়ে থাকে। গ্রামে গাছপালা, জলাজমি, পুকুর, ধান রাখার মরাই আর খড়ের গাদা—সবই আছে। এই প্রাকৃতিক সুন্দর পরিবেশে মানুষের সংখ্যা খুব কম। সব মিলিয়ে কুড়ি-বাইশটি ঘর হবে, সবাই সবাইকে চেনে। সন্ধ্যার পর গ্রামের বয়স্ক মানুষেরা একজোট হয়ে আড্ডা জমায়, তারপর হুঁকোয় টান দিতে দিতে যে যার বাড়ি চলে যায়। গ্রামের ঠিক মাঝখানে একটা একলা দোকান—চায়ের দোকান। দোকান বলতে বাঁশের খুঁটি, টালির ছাউনি আর সামনে পাতা দুটো কাঠের বেঞ্চ। দোকানটা চালায় অনু। অনুর বয়স ১৯ কিংবা ২০ হবে। শ্যামবর্ণের রোগাটে চেহারা, গোলগাল মুখ। তবে তার সবচেয়ে আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য হলো জোড়া ভুরুর নিচে একজোড়া নীল চোখের মণি, যা তাকে আর পাঁচটা মানুষের থেকে আলাদা করে। অনু অনাথ। কীভাবে সে মানুষ হয়েছে, সে নিজেও তা ভালো করে জানে না। আপনজন বলতে এক দাদি ছ...