পৌরাণিক ভারত কথা (পর্ব ১) দীপক পাল রাম, লক্ষ্মণ, ভরত, শত্রুঘ্ন, এদের প্রত্যেকেরই দুটি করে পুত্র ছিল । মহাকোশল রাজ্য এই ৮ জনের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হয় l লবের রাজ্য উত্তর কোশল, রাজধানী শ্রাবস্তী । কোশল বা দক্ষিণ কোশল হলো কুশের রাজ্য, রাজধানী কুশবতী বা কুশস্থলী । ভরতের জ্যেষ্ঠ পুত্র তক্ষ, তক্ষশীলায় গেলেন । কনিষ্ঠ পুত্র পুষ্কর গেলেন পুষ্পাবর্ত বা পুষ্করাবতীতে। লক্ষণের জ্যেষ্ঠ পুত্র সূরসেন যান বিদিশায়। ও কনিষ্ঠ পুত্র সুবাহু মধুরায় রাজধানী স্থাপন করলেন । শ্রাবস্তী অযোধ্যার উত্তর পশ্চিমে, কুশবতী নগরী ছিল বিন্ধাচলের পাদদেশে। বিষ্ণু পুরাণে পাওয়া যায় যে যুবানেশ্বর পুত্র শ্রাবস্ত শ্রাবস্তী নামে পুরী নির্মাণ করেছিলেন। আর আনরতের পুত্র রেবত বাস করেন কুশস্থালী পুরীতে। শরযাতী পিতামহ ছিলেন তার। পূন্যজন নামে রক্ষাসরা এই নগর ধ্বংস করে। পরবর্তীকালে কুশাস্থালীর নাম হয়েছিল দ্বারাকাপুরী। রেবতের পৌত্রী রেবতীর সঙ্গে বিবাহ হয়েছিল কৃষ্ণের বড় ভাই বলরামের। রামায়ণে কুশস্থলীর...
মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র প্রকাশিত হল। যত লেখা রাখা গেল, তার দ্বিগুণ রাখা গেল না। বাদ যাওয়া সব লেখার 'মান' খারাপ এমন নয়। কয়েকটি প্রবন্ধ এবং বেশ কিছু (১৫-১৭টা) ভালোলাগা গল্প শেষ পর্যন্ত রাখা যায়নি। আমাদের সামর্থ্যের কারণে। তবুও শেষ পর্যন্ত দশ ফর্মার পত্রিকা হয়েছে। গত দুবছরের মতো A4 সাইজের পত্রিকা। যাঁদের লেখা রাখা গেল না, তাঁরা লেখাগুলি অন্য জায়গায় পাঠাতে পারেন। অথবা, সম্মতি দিলে আমরা লেখাগুলি আমাদের অনলাইন নবপ্রভাতের জানুয়ারি ২০২৬ সংখ্যায় প্রকাশ করতে পারি। পত্রিকাটি আগামী ৯-১৩ জানুয়ারি ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি আয়োজিত কলকাতা লিটল ম্যাগাজিন মেলায় (রবীন্দ্র সদন - নন্দন চত্বরে) পাওয়া যাবে। সকলকে ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা।