অনুবাদ কাব্য মূল রচনা: "I Don't Need Anything from Here" By Laszlo Krasznahorkai আমার এখান থেকে কিছু চাওয়ার নেই শর্মিষ্ঠা মিত্র পাল চৌধুরী আমি এখানে সবকিছু রেখে যাবো...এই উপত্যকা, এই পাহাড়, এই আঁকাবাঁকা পথ, গাছের পাতার আড়ালে পাখির কিচিরমিচির...আমি এখানে রেখে যাবো স্বর্গের এবং পৃথিবীর; বসন্তের এবং হেমন্তের; সব নিয়ন্ত্রক ও ধর্মযাজকদের...আমি রেখে যাবো সব বহির্গমনের পথ, রন্ধন গৃহের সব সন্ধ্যা, কামার্ত দৃষ্টি আর শহরের কাঁপিয়ে দেওয়া যান্ত্রিকতা! গোধূলি যেভাবে নিবিড়ভাবে পৃথিবীকে আলিঙ্গন করে...পৃথিবীর প্রবল মাধ্যাকর্ষণ, আশা-আকাঙ্ক্ষা, মোহ, প্রশান্তি... সবকিছু আমি এখানে রেখে যাবো...আমার মনের মনিকোঠায় যারা থাকে; যা কিছু আমাকে স্পর্শ করে; যা কিছু আমাকে আঘাত করে; যা কিছু আমাকে মুগ্ধ করে আর যা কিছু আমার আত্মার উন্নয়ন ঘটায়; সবকিছুই আমি এখানে রেখে যাব...আমি রেখে যাবো সমস্ত সম্ভ্রান্ত,উপকারী এবং স্নিগ্ধ মানুষদের...আর সেই সাথে তাদেরও রেখে যাবো যারা পৈশাচিকভাবে সুন্দর! এখানে আমি রেখে যাবো তাদেরকে- যারা এখনো অঙ্কুরিত হয়নি; রেখে যাবো যাবতীয় জন্ম এবং অস্তিত্ব...পৃথিবীর সকল ম...
জাতিস্মর আশীষ কুমার বিশ্বাস গল্পের শুরুটা প্রায় ষাট বছর আগের কথা । যার নাম গৌতম, ডাক নাম ছিল বাবু । তার বছর তখন ছয়-সাত হবে । আমরা বা আমি তখন একটু বড় । এক সাথেই চলতো খেলা । গোল্লা ছুট, দাঁড়িয়া বান্দা, চোর-পুলিশ । যে মাঝে মাঝে খেলা থেকে বিরত থাকতো ; সে-ই জাতিস্মর । মাঠের পাশেই ছিল একটা খেঁজুর গাছ । তাতে হাত রেখে দূরের এক গ্রামের দিকে এক মনে তাঁকিয়ে থাকতো "বাবু" । গ্রামটির নাম "বিনয় পল্লী " । মাঝে বড়ো মাঠ । হাঁটা শুরু করলে তিরিশ - চল্লিশ মিনিট লাগবে । মাঝে জলে ভরপুর দেখে কখনো যাওয়া হয়নি । বাবু কে যখন বলতাম, ওপারে কি দেখছিস? ও বলতো, ওখানে আমার ছোট মা থাকে, দিদি থাকে, আমার ভুলু কুকুর থাকে । এ কথা আমাদের বিশ্বাস হতো না । আবার খেলায় ফিরে যেতাম, খেলতাম । কিন্তু ও বসে বসে , ওপারের গাছ পালা , বাড়ি ঘর দেখতো । কাছে গেলে বলতো , ওই যে সবুজ ,কচি কলাপাতা রঙের দালান বাড়ি, ওটাই আমাদের বাড়ি ! এই ভাবে মাস ছয়, বছর গড়াতে লাগলো । মনে প্রশ্ন জাগতে লাগলো, এ টা কি মন গড়া , বা বানিয়ে বানিয়ে বলছে? সত্যি প্রকাশ হোল এক দিন । সে বাড়িতে কিছু ...