সকল পেশা সমান গুরুত্বপূর্ণ ফাতিমা তাবিয়া সুবাহ পাঠ্য বইয়ে "শ্রমের মর্যাদা" এই বিষয়ে গল্প, রচনা হয়তো আমরা সবাই পড়েছি। আমরা শুধুমাত্র পরীক্ষার জন্যই সেটা মুখস্থ করি। কিন্তু পরবর্তীতে সেটা আর কাজে লাগাই না। আমরা বুঝার চেষ্টা করি না যে সত্যিই সকল পেশার সমান মর্যাদা দেওয়া উচিৎ। পৃথিবীতে যত ধরনের পেশা আছে তার প্রত্যেকটিই আমাদের সমাজে বেঁচে থাকার জন্য এবং ভালভাবে জীবনযাপন করার জন্য খুবই জরুরি। আমাদের সমাজে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার,শিক্ষক,আইনজীবী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এরা যেমন সম্মান বা মর্যাদা পায় রিকশাচালক, সুইপার,পিয়ন, পোস্টমাস্টার, গৃহকর্মী, মিস্ত্রী এরা কিন্তু তার বিন্দুমাত্র মর্যাদাও পায় না। এর একটাই কারণ, একদল সমাজের আখ্যায়িত উঁচু পেশায় নিয়োজিত আর আরেকদল নিচু পেশায়।অথচ সমাজে কারো অবদান কারো থেকে কম নয়। কিন্তু আমরা একটাবার ভাবি না যে নিচু পেশায় নিয়োজিত আমরা যাদের বলি তারা যদি তাদের কাজ করা বন্ধ করে দেয় তখন আমরা অচল হয়ে যাবো। যেমন একজন ডাক্তার, ইন্জিনিয়ার, আইনজীবী, শিক্ষক, পুলিশ, বিমান চালক যদি তাদের কাজ না করতো তো আমরা টিকে থাকতে পারতাম না। ঠিক তেমনি একজন রিকশ...
দাদা ঠাকুর ও কাজী নজরুলের দ্বিমুখী সখ্যতা আবদুস সালাম কাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে দাদাঠাকুরের পরিচয় কীভাবে হয়, সেই প্রসঙ্গে আলোকপাত করেন আবদুল আযীয আল-আমান। তাঁর লেখা থেকে জানা যায়, নলিনীকান্ত সরকার মহাশয়ের মাধ্যমে দাদাঠাকুরের সঙ্গে নজরুলের প্রথম পরিচয় হয়। নজরুলের ‘বিদ্রোহী’ কবিতা তখনও প্রকাশিত হয়নি। মোসলেম ভারতে প্রকাশিত কবির কয়েকটি কবিতা নিয়ে বাংলার সাহিত্যিক, কবি, পাঠক, সমালোচক মহলে রীতিমতো উঠেছে আলোড়ন। সেই সময় দাদাঠাকুরের সঙ্গে নজরুলের প্রথম আলাপ। *"দাদাঠাকুর" ওরফে শরৎচন্দ্র পণ্ডিত – ১৯ শতকের শেষ আর ২০ শতকের প্রথম দিকের এক তুখোড় ব্যঙ্গকার, সাংবাদিক এবং নাট্যকার। উনার "জঙ্গম" পত্রিকা তখন কলকাতার সাহিত্য-রাজনীতির আখড়া ।সবাই মুখিয়ে থাকতো কখন আসছে “জঙ্গম”। সারাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আর শ্লেষাত্মক ছড়া। কাজী নজরুল ইসলাম তখন সদ্য সাহিত্য জগতে এসেছেন। এসেই সাহিত্যের আঙিনায় তুলেছেন ঝড়। অসহ্য।কোথাকার এক গেঁয়ো- ভূত এসে তছনছ করে দিচ্ছে সব হিসেব । কিছুতেই কেউ যেন মেলাতে পারছে না অঙ্ক ।বিভিন্ন আলাপ আলোচনা ও সমসাময়িক বহু কলমচীর কথায় উঠে আসে দাদা ঠাকুর ও নজরুল প্রসঙ...