=: সম্পাদকীয় := স্বাধীনতার ৭১ বছর পর হাসিম শেখ, রমা কৈবর্ত আর তাদের প্রতিপার্শ্বের মানুষ-মানুষী-শিশুরা কেমন আছে সে কথাই এই সংখ্যায় প্রধানভাবে প্রকাশিত হয়েছে ভাবের বিচিত্রে আর ভাষার ভিন্নতায়। কেমন লাগলো আপনাদের জানার আগ্রহে রইলাম। অকপট মতামত ও পরামর্শ চাই। সকলকে শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা। নিরাশাহরণ নস্কর সম্পাদক: নবপ্রভাত =: সূচিপত্র := প্রবন্ধ / মুক্তগদ্য : প্রণব কুমার চক্রবর্তী শেফালি সর অ-নিরুদ্ধ সুব্রত সম্পা পাল রণেশ রায় স্বরূপা রায় রাণা চ্যাটার্জী শান্তা কর রায় শ্রীপর্ণা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশান্ত কুমার ঘোষ সুদীপ্ত বিশ্বাস রাজশ্রী ব্যানার্জী মোনালিসা পাহাড়ী রীনা তালুকদার অণুগল্প পারিজাত মৌমিতা ঘোষাল চন্দ্রাবলী ব্যানার্জী সন্তু চ্যাটার্জী বিজয়ন্ত সরকার কবিতা : দেবাশিস মোহন মুখোপাধ্যায় মনোতোষ আচার্য আর্যতীর্থ পবিত্র রায়চৌধুরী মৌ দাশগুপ্তা সবর্না চট্টোপাধ্যায় অনামিকা দত্ত সুজান মিঠি কৌশিক সিনহা তাপসকিরণ রায় অমিত পাল দুলাল সুর ...
জাতিস্মর আশীষ কুমার বিশ্বাস গল্পের শুরুটা প্রায় ষাট বছর আগের কথা । যার নাম গৌতম, ডাক নাম ছিল বাবু । তার বছর তখন ছয়-সাত হবে । আমরা বা আমি তখন একটু বড় । এক সাথেই চলতো খেলা । গোল্লা ছুট, দাঁড়িয়া বান্দা, চোর-পুলিশ । যে মাঝে মাঝে খেলা থেকে বিরত থাকতো ; সে-ই জাতিস্মর । মাঠের পাশেই ছিল একটা খেঁজুর গাছ । তাতে হাত রেখে দূরের এক গ্রামের দিকে এক মনে তাঁকিয়ে থাকতো "বাবু" । গ্রামটির নাম "বিনয় পল্লী " । মাঝে বড়ো মাঠ । হাঁটা শুরু করলে তিরিশ - চল্লিশ মিনিট লাগবে । মাঝে জলে ভরপুর দেখে কখনো যাওয়া হয়নি । বাবু কে যখন বলতাম, ওপারে কি দেখছিস? ও বলতো, ওখানে আমার ছোট মা থাকে, দিদি থাকে, আমার ভুলু কুকুর থাকে । এ কথা আমাদের বিশ্বাস হতো না । আবার খেলায় ফিরে যেতাম, খেলতাম । কিন্তু ও বসে বসে , ওপারের গাছ পালা , বাড়ি ঘর দেখতো । কাছে গেলে বলতো , ওই যে সবুজ ,কচি কলাপাতা রঙের দালান বাড়ি, ওটাই আমাদের বাড়ি ! এই ভাবে মাস ছয়, বছর গড়াতে লাগলো । মনে প্রশ্ন জাগতে লাগলো, এ টা কি মন গড়া , বা বানিয়ে বানিয়ে বলছে? সত্যি প্রকাশ হোল এক দিন । সে বাড়িতে কিছু ...