হালখাতায় বেহাল দশা
দীপক পাল
পার্কের বেঞ্চে তিন মক্কেল সবে এসে বসেছে। তিন মক্কেল মানে বাবলা সৌম্য ও
বিশ্বরূপ। তিনজনেই এবছর উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছে। সৌম্য আর বিশ্বরূপ স্টার পেয়েছে।
কিন্তু বাবলা তিনবারের চেষ্টায় মোটামুটি ভাল নম্বর পেয়ে পাশ করেছে। তাই ওদের আনন্দ
আর ধরে না। সৌম্য ও বিশ্বরূপ ভাল কলেজে ভর্তি হয়েছে আর বাবলা গড়িয়াহাটায়
ইনিডাস্ট্রিয়াল ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে ড্রাফ্টসম্যান ট্রেণিংর জন্য ভর্তি হয়েছে। বাবলা বললো,
- ' এই শোন, কাল তো পয়লা বৈশাখ, নববর্ষ, এই দিনটাকে আমরা অন্য রকম করে
পালন করতে পারি না?' বিশ্বরূপ বলে,
- ' তুমিই বলো কি ভাবে আমরা নববর্ষটা পালন করতে পারি?'
- ' এই ধর কাল বিকেলে যদি আমরা সবাই ধুতি পাঞ্জাবী পরে বেরোই তবে কেমন হয়?'
- ' ও বুঝেছি, কাল আমরা নববর্ষ উপলক্ষে নিপাট বাঙালী সেজে বেরোব।' সৌম্য বলে।
- ' অ্যায় একদম ঠিক বলেছিস তুই।' এবার ওরা বললো,
- ' কিন্তু ধুতি পাঞ্জাবীতো আমাদের নেই, তবে?'
- ' আরে বাবা সেতো আমারও নেই। শোন আমাদের বাবারাতো ধুতি পঞ্জাবী আগে
পরতো। এখনওতো কখনো সখনো পরতে দেখেছি। বাবাদের কাছ থেকে এক সেট
করে চেয়ে নিবি। দরকার হলে কাল সকালে ভজুয়ার কাছে গিয়ে ইস্তিরি করিয়ে নেব।
তারপর বাবাকেই বলবি পরিয়ে দিতে বুঝলি। তারপর বিকালে যখন বেরবো তখন
দেখবি সবার তাক লেগে যাবে।।' সৌম্য ও বিশ্বরূপ একসাথে বললো
-' তোমার জবাব নেই বাবলাদা। থ্রি চীয়ার্স ফর বাবলাদা।' একসাথে চেঁচিয়ে উঠল।
পার্কে কয়েক পাক ঘুরে বাড়ী ফিরলো সবাই একসাথে।
পরদিন সকালে তিন মক্কেল তিন জোড়া ধুতি পাঞ্জাবী নিয়ে ভজুয়ার ইস্তিরির
দোকানে গিয়ে হাজির। ধুতি পাঞ্জাবীগুলো ভজুয়ার হাতে দিয়ে বাবলা বলে,
- ' এইগুলো তাড়াতাড়ি ইস্তিরি করে দাও তো ভজুয়া।'
ধুতি পাঞ্জাবীগুলো সব উল্টেপাল্টে দেখে নিয়ে ভজুয়া বলে ,
- ' এ বাবলুবাবু, এহিতো সব ঠিকই আছে কোই ইস্তিরির দরকার নাই। বেকার এতে
পানি লাগিয়ে ফির ইস্তিরি করে কি হবে? দোদিন ইটাকে পড়ে লিয়ে হামাকে দিবেন।'
- ' এই ভজুয়া আমরা তোমাকে এইগুলো ইস্তিরি করতে দিয়েছি তোমার পরামর্শ
শুনতে আসিনি। দাও ওগুলো আমরা অন্য জায়গায় ইস্তিরি করে নেব।'
- ' এ বাবলুবাবু, হামি ইস্তিরি বানাবোনা এহি কথা কখুনো বলি নাই। হামি বল্লাম
কি ইস্তিরি করার কুনো দরকার ছিলনা। ঠিক আছে হামি বানিয়ে দিচ্ছি আপনারা
ইক ঘন্টা ঘুরে আসুন।' বাবলা বললো,
- ' চল আমরা চাঁদুর দোকানের বেঞ্চে বসে একশো গ্রাম করে লাল দৈ খেতে খেতে
গল্প করে এক ঘন্টা কাটিয়ে দিই। কিন্তু মনে রাখবি দৈয়ের পয়সাটা তোরা দুজনে
ভাগ করে দিয়ে দিবি। আমার কাছে কিন্তু আমার ইস্তিরির পয়সা ছাড়া আর কোন
পয়সা নেই।' কথা শুনে বিশ্বরূপ বললো,
- ' আরে এক ঘন্টা সময় কাটাতে হবে না।' সৌম্য বলে,
- ' দেখেছ ঐ দিকে একটা লোক এক ঝুড়ি শসা নিয়ে বসেছে। সুন্দর করে শসা
কেটে বিটনুন মাখিয়ে দিচ্ছে। আর জান তো শসা খুব ভাল হজম করায় যদিও
নিজে হজম হয় না।'
- ' রাখ তোর ছেঁদো কথা। যে নিজেকেই হজম করতে জানেনা সে করাবে হজম।
যদিবা তাই হয় তবে তাকে হজম করতে কি খেতে হবে ?' কোন উত্তর নেই।
শসা খেয়ে টেয়ে ওরা এক ঘন্টার আগেই ভজুয়ার দোকানে চলে এলো।
ইস্তিরির কাজ সবে শেষ করেছে ভজুয়া। ইস্তিরি বাবদ সব টাকা মিটিয়ে দিয়ে
পেছনে ঘুরতেই ভজুয়া ডাকলো,
- ' এ বাবলুবাবু, বহৎ হুঁশিয়ারিসে কাপড়া পরবেন। সোমবাবু ঔর বিশবাবুকে
ভি বলছি ই কথা। কারণকি আপনাদের কুনোকে হামি কাপড় পরতে দেখি নাই
সেজন্য হামি আপনাদের ফির সাবধান করিয়ে দিলাম। রাম রাম।'
- ' এই চলতো ভজুয়ার কথা ছাড়, আমরা কালকেই বাড়ী ফেরার সময় ওর
সাথে দেখা করে দেখিয়ে দেব যে দেখ আমরাও পারি।' বিশ্বরূপ বলে,
- ' আমরা বিকেলে কটার সময় সবাই একসাথে জরো হবো সেটা বলো আগে।'
- ' ও হ্যাঁ এই ধর বিকেল সারে পাঁচটায় আমাদের বড় রাস্তার মোড়ে। তবে একটা
করে হালখাতার নিমন্ত্রণ পত্র সঙ্গে করে নিয়ে আসবি।'
ঠিক বিকেল সাড়ে পাঁচটায় তিনজনে বড়ো রাস্তার মোড়ে এসে হাজির।
সবার গা থেকে সেন্টার গন্ধ বেরোচ্ছে, পাউডার মেখে একেবারে ফুলবাবুটি
হয়ে এসেছে। পকেটে হালখাতার নিমন্ত্রণ পত্র উঁকি মারছে। বাবলা বললো,
- ' আগে চল আমার বাবা যেই দোকান থেকে মাসের বাজার ছাড়াও সারা মাস
জুড়ে টুকিটাকি এটা সেটা কেনে সেই রামশরণ যাদবের দোকানে হালখাতা
করে আসি।'
ওরা খুব সন্তর্পণে একেবারে রাস্তার ধার দিয়ে হাঁটছিল বাজারের দিকে।
সরু ফুটপাথ তার ওপর ভাঙাচোরা। তার ওপর দিয়েই লোক যাতায়াত করছে।
অন্য দিন ধাক্কা ধাক্কি করেই ওরা এই ফুটপাথ দিয়ে চলা ফেরা করে। আজকে
তাই আগেপরে করে হাঁটছে রাস্তার ধার দিয়ে । বাজারের রাস্তা বলে গাড়ী খুব
আস্তে চলে। হঠাৎ পেছন থেকে বাবলা চেঁচিয়ে বলে,
- ' সৌম্য একদম পেছনে গাড়ী আসছে চটপট ফুটপাথে উঠে পর।'
সৌম্যও আতঙ্কে অতি দ্রুত ফুটপাথে উঠতে গিয়ে কাপড় পায়ে
জড়িয়ে গিয়ে হুড়মুড় করে ফুটপাথের ওপর প্রায় মুখ থুবরে পড়তে পারতো
যদিনা দুটো হাত দিয়ে নিজেকে আরো বড়ো পতন থেকে রক্ষা করতো। কিন্তু
ভয়ানক চোট পেল। দু হাতের তালু ছড়ে গিয়ে তীব্র জ্বালা করছে তার সঙ্গে
হাঁটু দুটোতে বেশ চোট পেয়েছে। কাপড়ের একটা দিক খুলেতো গেছেই তার
সঙ্গে ধূলোবালি মাখামাখি হয়েছে পঞ্জাবী আর কাপড়। বাবলা আর বিশ্বের
সহায়তায় কোন রকমে উঠে দাঁড়াল। আশেপাশে কিছু লোক জড়ো হয়ে কেউ
'আহা আহা' করছে কেউ বলছে 'বেচারা।' পাশে চায়ের দোকানের মালিক
জলের জগটা নিয়ে এসে বলে, 'এই নিন কিচ্ছু হয়নি, হাত দুটো ভালো করে
ধুয়ে নিয়ে একটু জল খেয়ে নিন। তারপর কাপড় পাঞ্জাবীর ধূলোবালি
সব ঝেড়ে ফেলে কাপড়টা পরে নিন।' হাত ধুয়ে জগটা ফেরত দিয়ে পকেট
থেকে রুমাল বার করে ঝেড়ে ঝেড়ে যতটা সম্ভব পরিস্কার করলো। যদিও
সব কেমন মলিন দেখাচ্ছে পাঞ্জাবী ও কাপড়। বাবলা রেগে গিয়ে বললো,
- ' এই মর্কটটা আমার প্ল্যানটা মাটিতে পড়ে গিয়ে মাটি করে দিল। আমরা
কেউ কাপড় পরাতে পারিনা তুইও জানিস এখন কি করবি, কিভাবে যাবি
কি করে হাঁটবি বল?' সৌম্যর কাঁদো কাঁদো অবস্থা। একজন ভদ্রলোক যেতে
যেতে দাঁড়িয়ে পরে ওদের লক্ষ্য করছিলেন তিনি বললেন,
- ' যদি অনুমতি দেন আমি পরিয়ে দিতে পারি।' সৌম্য মাথা নাড়তেই তিনি
খুব যত্ন করে পরিয়ে দিয়ে বললেন, 'এখন যান কোথায় যাবেন।' সৌম্য বলে,
- ' আমি বাড়ী চলে যাই। ভাল্লাগছে না আমার কিছু।'
- ' বাড়ী যাবি মানে হেরে যাবি? কক্ষোনো না, আমরা হারবোনা কিছুতেই, ঐ
রামশরনের দোকানের আলো দেখা যাচ্ছে, চল এগিয়ে যাই গুটি গুটি।'
রামশরণ যাদবের দোকানের সামনে এসে দাঁড়াল ওরা। বড়ো দোকান।
তিন ধাপ সিঁড়ি দোকানে ওঠার। বড়ো বড়ো দুটো দরজা। একটা পূবমুখো
ও একটা উত্তর-পূবমুখো। পূবমুখো দরজা বরাবর রামশরণ গদিতে বসে কথা
বলছে বাইরে দুপাশে দুদিকে চেয়ারে বসা দুজন ভদ্রলোকের সাথে। তারা কিছু
খাচ্ছে কাগজের থালায়। রামশরণের সামনে ক্যাশ বাক্সের ওপর একটা খোলা
খাতা ও কলম। একজন ভদ্রলোকের খাওয়া হয়ে যাওয়ায় রামশরণের কাছ
থেকে বিদায় নিয়ে নেমে চলে গেলেন। আর একজন লোকও বাবলাদের দেখে
জলের বোতলটা তুলে নিয়ে রামশরণের কাছে বিদায় নিয়ে উঠে পড়লো। সেটা
বাবলা খেয়াল করে নি। সে আগেই একটা পা সিঁড়িতে দিয়েছিল তারপর
আর একটা পা দ্বিতীয় সিঁড়িতে রেখে ঘুরে নীচের দিকে তাকিয়ে বলে, ' কিরে
আয়। ঐ ভদ্রলোকও রামশরণের কাছে বিদায় নিয়ে একটা সিঁড়িতে নেমে কি
করবে ভাবছিল, বাবলাকে পেছন ফিরে দাঁড়িয়ে পড়তে দেখে তিনি বাবলার
পাশ দিয়ে নামতে গেলেন আর ঠিক সেই মুহূর্তে ডান দিকে কাত হয় দ্বিতীয়
সিঁড়িতে উঠে পরতে দুজনের সামান্য টাচ্ লাগতেই বাবলা হুড়মুড় করে সিঁড়ির
একদিকে পড়লো আর ভদ্রলোক আর এক দিকে পড়লেন। তবে বিশ্ব ও সৌম্য
নিচে থাকায় ওরা চটপট বাবলাকে সামলে নিল। কিন্তু হাঁটুতে বাবলার বেশ
চোট লেগেছে। ঐদিকে ভদ্রলোক নীচে পড়ার আগেই দুপা দিয়ে দাঁড়িয়ে পরেও
পায়ে চোট পেয়ে বসে পড়তে হলো। তাতে কেরে চোট পেলেন। কোনমতে সিঁড়ি
ধরে উঠে ওনার ওপারে সামলে ওঠা বাবলার দিকে তাকিয়ে বললেন,
- ' এটা কিহলো মশাই?' বাবলা বলে ' কিহলো, আপনি আমায় ধাক্কা মারলেন
আর আমিও আপনাকে ধাক্কা মারলাম।' ওদিকে রামশরণ চিল্লামিল্লি করছে,
- ' আরে আরে ইয়ে সত্যনাশ হো গেয়া। আরে এই রামধনিয়া, বহৎ জলদি
পানি লাকর আযা বাবুলোককো বহৎ চোট লাগা, ডিটলভি লিয়াও। আরে
বাপরে বাপ আজিকা দিনমে ক্যায়া হো গেয়া, রাম রাম।'
সব কিছু ঠিক ঠাক হয়ে গেল। এমনকি ঐ ভদ্রলোকের সাথে বাবলার
হ্যান্ডসেকও হল। রামশরণ সবাইকে খাতির করে বসতে বললো। ভেতর থেকে
আরো একটা চেয়ার এসে গেল। বাবলা পাঁচশো টাকার নোট পকেট থেকে বার
করে রমশরণকে দিয়ে বাবার নাম বলে জমা করতে বললো। রামশরণ খাতা
খুলে নাম লিখে টাকাটা ক্যাশ বাক্সে ঢুকিয়ে বলে, 'আপনি পরেশদার ছেলে।'
বাবলা মাথা নাড়লো। তিনটে কাগজের থালা ওদের তিনজনের দিকে
এগিয়ে দিল একজন। তাতে আছে দানাদার, লাড্ডু, লেডিকেনি ও নিমকি।
সঙ্গে একটা ছোট সাইজের মিনারের ওয়াটার বটল্। খাবারগুলো খেয়ে নিয়ে
হাতে বোতল নিয়ে ওরা বিদায় নিল। আরো দুজন লোক এসে হাজির হয়েছে।
বিশ্বরূপের কাঁধে ভর করে বাবলা কোনমতে সিঁড়ি দিয়ে নামলো তারপর দুজনে
খোঁড়াতে খোঁড়াতে চললো। ফুটপাথের ধারে গিয়ে বোতল খুলে হাত মুখ ধুয়ে
পুরো জলটা খেয়ে নিয়ে খালি বোতল ফেলে দিল। হাঁটতে হাঁটতে বাবলা বলে,
- ' আর কোথাও যাবো না। এখন সোজা বাড়ী গিয়ে কাপড় ও পাঞ্জাবী আগে
ছুঁড়ে ফেলবো।' বিশ্বরূপ বললো,
- ' সেকিগো, ওগুলো ছুঁড়ে ফেললে তোমার বাবা তোমার কান মুলে দেবে।
তাছাড়া কথা মতো ভজুয়ার সাথে দেখা করবেনা?'
- ' তবেরে হতচ্ছাড়া দাঁড়া তোর দেখাচ্ছি মজা ' বলে তেড়ে গেল বিশ্বরূপের
দিকে তারপরই ' ওরে ব্বারে ' বলে পা ধরে বসে পড়লো। কিন্তু ততক্ষণে যা
হবার তা হয়ে গেছে। বিশ্বরূপ বাবলার আক্রমন থেকে বাঁচার জন্য কিছু না
দেখে আধা অন্ধকারে এক লাফ দিয়েছে, আর পড়বিতো পড় একতাল
গোবরের ওপর। ওখান থেকে বেরোতে গিয়ে নতুন চটি জোড়াতো গেলই
কাপড়ের অনেকটাই গোবরে ল্যটাপ্যটা হয়ে গেছে। বাবলা নিজের ব্যাথা
ভুলে গিয়ে বললো, ' ঠিক হয়েছে, আমার পেছনে লাগার ফল হাতে নাতে
পেলিতো এবার। আমাদের দুজনের হাল খারাপ হলো তবে তুইবা বাদ যাবি
কেন বল। একেই বলে সর্ব জীবে সমদৃষ্টি।' বিশ্বরূপ বলে,
- ' তোমাকে আমি আর সৌম্য সিঁড়ি থেকে পরে যাওয়াটা যেভাবে বুক
চিতিয়ে আটকেছিলাম মনে পড়ে? তবে তোমারতো আমার দিকটা একবার
দেখা উচিত কি ভাবে আমি এই অবস্থা থেকে রক্ষা পাই।'
- ' আলবাৎ দেখবো। কি করা যায় বলতো সৌম্য?'
- ' দাঁড়ও বাবলাদা, দেখছোতো ঐ কল থেকে কি মোটা হয়ে জল পড়ছে।
লোকে নিচ্ছে জল। এখন একটা মগ দরকার। দাঁড়াও দেখছি।'
ঐ কলের কাছে গিয়ে সৌম্য একজন লোকের সাথে আলাপ করে
এইদিকে আঙুল দেখিয়ে কি সব বলছে। লোকটাও মাথা নাড়াচ্ছে। তারপর
লোকটা এক বালতি জল নিয়ে আসছে। সৌম্যর হাতে একটা মগ। বালতি
বিশ্বের কাছাকাছি রাখলো। সৌম্য মগে করে জল ওর হাতে দিচ্ছে আর বিশ্ব
চটিসমেত পা ধুয়ে নিলো এমনকি কাপড়টাও যতটা সম্ভব ধুয়ে চিপে নিল।
লোকটাকে সবাই অনেক করে ধন্যবাদ দিতে সে বালতি মগ নিয়ে চলে গেল।
হাঁফ ছেড়ে সবাই বাড়ীর পথ ধরলো।
______________________
From :-
-----------'
Dipak Kumar Paul (9007139853),
Block-8, Flat-1B,
DTC Southern Heights,
D.H. Road, Kol-700104.

Comments
Post a Comment