সুদূরের আবাহন
(পঁচিশে বৈশাখে ‘নিরুদ্দেশ যাত্রা’ কবিতাকে উৎসর্গ করে কবিপ্রণাম)
আর কত দূরে যেতে হবে আমাকে?
তোমার সে সুর আজো সুদূরে ডাকে।
দিগন্ত পার হয়ে পূব থেকে পশ্চিমে,
সবুজ বনানী ‘পরে নীলিমার অসীমে;
স্রোতস্বিনী ধেয়ে চলে যেথায় মোহনায়—
সেথা হতে ভেসে আসা আকুল ইশারায়,
কোন সে অসীমে কে তুমি ডাকিছ মোরে—
আমি যে দেখি না চিনি না তোমারে!
অজানার ডিঙা বেয়ে উজানে,
ভাসায়ে চলিছ মোরে স্রোতের টানে ।
কূল ভেঙে ধেয়ে যাই অকূলের পানে,
কোথা নিয়ে যাবে তুমি—কিসের সন্ধানে?
এই পথ চলা যেন ফুরাতে চায় না আর,
খুঁজে ফিরি অতলান্ত সে রূপের পারাপার।
তুমি কোন অপরূপা রূপসী সুন্দরী,
নীল আকাশে ভেসে চলে তব সোনার তরী।
রাশি রাশি সুখ-বেদনার কাব্য,
আমাদের পথ চলা—চিরন্তন, নব্য।
সহযাত্রী হয়ে এই জীবনের রঙ্গে,
ভেসে চলি একসাথে সমুদ্র-তরঙ্গে।
জানি না মিলিব কোন সে সবুজ দ্বীপে,
যেথা সাঁঝের বাতি জ্বলে আশার প্রদীপে;
কেটে যায় আঁধারিয়া এই কালরাত,
ভোরের উদয়ে নতুন প্রভাত।
রণেশ রায়
আর কত দূরে যেতে হবে আমাকে?
তোমার সে সুর আজো সুদূরে ডাকে।
দিগন্ত পার হয়ে পূব থেকে পশ্চিমে,
সবুজ বনানী ‘পরে নীলিমার অসীমে;
স্রোতস্বিনী ধেয়ে চলে যেথায় মোহনায়—
সেথা হতে ভেসে আসা আকুল ইশারায়,
কোন সে অসীমে কে তুমি ডাকিছ মোরে—
আমি যে দেখি না চিনি না তোমারে!
অজানার ডিঙা বেয়ে উজানে,
ভাসায়ে চলিছ মোরে স্রোতের টানে ।
কূল ভেঙে ধেয়ে যাই অকূলের পানে,
কোথা নিয়ে যাবে তুমি—কিসের সন্ধানে?
এই পথ চলা যেন ফুরাতে চায় না আর,
খুঁজে ফিরি অতলান্ত সে রূপের পারাপার।
তুমি কোন অপরূপা রূপসী সুন্দরী,
নীল আকাশে ভেসে চলে তব সোনার তরী।
রাশি রাশি সুখ-বেদনার কাব্য,
আমাদের পথ চলা—চিরন্তন, নব্য।
সহযাত্রী হয়ে এই জীবনের রঙ্গে,
ভেসে চলি একসাথে সমুদ্র-তরঙ্গে।
জানি না মিলিব কোন সে সবুজ দ্বীপে,
যেথা সাঁঝের বাতি জ্বলে আশার প্রদীপে;
কেটে যায় আঁধারিয়া এই কালরাত,
ভোরের উদয়ে নতুন প্রভাত।
Comments
Post a Comment