পাত্র দেখা সুশীল বন্দ্যোপাধ্যায় ছেলে কি করে? এই অল্পস্বল্প কিছু করে। অল্পস্বল্প মানে? ঠিক কি করে বলবেন তো। ঐ টুকটাক করে আর কি! বুঝেছি।তা টুকটাক করে কি হবে? ওতে আর কতটুকু হবে? ওর থেকে বরং তুকতাক যদি কিছু করতো তো লাভ হতো। তুকতাক মানে? এই মানে লাগলে তুক না লাগলে তাক। জ্যোতিষ বিদ্যা, বশীকরণ বিদ্যা, সম্মোহিনী বিদ্যা, তন্ত্র বিদ্যা সব এক একটা প্যাকেজ।যেটাতে লাগে। ওতে কি হবে? ওতেই তো হবে। টাকা হবে, পয়সা হবে,বাড়ি হবে, গাড়ি হবে, ধনসম্পত্তি, ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স সব হবে।নতুন নতুন বান্ধবীও হবে। কি করে? ভাগ্যকে ঘুরিয়ে দিয়ে।এইসব বিদ্যা দিয়ে ভাগ্যকে আশি থেকে একশো আশি ডিগ্ৰি পর্যন্ত ঘুরিয়ে দেওয়া যায়। ফকির থেকে আমির হওয়া যায়, জিরো থেকে হিরো হওয়া যায়। ভ্যাগাবন্ড হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছিল এখন বি এম ডব্লিউ গাড়ি নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাহলে তো বিরাট ব্যাপার। বিরাট ব্যাপারই তো। সেজন্যই তো 'তাক',বলে না 'তাক' লেগে গেলো, সেই তাক।তুক থেকে তাক।কি ছেলো আর কি হেলো। তা সেটার জন্য কি করতে হবে? ধারণ করতে হবে। শুধু ধারণা করলে এখন কিছু হয় না।এই ধরুন এমন তাবিজ আছে যেটা ধারণ করলে ধারণার বাইরে টা...
জাতিস্মর আশীষ কুমার বিশ্বাস গল্পের শুরুটা প্রায় ষাট বছর আগের কথা । যার নাম গৌতম, ডাক নাম ছিল বাবু । তার বছর তখন ছয়-সাত হবে । আমরা বা আমি তখন একটু বড় । এক সাথেই চলতো খেলা । গোল্লা ছুট, দাঁড়িয়া বান্দা, চোর-পুলিশ । যে মাঝে মাঝে খেলা থেকে বিরত থাকতো ; সে-ই জাতিস্মর । মাঠের পাশেই ছিল একটা খেঁজুর গাছ । তাতে হাত রেখে দূরের এক গ্রামের দিকে এক মনে তাঁকিয়ে থাকতো "বাবু" । গ্রামটির নাম "বিনয় পল্লী " । মাঝে বড়ো মাঠ । হাঁটা শুরু করলে তিরিশ - চল্লিশ মিনিট লাগবে । মাঝে জলে ভরপুর দেখে কখনো যাওয়া হয়নি । বাবু কে যখন বলতাম, ওপারে কি দেখছিস? ও বলতো, ওখানে আমার ছোট মা থাকে, দিদি থাকে, আমার ভুলু কুকুর থাকে । এ কথা আমাদের বিশ্বাস হতো না । আবার খেলায় ফিরে যেতাম, খেলতাম । কিন্তু ও বসে বসে , ওপারের গাছ পালা , বাড়ি ঘর দেখতো । কাছে গেলে বলতো , ওই যে সবুজ ,কচি কলাপাতা রঙের দালান বাড়ি, ওটাই আমাদের বাড়ি ! এই ভাবে মাস ছয়, বছর গড়াতে লাগলো । মনে প্রশ্ন জাগতে লাগলো, এ টা কি মন গড়া , বা বানিয়ে বানিয়ে বলছে? সত্যি প্রকাশ হোল এক দিন । সে বাড়িতে কিছু ...