সূচিপত্র শ্রাবণ সংখ্যার জন্য একটি প্রবন্ধ ।। কবিতায় বর্ষা যাপন ।। শংকর ব্রহ্ম তিনটি কবিতা ।। নিমাই জানা কবিতা ।। অরণ্যকন্যা ।। অরিন্দম চট্টোপাধ্যায় ছড়া ।। শ্রাবণের গান ।। দীনেশ সরকার দ্বিভাষিক কবিতা বিষয়ক কিছু কথা ।। রণেশ রায় ছড়া ।। যায় আর আসে ।। বদরুল বোরহান কবিতা ।। আকাশ থমকে গেছে ।। সুনন্দ মন্ডল কবিতা ।। ভিখারী ।। জয়িতা চট্টোপাধ্যায় গল্প ।। সন্তান ।। প্রণব কুমার চক্রবর্তী ছড়া ।। যখন থাকি একা ।। মানস চক্রবর্তী ছোটগল্প ।। চোখের আলোয় চেয়ে ।। সৌমেন দেবনাথ দুটি কবিতা ।। মহাজিস মণ্ডল কবিতা ।। পাথর ।। তন্ময় দেবনাথ কবিতা ।। বাস্তবতার ক্যানভাসে ।। বিশ্বজিৎ কর কবিতা ।। ফাঁসজাল ।। বিবেকানন্দ নস্কর ছড়া ।। গুঁতোগুঁতি ।। বদ্রীনাথ পাল ছড়া ।। ঠিক তালে ।। কার্ত্তিক মণ্ডল কবিতা ।। অভাগা ।। নিরঞ্জন মণ্ডল কবিতায় নদিয়া-কথা ।। সবিতা বিশ্বাস কবিতা ।। গানের গুঁতোয় ।। গোবিন্দ মোদক তিনটি কবিতা ।। সুশান্ত সেন কবিতা ।। সুর পরিবর্তন ।। নিবেদিতা দে কবিতা ।। বটবৃক্ষ কাহিনি ।। তীর্থঙ্কর সুমিত গল্প ।। জীবন দান ।। মিঠুন মুখার্জী কবিতা ।। তোমাকে ।। গৌ...
নীলিমার আত্মজাগরণ পরেশ চন্দ্র মাহাত নীলিমা মাহাত, বয়স পঁচিশ প্লাস —তার বাবা মায়ের পঞ্চম তথা শেষ সন্তান। দুই দাদা —বড়দাদা শঙ্কর ও ছোটদাদা বিজয়। বড় দাদা শঙ্কর আর দুই দিদি তাদের কিন্তু বিয়ে হয়ে গেছে। একমাত্র নীলিমা আপাতত স্বামীর কোমল হাতের স্পর্শ ও সহানুভূতি থেকে বঞ্চিত এবং আদৌ কবে অথবা সেই সৌভাগ্য আসবে সেটা ঈশ্বরের নিকটই একমাত্র জ্ঞাত। সেই সঙ্গে দুবছরের সিনিয়র ছোটদাদা বিজয়েরও নীলিমার মতো অবস্থা। তারও জীবনসঙ্গিনী জুটেনি। মোট সাতজন সদস্য নিয়ে গঠিত সংসার নীলিমাদের পরিবার। মধ্যবিত্ত পরিবার —মধ্যবিত্ত পরিবার না বলে যদি নিম্নবিত্ত বলা হয় তবুও কোনো অত্যুক্তি করা হয় না। বাবার প্রত্যেকদিনের আয়ের উপর ভিত্তি করেই চলে সংসার। এই কঠোর এবং কঠিন পরিস্থিতিতেও নীলিমার মা শ্রীমতী মেনকা‚ সংসার সামলে তার ছেলেমেয়েদের পড়াশুনার প্রতি যথেষ্ট তৎপর ও সহানুভূতিশীল। তাদের পড়াশুনায় কোনো খামতি রাখেননি। যথা সময়ে তাদেরকে বিদ্যালয়ের মুখ দেখিয়েছে – টিউশনের বন্দোবস্ত করেছে। তাদের জীবন যাতে সুখকর হয় সেটাই প্রতিদিন ভগবানের কাছে প্রার্থনা করেছে। পাঁচ-পাঁচটি ছেলেমেয়ের মধ্যে সবাইকে উচ্চশিক্ষিত করে তোলা একপ...