পাত্তারি অবশেষ দাস আটচালা পাঠশালা পন্ডিত একটা স্তব্ধতা ভেঙে দিয়ে ডাকে প্যাকঁ প্যাঁকটা। আট ছড়া গাঁটছড়া কাট ছড়া চলকে লাউমাচা চোখ নাচা শোল-ল্যাটা ঝোল খে। শরপুঁটি ধর পুঁটি ধর খুঁটি জাপটে শোল পোনা বলবো না শিরদাঁড়া সাপটে। আটচালা পাঠশালা চার চালা সামনে রাত হলে ভয় নেই দারোগার নাম নে। খোকা লেখে ক্যালকাটা খুকি লেখে পাটনা বড়োবউ দুই বেলা বেটে যায় বাটনা। প্রতিবেশী খড়খড়ি মুখে নেই ঢাকনা মেয়েগুলো বড়ো হলে মেলে দেয় পাখনা। পাঠশালা রোজ বসে রাখালের টিকি নেই ছুটে ছুটে মাস যায় কানাকড়ি সিকি নেই। পন্ডিত ডাক দেয় হাঁক দেয় জোর সে এসব তো সেকালের পুরাতন ভোর সে। আটচালা পাঠশালা আঁকছিল পটলা বাঁধানো সে বটগাছে হচ্ছিল জটলা। নিধিরাম আলুওলা বেচুরাম সবজি কুস্তিতে প্যালারাম ভেঙেছিল কব্জি। কত ছবি উঁকি মারে রকমারি পাতাতে কিছু ছবি মুছে যায় থাকে না সে মাথাতে। জলপাই জল খাই চল ভাই বাড়িতে ঠাকুর দা এঁকেছিল ক্লাশ পাত্তারিতে। ====000====
দাদা ঠাকুর ও কাজী নজরুলের দ্বিমুখী সখ্যতা আবদুস সালাম কাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে দাদাঠাকুরের পরিচয় কীভাবে হয়, সেই প্রসঙ্গে আলোকপাত করেন আবদুল আযীয আল-আমান। তাঁর লেখা থেকে জানা যায়, নলিনীকান্ত সরকার মহাশয়ের মাধ্যমে দাদাঠাকুরের সঙ্গে নজরুলের প্রথম পরিচয় হয়। নজরুলের ‘বিদ্রোহী’ কবিতা তখনও প্রকাশিত হয়নি। মোসলেম ভারতে প্রকাশিত কবির কয়েকটি কবিতা নিয়ে বাংলার সাহিত্যিক, কবি, পাঠক, সমালোচক মহলে রীতিমতো উঠেছে আলোড়ন। সেই সময় দাদাঠাকুরের সঙ্গে নজরুলের প্রথম আলাপ। *"দাদাঠাকুর" ওরফে শরৎচন্দ্র পণ্ডিত – ১৯ শতকের শেষ আর ২০ শতকের প্রথম দিকের এক তুখোড় ব্যঙ্গকার, সাংবাদিক এবং নাট্যকার। উনার "জঙ্গম" পত্রিকা তখন কলকাতার সাহিত্য-রাজনীতির আখড়া ।সবাই মুখিয়ে থাকতো কখন আসছে “জঙ্গম”। সারাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আর শ্লেষাত্মক ছড়া। কাজী নজরুল ইসলাম তখন সদ্য সাহিত্য জগতে এসেছেন। এসেই সাহিত্যের আঙিনায় তুলেছেন ঝড়। অসহ্য।কোথাকার এক গেঁয়ো- ভূত এসে তছনছ করে দিচ্ছে সব হিসেব । কিছুতেই কেউ যেন মেলাতে পারছে না অঙ্ক ।বিভিন্ন আলাপ আলোচনা ও সমসাময়িক বহু কলমচীর কথায় উঠে আসে দাদা ঠাকুর ও নজরুল প্রসঙ...