আবৃত্তির কবিতা ।। আকাশ চোর ।। রতন তনু ঘাঁটি ।। lyrics লিরিক্স আকাশ চোর রতন তনু ঘাঁটি পরীক্ষা শেষ এবার হাতে মাস খানেকের ছুটি বাবা বললেন মাকে ডেকে, এবার চলো উটি আমি বললাম, না না বাপি উটি অনেক দূর এবার চলো সেই যেখানে আকাশ সমুদ্দুর কোথায় সেটি, বাবা বললেন, বল না দেখি খুঁজে আমি বললাম, বলতে পারি এক্ষুনি চোখ বুজে হাওড়া থেকে লোকাল ট্রেনে মেচেদা নামলাম সেখান থেকে বাস যাচ্ছে সিঁদুরটিয়া গ্রাম বাবা বললেন, ওহ সে তোর ছোট পিসির বাড়ি আমি বললাম, এই ছুটিতে সেখানে যেতে পারি! বাবা তখন মাকে ডাকলেন, কই গো এসো, শোনো দোলার বাড়ি লম্বা ছুটির মানে নেই তো কোনো ওরাই যাক না দু'ভাই বোনে আসুক ঘুরে টুরে ওদের নিতে ডেকে পাঠাই টুকাই কুংকুরে বোন বলল, নদী পেরোনো হাটু ভর্তি কাদা? আমার যেতে ইচ্ছে তো নেই যাক না একা দাদা ওরা যখন ছুটবে মাঠে বিল্টু ও বঙ্কুতে আমি তখন থাকব ডুবে ফেলুদা শঙ্কুতে অনেক টানাপড়েন শেষে ট্রেনের পরে বাসে নেমেই দেখি হলদি জলে মেঘরা ভেসেআসে একটু পরে তাকিয়ে আমি মেঘগুলোকে খুঁজি ...
অনুর অপেক্ষা নাজিরুল ইসলাম গ্রামের নাম জলামাদুল। গ্রাম বললে অবশ্য ভুলই বলা হবে, আসলে সেটি এক অজপাড়া গাঁ। গ্রামের বেশিরভাগ মানুষ চাষবাস করেই জীবন ধারণ করে। শহরের আধুনিক হাওয়া এখানে এখনো এসে পৌঁছায়নি। কাঁচা-পাকা রাস্তা, তাই বর্ষাকালে জল জমে কাদা প্যাচপ্যাচে হয়ে থাকে। গ্রামে গাছপালা, জলাজমি, পুকুর, ধান রাখার মরাই আর খড়ের গাদা—সবই আছে। এই প্রাকৃতিক সুন্দর পরিবেশে মানুষের সংখ্যা খুব কম। সব মিলিয়ে কুড়ি-বাইশটি ঘর হবে, সবাই সবাইকে চেনে। সন্ধ্যার পর গ্রামের বয়স্ক মানুষেরা একজোট হয়ে আড্ডা জমায়, তারপর হুঁকোয় টান দিতে দিতে যে যার বাড়ি চলে যায়। গ্রামের ঠিক মাঝখানে একটা একলা দোকান—চায়ের দোকান। দোকান বলতে বাঁশের খুঁটি, টালির ছাউনি আর সামনে পাতা দুটো কাঠের বেঞ্চ। দোকানটা চালায় অনু। অনুর বয়স ১৯ কিংবা ২০ হবে। শ্যামবর্ণের রোগাটে চেহারা, গোলগাল মুখ। তবে তার সবচেয়ে আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য হলো জোড়া ভুরুর নিচে একজোড়া নীল চোখের মণি, যা তাকে আর পাঁচটা মানুষের থেকে আলাদা করে। অনু অনাথ। কীভাবে সে মানুষ হয়েছে, সে নিজেও তা ভালো করে জানে না। আপনজন বলতে এক দাদি ছ...