বেদ পুরাণে জগৎ সৃষ্টির কথা দীপক পাল অব্যয় অব্যক্ত চিরন্তন সর্বসৃষ্টিকর্তা সর্বচরাচরব্যপী সয়মভূ পুরুষ শ্রীনারায়ণ নাম চিহ্নের অতীত। তিনি অদৃশ্য আদি অন্তহীন, কালের ও সীমার অতীত। তার থেকেই সৃষ্টি হয় ব্রহ্মা। ব্রহ্মাই জীবসমূহের স্রষ্টা ও পালক তাই প্রজাপতি। বেদ ও পুরাণানুযায়ী , মরিচ, অত্রী, পুলহ, পুলস্ত,ক্রতু, অঙ্গীরা, বশিষ্ট এই সপ্ত ঋষি এবং দক্ষ, ভৃগু ও নারদ এই দশজন ব্রহ্মার মানসপুত্র এবং প্রজাপতি বলে। শ্রীমতভগবত অনুযায়ী মানসপুত্র পমরিচ মহরষি কর্মের কন্যা কলাকে বিবাহ করেন। তার গর্ভে মহরষী কশ্যপের জন্ম হয়। মৎস্য পুরাণানুযায়ী ব্রহ্মা নয়টি মানসপুত্র সৃষ্টি করার পর শতরূপা নামে এক কন্যা সৃষ্টি করেন। পরে তিনি তাকেই বিয়ে করেন। শতরূপার গর্ভে সয়মভূ মনুর জন্ম হয়। কালে শতরূপার গর্ভে মনুর প্রিয়ব্রত ও উত্তানপদ নামে দুটি পুত্র এবং আকুতি, দেবাহুতি ও প্রসূতি নামে তিন কন্যার জন্ম হয়। মনুদের পুত্র কন্যা...
মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র প্রকাশিত হল। যত লেখা রাখা গেল, তার দ্বিগুণ রাখা গেল না। বাদ যাওয়া সব লেখার 'মান' খারাপ এমন নয়। কয়েকটি প্রবন্ধ এবং বেশ কিছু (১৫-১৭টা) ভালোলাগা গল্প শেষ পর্যন্ত রাখা যায়নি। আমাদের সামর্থ্যের কারণে। তবুও শেষ পর্যন্ত দশ ফর্মার পত্রিকা হয়েছে। গত দুবছরের মতো A4 সাইজের পত্রিকা। যাঁদের লেখা রাখা গেল না, তাঁরা লেখাগুলি অন্য জায়গায় পাঠাতে পারেন। অথবা, সম্মতি দিলে আমরা লেখাগুলি আমাদের অনলাইন নবপ্রভাতের জানুয়ারি ২০২৬ সংখ্যায় প্রকাশ করতে পারি। পত্রিকাটি আগামী ৯-১৩ জানুয়ারি ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি আয়োজিত কলকাতা লিটল ম্যাগাজিন মেলায় (রবীন্দ্র সদন - নন্দন চত্বরে) পাওয়া যাবে। সকলকে ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা।