সূচিপত্র প্রবন্ধ-নিবন্ধ-মুক্তগদ্য সাহিত্যে ইতিহাস ও দর্শন ।। রণেশ রায় স-সে-মি-রা ।। কাশীনাথ হালদার বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগ : বঙ্গে শৈব থেকে বৈষ্ণবীয় ধারার ভাবান্তর ।। সুপ্রিয় গঙ্গোপাধ্যায় আগুনে ধাঁধা - বিজ্ঞান না অবিজ্ঞান ।। অনিন্দ্য পাল "কোনখানে রাখবো প্রণাম" ।। শ্রীজিৎ জানা রবীন্দ্রনাথের বিশ্বমানবতাবোধ ।। শেফালি শর ভারতের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রামী বাসুদেব বলয়ান্ত ফাদকে ।। প্রণব কুমার চক্রবর্তী তাহাদের কথা...।। শাশ্বতী মণ্ডল যুদ্ধ- প্রতিপত্তি বৃদ্ধির উদগ্র বাসনার এক অবশ্যম্ভাবী ফল ।। পার্থ সারথি চক্রবর্তী মুর্শিদাবাদ জেলার অর্থনীতিতে নদনদীর প্রভাব ।। আবদুস সালাম নারী ও সমাজ ।। দীপঙ্কর চৌধুরী আলোকসম্পাতঃ দস্যু রত্নাকর থেকে আদি কবি বাল্মীকি ।। প্রদীপ দে দুস্থ কৃতি ছাত্র-ছাত্রীদের প্রতি সহযোগিতার অঙ্গীকার ।। পাভেল আমান গল্প-ছোটগল্প- অণুগল্প ১) সাধুবটতলা ২) তালডোঙা ।। সুদীপ ঘোষাল পাকামাগুর ।। চন্দন মিত্র মোহন পরিবারের দর্শনচিন্তা ।। সৌমেন দে শ্রেণীশত্রু ।। কাকলী দেব আজব নগরের কথা ।। মিঠুন মুখা...
জাতিস্মর আশীষ কুমার বিশ্বাস গল্পের শুরুটা প্রায় ষাট বছর আগের কথা । যার নাম গৌতম, ডাক নাম ছিল বাবু । তার বছর তখন ছয়-সাত হবে । আমরা বা আমি তখন একটু বড় । এক সাথেই চলতো খেলা । গোল্লা ছুট, দাঁড়িয়া বান্দা, চোর-পুলিশ । যে মাঝে মাঝে খেলা থেকে বিরত থাকতো ; সে-ই জাতিস্মর । মাঠের পাশেই ছিল একটা খেঁজুর গাছ । তাতে হাত রেখে দূরের এক গ্রামের দিকে এক মনে তাঁকিয়ে থাকতো "বাবু" । গ্রামটির নাম "বিনয় পল্লী " । মাঝে বড়ো মাঠ । হাঁটা শুরু করলে তিরিশ - চল্লিশ মিনিট লাগবে । মাঝে জলে ভরপুর দেখে কখনো যাওয়া হয়নি । বাবু কে যখন বলতাম, ওপারে কি দেখছিস? ও বলতো, ওখানে আমার ছোট মা থাকে, দিদি থাকে, আমার ভুলু কুকুর থাকে । এ কথা আমাদের বিশ্বাস হতো না । আবার খেলায় ফিরে যেতাম, খেলতাম । কিন্তু ও বসে বসে , ওপারের গাছ পালা , বাড়ি ঘর দেখতো । কাছে গেলে বলতো , ওই যে সবুজ ,কচি কলাপাতা রঙের দালান বাড়ি, ওটাই আমাদের বাড়ি ! এই ভাবে মাস ছয়, বছর গড়াতে লাগলো । মনে প্রশ্ন জাগতে লাগলো, এ টা কি মন গড়া , বা বানিয়ে বানিয়ে বলছে? সত্যি প্রকাশ হোল এক দিন । সে বাড়িতে কিছু ...