সূচিপত্র ।। স্মৃতিকথা ।। নষ্ট্রালজিক বর্ষা ।। সৌম্য ঘোষ দাইমা, দাইমা গো... ।। অরবিন্দ পুরকাইত ইনল্যান্ডলেটার থেকে ইন্টারনেট ।। সোমা চক্রবর্তী আমার জন্মদিনযাপন ।। সুবীর ঘোষ ফেলে আসা স্কুলজীবন ।। দেবযানী পাল শৈশবের স্মৃতি ।। সান্ত্বনা ব্যানার্জী ফিরে দেখা ।। সাইফুল ইসলাম অতসী গোধূলির স্বপ্ন ।। শাশ্বত বোস ।। গল্প ।। রূপকথার মত ।। সমরনাথ চট্টোপাধ্যায় বিবাগী ।। কুহেলী ব্যানার্জী ধর্ম অধর্ম ।। উত্তম চক্রবর্তী বিস্মৃত-প্রেম ।। শংকর ব্রহ্ম ।। ভ্রমণকথা ।। বীরপাড়ার স্মৃতি ।। চন্দন দাশগুপ্ত ।। কবিতা / ছড়া ।। প্রবাহ ।। অঞ্জন বল কোথায় পাব তারে ।। নিরঞ্জন মণ্ডল আর কি পাবো ।। জগদীশ মন্ডল আমি কোথায় পাবো তারে ।। জয়শ্রী সরকার ফিরে দেখি অবসরে ।। দীনেশ সরকার ফিরে দেখা ।। মহাজিস মণ্ডল আমার ছোটবেলা ।। দীপঙ্কর বেরা তাকাই যখন ।। বদ্রীনাথ পাল ফেরে নাকো আর ।। সুমন নস্কর ভালোবাসি ।। তীর্থঙ্কর সুমিত মনে পড়ে ।। গোবিন্দ মোদক দুরবীনে ।। প্রতীক মিত্র দেখা হলে ফিরে ।। আনন্দ বক্সী কবিতার ভূবন ।। হামিদুল ইসলাম স্মৃতির সরণিতে ।। দীপক পাল বেভুল বাতাস ।। রোহিত কুমার সরদ...
অনুর অপেক্ষা নাজিরুল ইসলাম গ্রামের নাম জলামাদুল। গ্রাম বললে অবশ্য ভুলই বলা হবে, আসলে সেটি এক অজপাড়া গাঁ। গ্রামের বেশিরভাগ মানুষ চাষবাস করেই জীবন ধারণ করে। শহরের আধুনিক হাওয়া এখানে এখনো এসে পৌঁছায়নি। কাঁচা-পাকা রাস্তা, তাই বর্ষাকালে জল জমে কাদা প্যাচপ্যাচে হয়ে থাকে। গ্রামে গাছপালা, জলাজমি, পুকুর, ধান রাখার মরাই আর খড়ের গাদা—সবই আছে। এই প্রাকৃতিক সুন্দর পরিবেশে মানুষের সংখ্যা খুব কম। সব মিলিয়ে কুড়ি-বাইশটি ঘর হবে, সবাই সবাইকে চেনে। সন্ধ্যার পর গ্রামের বয়স্ক মানুষেরা একজোট হয়ে আড্ডা জমায়, তারপর হুঁকোয় টান দিতে দিতে যে যার বাড়ি চলে যায়। গ্রামের ঠিক মাঝখানে একটা একলা দোকান—চায়ের দোকান। দোকান বলতে বাঁশের খুঁটি, টালির ছাউনি আর সামনে পাতা দুটো কাঠের বেঞ্চ। দোকানটা চালায় অনু। অনুর বয়স ১৯ কিংবা ২০ হবে। শ্যামবর্ণের রোগাটে চেহারা, গোলগাল মুখ। তবে তার সবচেয়ে আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য হলো জোড়া ভুরুর নিচে একজোড়া নীল চোখের মণি, যা তাকে আর পাঁচটা মানুষের থেকে আলাদা করে। অনু অনাথ। কীভাবে সে মানুষ হয়েছে, সে নিজেও তা ভালো করে জানে না। আপনজন বলতে এক দাদি ছ...