সূচিপত্র নিবন্ধ ।। কবিতার অমরত্ব ।। আবদুস সালাম নিবন্ধ ।। নিগ্রো কবিতা ।। শংকর ব্রহ্ম কবিতা ।। গোলঘর ।। জীবনকুমার সরকার গল্প ।। জলছবির রঙ ।। সোমা চক্রবর্তী কবিতা ।। অশ্বখুরাকৃত হ্রদ ।। সুমিত মোদক কবিতা ।। কথামুখ ও বনসাই ।। পলাশ দাস গল্প ।। পাপের ভার ।। চন্দন মিত্র ছড়া ।। মা ।। দীনেশ সরকার কবিতা।। কিষাণের জীবনের রূপকথা-রঙ ।। গোবিন্দ মোদক কবিতা ।। কখনো শান্তিনিকেতনে ।। সুবীর ঘোষ কবিতা ।। নিঃশর্ত তুমি ।। পিঙ্কি ঘোষ কবিতা ।। নৈঃশব্দে ।। অর্যমা ভট্টাচার্য কবিতা ।। অন্য চাওয়া ।। অরবিন্দ পুরকাইত ভ্রমণকাহিনি ।। বিশাখাপত্তনম ও আরাকুভ্যালি ।। স্তুতি সরকার অণুগল্প ।। দানা ।। বেনিয়া গল্প ।। সামান্য মেয়ে ।। রণেশ রায় কবিতা ।। হেমন্তকাল ।। মাথুর দাস কবিতা ।। আপদ ।। মনোরঞ্জন মিদ্দে কবিতা ।। সম্প্রীতি || জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায় কবিতা ।। শীত সকালে ।। আনন্দ বক্সী অমুসলিমদের প্রতি উদারতা বিশ্বনবীর অনন্য দৃষ্টান্ত ।। মোহাম্মদ ইমাদ উদ্দীন গল্প ।। দাগ ।। কবিরুল রম্যগল্প ।। বৌ-শাসিত দল ।। সৌমেন দেবনাথ অণুগল্প ।। আশিস ভট্টাচার্য্য কবিতা ।। শব্দেরা কাঁদে ।। তারক মজুমদার কবিতা ।। আরো একটা নারীদিব...
অনুর অপেক্ষা নাজিরুল ইসলাম গ্রামের নাম জলামাদুল। গ্রাম বললে অবশ্য ভুলই বলা হবে, আসলে সেটি এক অজপাড়া গাঁ। গ্রামের বেশিরভাগ মানুষ চাষবাস করেই জীবন ধারণ করে। শহরের আধুনিক হাওয়া এখানে এখনো এসে পৌঁছায়নি। কাঁচা-পাকা রাস্তা, তাই বর্ষাকালে জল জমে কাদা প্যাচপ্যাচে হয়ে থাকে। গ্রামে গাছপালা, জলাজমি, পুকুর, ধান রাখার মরাই আর খড়ের গাদা—সবই আছে। এই প্রাকৃতিক সুন্দর পরিবেশে মানুষের সংখ্যা খুব কম। সব মিলিয়ে কুড়ি-বাইশটি ঘর হবে, সবাই সবাইকে চেনে। সন্ধ্যার পর গ্রামের বয়স্ক মানুষেরা একজোট হয়ে আড্ডা জমায়, তারপর হুঁকোয় টান দিতে দিতে যে যার বাড়ি চলে যায়। গ্রামের ঠিক মাঝখানে একটা একলা দোকান—চায়ের দোকান। দোকান বলতে বাঁশের খুঁটি, টালির ছাউনি আর সামনে পাতা দুটো কাঠের বেঞ্চ। দোকানটা চালায় অনু। অনুর বয়স ১৯ কিংবা ২০ হবে। শ্যামবর্ণের রোগাটে চেহারা, গোলগাল মুখ। তবে তার সবচেয়ে আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য হলো জোড়া ভুরুর নিচে একজোড়া নীল চোখের মণি, যা তাকে আর পাঁচটা মানুষের থেকে আলাদা করে। অনু অনাথ। কীভাবে সে মানুষ হয়েছে, সে নিজেও তা ভালো করে জানে না। আপনজন বলতে এক দাদি ছ...