পাত্তারি অবশেষ দাস আটচালা পাঠশালা পন্ডিত একটা স্তব্ধতা ভেঙে দিয়ে ডাকে প্যাকঁ প্যাঁকটা। আট ছড়া গাঁটছড়া কাট ছড়া চলকে লাউমাচা চোখ নাচা শোল-ল্যাটা ঝোল খে। শরপুঁটি ধর পুঁটি ধর খুঁটি জাপটে শোল পোনা বলবো না শিরদাঁড়া সাপটে। আটচালা পাঠশালা চার চালা সামনে রাত হলে ভয় নেই দারোগার নাম নে। খোকা লেখে ক্যালকাটা খুকি লেখে পাটনা বড়োবউ দুই বেলা বেটে যায় বাটনা। প্রতিবেশী খড়খড়ি মুখে নেই ঢাকনা মেয়েগুলো বড়ো হলে মেলে দেয় পাখনা। পাঠশালা রোজ বসে রাখালের টিকি নেই ছুটে ছুটে মাস যায় কানাকড়ি সিকি নেই। পন্ডিত ডাক দেয় হাঁক দেয় জোর সে এসব তো সেকালের পুরাতন ভোর সে। আটচালা পাঠশালা আঁকছিল পটলা বাঁধানো সে বটগাছে হচ্ছিল জটলা। নিধিরাম আলুওলা বেচুরাম সবজি কুস্তিতে প্যালারাম ভেঙেছিল কব্জি। কত ছবি উঁকি মারে রকমারি পাতাতে কিছু ছবি মুছে যায় থাকে না সে মাথাতে। জলপাই জল খাই চল ভাই বাড়িতে ঠাকুর দা এঁকেছিল ক্লাশ পাত্তারিতে। ====000====
প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। ৯৬তম সংখ্যা ।। ফাল্গুন ১৪৩২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ।। প্রথম পর্ব : 'প্রেম' বিষয়ক লেখাগুচ্ছ
সূচিপত্র গদ্য-গল্প-কবিতা প্রেম বিষয়ক কবিতা ।। উত্তম চৌধুরী উদভ্রান্ত আমি ।। জয়িতা চট্টোপাধ্যায় গুচ্ছকবিতা || অভিজিৎ হালদার প্রেম: মানুষের অন্তরে জ্বলে থাকা অনন্ত আলোর নাম ।। আদিল হোসেন মাহি অসমাপ্ত ভালোবাসা ✍️ শিবাশিস মুখার্জী অসমাপ্ত শ্রুতি ।। জয় মণ্ডল রম্যরচনা ।। ভালোবাসা প্রাইভেট লিমিটেড ।। অভীক চন্দ্র প্রেমিক-জন্ম ।। নবনীতা সরকার সুব্রতাসম্ভব, সহজ গান ।। অর্ণব সামন্ত যৌবনের বিগত ঋণ ।। শম্পা সামন্ত দেখা ।। রাজশ্রী দে খেলাঘর ।। অদিতি চ্যাটার্জি ক্ষণস্থায়ী ।। শ্যামল হুদাতী মন ।। লালন চাঁদ আনমনে ।। সন্দীপ গাঙ্গুলী রজনীর গন্ধে ভেজা রাত ।। কৃষ্ণনীল মিস্টার ব্যানার্জী || আরজু মুন জারিন দুটি কবিতা ।। জয়শ্রী দাস কড়ানাড়া ।। মলয় সরকার অদেখা চিঠির নদী ।। দেবব্রত মণ্ডল অপূর্ণতা ।। সুখেন সিনহা জুলি এবং আমি ।। মাখনলাল প্রধান প্রেমের আরেক নাম ।। সুমিত মোদক হৃদয় ঘটিত ।। চঞ্চল পাণ্ডে তোমার জন্য ।। বনশ্রী চক্রবর্তী কল্পপ্রেম ।। প্রদীপ সেন বেনারসিটা শুধুই তোর জন্য ।। সৈকত প্রসাদ রায় তিনটি কবিতা ।। স্নেহা ঘণ্টেশ্বরী ...