করোটিকে বিয়ে করা অবাধ্য মেয়েটি বাংলা রূপান্তর : চন্দন মিত্র মেয়েটির নাম আফিয়ং । সে অতীব সুন্দরী। প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে যুবকেরা বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে হাজির হয় কোভাম গ্রামে তার বাড়িতে। কিন্তু আফিয়ং তাদের সকলকে প্রত্যাখ্যান করে। তার একান্ত ইচ্ছা সে দেশের সব থেকে সুন্দর ছেলেকে বিয়ে করবে, যে হবে শক্তিশালী সাহসী এবং তাকে মনপ্রাণ দিয়ে ভালোবাসবে। আফিয়ং-এর বাবা-মা মেয়ের জন্য পাত্রের সন্ধান করতে থাকেন, কিন্তু তাঁরা এমন সব পাত্র জোগাড় করেন যারা অর্থবান হলেও বয়স্ক এবং তেমন সুশ্রীও নয়। স্বভাবতই আফিয়ং সেইসব পাত্রকে পাত্তা দিত না। আফিয়ং-এর সৌন্দর্যের কথা এক পৌঁছে যায় প্রেতলোকে। এক করোটি আফিয়ংকে পাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। কিন্তু সে তো নিছক একটা মাথার খুলি, তার ঘিলু নেই, দেহ নেই অঙ্গপ্রত্যঙ্গ নেই। অনেক ভেবেচিন্তে সে তার ভূতপ্রেত বন্ধুদের দ্বারস্থ হল। একজনের কাছ থেকে ধার নিল একটা সুশ্রী মুখমণ্ডল, আর একজনের কাছ থেকে ধার নিল একটি সুঠাম দেহ, একজনের কাছ থেকে নিল পেশীবহুল বাহুযুক্ত একজোড়া হাত, ...
মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র প্রকাশিত হল। যত লেখা রাখা গেল, তার দ্বিগুণ রাখা গেল না। বাদ যাওয়া সব লেখার 'মান' খারাপ এমন নয়। কয়েকটি প্রবন্ধ এবং বেশ কিছু (১৫-১৭টা) ভালোলাগা গল্প শেষ পর্যন্ত রাখা যায়নি। আমাদের সামর্থ্যের কারণে। তবুও শেষ পর্যন্ত দশ ফর্মার পত্রিকা হয়েছে। গত দুবছরের মতো A4 সাইজের পত্রিকা। যাঁদের লেখা রাখা গেল না, তাঁরা লেখাগুলি অন্য জায়গায় পাঠাতে পারেন। অথবা, সম্মতি দিলে আমরা লেখাগুলি আমাদের অনলাইন নবপ্রভাতের জানুয়ারি ২০২৬ সংখ্যায় প্রকাশ করতে পারি। পত্রিকাটি আগামী ৯-১৩ জানুয়ারি ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি আয়োজিত কলকাতা লিটল ম্যাগাজিন মেলায় (রবীন্দ্র সদন - নন্দন চত্বরে) পাওয়া যাবে। সকলকে ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা।