বহুরুপী অর্থাৎ বহুরূপ যার। । ঈশ্বর তো সর্বশ্রেষ্ঠ বহুরূপী । তাঁকে আমরা সাধনার মাধ্যমে শক্তির আধার হিসাবে বহুরূপে পাই ।আবার মানুষের কত রূপ! ভালোমানুষের মুখোশের আড়ালে এক জঘণ্য চরিত্র । কিংবা কারো বাহ্যিক সৌন্দর্য এর আড়ালে কুৎসিত মন । সমাজের বিভিন্ন দিকে বিভিন্ন বিষয়ে আমরা তাদের গিরগিটি রূপে দেখা পাই । সময় ঠিক বুঝিয়ে দেয় তাদের বহুরূপতা । তারা বহুরূপী । তবে এখানে সমাজের এক শ্রেণির অবহেলিত ও প্রান্তিক শিল্পীদের ও একইসঙ্গে একটি সুপ্রাচীন শিল্পের পতনোন্মুখ অবস্থা এবং তাকে রক্ষার প্রয়োজনীয়তার সম্পর্কে কিছু কথা আলোচনা করবো। আমরা যারা জেলার মানুষ গ্রামে মফস্বলে বড়ো হয়েছি তারা অবশ্যই বহুরূপী শব্দ বা এই কালচারের দের সাথে পরিচিত আছি । বৃহস্পতি বার বাদ দিয়ে ( গ্রামের গৃহস্থ বাড়িতে সাধারনত বৃহস্পতি অর্থাৎ লক্ষ্মী বারে লক্ষ্মী পুজো হওয়াতে তারা ঐ দিন টাকা পয়সা দিতে চায়তো না ) গ্রামে নিয়মিত বহুরূপী আসতো নানা সং এ নানা ঢং এ। ছোটবেলায় বহুরপী দের দেখে ভয় পায় নি এমন মানুষ কম আছেন ।কখোনো দেব দ...
দাদা ঠাকুর ও কাজী নজরুলের দ্বিমুখী সখ্যতা আবদুস সালাম কাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে দাদাঠাকুরের পরিচয় কীভাবে হয়, সেই প্রসঙ্গে আলোকপাত করেন আবদুল আযীয আল-আমান। তাঁর লেখা থেকে জানা যায়, নলিনীকান্ত সরকার মহাশয়ের মাধ্যমে দাদাঠাকুরের সঙ্গে নজরুলের প্রথম পরিচয় হয়। নজরুলের ‘বিদ্রোহী’ কবিতা তখনও প্রকাশিত হয়নি। মোসলেম ভারতে প্রকাশিত কবির কয়েকটি কবিতা নিয়ে বাংলার সাহিত্যিক, কবি, পাঠক, সমালোচক মহলে রীতিমতো উঠেছে আলোড়ন। সেই সময় দাদাঠাকুরের সঙ্গে নজরুলের প্রথম আলাপ। *"দাদাঠাকুর" ওরফে শরৎচন্দ্র পণ্ডিত – ১৯ শতকের শেষ আর ২০ শতকের প্রথম দিকের এক তুখোড় ব্যঙ্গকার, সাংবাদিক এবং নাট্যকার। উনার "জঙ্গম" পত্রিকা তখন কলকাতার সাহিত্য-রাজনীতির আখড়া ।সবাই মুখিয়ে থাকতো কখন আসছে “জঙ্গম”। সারাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আর শ্লেষাত্মক ছড়া। কাজী নজরুল ইসলাম তখন সদ্য সাহিত্য জগতে এসেছেন। এসেই সাহিত্যের আঙিনায় তুলেছেন ঝড়। অসহ্য।কোথাকার এক গেঁয়ো- ভূত এসে তছনছ করে দিচ্ছে সব হিসেব । কিছুতেই কেউ যেন মেলাতে পারছে না অঙ্ক ।বিভিন্ন আলাপ আলোচনা ও সমসাময়িক বহু কলমচীর কথায় উঠে আসে দাদা ঠাকুর ও নজরুল প্রসঙ...