গুচ্ছ কবিতা ।। অভিজিৎ হালদার
বৈশাখী আগমনে প্রেম
মুছে যাক সব পুরনো গ্লানি, বৈশাখী ঝড়ে আজ,
তোমার চোখেতে দেখেছি আমি নতুন আশার সাজ।
চৈত্রের শেষ বিকেলের মতো অভিমানে ছিলে দূরে,
আজ ফিরে এসো বসন্ত শেষে আমার গানের সুরে।
হৃদয় জমিনে নতুন ঘাসেরা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে,
তোমার হাসিতে রক্তিম আভা পলাশ হয়ে ফোটে।
এসেছে বছর নতুনের বেশে, হাতে হাত রাখো তবে,
আমাদের প্রেম চিরন্তন হোক বৈশাখী উৎসবে।
পহেলা দিনের ভোরের সূর্য সাক্ষ্য হয়ে থাক,
মুছে যাক যত মৌন ব্যথা, আসুক নববৈশাখ।
তোমার আঙুলে আঙুল জড়িয়ে হাঁটব অনেকটা পথ,
জেগে ওঠে আজ স্বপ্নপুরীর সকল মনোরথ।
পুরনো খেরো খাতাটা আজ হোক তবে ধুলিসাৎ,
রাঙিয়ে দেবো তোমায় নিয়ে আমার এ দুই হাত।
শুভ নববর্ষ প্রিয়তমা মোর, এ শুভ লগনে চলো,
পুরনো দিনের ভুলগুলো সব হাসিমুখে আজ ভুলো।
চলো ভিজে যাই শ্রাবণ আসার আগেই প্রেমের রোদে,
মিটে যাক যত না বলা ব্যথা এ বছরের কারাদণ্ডে।
নতুন দিনের নতুন সূর্য আমাদেরই কথা কয়,
ভালোবাসা হোক বাঁধনহারা, ঘুচে যাক সব ভয়।
পহেলা বৈশাখের প্রথম প্রহর
রাতের শেষে ভোরের আকাশ রাঙালো সূর্যের আলো,
তোমার হৃদয়ে আমার নামটি নতুন করে জ্বালো।
ক্লান্ত চৈত্র বিদায় নিল ধুলো উড়িয়ে পথে,
আমি বসে আছি তোমার অপেক্ষায় এ বছরের রথে।
লাল পেড়ে শাড়ি, কপালে টিপ, তুমি যেন এক ছবি,
তোমায় দেখেই মুগ্ধ হয়ে জন্ম নেয় আজ কবি।
হাজার বছরের প্রেম আজ যেন নতুন করে জাগে,
বৈশাখ এলো তোমার আমার অনুরাগের আগে।
শহর জুড়ে উৎসবের সুর, সানাইয়ের মধুর তান,
তোমায় শোনাবো বসন্তের শেষে হৃদয়ের সব গান।
নতুন বছর নতুন শপথ, ছেড়ে যাবে না তো হাত,
প্রেমের জোয়ারে ভেসে যাবে আজ বিষণ্ণ এ রাত।
কত বৈশাখ চলে গেছে আজ বিরহের মরুভূমি পার করে,
এবার তবে এসো হে প্রিয়, আমার শূন্য ঘরে।
একসাথে হবো মঙ্গল শোভাযাত্রার মিছিলে সামিল,
আকাশের নীল ছড়াবে প্রেমে, হবে যে অমিলও মিল।
শুভ নববর্ষ, শুভ কামনায় শুরু হোক এই দিন,
আমাদের প্রেম কোনোদিনও যেন না হয় বর্ণহীন।
হালখাতা খুলে লিখে রাখি নাম আমাদের দুজনের,
চিরসাথী হয়ে রবো আজীবন, দিব্যি ফাল্গুনের।
নতুন দিনের ভোরাই সুরে তোমাকে জানাই ডাক,
ঘুচে যাক সব অভিমানী মেঘ, আসুক নববৈশাখ।
প্রতীক্ষার প্রহর শেষ হলো আজ এই শুভ লগনে,
তোমার নামটাই লিখেছি প্রিয়, হৃদয়ের অঙ্গনে।
নতুন বছরে পুরনো প্রেম
বছর ঘুরে ফিরে এলো সেই চেনা বৈশাখী হাওয়া,
তোমার আমার দেখা হওয়া আর হৃদয়ে ফিরে পাওয়া।
কতটা বসন্ত কেটে গেল একা বিরহের নদী তীরে,
আজ নববর্ষে আবার দেখি তোমায় গানের সুরে ফিরে।
তুমি বলেছিলে নতুন বছরে পাল্টাবে সব গ্লানি,
আজও তোমার চোখের কোণে সেই পুরনো চোখের পানি?
এসো আজ সব ধুয়ে ফেলি এই নতুনের ঝরনা ধারায়,
ভালোবাসা আজ রঙিন হবে আকাশী নীল ঠিকানায়।
পহেলা বৈশাখ মানেই তো শুধু মেলা আর গান নয়,
পহেলা বৈশাখ মানেই তো প্রেম, দুমদাম হৃৎস্পন্দয়।
তোমার হাতে চুড়ির নিক্বণ আমার কানে বাজে,
সারাটি শহর সেজেছে আজ উৎসবের রঙিন সাজে।
আমরাও সাজি নতুন করে, পুরনো প্রেমের টানে,
একটি বছর আবার আসুক প্রেমের গভীর গানে।
তোমার কথা আর আমার কবিতা মিশে যাক এক সাথে,
গল্প লিখব আমাদের নিয়ে জোছনা মাখা রাতে।
পুরনো দিনের ধূসর স্মৃতি যাক না উড়ে দূরে,
নতুন জীবন শুরু হোক আজ গানের নব সুরে।
শুভ নববর্ষ বলে দিলাম তোমার কানের কাছে,
দেখো তো এখনো আগের মতো ভালোবাসা কি আছে?
হালখাতা নয়, হৃদয়ের খাতা আজ চলো তবে খুলি,
ভুলে গিয়ে সব তিক্ত কথা, সব মান-অভিমান ভুলি।
তুমি আমার ছিলে চিরকাল, আজও আছো তেমন,
তোমার জন্য সাজিয়ে রেখেছি আমার এ ছোট ভুবন।
বৈশাখী ঝড় আসুক না কেন, কাঁপাবো না মোরা ভয়,
আমাদের প্রেম চিরকাল হবে অজেয় আর অক্ষয়।
নতুন বছরের প্রথম প্রহর তোমার নামে করলাম দান,
ভালোবাসার এ মহামিলনে গেয়ে উঠি জয়ের গান।
প্রেমের হালখাতা
চৈত্র শেষে এল বৈশাখ, মনে প্রেমের হাওয়া,
তোমার সাথে এই বছরে হোক পথ চলা পাওয়া।
পুরনো দিনের যত ছিল ভুল, মুছে যাক সব আজ,
নতুন বছরে প্রেমের তরী করবে পারাপার কাজ।
হালখাতা খুলি আমাদের প্রেমে, লিখি সুখের নাম,
তোমার জন্য বয়ে আনি আমি বসন্তের সব ঘাম।
একুশ কিম্বা বাইশ পেরিয়ে এলো পঁচিশের মেলা,
তোমার সাথে কাটিয়ে দেবো প্রেমের সারাবেলা।
লাল আবিরে রাঙিয়ে দেবো তোমার কপাল খানি,
তুমিই আমার নতুন বছরের শ্রেষ্ঠ রাজরাণী।
বৈশাখী ঝড়ে এলোমেলো হোক তোমার মাথার চুল,
আমি তোমায় ভালোবেসে যাবো, হবে না কোনো ভুল।
হাজার তারার মাঝে যেমন একটি চাঁদই জাগে,
আমার মনে তোমার ছবি সবার ওপরে আগে।
শুভ নববর্ষ প্রিয়তমা, কাটুক সুখে দিন,
তোমার প্রেমের কাছে আমি আজন্ম ঋণী, চিরঋণ।
নতুন দিনের সূর্য হাসুক তোমার চোখের পাতায়,
আমাদের প্রেম গল্প হয়ে থাকুক ইতিহাসের পাতায়।
চলো হারিয়ে যাই দূর দিগন্তে যেখানে আকাশ নীল,
দুই হৃদয়ের মেলবন্ধনে হবে চিরস্থায়ী মিল।
বৈশাখী মেঘ ও আমাদের গল্প
আকাশের কোণে মেঘ জমেছে আজ বৈশাখী ঝড়ের তানে,
তোমার নামটাই ভেসে আসে কেন বৃষ্টির গানে গানে?
নতুন বছর এলো বলে আজ কদম ফুটুক মনে,
তোমায় নিয়ে স্বপ্ন বুনি নির্জন এই ক্ষণে।
চৈত্রের খরতাপ ফুরিয়ে গেছে, এলো শীতল প্রহর,
নতুনের ডাকে জেগে উঠেছে আজ তন্দ্রাচ্ছন্ন শহর।
তুমি আর আমি হাত ধরে হাঁটি রামনার ওই পথে,
আমাদের প্রেম রাজত্ব করুক নতুনের জয়রথে।
শুভ নববর্ষ, হে আমার প্রিয়, হৃদয়ের স্পন্দন,
তোমার সাথেই কেটে যাক সব দুঃখের এ বন্ধন।
রঙিন পোশাকে সাজো তুমি আজ বনলতার মতো,
ভুলে যাও সব পুরনো দিনের না বলা ব্যথা যত।
একটি বছর দীর্ঘ প্রতীক্ষা, তোমার দেখা নেই,
আজ নববর্ষে ফিরে এসো তুমি আমার ঠিকানাতেই।
জুঁই আর কামিনী ফুলে ভরে যাক আমাদের মিলন মেলা,
নতুন করে সাজাবো আমরা আমাদের এ ঘরবেলা।
বিগত দিনের চোখের জলরা হয়ে যাক আজ মুক্তো,
তোমার আমার প্রেমের বাধন হোক আরো বেশি শক্ত।
বৈশাখী ঝড়ে সব বাধা ভেঙে আসুক নতুন দিন,
আমাদের এই রঙিন দিনগুলো হোক চিরদিন অমলিন।
নতুনের ডাকে ভালোবাসা
পহেলা বৈশাখ মানেই এক রাশ নতুন প্রাণের গান,
তোমার হাসিতেই খুঁজে পাই আমি নববর্ষের ঘ্রাণ।
শহর জুড়ে শোরগোল আজ, ঢোলের শব্দ বাজে,
তুমি কি আমায় মনে রেখেছো তোমার কাজের মাঝে?
নতুন বছর নিয়ে এলো আজ রাশি রাশি নতুন আশা,
তোমার জন্যই জমা আছে মোর গভীর ভালোবাসা।
পুরনো চিঠির ভাঁজে রাখা সেই শুকনো গোলাপ ফুল,
আজও বলে দেয় ভুল করে আমি করেছি কত ভুল।
কিন্তু আজকে ভুলের দিন নয়, আজ হলো পাওয়ার,
একটু সময় দাও হে প্রিয়, হৃদয়ে আজ যাওয়ার।
বৈশাখী মেঘ ডাক দিয়ে যায় চলো ভিজি এক সাথে নিরালায়,
হাতখানি রেখে আমার হাতের উষ্ণ ওই আঙিনাতে।
পান্তা ইলিশ আর মাটির সানকি, ঐতিহ্যের এই দিনে,
তোমায় খুঁজছি আমি নতুন করে প্রেমের রঙে চিনে।
হলুদ শাড়ি আর কাঁচের চুড়িতে লাগছে তোমায় বেশ,
ভালোবাসার এই কাহিনী যেন কোনোদিন না হয় শেষ।
শুভ নববর্ষ প্রিয় আমার, পৃথিবীর সকল সুখে,
হাসিটি থাকুক চিরদিন অম্লান তোমার ওই মুখে।
হালখাতা খুলে আমাদের নাম লিখেছি সোনার অক্ষরে,
আমরা থাকবো ছায়ার মতো চিরকাল একে অপরে।
কত বৈশাখ পার হয়ে গেলো বিরহের নীল আঁচলে,
এবার আসুক শান্ত সকাল আমাদের এই ভূ-মন্ডলে।
তোমার চোখের আয়নায় দেখি আমার প্রতিচ্ছবি,
নতুন বছরে নতুন করে আমি হলাম তোমার কবি।
সকাল বেলার স্নিগ্ধ বাতাস দিচ্ছে তোমায় ডাক,
মুছে যাক যত বেদনা মলিন, আসুক নববৈশাখ।
ভালোবাসা হোক আমাদের ধর্ম, মিলন হোক আমাদের পথ,
জেগে উঠুক আবার মনে যত মৃত মনোরথ।
বৈশাখী মেলা ও তোমার স্মৃতি
মেলা বসেছে গ্রামের মাঠে, রঙিন নাগরদোলা,
তোমার সাথে শৈশব স্মৃতি আজও হয়নি ভোলা।
নতুন বছর ফিরে এলে মনে পড়ে সেই সব দিন,
তোমার আমার ছেলেবেলার প্রেম ছিল যে রঙীন।
আজ তুমি নেই পাশে আমার, তবুও নববর্ষ আসে,
হৃদয়ের এক কোণে তোমার ছবি এখনো মুচকি হাসে।
শুভ নববর্ষ জানাই তোমায় মেঘের ডানায় করে,
তুমি যেখানেই থাকো না কেন, থেকো আপন ঘরে।
বৈশাখী ঝড় বয়ে যায় আজ আমার মনের ওপর দিয়ে,
নতুন বছর কাটাবো আমি তোমার অভাব নিয়ে।
তবুও চাইব ভালো থেকো তুমি নতুন এ দিনটিতে,
ভালোবাসার সব রঙ যেন পাও তুমি তোমার পৃথিবীতে।
সানাইয়ের সুর বাজে দূরে কোথাও করুণ বিদায় সুরে,
আমার দীর্ঘশ্বাসগুলো আজ যাচ্ছে তোমার ঘরে উড়ে।
নতুন বছরের প্রথম প্রহরে চাইছি তোমার সুখ,
একবার শুধু মনে পড়ুক আমার এই মলিন মুখ।
শুভ নববর্ষ বন্ধু আমার, শুভ নববর্ষ প্রিয়,
নতুন করে বাঁচতে আমায় সাহস একটু দিও।
হালখাতা খুলে তোমার নামে লিখেছি প্রেমের ঋণ,
ভুলতে পারবো না কোনোদিনও আমাদের সেই রঙিন দিন।
চৈত্র শেষের দীর্ঘশ্বাস ও বৈশাখী প্রেম
চৈত্রের রোদে পুড়ে গেছে মন, দীর্ঘশ্বাসের খরা,
বৈশাখ এলো বৃষ্টি নিয়ে, করতে স্বপ্নকে ধরা।
তোমার প্রেমের শীতল পরশ চাইছি আমি আজ,
নতুন বছরে মনে মনে করছি মিলনের সাজ।
হাজার কবিতা লিখেছি তোমায়, পড়োনি তুমি কি তা?
হৃদয়ের মাঝে জ্বলছে এখনো তোমার বিরহ চিতা।
এসো নববর্ষের এই উৎসবে সব কিছু ভুলে যাই,
তোমার বুকেতে নতুন করে একটু জায়গা পাই।
পহেলা বৈশাখ মানেই হলো নতুনের আবাহন,
তোমার আমার প্রেমের গল্প হবে অমর ও চিরন্তন।
শহর জুড়ে মিছিলে মিছিলে মুখরিত এই ক্ষণ,
তোমায় নিয়ে হারাবো কোথাও ভাবছে আমার মন।
লাল পেড়ে শাড়ি পরা ললনাদের ভিড়ে তোমায় খুঁজি,
তুমিই আমার বসন্ত শেষ, তুমিই বৈশাখ বুঝি।
পলাশ শিমুল ঝরে গেছে ঠিকই, মহুয়া এখনো আছে,
ভালোবাসার দাবি নিয়ে তাই এসেছি তোমার কাছে।
শুভ নববর্ষ, শুভ মহরৎ, শুরু হোক পথ চলা,
অনেক কথা জমে আছে মনে, আজও হয়নি বলা।
চলো আজ বলি সবটুকু কথা নিরিবিলি এক কোণে,
স্বপ্নগুলো বাস্তব হোক আমাদের দুই মনে।
নতুনের ডাকে সাড়া দাও প্রিয়, খোল মনের দুয়ার,
এবারের এই বছরটি হোক শুধুই তোমার আমার।
অতীতের যত অভিমান আছে ধুয়ে যাক ঝরনা ধারায়,
নতুন জীবন স্বপ্ন দেখুক মেঘেদের ওই সীমানায়।
তুমি আর নতুন বছর
আবার এলো শুভ দিন, পহেলা বৈশাখ মাস,
তোমার মনে কি আছে আজও আমার জন্য বিশ্বাস?
পুরনো বছর বিদায় নিলো ধুলোর চাদর গায়ে,
নতুন বছর আলপনা আঁকে তোমার কোমল পায়ে।
তুমি মানেই নতুন শুরু, তুমি মানেই প্রাণ,
তোমার কথা মনে পড়লে গাই নতুনের গান।
শুভ নববর্ষ বলে দিলাম সবার আগে আমি,
আমার কাছে তোমার স্মৃতি হীরের চেয়েও দামী।
পহেলা বৈশাখের প্রথম ভোরে যখন জাগবে তুমি,
দেখবে তোমার জানলার ধারে ফুলের মরুভূমি।
সবগুলো ফুল তোমারই জন্য ফুটিয়েছি প্রেমে আজ,
তুমিই আমার রানী গো প্রিয়, মাথায় তোমার তাজ।
মিষ্টি মুখ আর নতুন জামায় সেজো তুমি আজ ভোরে,
আমার কথা মনে করো তুমি নিভৃতে মনে মনে।
ভালোবাসা এক বহতা নদী, বৈশাখে বাড়ে তার টান,
তোমায় নিয়ে পূর্ণ হোক আমার সব অভিমান।
মুছে যাক সব অন্ধকার আজ সূর্যের তীব্র তেজে,
নতুন বছর আসুক তোমার আমার হৃদয়ে বেজে।
হালখাতা খুলি প্রেমের তরে, বাকি সব থাক পড়ে,
তুমি আর আমি সুখে থাকবো আমাদের ছোট ঘরে।
বৈশাখী অঙ্গীকার
সূর্যোদয়ের সাথে সাথে শুরু হলো শুভ দিন,
তোমার আমার ভালোবাসা হবে না কোনোদিন লীন।
বৈশাখী ঝড়ে ভেঙে যাক সব মিথ্যে মায়ার বাঁধন,
নতুন বছরে শুরু হোক প্রেমে সত্যিকারের সাধন।
তোমার চোখের ইশারায় আজ নতুনের এই মেলা,
তোমার সাথে কাটিয়ে দেবো আমি সারাটি বেলা।
শুভ নববর্ষ বন্ধু আমার, শুভ নববর্ষ ভালোবাসা,
পূরণ হোক তোমার মনে জমে থাকা সব আশা।
পহেলা বৈশাখের রঙে রাঙুক তোমার প্রতিটি ক্ষণ,
আমার প্রেমে সিক্ত থাকুক তোমার কোমল মন।
কোনোদিন যেন আসে না দুঃখ তোমার শান্ত জীবনে,
স্বপ্নগুলো ডানা মেলুক নীল আকাশের ঐ কোণে।
পুরনো দিনের খেরো খাতাটা আজ দাও করে বন্ধ,
নতুন করে শুরু হোক প্রেমের সকল ছন্দ।
তুমি আমার ছিলে এবং থাকবে চিরকাল সাথী,
নতুন বছরের অন্ধকারে তুমিই আমার প্রেমের বাতি।
হাতে হাত রেখে অঙ্গীকার করি আজ এই শুভক্ষণে,
ভালোবাসার অমর কাব্য লিখে যাবো দুই জনে।
শুভ নববর্ষের এই রঙে রঙিন হোক ধরণী,
তুমিই হবে আমার চিরকালের প্রেমের তরণী।
লেখক পরিচিতি:- লেখক অভিজিৎ হালদার এর জন্ম নদীয়া জেলার অন্তর্গত মোবারকপুর গ্রামে ২০০১ সালের ১লা সেপ্টেম্বর।
পিতা কার্ত্তিক হালদার ও মাতা আরতি হালদার।
প্রাথমিক শিক্ষা মোবারকপুর প্রাইমারী বিদ্যালয় , মাধ্যমিক শিক্ষা ভাজনঘাট উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় , সুধীরঞ্জন লাহিড়ী মহাবিদ্যালয় থেকে স্নাতক এবং বর্তমানে আই টি আই এর ছাত্র।
লেখালেখির সূএপাত: স্কুল জীবন থেকে। লেখালেখি:- বিভিন্ন – পএ পত্রিকা, ম্যাগাজিন , ওয়েবজিন, ফেসবুক পেজ/ ফেসবুক গ্রুপ , ব্লগসাইট , ওয়েবসাইট , অনলাইন প্লাটফর্ম , এছাড়া বিভিন্ন ফোরামে।
প্রথম বই: "প্রথম আলো "
পেশা ও পরিচয়: তরুণ কবি, গল্পকার, উপন্যাসিক, গীতিকার, লেখক ও অন্যান্য।
সাহিত্যিক ধারা: আধুনিক ও উত্তর-আধুনিক কবিতা, প্রেম ও বিরহ, অস্তিত্ববাদী ভাবনা, গ্রামীণ ও শহুরে জীবনচিত্র , বাস্তববাদী, দার্শনিক চিন্তাধারা, কল্পনাবিলাসী , রূপকথা , বাস্তব পেক্ষাপট ও সমসাময়িক।
বিশেষ উক্তি:
"এই শহরকে ভালো না বেসে যদি আমি চাঁদের মাটিকে ভালো বাসতাম
তবে আমি নীল ডায়েরি না হয়ে নীল আর্মস্ট্রং হতাম।
Comments
Post a Comment