পাত্তারি অবশেষ দাস আটচালা পাঠশালা পন্ডিত একটা স্তব্ধতা ভেঙে দিয়ে ডাকে প্যাকঁ প্যাঁকটা। আট ছড়া গাঁটছড়া কাট ছড়া চলকে লাউমাচা চোখ নাচা শোল-ল্যাটা ঝোল খে। শরপুঁটি ধর পুঁটি ধর খুঁটি জাপটে শোল পোনা বলবো না শিরদাঁড়া সাপটে। আটচালা পাঠশালা চার চালা সামনে রাত হলে ভয় নেই দারোগার নাম নে। খোকা লেখে ক্যালকাটা খুকি লেখে পাটনা বড়োবউ দুই বেলা বেটে যায় বাটনা। প্রতিবেশী খড়খড়ি মুখে নেই ঢাকনা মেয়েগুলো বড়ো হলে মেলে দেয় পাখনা। পাঠশালা রোজ বসে রাখালের টিকি নেই ছুটে ছুটে মাস যায় কানাকড়ি সিকি নেই। পন্ডিত ডাক দেয় হাঁক দেয় জোর সে এসব তো সেকালের পুরাতন ভোর সে। আটচালা পাঠশালা আঁকছিল পটলা বাঁধানো সে বটগাছে হচ্ছিল জটলা। নিধিরাম আলুওলা বেচুরাম সবজি কুস্তিতে প্যালারাম ভেঙেছিল কব্জি। কত ছবি উঁকি মারে রকমারি পাতাতে কিছু ছবি মুছে যায় থাকে না সে মাথাতে। জলপাই জল খাই চল ভাই বাড়িতে ঠাকুর দা এঁকেছিল ক্লাশ পাত্তারিতে। ====000====
মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র প্রকাশিত হল। যত লেখা রাখা গেল, তার দ্বিগুণ রাখা গেল না। বাদ যাওয়া সব লেখার 'মান' খারাপ এমন নয়। কয়েকটি প্রবন্ধ এবং বেশ কিছু (১৫-১৭টা) ভালোলাগা গল্প শেষ পর্যন্ত রাখা যায়নি। আমাদের সামর্থ্যের কারণে। তবুও শেষ পর্যন্ত দশ ফর্মার পত্রিকা হয়েছে। গত দুবছরের মতো A4 সাইজের পত্রিকা। যাঁদের লেখা রাখা গেল না, তাঁরা লেখাগুলি অন্য জায়গায় পাঠাতে পারেন। অথবা, সম্মতি দিলে আমরা লেখাগুলি আমাদের অনলাইন নবপ্রভাতের জানুয়ারি ২০২৬ সংখ্যায় প্রকাশ করতে পারি। পত্রিকাটি আগামী ৯-১৩ জানুয়ারি ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি আয়োজিত কলকাতা লিটল ম্যাগাজিন মেলায় (রবীন্দ্র সদন - নন্দন চত্বরে) পাওয়া যাবে। সকলকে ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা।