এই মুহুর্তে বাংলা সাহিত্যে নারীদের লেখালেখি নিবেদিতা দে "আমি প্রকৃতি আমি সৃষ্টি আমিই নারী।" প্রত্যেক নারীর মধ্যেই সৃষ্টির এক সহজাত প্রবৃত্তি আছে। আপনি বাজার থেকে কাঁচা সবজি এনে দিন, নারী তার হাতের স্পর্শে ও গুণে সুস্বাদু খাবার করে আপনাকে যত্ন করে খাওয়াবেন। দীর্ঘ প্রসব যন্ত্রণা ভোগ করে নারীই শিশুকে পৃথিবীর বুকে আলো দেখান। ঘরে বাইরে সংসারে সর্বক্ষেত্রে নারীদের সহনশীলতা ধৈর্য্য মেনে নেওয়া মানিয়ে নেবার কাহিনী আমরা সেই কবে থেকেই শুনে আসছি। তবে সবক্ষেত্রেই ব্যতিক্রম আছে। নারীরা এখন অনেক প্রতিবাদী হয়ে উঠেছেন। নারী তার ক্ষুরধার লেখনী তে মনের ভাব প্রকাশ করছেন লেখনীর মাধ্যমে অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াচ্ছেন। এ যেন এক নবজাগরণ বাংলা সাহিত্যে নারীদের লেখা লেখিতে। ঈশ্বরের পৃথিবীতে, অন্যান প্রাণীদের মতোই মানুষ নামক জীবের সৃষ্টি পৃথিবীর বুকে সর্বশ্রেষ্ঠ সৃষ্টি। মানুষের একটা মন আছে, আবেগ আছে, আছে অনুভূতি ও অনন্য অনুভব। তাই তো মানুষ নিজের মাতৃভাষায় কথা বলেন ও মনে ভাব প্রকাশ করেন। কালি কলম ও মনন এর মাধ্যমে আমরা নিজেদের মনের কথা কলমে ফুটিয়ে তুলি। পৃথিবীতে কথা শক্তি হলো সবচেয়ে বড়ো শক...
মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র প্রকাশিত হল। যত লেখা রাখা গেল, তার দ্বিগুণ রাখা গেল না। বাদ যাওয়া সব লেখার 'মান' খারাপ এমন নয়। কয়েকটি প্রবন্ধ এবং বেশ কিছু (১৫-১৭টা) ভালোলাগা গল্প শেষ পর্যন্ত রাখা যায়নি। আমাদের সামর্থ্যের কারণে। তবুও শেষ পর্যন্ত দশ ফর্মার পত্রিকা হয়েছে। গত দুবছরের মতো A4 সাইজের পত্রিকা। যাঁদের লেখা রাখা গেল না, তাঁরা লেখাগুলি অন্য জায়গায় পাঠাতে পারেন। অথবা, সম্মতি দিলে আমরা লেখাগুলি আমাদের অনলাইন নবপ্রভাতের জানুয়ারি ২০২৬ সংখ্যায় প্রকাশ করতে পারি। পত্রিকাটি আগামী ৯-১৩ জানুয়ারি ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি আয়োজিত কলকাতা লিটল ম্যাগাজিন মেলায় (রবীন্দ্র সদন - নন্দন চত্বরে) পাওয়া যাবে। সকলকে ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা।