।। সূচিপত্র ।। এক নারীর কলমে পৃথিবীর প্রাচীনতম উপন্যাস ।। অনিন্দ্য পাল স্বদেশী আন্দোলনের বাঙালি কিছু জ্যোতির্ময়ী ।। প্রণব কুমার চক্রবর্তী নারীবাদ ও নারীবাদী -- ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ ।। সবিতা বিশ্বাস নারীবাদ ও আজকের নারী -- একটি মূল্যায়ন ।। সৌমিক ঘোষ পুরাণে-ইতিহাসে নারী ।। শেফালি সর নারীর সূচিতা ভাবনা ও আমরা ।। আব্দুস সালাম রবীন্দ্রনাথের নারীভাবনা ।। রমলা মুখার্জী আমার চোখে নারী ।। দেবব্রত ঘোষ মলয় নাটিকা ।। উদিপুরের ছোটোরানী ।। নৃপেন্দ্রনাথ মহন্ত ছড়া ।। শুভাশিস দাশ কবিতা ।। সুমিত মোদক কবিতা ।। সাত্যকি কবিতা ।। মোয়াল্লেম নাইয়া কবিতা ।। সুমনা ভট্টাচার্য্য ছড়া ।। খগপতি বন্দ্যোপাধ্যায় কবিতা ।। অভিষেক ঘোষ কবিতা ।। সম্পা পাল ছড়া ।। রিয়াদ হায়দার কবিতা।। দীপঙ্কর বেরা কবিতা ।। মোনালিসা নায়েক ছোটগল্প ।। সঞ্জীব সেন কবিতা ।। দেবব্রত মণ্ডল কবিতা ।। শিউলি মন্ডল কবিতা ।। মহাজিস মণ্ডল কবিতা ।। অমিতাভ সরকার কবিতা ।। অরবিন্দ পুরকাইত কবিতা ।। পলাশ পোড়েল কবিতা ।। পার্থ সারথি চক্রবর্তী কবিতা ।। সাইফুল ইসলাম কবিতা ।। সোমা মজুমদার কবিতা ।। সুকান্ত সেনগুপ্ত কবিতা ।। অঞ্জনা দ...
জাতিস্মর আশীষ কুমার বিশ্বাস গল্পের শুরুটা প্রায় ষাট বছর আগের কথা । যার নাম গৌতম, ডাক নাম ছিল বাবু । তার বছর তখন ছয়-সাত হবে । আমরা বা আমি তখন একটু বড় । এক সাথেই চলতো খেলা । গোল্লা ছুট, দাঁড়িয়া বান্দা, চোর-পুলিশ । যে মাঝে মাঝে খেলা থেকে বিরত থাকতো ; সে-ই জাতিস্মর । মাঠের পাশেই ছিল একটা খেঁজুর গাছ । তাতে হাত রেখে দূরের এক গ্রামের দিকে এক মনে তাঁকিয়ে থাকতো "বাবু" । গ্রামটির নাম "বিনয় পল্লী " । মাঝে বড়ো মাঠ । হাঁটা শুরু করলে তিরিশ - চল্লিশ মিনিট লাগবে । মাঝে জলে ভরপুর দেখে কখনো যাওয়া হয়নি । বাবু কে যখন বলতাম, ওপারে কি দেখছিস? ও বলতো, ওখানে আমার ছোট মা থাকে, দিদি থাকে, আমার ভুলু কুকুর থাকে । এ কথা আমাদের বিশ্বাস হতো না । আবার খেলায় ফিরে যেতাম, খেলতাম । কিন্তু ও বসে বসে , ওপারের গাছ পালা , বাড়ি ঘর দেখতো । কাছে গেলে বলতো , ওই যে সবুজ ,কচি কলাপাতা রঙের দালান বাড়ি, ওটাই আমাদের বাড়ি ! এই ভাবে মাস ছয়, বছর গড়াতে লাগলো । মনে প্রশ্ন জাগতে লাগলো, এ টা কি মন গড়া , বা বানিয়ে বানিয়ে বলছে? সত্যি প্রকাশ হোল এক দিন । সে বাড়িতে কিছু ...