সম্পাদকীয় ব্লগ-নবপ্রভাত এক বছর অতিক্রম করে দ্বিতীয় বছরে পা রাখল। বহু মানুষের আশীর্বাদে আমরা আপ্লুত। বেশ কিছু রদবদল আমরা ইতমধ্যে করেছি। প্রতিটি লেখার লিঙ্ক আমাদের ফেসবুক পেজ নবপ্রভাত (https://www.facebook.com/Nabapravat-760081794044853/) -এ পোস্ট করা হচ্ছে। লিঙ্ক যত খুশি শেয়ার করুন। লিঙ্ক-সুত্রে প্রত্যেকের লেখা ব্লগে এসে পড়ুন সবাই। প্রতিটা লেখার শেষে ফেসবুক কমেন্ট-বক্স যুক্ত আছে। আপনারা লেখা সম্বন্ধে মত বিনিময় করুন ওখানে। এখানেই ফেসবুকের মতো কোনও মন্তব্যে লাইক করাও যাবে। প্রতি মাসের সর্বোচ্চ পঠিত লেখাগুলি নিয়ে আমাদের আলাদা একটা ভাবনা আছে। তা সময় মতো ঘোষণা করা হবে। আগামীতে আরও পরিবর্তন আনার প্রচেষ্টা আছে। আকর্ষণীয় করে তুলতে চাই ব্লগটিকে। আপনাদের মতামত পরামর্শ চাই খুল্লামখুল্লা। সকলে খুব ভালো থাকুন। আনন্দে থাকুন। নমস্কার। নিরাশাহরণ নস্কর (সম্পাদক) সূচিপত্র প্রবন্ধ/নিবন্ধ/মুক্তগদ...
অনুর অপেক্ষা নাজিরুল ইসলাম গ্রামের নাম জলামাদুল। গ্রাম বললে অবশ্য ভুলই বলা হবে, আসলে সেটি এক অজপাড়া গাঁ। গ্রামের বেশিরভাগ মানুষ চাষবাস করেই জীবন ধারণ করে। শহরের আধুনিক হাওয়া এখানে এখনো এসে পৌঁছায়নি। কাঁচা-পাকা রাস্তা, তাই বর্ষাকালে জল জমে কাদা প্যাচপ্যাচে হয়ে থাকে। গ্রামে গাছপালা, জলাজমি, পুকুর, ধান রাখার মরাই আর খড়ের গাদা—সবই আছে। এই প্রাকৃতিক সুন্দর পরিবেশে মানুষের সংখ্যা খুব কম। সব মিলিয়ে কুড়ি-বাইশটি ঘর হবে, সবাই সবাইকে চেনে। সন্ধ্যার পর গ্রামের বয়স্ক মানুষেরা একজোট হয়ে আড্ডা জমায়, তারপর হুঁকোয় টান দিতে দিতে যে যার বাড়ি চলে যায়। গ্রামের ঠিক মাঝখানে একটা একলা দোকান—চায়ের দোকান। দোকান বলতে বাঁশের খুঁটি, টালির ছাউনি আর সামনে পাতা দুটো কাঠের বেঞ্চ। দোকানটা চালায় অনু। অনুর বয়স ১৯ কিংবা ২০ হবে। শ্যামবর্ণের রোগাটে চেহারা, গোলগাল মুখ। তবে তার সবচেয়ে আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য হলো জোড়া ভুরুর নিচে একজোড়া নীল চোখের মণি, যা তাকে আর পাঁচটা মানুষের থেকে আলাদা করে। অনু অনাথ। কীভাবে সে মানুষ হয়েছে, সে নিজেও তা ভালো করে জানে না। আপনজন বলতে এক দাদি ছ...