আবৃত্তির কবিতা ।। আকাশ চোর ।। রতন তনু ঘাঁটি ।। lyrics লিরিক্স আকাশ চোর রতন তনু ঘাঁটি পরীক্ষা শেষ এবার হাতে মাস খানেকের ছুটি বাবা বললেন মাকে ডেকে, এবার চলো উটি আমি বললাম, না না বাপি উটি অনেক দূর এবার চলো সেই যেখানে আকাশ সমুদ্দুর কোথায় সেটি, বাবা বললেন, বল না দেখি খুঁজে আমি বললাম, বলতে পারি এক্ষুনি চোখ বুজে হাওড়া থেকে লোকাল ট্রেনে মেচেদা নামলাম সেখান থেকে বাস যাচ্ছে সিঁদুরটিয়া গ্রাম বাবা বললেন, ওহ সে তোর ছোট পিসির বাড়ি আমি বললাম, এই ছুটিতে সেখানে যেতে পারি! বাবা তখন মাকে ডাকলেন, কই গো এসো, শোনো দোলার বাড়ি লম্বা ছুটির মানে নেই তো কোনো ওরাই যাক না দু'ভাই বোনে আসুক ঘুরে টুরে ওদের নিতে ডেকে পাঠাই টুকাই কুংকুরে বোন বলল, নদী পেরোনো হাটু ভর্তি কাদা? আমার যেতে ইচ্ছে তো নেই যাক না একা দাদা ওরা যখন ছুটবে মাঠে বিল্টু ও বঙ্কুতে আমি তখন থাকব ডুবে ফেলুদা শঙ্কুতে অনেক টানাপড়েন শেষে ট্রেনের পরে বাসে নেমেই দেখি হলদি জলে মেঘরা ভেসেআসে একটু পরে তাকিয়ে আমি মেঘগুলোকে খুঁজি ...
জাতিস্মর আশীষ কুমার বিশ্বাস গল্পের শুরুটা প্রায় ষাট বছর আগের কথা । যার নাম গৌতম, ডাক নাম ছিল বাবু । তার বছর তখন ছয়-সাত হবে । আমরা বা আমি তখন একটু বড় । এক সাথেই চলতো খেলা । গোল্লা ছুট, দাঁড়িয়া বান্দা, চোর-পুলিশ । যে মাঝে মাঝে খেলা থেকে বিরত থাকতো ; সে-ই জাতিস্মর । মাঠের পাশেই ছিল একটা খেঁজুর গাছ । তাতে হাত রেখে দূরের এক গ্রামের দিকে এক মনে তাঁকিয়ে থাকতো "বাবু" । গ্রামটির নাম "বিনয় পল্লী " । মাঝে বড়ো মাঠ । হাঁটা শুরু করলে তিরিশ - চল্লিশ মিনিট লাগবে । মাঝে জলে ভরপুর দেখে কখনো যাওয়া হয়নি । বাবু কে যখন বলতাম, ওপারে কি দেখছিস? ও বলতো, ওখানে আমার ছোট মা থাকে, দিদি থাকে, আমার ভুলু কুকুর থাকে । এ কথা আমাদের বিশ্বাস হতো না । আবার খেলায় ফিরে যেতাম, খেলতাম । কিন্তু ও বসে বসে , ওপারের গাছ পালা , বাড়ি ঘর দেখতো । কাছে গেলে বলতো , ওই যে সবুজ ,কচি কলাপাতা রঙের দালান বাড়ি, ওটাই আমাদের বাড়ি ! এই ভাবে মাস ছয়, বছর গড়াতে লাগলো । মনে প্রশ্ন জাগতে লাগলো, এ টা কি মন গড়া , বা বানিয়ে বানিয়ে বলছে? সত্যি প্রকাশ হোল এক দিন । সে বাড়িতে কিছু ...