সূচিপত্র প্রবন্ধ : সুদর্শন মণ্ডল বটু কৃষ্ণ হালদার অরুণ চট্টোপাধ্যায় রণেশ রায় # অণুগল্প : সত্যম ভট্টাচার্য # মুক্তগদ্য : তরুণ প্রামানিক শেফালী সর # ভ্রমণকাহিনি : প্রলয় বসু রমলা মুখার্জী # পত্রিকা আলোচনা: বঙ্কিম কুমার বর্মন # শব্দ-প্রভা ২: ঐন্দ্রিলা মিত্র ছড়া/কবিতা: অনিন্দ্য পাল সঞ্জীব সেন সুমিত মোদক সুমন নস্কর অমরেশ বিশ্বাস আবদুস সালাম প্রিয়ব্রত দত্ত ঐন্দ্রিলা মিত্র তাপসকিরণ রায় সোমনাথ বেনিয়া তপন কুমার মাজি তমোঘ্ন নস্কর দীপ্তেন্দু প্রকাশ ধাড়া নৃপেন্দ্রনাথ মহন্ত পারমিতা রাহা হালদার প্রতুল রীত প্রদীপ কুমার সামন্ত বারিদ বরণ ভট্টাচার্য্য মাথুর দাস মৃত্যুঞ্জয় হালদার রানা চ্যাটার্জী রণবীর বন্দ্যোপাধ্যায় শক্তিপদ পণ্ডিত শুভঙ্কর দাস শুভাশিস দাশ সাইফুল ইসলাম সায়ন মোহন্ত সায়নী ব্যানার্জী সান্ত্বনা চ্যাটার্জী সোমা মজুমদার সঞ্চিতা চক্রবর্তী সঞ্জয় কুমার মল্লিক সুদর্শন মণ্ডল সবিতা বিশ্বাস সুবীর হালদার সুব্রত দাস আলাপন রায় চৌধুরী সম্পা পাল অষ্ট...
জাতিস্মর আশীষ কুমার বিশ্বাস গল্পের শুরুটা প্রায় ষাট বছর আগের কথা । যার নাম গৌতম, ডাক নাম ছিল বাবু । তার বছর তখন ছয়-সাত হবে । আমরা বা আমি তখন একটু বড় । এক সাথেই চলতো খেলা । গোল্লা ছুট, দাঁড়িয়া বান্দা, চোর-পুলিশ । যে মাঝে মাঝে খেলা থেকে বিরত থাকতো ; সে-ই জাতিস্মর । মাঠের পাশেই ছিল একটা খেঁজুর গাছ । তাতে হাত রেখে দূরের এক গ্রামের দিকে এক মনে তাঁকিয়ে থাকতো "বাবু" । গ্রামটির নাম "বিনয় পল্লী " । মাঝে বড়ো মাঠ । হাঁটা শুরু করলে তিরিশ - চল্লিশ মিনিট লাগবে । মাঝে জলে ভরপুর দেখে কখনো যাওয়া হয়নি । বাবু কে যখন বলতাম, ওপারে কি দেখছিস? ও বলতো, ওখানে আমার ছোট মা থাকে, দিদি থাকে, আমার ভুলু কুকুর থাকে । এ কথা আমাদের বিশ্বাস হতো না । আবার খেলায় ফিরে যেতাম, খেলতাম । কিন্তু ও বসে বসে , ওপারের গাছ পালা , বাড়ি ঘর দেখতো । কাছে গেলে বলতো , ওই যে সবুজ ,কচি কলাপাতা রঙের দালান বাড়ি, ওটাই আমাদের বাড়ি ! এই ভাবে মাস ছয়, বছর গড়াতে লাগলো । মনে প্রশ্ন জাগতে লাগলো, এ টা কি মন গড়া , বা বানিয়ে বানিয়ে বলছে? সত্যি প্রকাশ হোল এক দিন । সে বাড়িতে কিছু ...