।। আজব নগরের কথা ।। মিঠুন মুখার্জী আজ থেকে কয়েক শ' বছর আগে আজব নগর নামক একটা জায়গা ছিল। সেখানে সব আজব আজব ঘটনা ঘটত। এই দেশের সকল মানুষ চাইলেই সব চাওয়া পুরন করতে পারতেন। তার জন্য রাজ্যের রাজার কাছে দরবার করতে হতো। রাজা প্রজাদের সমস্ত মনোবাসনা পূরণ করতেন। রাজা অজয় বর্মা খুব দান-ধ্যান করতেন। তাঁর তিন রানী ছিল। তিনজনই খুব সুন্দরী, ফর্সা এবং জ্ঞানী ছিলেন। প্রত্যেক পত্নীর সঙ্গে রাজা আলাদা আলাদা ভাবে সময় দিতেন। তাঁদের প্রত্যেকের জন্য আলাদা আলাদা ঘর ছিল। বড় রানীর নাম রজনী। ফুলের মতো সুন্দর ইনি। স্বভাবেও খুব কোমল প্রকৃতির। এই রানীর এক পুত্র সন্তান ছিল। নাম রবি বর্মা। মেজো রানীর নাম সুদর্শনা। যেমন দেখতে, তেমন গুন ছিল এই রানির। এই রানির একটি মেয়ে ছিল--- নাম রুপা বর্মা। আর ছোট রানীর নাম ছিল গান্ধারী। এই রানীকে দেখতে সুন্দর হলেও মন তেমন সুন্দর ছিল না। তাছাড়া এর কোন সন্তান হয়নি। রাজা অজয় বর্মা এই রানীকে বিবাহ করেছেন মাত্র দুই বছর। এই রানী কালাবিদ্যা জানতেন। তাছাড়া তাঁর বাবা একজন মুনি ছিলেন এবং মা একজন রাক্ষসী। এই খবর কেউ জানত না। গান্ধারীর মা মানুষের ...
: ঘোষণা : এই সংখ্যার নির্বাচিত কিছু লেখা অপ্রকাশিত রয়ে গেল। সেগুলি ১০২তম সংখ্যায় প্রকাশিত হবে। সংখ্যাটি প্রকাশিত হবে আগামী ১৯ আগস্ট ২০২৬ বুধবার রাতে। দেখবেন এই সাইটে: https://www.nabapravat.com/ আগ্রহীরা প্রবন্ধ-নিবন্ধ, প্রতিবেদন-ফিচার, মুক্তগদ্য, স্মৃতিকথা, ভ্রমণকাহিনি পাঠাতে পারেন। (গল্প, কবিতা, ছড়া এই সংখ্যার জন্য পাঠাবেন না।) একসঙ্গে মেলবডিতে লিখে বা পেস্ট করে পাঠাবেন। একই লেখা দুটি মেল আইডিতেই ( nabapravat.online@blogger.com এবং nabapravatblog@gmail.com) পাঠাতে হবে কথাটা স্মরণে রাখবেন। সাবজেক্ট লাইনে লেখার শিরোনাম ও আপনার নাম লিখবেন। প্রয়োজনে কথা বলতে পারেন এই নম্বরে : ৯৪৩৩৩৯৩৫৫৬ (নিরাশাহরণ নস্কর, সম্পাদক, নবপ্রভাত) ............................. সূচিপত্র ----------------- প্রেমের অনন্ত অনুরণন : ক্রিস্টোফার মার্লো ও কাজী নজরুল ইসলাম ।। আহমেদ বেলাল ২৯ জুলাই : বিদ্যাসাগর—একটি যুগের বিবেক, একটি আলোর নাম ।। উৎপল সরকার যাত্রা এবং ফাত্রা লোক ।। অরবিন্দ পুরকাইত দাদা ঠাকুর ও কাজী নজরুলের দ্বিমুখী সখ্যতা ।। আবদুস সালাম দক্ষিণ-পূর্ব এশি...