
হৃদয় ঘটিত
চঞ্চল পাণ্ডে
প্রেমে পড়া আর গর্তে পড়া দুটোর মধ্যে আমার মনে হয় না মৌলিক পার্থক্য আছে। গর্তে পড়লে হাড়গোড় ভাঙে আর প্রেমে পড়লে ভাঙে মন। আর দুই ভাঙনেই মানুষ কমবেশি সিমপ্যাথি দেখায়।
আমার প্রথম প্রেমিকা ছিলো পাশের পাড়ার টুনি তখন আমি ক্লাস নাইনের ছাত্র। আর টুনি সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী টুনি দেখতে কেমন ছিলো সেটা এখন আর মনে নেই তবে তার বাবার সাইজটা বেশ মনে আছে। লম্বায় ছয় ফুট চওড়ায় প্রায় সাড়ে তিন ফুট। দশাশই চেহারা। টুনিকে লেখা আমার প্রথম প্রেমপত্র তার হাতে পড়ায় টুনি কে তার বাবার কান মলা খেতে হয়েছিলো। সে খবর বন্ধু মারফৎ পাবার পর আমার প্রথম প্রেমের সেখানেই ইতি।
তারপর কলেজে পড়ার সময় সহপাঠিনী সুন্দরী তন্বী পাপিয়াকে প্রপোজ করে বসলাম।পাপিয়া আমায় জিজ্ঞেস করলো তুমি কি আমায় সারা জীবন খাওয়াতে পারবে আমি বীরদর্পে বললাম অবশ্যই প্রয়োজনে নিজের রক্ত জল করে তোমায় খাওয়াবো পাপিয়া হাসিমুখে জবাব দিলো বেশ আমি রাজি। তারপর একদিন তার সঙ্গে তুমুল ঝগড়া হয়েছিলো কারণ নতুন শাড়ি পরে তাকে কেমন দেখাছে তার এই প্রশ্নের উত্তরে বলেছিলাম নাইস। তার কথা হলো নাইস কেন বলবো কেন গর্জাস অসাম এক্সসেলেন্ট বা নিদেনপক্ষে ঝাক্কাস বলবো না। সেই দিন বুঝলাম অভিধান বা অভিধান বহির্ভূত সব বিশেষণ মুখস্থ না করলে প্রেম করা সম্ভব না। দ্বিতীয় প্রেমের পরিসমাপ্তি সেখানেই।
তারপর আর ও পথ মাড়াইনি।এ খন রাস্তা দিয়ে যখন কোনো প্রেমিক যুগলকে হাত ধরে হাঁটতে দেখি তখন মনে মনে বলি বৎসরা এগিয়ে যাও। সামনেই বড় গর্ত অপেক্ষা করছে।
প্রেম চিরকাল থাকুক কবিতায় আর উপন্যাসে আমার পকেটে আপাতত শান্তিটাই থাক।
প্রেম চিরকাল থাকুক কবিতায় আর উপন্যাসে আমার পকেটে আপাতত শান্তিটাই থাক।
=============
চঞ্চল পাণ্ডে
হেমপ্রভা কুটির
নওদা ব্লক মুর্শিদাবাদ
৭৪২১২১
চঞ্চল পাণ্ডে
হেমপ্রভা কুটির
নওদা ব্লক মুর্শিদাবাদ
৭৪২১২১
Comments
Post a Comment