সূচিপত্র পুনঃপাঠ ।। যে-দেশে বহু ধর্ম বহু ভাষা ।। অন্নদাশঙ্কর রায় কবিতা ।। অ আ ক খ- র বিজয় গান ।। আবদুস সালাম কবিতা ।। ওরা একুশের লাল নিশান ।। শেখ আব্বাস উদ্দিন কবিতা ।। বাংলা ভাষা ।। অনন্য বন্দ্যোপাধ্যায় কবিতা ।। মাতৃভাষার কান্না ।। গোবিন্দ মোদক ছড়া ।। বাংলা ভাষায় বাঁচি ।। সুব্রত দাস কবিতা ।। ভাষাশহীদ ।। হামিদুল ইসলাম কবিতা ।। মাতৃভাষা ।। তপন মাইতি কবিতা ।। মাতৃভাষায় ।। বিবেকানন্দ নস্কর ভাষা দিবসের ছড়া ।। রঞ্জন কুমার মণ্ডল কবিতা ।। অমর একুশে ।। অশোক দাশ পুরুলিয়া : টিলা আর পাহাড় জঙ্গলে ঘেরা লালমাটির রূপকথা ।। কুহেলী বন্দ্যোপাধ্যায় গল্প ।। গাম্ভীর্যের আড়ালে ।। সমর আচার্য্য মার্গারেট স্যাঙ্গার এবং জন্মনিয়ন্ত্রণ সম্পর্কে কিছু কথা ।। অনিন্দ্য পাল কবিতা ।। বাংলা আমার শক্তি ।। ইমরান খান রাজ ছড়া ।। নাড়ীর টানে বাঁধা ।। কার্ত্তিক মণ্ডল 'নবপ্রভাত' বইমেলা ২০২৩ সংখ্যা পাঠে দু-একটি কথা ।। অরবিন্দ পুরকাইত কবিতা ।। তেইশে জানুয়ারি ।। সোমনাথ মুখার্জী কবিতা ।। যূপকাষ্ঠে বেকার ।। সুব্রত কুণ্ডু কবিতা ।। অজগর পিপাসায় ভালোবাসার গান ।। দেবাশীষ মুখোপাধ্যায়.. জামশেদপুর : পরবাসী টুসুর দেশে ।। ...
জাতিস্মর আশীষ কুমার বিশ্বাস গল্পের শুরুটা প্রায় ষাট বছর আগের কথা । যার নাম গৌতম, ডাক নাম ছিল বাবু । তার বছর তখন ছয়-সাত হবে । আমরা বা আমি তখন একটু বড় । এক সাথেই চলতো খেলা । গোল্লা ছুট, দাঁড়িয়া বান্দা, চোর-পুলিশ । যে মাঝে মাঝে খেলা থেকে বিরত থাকতো ; সে-ই জাতিস্মর । মাঠের পাশেই ছিল একটা খেঁজুর গাছ । তাতে হাত রেখে দূরের এক গ্রামের দিকে এক মনে তাঁকিয়ে থাকতো "বাবু" । গ্রামটির নাম "বিনয় পল্লী " । মাঝে বড়ো মাঠ । হাঁটা শুরু করলে তিরিশ - চল্লিশ মিনিট লাগবে । মাঝে জলে ভরপুর দেখে কখনো যাওয়া হয়নি । বাবু কে যখন বলতাম, ওপারে কি দেখছিস? ও বলতো, ওখানে আমার ছোট মা থাকে, দিদি থাকে, আমার ভুলু কুকুর থাকে । এ কথা আমাদের বিশ্বাস হতো না । আবার খেলায় ফিরে যেতাম, খেলতাম । কিন্তু ও বসে বসে , ওপারের গাছ পালা , বাড়ি ঘর দেখতো । কাছে গেলে বলতো , ওই যে সবুজ ,কচি কলাপাতা রঙের দালান বাড়ি, ওটাই আমাদের বাড়ি ! এই ভাবে মাস ছয়, বছর গড়াতে লাগলো । মনে প্রশ্ন জাগতে লাগলো, এ টা কি মন গড়া , বা বানিয়ে বানিয়ে বলছে? সত্যি প্রকাশ হোল এক দিন । সে বাড়িতে কিছু ...