সূচিপত্র শ্রাবণ সংখ্যার জন্য একটি প্রবন্ধ ।। কবিতায় বর্ষা যাপন ।। শংকর ব্রহ্ম তিনটি কবিতা ।। নিমাই জানা কবিতা ।। অরণ্যকন্যা ।। অরিন্দম চট্টোপাধ্যায় ছড়া ।। শ্রাবণের গান ।। দীনেশ সরকার দ্বিভাষিক কবিতা বিষয়ক কিছু কথা ।। রণেশ রায় ছড়া ।। যায় আর আসে ।। বদরুল বোরহান কবিতা ।। আকাশ থমকে গেছে ।। সুনন্দ মন্ডল কবিতা ।। ভিখারী ।। জয়িতা চট্টোপাধ্যায় গল্প ।। সন্তান ।। প্রণব কুমার চক্রবর্তী ছড়া ।। যখন থাকি একা ।। মানস চক্রবর্তী ছোটগল্প ।। চোখের আলোয় চেয়ে ।। সৌমেন দেবনাথ দুটি কবিতা ।। মহাজিস মণ্ডল কবিতা ।। পাথর ।। তন্ময় দেবনাথ কবিতা ।। বাস্তবতার ক্যানভাসে ।। বিশ্বজিৎ কর কবিতা ।। ফাঁসজাল ।। বিবেকানন্দ নস্কর ছড়া ।। গুঁতোগুঁতি ।। বদ্রীনাথ পাল ছড়া ।। ঠিক তালে ।। কার্ত্তিক মণ্ডল কবিতা ।। অভাগা ।। নিরঞ্জন মণ্ডল কবিতায় নদিয়া-কথা ।। সবিতা বিশ্বাস কবিতা ।। গানের গুঁতোয় ।। গোবিন্দ মোদক তিনটি কবিতা ।। সুশান্ত সেন কবিতা ।। সুর পরিবর্তন ।। নিবেদিতা দে কবিতা ।। বটবৃক্ষ কাহিনি ।। তীর্থঙ্কর সুমিত গল্প ।। জীবন দান ।। মিঠুন মুখার্জী কবিতা ।। তোমাকে ।। গৌ...
জাতিস্মর আশীষ কুমার বিশ্বাস গল্পের শুরুটা প্রায় ষাট বছর আগের কথা । যার নাম গৌতম, ডাক নাম ছিল বাবু । তার বছর তখন ছয়-সাত হবে । আমরা বা আমি তখন একটু বড় । এক সাথেই চলতো খেলা । গোল্লা ছুট, দাঁড়িয়া বান্দা, চোর-পুলিশ । যে মাঝে মাঝে খেলা থেকে বিরত থাকতো ; সে-ই জাতিস্মর । মাঠের পাশেই ছিল একটা খেঁজুর গাছ । তাতে হাত রেখে দূরের এক গ্রামের দিকে এক মনে তাঁকিয়ে থাকতো "বাবু" । গ্রামটির নাম "বিনয় পল্লী " । মাঝে বড়ো মাঠ । হাঁটা শুরু করলে তিরিশ - চল্লিশ মিনিট লাগবে । মাঝে জলে ভরপুর দেখে কখনো যাওয়া হয়নি । বাবু কে যখন বলতাম, ওপারে কি দেখছিস? ও বলতো, ওখানে আমার ছোট মা থাকে, দিদি থাকে, আমার ভুলু কুকুর থাকে । এ কথা আমাদের বিশ্বাস হতো না । আবার খেলায় ফিরে যেতাম, খেলতাম । কিন্তু ও বসে বসে , ওপারের গাছ পালা , বাড়ি ঘর দেখতো । কাছে গেলে বলতো , ওই যে সবুজ ,কচি কলাপাতা রঙের দালান বাড়ি, ওটাই আমাদের বাড়ি ! এই ভাবে মাস ছয়, বছর গড়াতে লাগলো । মনে প্রশ্ন জাগতে লাগলো, এ টা কি মন গড়া , বা বানিয়ে বানিয়ে বলছে? সত্যি প্রকাশ হোল এক দিন । সে বাড়িতে কিছু ...