[কল্পনার গল্পকথা ইমাজিটাউনের উপকথা] ভাসমান শহরে একদিন অরুণ চট্টোপাধ্যায় দিদি তো বলেই খালাস তার বাড়িতে যাবার কথা। কিন্তু সদ্য গ্র্যাজুয়েট হওয়া দীপকের মাথার অবস্থা এখন সেই 'হর্নস অন এ ডিলেমা'র মত। সে এখন পোস্ট গ্র্যাজুয়েট হবার জন্যে ইউনিভার্সিটিতে ঘুর ঘুর করবে নাকি চাকরির সন্ধানে এদিক সেদিক ঘুরে বেড়াবে? এই সিদ্ধান্ত কিছুতেই নিতে পারছে না। মনের মধ্যে থেকে কেউ বলছে কেন তুই পোস্ট গ্র্যাজুয়েটের জন্যে খামোকা দুটো বছর নষ্ট করবি? বুঝতেই তো পারছিস দেশের চাকরির অবস্থা। এই দুটো বছরে চাকরির বাজারে কত লক্ষ চাকরিপ্রার্থীর পেছনে পড়ে যাবি বল তো? সত্যিই তো সে এখন কোন দিকে যায়। জামাইবাবু অবশ্য অভয় দিয়েছে, শালাবাবু তুমি নির্ভয়ে এম-এস-সিটা কর। তারপর গবেষণা। দেশে চাকুরে অনেক পাবে কিন্তু বিজ্ঞানী পাওয়াটা খুব জরুরি। আর দেশের উন্নতিতে বিজ্ঞানীর অবদানের কথা তোমার মত বিজ্ঞানের গ্র্যাজুয়েট ছেলেকে বোঝাতে হবে না নিশ্চয়? জামাইবাবু নিজে একজন বিজ্ঞানী। তাই সে চায় তার দলে লোক বাড়ুক। দীপকের নিজের ইচ্ছেও তো কম নয়। আবার একজন বলল, তোর ভা...
দাদা ঠাকুর ও কাজী নজরুলের দ্বিমুখী সখ্যতা আবদুস সালাম কাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে দাদাঠাকুরের পরিচয় কীভাবে হয়, সেই প্রসঙ্গে আলোকপাত করেন আবদুল আযীয আল-আমান। তাঁর লেখা থেকে জানা যায়, নলিনীকান্ত সরকার মহাশয়ের মাধ্যমে দাদাঠাকুরের সঙ্গে নজরুলের প্রথম পরিচয় হয়। নজরুলের ‘বিদ্রোহী’ কবিতা তখনও প্রকাশিত হয়নি। মোসলেম ভারতে প্রকাশিত কবির কয়েকটি কবিতা নিয়ে বাংলার সাহিত্যিক, কবি, পাঠক, সমালোচক মহলে রীতিমতো উঠেছে আলোড়ন। সেই সময় দাদাঠাকুরের সঙ্গে নজরুলের প্রথম আলাপ। *"দাদাঠাকুর" ওরফে শরৎচন্দ্র পণ্ডিত – ১৯ শতকের শেষ আর ২০ শতকের প্রথম দিকের এক তুখোড় ব্যঙ্গকার, সাংবাদিক এবং নাট্যকার। উনার "জঙ্গম" পত্রিকা তখন কলকাতার সাহিত্য-রাজনীতির আখড়া ।সবাই মুখিয়ে থাকতো কখন আসছে “জঙ্গম”। সারাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আর শ্লেষাত্মক ছড়া। কাজী নজরুল ইসলাম তখন সদ্য সাহিত্য জগতে এসেছেন। এসেই সাহিত্যের আঙিনায় তুলেছেন ঝড়। অসহ্য।কোথাকার এক গেঁয়ো- ভূত এসে তছনছ করে দিচ্ছে সব হিসেব । কিছুতেই কেউ যেন মেলাতে পারছে না অঙ্ক ।বিভিন্ন আলাপ আলোচনা ও সমসাময়িক বহু কলমচীর কথায় উঠে আসে দাদা ঠাকুর ও নজরুল প্রসঙ...