অচেনা তবু আমরা দেবযানী পাল গোধূলি- চলো না একটু নদীর পাড়ে গিয়ে বসি। তামস - চলো, তবে দেখেছ, জলটাও কেমন যেন ধূসর বর্ণ ধারণ করেছে। গোধূলি - আসলে সময়ের ধূসরতা জলেতেও প্রতিফলিত, আমরাও তো ধূসর গোধূলির আমন্ত্রণে আজ। তামস - তুমি নিজেকে ধূসর বলছো! গোলাপের বিবর্ণতার মাঝেও সে তার রঙে গন্ধে সমুজ্জ্বল, যেমন তুমি। গোধূলি - তুমিও তো পশ্চিমাকাশের সূর্যের মত দীপ্তি ছড়াচ্ছ। তামস - আসলে আমরা হলাম জীবনের আজ্ঞাবহ প্রতিনিধি, তার মাঝেই নিজেদের পরিচয় রেখে যাই আপন গুণের মহিমায় তা ভালো বা খারাপ যাই হোক। এবার দুজনে একসাথে গেয়ে ওঠে -- মনটা আমার সঙ্গী করে বেদুইনের মন্ত্র পড়ে চলনা কোথাও যাই হারিয়ে, তেপান্তরের মাঠ পেরিয়ে, দূরের ওই বহ্নিশিখা পারবে না আর ফেলতে ছুঁয়ে, ঝাঁপ দেবো সেই অসীমকাশে, কক্ষনো না মরণ কুঁয়ে। পৃথিবীর সকল কণায় জীবন আমি বহুরূপী সাধ্য সাধে সাজাই আকর থাকে না কোন কারচুপি, নিয়তির খেলায় দান দেয় অজানা কেউ, আমি নিমিত্ত, সব সাজানো, ওই যা আসছে সেই ঢেউ।
মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র প্রকাশিত হল। যত লেখা রাখা গেল, তার দ্বিগুণ রাখা গেল না। বাদ যাওয়া সব লেখার 'মান' খারাপ এমন নয়। কয়েকটি প্রবন্ধ এবং বেশ কিছু (১৫-১৭টা) ভালোলাগা গল্প শেষ পর্যন্ত রাখা যায়নি। আমাদের সামর্থ্যের কারণে। তবুও শেষ পর্যন্ত দশ ফর্মার পত্রিকা হয়েছে। গত দুবছরের মতো A4 সাইজের পত্রিকা। যাঁদের লেখা রাখা গেল না, তাঁরা লেখাগুলি অন্য জায়গায় পাঠাতে পারেন। অথবা, সম্মতি দিলে আমরা লেখাগুলি আমাদের অনলাইন নবপ্রভাতের জানুয়ারি ২০২৬ সংখ্যায় প্রকাশ করতে পারি। পত্রিকাটি আগামী ৯-১৩ জানুয়ারি ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি আয়োজিত কলকাতা লিটল ম্যাগাজিন মেলায় (রবীন্দ্র সদন - নন্দন চত্বরে) পাওয়া যাবে। সকলকে ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা।