সূচিপত্র দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার মগরাহাট ও সন্নিহিত অঞ্চলের কিছু কথ্যশব্দ, বাগ্.ধারা ইত্যাদি (পর্ব— তিন) ।। অরবিন্দ পুরকাইত প্রবন্ধ ।। পিরিতের তথা সৌহার্দের পুঁজিবাদ (Crony Capitalism) ।। রণেশ রায় প্রবন্ধ ।। জাপানের সাহিত্য-সংস্কৃতি ।। শংকর ব্রহ্ম কবিতা ।। মেলায় হারিয়ে যাওয়া শিশু ।। চন্দন মিত্র ছড়া ।। বাঁচার মন্ত্র চাই ।। রিয়াদ হায়দার কবিতা ।। এরপর ।। প্রতীক মিত্র নীরবেই কেটে গেল যতীন্দ্রমোহন বাগচীর জন্মদিন ।। পাভেল আমান ছোটগল্প ।। মানহারা লোনা মাটির কথা ।। সুদামকৃষ্ণ মণ্ডল ছড়া ।। কুয়াশামোড়া সকালবেলা ।। দীনেশ সরকার ছড়া ।। শীত-বুড়িটার পরশ ।। নিরঞ্জন মণ্ডল কবিতা ।। অপারগ ।। প্রবীর কুমার চৌধুরী রম্যরচনা ।। ভগবান নিপাত যাক ।। প্রদীপ দে কিশোর অপরাধ : সমৃদ্ধিশালী জাতি গঠনে প্রধান অন্তরায় ।। মেশকাতুন নাহার গল্প ।। ঠগ ।। স্তুতি সরকার ছড়া ।। রেলের গাড়ি ।। শীলা সোম ছড়া, এসেছে শীতের বেলা ।। বদ্রীনাথ পাল ছড়া ।। ফুটবলের রাজপুত্র ।। আনন্দ বক্সী কবিতা ।। আত্মদণ্ডে নিমগ্ন বালিকা ।। রুদ্র সুশান্ত কবিতা ।। জেতার আসক্তি ।। দেবযানী পাল কবিতা ।। অন্বেষণে ।। অঙ...
অনুর অপেক্ষা নাজিরুল ইসলাম গ্রামের নাম জলামাদুল। গ্রাম বললে অবশ্য ভুলই বলা হবে, আসলে সেটি এক অজপাড়া গাঁ। গ্রামের বেশিরভাগ মানুষ চাষবাস করেই জীবন ধারণ করে। শহরের আধুনিক হাওয়া এখানে এখনো এসে পৌঁছায়নি। কাঁচা-পাকা রাস্তা, তাই বর্ষাকালে জল জমে কাদা প্যাচপ্যাচে হয়ে থাকে। গ্রামে গাছপালা, জলাজমি, পুকুর, ধান রাখার মরাই আর খড়ের গাদা—সবই আছে। এই প্রাকৃতিক সুন্দর পরিবেশে মানুষের সংখ্যা খুব কম। সব মিলিয়ে কুড়ি-বাইশটি ঘর হবে, সবাই সবাইকে চেনে। সন্ধ্যার পর গ্রামের বয়স্ক মানুষেরা একজোট হয়ে আড্ডা জমায়, তারপর হুঁকোয় টান দিতে দিতে যে যার বাড়ি চলে যায়। গ্রামের ঠিক মাঝখানে একটা একলা দোকান—চায়ের দোকান। দোকান বলতে বাঁশের খুঁটি, টালির ছাউনি আর সামনে পাতা দুটো কাঠের বেঞ্চ। দোকানটা চালায় অনু। অনুর বয়স ১৯ কিংবা ২০ হবে। শ্যামবর্ণের রোগাটে চেহারা, গোলগাল মুখ। তবে তার সবচেয়ে আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য হলো জোড়া ভুরুর নিচে একজোড়া নীল চোখের মণি, যা তাকে আর পাঁচটা মানুষের থেকে আলাদা করে। অনু অনাথ। কীভাবে সে মানুষ হয়েছে, সে নিজেও তা ভালো করে জানে না। আপনজন বলতে এক দাদি ছ...