( উপন্যাসিকা ) উদয় ত পন তরফদার কলকাতার অনেক জায়গা বিভিন্ন কারনে প্রসিদ্ধ হয়ে যায় । ডেকার্স লেন । নাম শুনেই চোখ বুঁজে বলে দেওয়া যায় ওখানে প্রসিদ্ধ ডেকরেটারদের আস্থানা । ডাঁহা ভুল । ওটার অঘোষিত অথচ সর্বজনবিদিত নাম - খাও গলি । কলকাতার অফিস পাড়ার অফিস বাবুদের পেটপূজার বা ভুড়িভোজের সর্বোত্তম তীর্থ ক্ষেত্র এই ডেকার্স লেন । অফিসের এক ঘেয়েমির যন্ত্রণা , এটুঁলি পোকার মত সর্বক্ষণ লেগে থাকা বুক চিন চিন করার একঘেয়েমি ভাবনায় কিছুক্ষণের জন্য বিশুদ্ধ অক্সিজেনের যোগান দেয় এই খাবার বিক্রেতারা । দোকানের কোনো সাইনবোর্ডের দরকার হয়না । চকচকে সবুজ কলাপাতায় লুচি , ডাল , ক্ষীরের শিঙাড়া দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে তৃপ্তি করে খায় আর তাকিয়ে থাকে গণেশ ঘোষের দোকানের ক্যাশবাক্সে বসে কে । বসে গণেশের বড় ছেলে অসীম । এই অসীম সিনেমায় অভিনয় করবে বলে স্টুডিয়ো পাড়ায় ঘুরঘুর করতো । ভাগ্যে শিকে ছিঁড়ে যায় । পরিচালক তপন সিংহ ওকে পছন্দ করে ভিলেনের ভূমিকায় । ব্যাস , এক কোপেতেই ঠান্ডা । ক্ষীরের শিঙড়ার সঙ্গে ...
মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র প্রকাশিত হল। যত লেখা রাখা গেল, তার দ্বিগুণ রাখা গেল না। বাদ যাওয়া সব লেখার 'মান' খারাপ এমন নয়। কয়েকটি প্রবন্ধ এবং বেশ কিছু (১৫-১৭টা) ভালোলাগা গল্প শেষ পর্যন্ত রাখা যায়নি। আমাদের সামর্থ্যের কারণে। তবুও শেষ পর্যন্ত দশ ফর্মার পত্রিকা হয়েছে। গত দুবছরের মতো A4 সাইজের পত্রিকা। যাঁদের লেখা রাখা গেল না, তাঁরা লেখাগুলি অন্য জায়গায় পাঠাতে পারেন। অথবা, সম্মতি দিলে আমরা লেখাগুলি আমাদের অনলাইন নবপ্রভাতের জানুয়ারি ২০২৬ সংখ্যায় প্রকাশ করতে পারি। পত্রিকাটি আগামী ৯-১৩ জানুয়ারি ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি আয়োজিত কলকাতা লিটল ম্যাগাজিন মেলায় (রবীন্দ্র সদন - নন্দন চত্বরে) পাওয়া যাবে। সকলকে ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা।