ভিক্ষা কি বন্ধ হবে না? এস এ বিপ্লব,, ভিক্ষুক মানে হলো - ভাসমান, ক্ষুর্ধাত, কাঙাল। বর্তমান সমাজে এই ভাসমান ক্ষুধার্ত কাঙাল একটু বেশি দেখা যায়। আর এ জগত সংসারে কাঙাল কেউ ভালোবাসে না৷ সমাজে এতো সমস্যা যে বলার শেষ নেই।সমাজের চারপাশে তাকালেই সমস্যা আর সমস্যা চোখে পড়ে। তার মধ্যে র্বতমান একটি হলো ভিক্ষা সমস্যা।কেন জানি এ সমস্যা দিন কে দিন বাড়ছেই। এর কারণ কেউ কি খুঁজে বের করেছে। ভিক্ষা কোন পেশা না, এটা হলো অনেকের বেঁচে থাকার অবলম্বন বা বৃত্তি বলা যেতে পারে। আর যারা নিরুপায় তারাই কিন্তু ভিক্ষা কে বৃত্তি করে বেঁচে থাকতে চায়। কিন্ত যখন এটা ব্যবসায় চলে আসে তখন আর বৃত্তি বলা যায় না।আজকালের ভিক্ষাকে আর বৃত্তি বলা যায় না, বরং ব্যবসাই বলা চলে। কারণ বৃত্তি তাদের জন্য যাদের কেউ নেই, যারা জম্ম থেকে অন্ধ, যার দুটি হাত নেই, যার দুটি পা নেই, যার বাড়ি, জমিজমা,সন্তান, অর্থ এমন কি কাজ করার যোগ্যতা হারিয়ে ফেলে।ভিক্ষা হচ্ছে মূলত এদের জন্য।আর এ ধরনের মানুষ সমাজে খুব কম। তাই পূর্বে ভিক্ষা বা ভিক্ষুক খুব কম দেখা যেত। কিন্তু এখন ভিক্ষুক ঘুরে ফিরে দেখাই যায়। ভালো মানুষও ভিক্ষা করে থাকে। বিনা চালানের ব্যবসা...
জাতিস্মর আশীষ কুমার বিশ্বাস গল্পের শুরুটা প্রায় ষাট বছর আগের কথা । যার নাম গৌতম, ডাক নাম ছিল বাবু । তার বছর তখন ছয়-সাত হবে । আমরা বা আমি তখন একটু বড় । এক সাথেই চলতো খেলা । গোল্লা ছুট, দাঁড়িয়া বান্দা, চোর-পুলিশ । যে মাঝে মাঝে খেলা থেকে বিরত থাকতো ; সে-ই জাতিস্মর । মাঠের পাশেই ছিল একটা খেঁজুর গাছ । তাতে হাত রেখে দূরের এক গ্রামের দিকে এক মনে তাঁকিয়ে থাকতো "বাবু" । গ্রামটির নাম "বিনয় পল্লী " । মাঝে বড়ো মাঠ । হাঁটা শুরু করলে তিরিশ - চল্লিশ মিনিট লাগবে । মাঝে জলে ভরপুর দেখে কখনো যাওয়া হয়নি । বাবু কে যখন বলতাম, ওপারে কি দেখছিস? ও বলতো, ওখানে আমার ছোট মা থাকে, দিদি থাকে, আমার ভুলু কুকুর থাকে । এ কথা আমাদের বিশ্বাস হতো না । আবার খেলায় ফিরে যেতাম, খেলতাম । কিন্তু ও বসে বসে , ওপারের গাছ পালা , বাড়ি ঘর দেখতো । কাছে গেলে বলতো , ওই যে সবুজ ,কচি কলাপাতা রঙের দালান বাড়ি, ওটাই আমাদের বাড়ি ! এই ভাবে মাস ছয়, বছর গড়াতে লাগলো । মনে প্রশ্ন জাগতে লাগলো, এ টা কি মন গড়া , বা বানিয়ে বানিয়ে বলছে? সত্যি প্রকাশ হোল এক দিন । সে বাড়িতে কিছু ...